রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:০১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, June 19, 2017 2:36 pm
A- A A+ Print

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

cabinet_49984_1497859195_140410

ঢাকা: জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই নীতিমালার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। শফিউল আলম বলেন, সরকার আগে থেকেই জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যমকে একটি নীতিমালার অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ সেটার খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলো। তিনি বলেন, অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে চলমান প্রায় ২ হাজার অনলাইন গণমাধ্যমকে সরকারের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর এখন তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষা। মন্ত্রণালয় গেজেট প্রকাশ করলেই এটি কার্যকর হবে। খসড়া অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী গঠিত জাতীয় সম্প্রচার কমিশনই অনলাইন গণমাধ্যম পরিচালনা করবে।  জারি করা বিধি-বিধান যথাযথভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তাও ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এই কমিশন। সব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত বা প্রচারিত সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে ৬ মাস বা এক বছর পরপর প্রতিবেদন নেবে কমিশন। পরবর্তীতে তা পেশ করা হবে সরকারের কাছে। যে কোনো অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনও করবেন তারা। নীতিমালা পরিপন্থী তথ্য প্রকাশ এবং দেশের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পেলে সংশ্লিষ্ট অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেবে কমিশন। স্বপ্রণোদিতভাবেও তারা এই কাজ করতে পারবে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করবে সরকারকে। এছাড়া কমিশন আইনের বাস্তবায়ন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, বিধিবিধান প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নেবে। অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের জন্য একটি অনুসরণীয় নিয়মকানুনও তৈরি করবে কমিশন। সংবাদপত্রের জন্য ১৯৭৩ সালের প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস অ্যক্ট থাকলেও অনলাইন পত্রিকা পরিচালনার জন্য দেশে কোনো আইন, নীতিমালা ও অধ্যাদেশ ছিলো না। ২০১২ সালে সরকার একটি খসড়া তৈরি করলেও তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। এরপর অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশ ও সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। অনলাইন গণমাধ্যমকে নিবন্ধন দিতে এরইমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করেছে সরকার।

Comments

Comments!

 অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

Monday, June 19, 2017 2:36 pm
cabinet_49984_1497859195_140410

ঢাকা: জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই নীতিমালার অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

শফিউল আলম বলেন, সরকার আগে থেকেই জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যমকে একটি নীতিমালার অধীনে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ সেটার খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলো।

তিনি বলেন, অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে চলমান প্রায় ২ হাজার অনলাইন গণমাধ্যমকে সরকারের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর এখন তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষা। মন্ত্রণালয় গেজেট প্রকাশ করলেই এটি কার্যকর হবে।

খসড়া অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী গঠিত জাতীয় সম্প্রচার কমিশনই অনলাইন গণমাধ্যম পরিচালনা করবে।  জারি করা বিধি-বিধান যথাযথভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তাও ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এই কমিশন।

সব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত বা প্রচারিত সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে ৬ মাস বা এক বছর পরপর প্রতিবেদন নেবে কমিশন। পরবর্তীতে তা পেশ করা হবে সরকারের কাছে। যে কোনো অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনও করবেন তারা।

নীতিমালা পরিপন্থী তথ্য প্রকাশ এবং দেশের বিদ্যমান আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে পেলে সংশ্লিষ্ট অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেবে কমিশন। স্বপ্রণোদিতভাবেও তারা এই কাজ করতে পারবে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করবে সরকারকে।

এছাড়া কমিশন আইনের বাস্তবায়ন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, বিধিবিধান প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নেবে। অনলাইন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের জন্য একটি অনুসরণীয় নিয়মকানুনও তৈরি করবে কমিশন।

সংবাদপত্রের জন্য ১৯৭৩ সালের প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশনস অ্যক্ট থাকলেও অনলাইন পত্রিকা পরিচালনার জন্য দেশে কোনো আইন, নীতিমালা ও অধ্যাদেশ ছিলো না। ২০১২ সালে সরকার একটি খসড়া তৈরি করলেও তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

এরপর অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশ ও সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।

অনলাইন গণমাধ্যমকে নিবন্ধন দিতে এরইমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করেছে সরকার।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X