শনিবার, ২৭শে মে, ২০১৭ ইং, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:৪০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, February 14, 2017 11:24 pm
A- A A+ Print

অনলাইন দুনিয়ায় কতটুকু নিরাপদ আপনার শিশু?

190876_176

ইন্টারটের কল্যাণে আজ আমাদের সবার জন্য অসীম তথ্যভাণ্ডার এবং বিনোদনের সীমাহীন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এই দুনিয়ার বাইরে নয় আমাদের শিশুরা। আপনার শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য ইন্টারনেটের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তবে সামান্য অসচেতন হলেই ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলোতে আকৃষ্ট হতে পারে শিশুরা। এজন্য শিশুদের ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে সরিয়ে না দিয়ে সময়োপযোগী কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করুন। প্রয়োজনে আপনার শিশুর জন্য আলাদা আলাদা লগইন আইডি এবং পাসওয়ার্ডের ব্যবস্থা করুন। এতে প্রয়োজন হলে ইন্টারনেটে প্রত্যেক শিশুর অ্যাক্টিভিটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়। বাসায় ব্যবহৃত ইন্টারনেট-সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। এতে ইন্টারনেটে গেম বা পছন্দের কোনো কনটেন্ট দেখার সময় অনাকাক্সিক্ষত কোনো সাইটে প্রবেশ করতে না পারে শিশুরা, যা তাদের মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের সর্বাধিক নিরাপত্তা জোরদারে শিশুদের সাহায্য করুন। এ ছাড়া সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুধু পরিচিতদের সাথে কথা বলার সুযোগ দিন শিশুদের। পপ-আপ ব্লক করুন এবং ওয়েবক্যাম ও জিপিএস সিস্টেম ডিসঅ্যাবল করে রাখুন। শিশুরা কম্পিউটার ব্যবহার করে সাধারণত গেম খেলা এবং ভিডিও দেখার জন্য। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট বন্ধ রাখুন। অভিভাবকের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মধ্যে রেখে নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট ব্যবহারের সুযোগ দিন এবং প্রতিদিন কম্পিউটার ব্যবহারের সময়সীমা ঠিক করে দিন। শিশুকে ইন্টারনেট ব্যবহারের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় শিক্ষা দিন। অনলাইনে তারা কার সাথে কথা বলছে এবং কথা বলার ধরন সম্পর্কে সতর্ক করুন। এছাড়া ইন্টারনেট একজন মানুষকে কোন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত শিক্ষা দিন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যাতে তারা বাস্তব জীবনের সাথে বেমানান কিছু করতে আগ্রহী হয়ে না ওঠে। ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় যাতে বিনামূল্যের কোনো চমকপ্রদ অফার গ্রহণে আগ্রহী না হয়, সে বিষয়ে শিশুকে সতর্ক করুন। বাস্তবিকই এ ধরনের অফারের মাধ্যমে এমবেডেড কুকিজ এবং ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে থাকে সাইবার অপরাধীরা। ভুল করেও যাতে এ ধরনের লিংকে ক্লিক না করে, সে বিষয়ে বুঝিয়ে বলুন। সমসাময়িক সাইবার ইস্যু নিয়ে ভালো-মন্দ দিকগুলো খোলামেলা আলোচনা করুন শিশুর সাথে। অনুসন্ধানের চেষ্টা করুন বাস্তবে ইন্টারনেট ব্যবহারে কোন ধরনের প্রভাব পড়ছে আপনার শিশুর ওপর। আপনার সন্তান কোনো অস্বাভাবিক আচরণ করছে কিনা, তা খেয়াল করুণ। প্রয়োজনে জিজ্ঞেস করুন সে বা তার কোনো বন্ধু সাইবার সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে কিনা। বিনামূল্যের অফার সম্পর্কে সতর্ক করুন কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার অন্য সাধারণ পাবলিক প্লেসের মতোই উন্মুক্ত। তাই অনলাইনে অবস্থানকালীন নজর রাখুন শিশুর প্রতিটি কার্যকলাপের ওপর। সে কী করছে, কোথায় ঢুঁ মারছে, সবকিছু নজরদারিতে রাখুন। বর্তমানে প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে। শিক্ষা, বিনোদন ও যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ইন্টারনেটের তুলনা হয় না। তবে অবশ্যই এর ইতিবাচক দিকগুলোর বিষয়ে উৎসাহিত করতে হবে শিশুদের। ইন্টারনেট দুনিয়ার কোনো কনটেন্টে প্রবেশের আগে ভাবতে শেখান শিশুকে। যাতে সে নিজে থেকেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে কোনটা ইতিবাচক আর কোনটা নয়। শিশুর অনলাইন অ্যাক্টিভিটি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করুন। এতে নেতিবাচক কোনো কনটেন্ট প্রদর্শিত হলে তা অনায়াসে প্রকাশ করবে শিশু। ফলে এ ধরনের কনটেন্টে প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
 

Comments

Comments!

 অনলাইন দুনিয়ায় কতটুকু নিরাপদ আপনার শিশু?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

অনলাইন দুনিয়ায় কতটুকু নিরাপদ আপনার শিশু?

Tuesday, February 14, 2017 11:24 pm
190876_176

ইন্টারটের কল্যাণে আজ আমাদের সবার জন্য অসীম তথ্যভাণ্ডার এবং বিনোদনের সীমাহীন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এই দুনিয়ার বাইরে নয় আমাদের শিশুরা। আপনার শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য ইন্টারনেটের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তবে সামান্য অসচেতন হলেই ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলোতে আকৃষ্ট হতে পারে শিশুরা। এজন্য শিশুদের ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে সরিয়ে না দিয়ে সময়োপযোগী কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।

শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করুন। প্রয়োজনে আপনার শিশুর জন্য আলাদা আলাদা লগইন আইডি এবং পাসওয়ার্ডের ব্যবস্থা করুন। এতে প্রয়োজন হলে ইন্টারনেটে প্রত্যেক শিশুর অ্যাক্টিভিটি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়।
বাসায় ব্যবহৃত ইন্টারনেট-সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। এতে ইন্টারনেটে গেম বা পছন্দের কোনো কনটেন্ট দেখার সময় অনাকাক্সিক্ষত কোনো সাইটে প্রবেশ করতে না পারে শিশুরা, যা তাদের মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের সর্বাধিক নিরাপত্তা জোরদারে শিশুদের সাহায্য করুন। এ ছাড়া সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুধু পরিচিতদের সাথে কথা বলার সুযোগ দিন শিশুদের। পপ-আপ ব্লক করুন এবং ওয়েবক্যাম ও জিপিএস সিস্টেম ডিসঅ্যাবল করে রাখুন।
শিশুরা কম্পিউটার ব্যবহার করে সাধারণত গেম খেলা এবং ভিডিও দেখার জন্য। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট বন্ধ রাখুন। অভিভাবকের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মধ্যে রেখে নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট ব্যবহারের সুযোগ দিন এবং প্রতিদিন কম্পিউটার ব্যবহারের সময়সীমা ঠিক করে দিন।
শিশুকে ইন্টারনেট ব্যবহারের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় শিক্ষা দিন। অনলাইনে তারা কার সাথে কথা বলছে এবং কথা বলার ধরন সম্পর্কে সতর্ক করুন। এছাড়া ইন্টারনেট একজন মানুষকে কোন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত শিক্ষা দিন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যাতে তারা বাস্তব জীবনের সাথে বেমানান কিছু করতে আগ্রহী হয়ে না ওঠে।
ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় যাতে বিনামূল্যের কোনো চমকপ্রদ অফার গ্রহণে আগ্রহী না হয়, সে বিষয়ে শিশুকে সতর্ক করুন। বাস্তবিকই এ ধরনের অফারের মাধ্যমে এমবেডেড কুকিজ এবং ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে থাকে সাইবার অপরাধীরা। ভুল করেও যাতে এ ধরনের লিংকে ক্লিক না করে, সে বিষয়ে বুঝিয়ে বলুন।
সমসাময়িক সাইবার ইস্যু নিয়ে ভালো-মন্দ দিকগুলো খোলামেলা আলোচনা করুন শিশুর সাথে। অনুসন্ধানের চেষ্টা করুন বাস্তবে ইন্টারনেট ব্যবহারে কোন ধরনের প্রভাব পড়ছে আপনার শিশুর ওপর। আপনার সন্তান কোনো অস্বাভাবিক আচরণ করছে কিনা, তা খেয়াল করুণ। প্রয়োজনে জিজ্ঞেস করুন সে বা তার কোনো বন্ধু সাইবার সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে কিনা।
বিনামূল্যের অফার সম্পর্কে সতর্ক করুন
কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার অন্য সাধারণ পাবলিক প্লেসের মতোই উন্মুক্ত। তাই অনলাইনে অবস্থানকালীন নজর রাখুন শিশুর প্রতিটি কার্যকলাপের ওপর। সে কী করছে, কোথায় ঢুঁ মারছে, সবকিছু নজরদারিতে রাখুন।
বর্তমানে প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে। শিক্ষা, বিনোদন ও যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ইন্টারনেটের তুলনা হয় না। তবে অবশ্যই এর ইতিবাচক দিকগুলোর বিষয়ে উৎসাহিত করতে হবে শিশুদের। ইন্টারনেট দুনিয়ার কোনো কনটেন্টে প্রবেশের আগে ভাবতে শেখান শিশুকে। যাতে সে নিজে থেকেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে কোনটা ইতিবাচক আর কোনটা নয়।
শিশুর অনলাইন অ্যাক্টিভিটি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করুন। এতে নেতিবাচক কোনো কনটেন্ট প্রদর্শিত হলে তা অনায়াসে প্রকাশ করবে শিশু। ফলে এ ধরনের কনটেন্টে প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X