রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, September 3, 2016 8:31 am
A- A A+ Print

অভিযানে কোনো নাটক করা হয়নি: আইজিপি

152077_1

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: পুলিশ প্রধান (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, গুলশান ও নারায়নগঞ্জের অপারেশনের আগে আত্মসমপর্নের জন্য জঙ্গিদের যথেষ্ট সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এরপরেই পুলিশ অভিযান চালায়। এসব অভিযান পরিচালানায় কোনো নাটক করা হয় নি। শুক্রবার বিকেলে চাঁপাইনববাগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে ২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে তদন্ত কেন্দ্র মাঠে জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি আয়োজিত জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার টি এম মোজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, বিএমডিএ’র চেয়ারম্যান ও নওগাঁর সাবেক সংসদ সদস্য ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মঈনুদ্দীন মণ্ডল, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মিন্টু প্রমুখ। সমাবেশে পুলিশ প্রধান বলেন, জঙ্গি মোকাবিলা পুলিশের বড় চ্যালেঞ্জ। খেলাফত প্রতিষ্ঠার নামে জঙ্গিরা মানুষ খুন করছে। তারা মানুষকে বুঝিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তৎপরতা না চালিয়ে মানুষ মারছে। প্রতিটি জঙ্গি হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ও এর পেছনের ব্যক্তিদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এর মোকাবেলা করছি। তিন বলেন, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জঙ্গিবাদ বিশ্বাস করে না। তাই সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। অইজিপি বলেন, জঙ্গিরা কথিত খেলাফতের নামে জিহাদ করে ক্ষমতায় যেতে চায়। ক্ষমতায় যেতে হলে তাদের আদর্শ জনগনের সামনে তুলে ধরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজনীতি করা উচিত। কিন্তু জঙ্গিরা গুলি করে ও বোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে। শহীদ হলে আখেরাতে বিচার ছাড়া সরাসরি জান্নাতে যাওয়া যাবে, এমন ভুল তথ্য দিয়ে তাদের মগজ ধোলাই করা হচ্ছে। এঁদেরকে দেশের শত্রু হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, কারা জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত, এব্যাপারে আপনারা সবাই সজাগ থাকুন। এঁদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবেন। এরআগে বিকেল সাড়ে তিনটায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোর্ট পুলিশের কার্যালয়ের সামনে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন একেএম শহীদুল হক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডি.আই.জি খুরশীদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি মাসুদুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি নিশারুল আরিফ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোজাহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল অধিকারী প্রমুখ। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর তত্ত্বাবধানে আনুমানিক ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা জব্দমূল্যর মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪০ হাজার ১৮৭ বোতল ফেনসিডিল, ১৫৬ কেজি গাঁজা, ২ হাজার ১৩৪ পিস ইয়াবা, ১২০ গ্রাম হেরোইন, ৯৯০ বোতল দেশি-বিদেশি মদ ও ৯৩৪ পিস ইঞ্জেকশন ও বিয়ার রোড রোলারে পিষে ও আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদকের ব্যাপারে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। তবে এ ব্যাপারে সমাজের সকলকে তো বটেই পরিবার থেকেই প্রতিরোধ হতে হবে। যারা ইতিমধ্যে আক্রান্ত তাদের চিকিৎসা ও পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এখানে সংকট মোকাবেলায় বিশেষ নজর দেয়া হবে। এ ব্যাপারে অনান্য বাহিনীসমূহের সাথে যোগাযোগ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত সংলগ্ন মাদক কারখানার ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু কারখানা বন্ধ হলেও সবগুলো এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এ সব কারখানা বন্ধে কুটনৈতিক তৎপরতা অব্যহত রাখা হবে।
 

Comments

Comments!

 অভিযানে কোনো নাটক করা হয়নি: আইজিপিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

অভিযানে কোনো নাটক করা হয়নি: আইজিপি

Saturday, September 3, 2016 8:31 am
152077_1

চাঁপাইনবাবগঞ্জ: পুলিশ প্রধান (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক বলেছেন, গুলশান ও নারায়নগঞ্জের অপারেশনের আগে আত্মসমপর্নের জন্য জঙ্গিদের যথেষ্ট সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এরপরেই পুলিশ অভিযান চালায়। এসব অভিযান পরিচালানায় কোনো নাটক করা হয় নি।

শুক্রবার বিকেলে চাঁপাইনববাগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে ২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে তদন্ত কেন্দ্র মাঠে জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি আয়োজিত জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার টি এম মোজাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, বিএমডিএ’র চেয়ারম্যান ও নওগাঁর সাবেক সংসদ সদস্য ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মঈনুদ্দীন মণ্ডল, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মিন্টু প্রমুখ।

সমাবেশে পুলিশ প্রধান বলেন, জঙ্গি মোকাবিলা পুলিশের বড় চ্যালেঞ্জ। খেলাফত প্রতিষ্ঠার নামে জঙ্গিরা মানুষ খুন করছে। তারা মানুষকে বুঝিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তৎপরতা না চালিয়ে মানুষ মারছে। প্রতিটি জঙ্গি হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ও এর পেছনের ব্যক্তিদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এর মোকাবেলা করছি।

তিন বলেন, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জঙ্গিবাদ বিশ্বাস করে না। তাই সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

অইজিপি বলেন, জঙ্গিরা কথিত খেলাফতের নামে জিহাদ করে ক্ষমতায় যেতে চায়। ক্ষমতায় যেতে হলে তাদের আদর্শ জনগনের সামনে তুলে ধরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজনীতি করা উচিত। কিন্তু জঙ্গিরা গুলি করে ও বোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে। শহীদ হলে আখেরাতে বিচার ছাড়া সরাসরি জান্নাতে যাওয়া যাবে, এমন ভুল তথ্য দিয়ে তাদের মগজ ধোলাই করা হচ্ছে।

এঁদেরকে দেশের শত্রু হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, কারা জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত, এব্যাপারে আপনারা সবাই সজাগ থাকুন। এঁদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবেন।

এরআগে বিকেল সাড়ে তিনটায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোর্ট পুলিশের কার্যালয়ের সামনে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন একেএম শহীদুল হক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডি.আই.জি খুরশীদ হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি মাসুদুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি নিশারুল আরিফ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোজাহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল অধিকারী প্রমুখ।

জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর তত্ত্বাবধানে আনুমানিক ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা জব্দমূল্যর মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪০ হাজার ১৮৭ বোতল ফেনসিডিল, ১৫৬ কেজি গাঁজা, ২ হাজার ১৩৪ পিস ইয়াবা, ১২০ গ্রাম হেরোইন, ৯৯০ বোতল দেশি-বিদেশি মদ ও ৯৩৪ পিস ইঞ্জেকশন ও বিয়ার রোড রোলারে পিষে ও আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদকের ব্যাপারে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। তবে এ ব্যাপারে সমাজের সকলকে তো বটেই পরিবার থেকেই প্রতিরোধ হতে হবে। যারা ইতিমধ্যে আক্রান্ত তাদের চিকিৎসা ও পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এখানে সংকট মোকাবেলায় বিশেষ নজর দেয়া হবে। এ ব্যাপারে অনান্য বাহিনীসমূহের সাথে যোগাযোগ বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্ত সংলগ্ন মাদক কারখানার ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু কারখানা বন্ধ হলেও সবগুলো এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এ সব কারখানা বন্ধে কুটনৈতিক তৎপরতা অব্যহত রাখা হবে।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X