রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:২৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, December 12, 2016 9:58 am | আপডেটঃ December 12, 2016 10:09 AM
A- A A+ Print

আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব আদালতে

13

আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ শাখার সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক দুলাল এবং লেজিসলেটিভ ও ড্রাফটিং বিভাগ শাখার সচিব শহিদুল হক আদালতে হাজির হয়েছেন। অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা-সংক্রান্ত পৃথক বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার তাদের তলব করেছিলেন আপিল বিভাগ। আদালতের আদেশে তারা সোমবার সকালে আপিল বিভাগে হাজির হন। ৯টা পরে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের আট বিচারপতির বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে। সরকারপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন। ওইদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, 'আইনমন্ত্রী আইন পর্যালোচনা করেন না। আইন পর্যালোচনা করে মন্ত্রণালয়ের ড্রাফটিং বিভাগ। কেন আপনারা আবারও সময় চাচ্ছেন। গত সপ্তাহে বলেছিলেন, গেজেট প্রকাশ করতে এক সপ্তাহ সময় লাগবে।' এরপর আদালত সরকারকে এক সপ্তাহ সময় দেন। এর আগে গত ২৪ নভেম্বর শৃংখলা বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনাসহ রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের ৭ম দফায় অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃংখলা বিধানের জন্য আলাদা শৃংখলাবিধি প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু সেটি আজও প্রণয়ন হয়নি। এ অবস্থায় আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া শৃংখলাবিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠায়। চলতি বছরের ২৮ আগস্ট এ বিষয়ে শুনানিকালে আপিল বিভাগ বলেন, একটি খসড়া ডিসিপ্লিনারি রুলস তারা (সরকার) দাখিল করেছে। এটি ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি। এখন আমরা কমিটি করে একটি রুলস তৈরি করে দিয়েছি। এটির আলোকে শৃংখলাবিধি তৈরি করে ৬ নভেম্বর আপিল বিভাগকে জানাতে সরকারের প্রতি নির্দেশনা ছিল। কিন্তু ওই শৃংখলাবিধির গেজেট জারি না হওয়ায় ৭ নভেম্বর আপিল বিভাগ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর ২৪ নভেম্বরের মধ্যে এ বিধি তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

Comments

Comments!

 আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব আদালতেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব আদালতে

Monday, December 12, 2016 9:58 am | আপডেটঃ December 12, 2016 10:09 AM
13

আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ শাখার সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক দুলাল এবং লেজিসলেটিভ ও ড্রাফটিং বিভাগ শাখার সচিব শহিদুল হক আদালতে হাজির হয়েছেন।

অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা-সংক্রান্ত পৃথক বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার তাদের তলব করেছিলেন আপিল বিভাগ।
আদালতের আদেশে তারা সোমবার সকালে আপিল বিভাগে হাজির হন। ৯টা পরে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের আট বিচারপতির বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে।

সরকারপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃংখলা সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন।

ওইদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আইনমন্ত্রী আইন পর্যালোচনা করেন না। আইন পর্যালোচনা করে মন্ত্রণালয়ের ড্রাফটিং বিভাগ। কেন আপনারা আবারও সময় চাচ্ছেন। গত সপ্তাহে বলেছিলেন, গেজেট প্রকাশ করতে এক সপ্তাহ সময় লাগবে।’ এরপর আদালত সরকারকে এক সপ্তাহ সময় দেন।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর শৃংখলা বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনাসহ রায় দেয়া হয়। ওই রায়ের ৭ম দফায় অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃংখলা বিধানের জন্য আলাদা শৃংখলাবিধি প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু সেটি আজও প্রণয়ন হয়নি।

এ অবস্থায় আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া শৃংখলাবিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠায়।

চলতি বছরের ২৮ আগস্ট এ বিষয়ে শুনানিকালে আপিল বিভাগ বলেন, একটি খসড়া ডিসিপ্লিনারি রুলস তারা (সরকার) দাখিল করেছে। এটি ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃংখলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থি। এখন আমরা কমিটি করে একটি রুলস তৈরি করে দিয়েছি। এটির আলোকে শৃংখলাবিধি তৈরি করে ৬ নভেম্বর আপিল বিভাগকে জানাতে সরকারের প্রতি নির্দেশনা ছিল।

কিন্তু ওই শৃংখলাবিধির গেজেট জারি না হওয়ায় ৭ নভেম্বর আপিল বিভাগ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর ২৪ নভেম্বরের মধ্যে এ বিধি তৈরির নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X