শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:১৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, September 11, 2016 9:31 pm
A- A A+ Print

আওয়ামী লীগে সাঈদ খোকনের পদের অবনতি, নানা গুঞ্জন !

242686_1

দলীয় পদে অবনমন হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের। নবঘোষিত ঢাকা মহানগর উত্তরের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে তাকে। এর আগে অবিভক্ত মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন তিনি। এ ঘটনায় তার অনুসারীরা হতাশ। তারা অন্তত সহসভাপতি পদে তাকে আশা করেছিলন। তবে সাঈদ খোকন বলছেন, সদস্য পদ পেয়েই তিনি খুশি। দলের সূত্রে জানা গেছে, কমিটি ঘোষণার আগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য দলের হাইকমান্ডে তদবির করেছিলেন সাঈদ খোকন। গত বছর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের একটি বৈঠকেও এ নিয়ে জোরালো দাবি উঠেছিল। পরে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেয়া হবে বলে সে সময় আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত ১০ এপ্রিল আবুল হাসনাতকে সভাপতি ও শাহে আলম মুরাদকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে হতাশ সাঈদ খোকন ও তার অনুসারীরা এরপর অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদের আশা করেছিলেন তাকে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাঈদ খোকনের ঘনিষ্ঠ এমন একজন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘কমিটি ঘোষণার পর তার (মেয়র) সঙ্গে আমার কথা হয়নি। তবে আমরা আশা করেছিলাম তিনি সিনিয়র সহসভাপতি পদ পাবেন। কিন্তু তা না হওয়ায় আমরা হতাশ।’ নতুন কমিটিতে সদস্যপদে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাঈদ খোকন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমি পদ পাওয়ায় খুশি। আমি বর্তমানে মেয়রের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছি। এর বাইরেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে দলীয় পদ দিয়েছেন। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ দলীয় পদে সাঈদ খোকনের এই অবনমনের পেছনে প্রধান একটি কারণ হলো ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জরুরি অবস্থার সময় ‘কিংস পার্টি’ পিডিপিতে তার যোগ দেয়া। পরে অবশ্য তিনি দাবি করেন, চাপে পড়ে তা করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এরপর মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে সাঈদ খোকনকে বহিষ্কার করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বেশ কিছুদিন নীরব ছিলেন তিনি। পরে আবার দলের রাজনীতিতে সক্রিয় হলে দলীয় বিভিন্ন সভায় তার আগের পদবি অনুযায়ী প্রটোকল দেয়া হয় তাকে। তবে অবিভক্ত মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকায় আর নাম ছিল না তার। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের নাম ছিল সেখানে।

Comments

Comments!

 আওয়ামী লীগে সাঈদ খোকনের পদের অবনতি, নানা গুঞ্জন !AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আওয়ামী লীগে সাঈদ খোকনের পদের অবনতি, নানা গুঞ্জন !

Sunday, September 11, 2016 9:31 pm
242686_1

দলীয় পদে অবনমন হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের। নবঘোষিত ঢাকা মহানগর উত্তরের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে তাকে। এর আগে অবিভক্ত মহানগর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় তার অনুসারীরা হতাশ। তারা অন্তত সহসভাপতি পদে তাকে আশা করেছিলন। তবে সাঈদ খোকন বলছেন, সদস্য পদ পেয়েই তিনি খুশি।

দলের সূত্রে জানা গেছে, কমিটি ঘোষণার আগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য দলের হাইকমান্ডে তদবির করেছিলেন সাঈদ খোকন। গত বছর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের একটি বৈঠকেও এ নিয়ে জোরালো দাবি উঠেছিল। পরে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদের ব্যক্তিদের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেয়া হবে বলে সে সময় আশ্বাস দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু গত ১০ এপ্রিল আবুল হাসনাতকে সভাপতি ও শাহে আলম মুরাদকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে হতাশ সাঈদ খোকন ও তার অনুসারীরা এরপর অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদের আশা করেছিলেন তাকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাঈদ খোকনের ঘনিষ্ঠ এমন একজন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘কমিটি ঘোষণার পর তার (মেয়র) সঙ্গে আমার কথা হয়নি। তবে আমরা আশা করেছিলাম তিনি সিনিয়র সহসভাপতি পদ পাবেন। কিন্তু তা না হওয়ায় আমরা হতাশ।’

নতুন কমিটিতে সদস্যপদে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাঈদ খোকন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমি পদ পাওয়ায় খুশি। আমি বর্তমানে মেয়রের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছি। এর বাইরেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে দলীয় পদ দিয়েছেন। আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’

দলীয় পদে সাঈদ খোকনের এই অবনমনের পেছনে প্রধান একটি কারণ হলো ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জরুরি অবস্থার সময় ‘কিংস পার্টি’ পিডিপিতে তার যোগ দেয়া। পরে অবশ্য তিনি দাবি করেন, চাপে পড়ে তা করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।

এরপর মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে সাঈদ খোকনকে বহিষ্কার করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বেশ কিছুদিন নীরব ছিলেন তিনি। পরে আবার দলের রাজনীতিতে সক্রিয় হলে দলীয় বিভিন্ন সভায় তার আগের পদবি অনুযায়ী প্রটোকল দেয়া হয় তাকে। তবে অবিভক্ত মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকায় আর নাম ছিল না তার। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের নাম ছিল সেখানে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X