মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 28, 2016 7:46 am
A- A A+ Print

আগাম ভোটে এগিয়ে হিলারি

37726_thumbm_f3

৮ই নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন। তার আগেই বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে আগাম ভোট। এখন পর্যন্ত ৭৩ লাখেরও বেশি মানুষ ভোট দিয়ে ফেলেছেন এই আগাম ভোটের সুযোগ নিয়ে। বুথ ফেরত মানুষের মতামতের ভিত্তিতে আগাম ভোটে কোন্‌ রাজ্যে কোন্‌ প্রার্থীর অবস্থান কেমন, সেই তথ্যও আসতে শুরু করেছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনী শিবিরের জন্য আশার সংবাদ, আগাম ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনিই। বেশ কয়েকটি সুইং স্টেটে তার শক্তিশালী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। নর্থ ক্যারোলাইনা, নেভাদা বা অ্যারিজোনার মতো রাজ্যে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছেন হিলারি। অন্যদিকে, আইওয়াতে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের জন্য রয়েছে খুশি হওয়ার মতো সংবাদ। আবার ফ্লোরিডাতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের তুলনায় রিপাবলিকান প্রার্থীর তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন ডেমোক্রেট প্রার্থী। ডাটা কোম্পানি ক্যাটালিস্ট এই আগাম ভোটের তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে। কয়েকটি রাজ্যের ক্ষেত্রে সেই বিশ্লেষণের ফলাফল তুলে ধরেছে সিএনএন। অ্যারিজোনা আগাম ভোটে এই রাজ্যে ডেমোক্রেট দলের নিবন্ধিত ভোটাররা এগিয়ে রয়েছেন রিপাবলিকান দলের নিবন্ধিত ভোটারদের চেয়ে। ডেমোক্রেটরা এখনও পর্যন্ত ৪,১১৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছে এই রাজ্যে। চার বছর আগে ডেমোক্রেটরা ২১ হাজারেরও বেশি ভোটে পিছিয়ে ছিল। ওই বছরের নির্বাচনে আগাম ভোট দিয়েছিলেন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার। এবারেও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কলোরাডো কলোরাডোতে সব নিবন্ধিত ভোটাররাই ডাকযোগে ভোট দিতে পারেন। গত সপ্তাহেই সব ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে ব্যালট। আগাম ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে এই রাজ্যেও এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্রেটরা। শনিবারের হিসাব পর্যন্ত ডেমোক্রেটরা ১০ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তারা। হিলারির জন্য এটা সুখবর। কারণ, ২০১২ সালের নির্বাচনে একই সময়ে এই রাজ্যের রিপাবলিকানরা ৭,৬০০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। জর্জিয়া এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৫ লাখ ৮৩ হাজারেরও বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন। ২০১২ সালের হিসাবে এটা একই সময়ে ৪০ শতাংশ বেশি। এই রাজ্যে ভোটাররা দলীয়ভিত্তিতে নিবন্ধিত নয়। ফলে এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যে দলের অবস্থান নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। ২০১২ সালের নির্বাচনে অর্ধেকেরও বেশি ভোটার এই রাজ্যে আগাম ভোট দিয়েছিলেন। ফ্লোরিডা এই রাজ্যে আগাম ভোট শুরুর পর রিপাবলিকানরাই এগিয়ে রয়েছেন। বর্তমানে ডেমোক্রেটদের সঙ্গে তাদের ব্যবধান ১৮,১২০ ভোট। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা এই সময়ে ১ লাখ ১৩ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন। সেই হিসেবে রিপাবলিকানরা ওই বছরের তুলনায় পিছিয়েই রয়েছেন এই রাজ্যে। এর কারণ হতে পারে এই রাজ্যের হিস্প্যানিকদের ভোট অর্জনে হিলারির সাফল্য। এখন পর্যন্ত হিস্প্যানিকদের ১২ শতাংশ দিয়েছেন আগাম ভোট, ২০০৮ সালে একই সময়ে দিয়েছিলেন ৮ শতাংশ। তাছাড়া শ্বেতাঙ্গদের ভোটও এই সময়ে নেমে এসেছে ৭৭ শতাংশে, যা আগে ছিল ৮২ শতাংশ। আইওয়া ২০১২ সালের নির্বাচনে আইওয়ার ৪৩ শতাংশ ভোটারই আগাম ভোট দিয়েছিলেন। এই রাজ্যে ট্রাম্পের অবস্থান ভালো। ২০১২ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটরা এই সময়ে যে পরিমাণ ভোটে এগিয়ে ছিলেন, এ বছরে এসে সেই ব্যবধান অনেক কমেছে। গত সপ্তাহেও ডেমোক্রেটরা রিপাবলিকানদের তুলনায় বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। ফলে ডেমোক্রেটদের অবস্থান এই রাজ্যে খানিকটা দুর্বলই বলা যায়। নেভাদা সপ্তাহখানেক হলো নেভাদায় শুরু হয়েছে আগাম ভোট। এই রাজ্যে আগাম ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে ডেমোক্রেটরা। ২০১২ সালে আগাম ভোট দিয়েছিলেন ৬৯ শতাংশ ভোটার। এবার এখন পর্যন্ত আগাম ভোটের পরিমাণ খানিকটা কম। তবে তার মধ্যে ডেমোক্রেটরা এগিয়ে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার ভোটে। নর্থ ক্যারোলাইনা এই রাজ্যে ডেমোক্রেট দলের নিবন্ধিত ভোটাররা রিপাবলিকান দলের নিবন্ধিত ভোটারদের তুলনায় বিপুল পরিমাণে এগিয়ে রয়েছেন আগাম ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে। এখন পর্যন্ত ডেমোক্রেটরা ১ লাখেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন এখানে। ২০১২ সালের একই সময়েও ডেমোক্রেটরা এই রাজ্যে এত ব্যবধানে এগিয়ে ছিল না। তা সত্ত্বেও এই রাজ্যে হিলারির জয় অনেকটাই নির্ভর করছে আফ্রিকান-আমেরিকানদের ভোটের ওপর। ২০১২ সালে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটাররা এই সময়ে ৩০ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন, এ বছরে তার পরিমাণ ২৫ শতাংশ। আগাম  ভোটের ক্ষেত্রে নর্থ ক্যারোলাইনাকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। ইউটাহ আগের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের এই সময় পর্যন্ত ইউটাহতে রিপাবলিকানরা ডেমোক্রেটদের তুলনায় ৩১ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। এ বছরে এর পরিমাণ এখন পর্যন্ত ১৬ হাজারেরও কম। ইউটাহ বরাবরই রিপাবলিকানদের শক্তিশালী একটি ঘাঁটি। কিন্তু এ বছরের নির্বাচনে ট্রাম্পের অজনপ্রিয়তা তাতে প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র রক্ষণশীল প্রার্থী ইভান ম্যাকমুলিন এই রাজ্যে ভালো প্রভাব ফেলতে সমর্থ হয়েছেন। ফলে ইউটাহতে কেবল ডেমোক্রেট নয়, ম্যাকমুলিনের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হচ্ছে ট্রাম্পকে। ফলে শক্তিশালী এই ঘাঁটিতেও সহজে জয় পাওয়া সম্ভব হবে না ট্রাম্পের জন্য।

Comments

Comments!

 আগাম ভোটে এগিয়ে হিলারিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আগাম ভোটে এগিয়ে হিলারি

Friday, October 28, 2016 7:46 am
37726_thumbm_f3

৮ই নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন। তার আগেই বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে আগাম ভোট। এখন পর্যন্ত ৭৩ লাখেরও বেশি মানুষ ভোট দিয়ে ফেলেছেন এই আগাম ভোটের সুযোগ নিয়ে। বুথ ফেরত মানুষের মতামতের ভিত্তিতে আগাম ভোটে কোন্‌ রাজ্যে কোন্‌ প্রার্থীর অবস্থান কেমন, সেই তথ্যও আসতে শুরু করেছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনী শিবিরের জন্য আশার সংবাদ, আগাম ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনিই। বেশ কয়েকটি সুইং স্টেটে তার শক্তিশালী অবস্থান দেখা যাচ্ছে। নর্থ ক্যারোলাইনা, নেভাদা বা অ্যারিজোনার মতো রাজ্যে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছেন হিলারি। অন্যদিকে, আইওয়াতে রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের জন্য রয়েছে খুশি হওয়ার মতো সংবাদ। আবার ফ্লোরিডাতে ২০০৮ সালের নির্বাচনের তুলনায় রিপাবলিকান প্রার্থীর তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন ডেমোক্রেট প্রার্থী। ডাটা কোম্পানি ক্যাটালিস্ট এই আগাম ভোটের তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে। কয়েকটি রাজ্যের ক্ষেত্রে সেই বিশ্লেষণের ফলাফল তুলে ধরেছে সিএনএন।
অ্যারিজোনা
আগাম ভোটে এই রাজ্যে ডেমোক্রেট দলের নিবন্ধিত ভোটাররা এগিয়ে রয়েছেন রিপাবলিকান দলের নিবন্ধিত ভোটারদের চেয়ে। ডেমোক্রেটরা এখনও পর্যন্ত ৪,১১৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছে এই রাজ্যে। চার বছর আগে ডেমোক্রেটরা ২১ হাজারেরও বেশি ভোটে পিছিয়ে ছিল। ওই বছরের নির্বাচনে আগাম ভোট দিয়েছিলেন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার। এবারেও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
কলোরাডো
কলোরাডোতে সব নিবন্ধিত ভোটাররাই ডাকযোগে ভোট দিতে পারেন। গত সপ্তাহেই সব ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে ব্যালট। আগাম ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে এই রাজ্যেও এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্রেটরা। শনিবারের হিসাব পর্যন্ত ডেমোক্রেটরা ১০ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তারা। হিলারির জন্য এটা সুখবর। কারণ, ২০১২ সালের নির্বাচনে একই সময়ে এই রাজ্যের রিপাবলিকানরা ৭,৬০০ ভোটে এগিয়ে ছিলেন।
জর্জিয়া
এই রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৫ লাখ ৮৩ হাজারেরও বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন। ২০১২ সালের হিসাবে এটা একই সময়ে ৪০ শতাংশ বেশি। এই রাজ্যে ভোটাররা দলীয়ভিত্তিতে নিবন্ধিত নয়। ফলে এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যে দলের অবস্থান নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। ২০১২ সালের নির্বাচনে অর্ধেকেরও বেশি ভোটার এই রাজ্যে আগাম ভোট দিয়েছিলেন।
ফ্লোরিডা
এই রাজ্যে আগাম ভোট শুরুর পর রিপাবলিকানরাই এগিয়ে রয়েছেন। বর্তমানে ডেমোক্রেটদের সঙ্গে তাদের ব্যবধান ১৮,১২০ ভোট। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তারা এই সময়ে ১ লাখ ১৩ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন। সেই হিসেবে রিপাবলিকানরা ওই বছরের তুলনায় পিছিয়েই রয়েছেন এই রাজ্যে। এর কারণ হতে পারে এই রাজ্যের হিস্প্যানিকদের ভোট অর্জনে হিলারির সাফল্য। এখন পর্যন্ত হিস্প্যানিকদের ১২ শতাংশ দিয়েছেন আগাম ভোট, ২০০৮ সালে একই সময়ে দিয়েছিলেন ৮ শতাংশ। তাছাড়া শ্বেতাঙ্গদের ভোটও এই সময়ে নেমে এসেছে ৭৭ শতাংশে, যা আগে ছিল ৮২ শতাংশ।
আইওয়া
২০১২ সালের নির্বাচনে আইওয়ার ৪৩ শতাংশ ভোটারই আগাম ভোট দিয়েছিলেন। এই রাজ্যে ট্রাম্পের অবস্থান ভালো। ২০১২ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটরা এই সময়ে যে পরিমাণ ভোটে এগিয়ে ছিলেন, এ বছরে এসে সেই ব্যবধান অনেক কমেছে। গত সপ্তাহেও ডেমোক্রেটরা রিপাবলিকানদের তুলনায় বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। ফলে ডেমোক্রেটদের অবস্থান এই রাজ্যে খানিকটা দুর্বলই বলা যায়।
নেভাদা
সপ্তাহখানেক হলো নেভাদায় শুরু হয়েছে আগাম ভোট। এই রাজ্যে আগাম ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে ডেমোক্রেটরা। ২০১২ সালে আগাম ভোট দিয়েছিলেন ৬৯ শতাংশ ভোটার। এবার এখন পর্যন্ত আগাম ভোটের পরিমাণ খানিকটা কম। তবে তার মধ্যে ডেমোক্রেটরা এগিয়ে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার ভোটে।
নর্থ ক্যারোলাইনা
এই রাজ্যে ডেমোক্রেট দলের নিবন্ধিত ভোটাররা রিপাবলিকান দলের নিবন্ধিত ভোটারদের তুলনায় বিপুল পরিমাণে এগিয়ে রয়েছেন আগাম ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে। এখন পর্যন্ত ডেমোক্রেটরা ১ লাখেরও বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন এখানে। ২০১২ সালের একই সময়েও ডেমোক্রেটরা এই রাজ্যে এত ব্যবধানে এগিয়ে ছিল না। তা সত্ত্বেও এই রাজ্যে হিলারির জয় অনেকটাই নির্ভর করছে আফ্রিকান-আমেরিকানদের ভোটের ওপর। ২০১২ সালে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটাররা এই সময়ে ৩০ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন, এ বছরে তার পরিমাণ ২৫ শতাংশ। আগাম  ভোটের ক্ষেত্রে নর্থ ক্যারোলাইনাকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়।
ইউটাহ
আগের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের এই সময় পর্যন্ত ইউটাহতে রিপাবলিকানরা ডেমোক্রেটদের তুলনায় ৩১ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। এ বছরে এর পরিমাণ এখন পর্যন্ত ১৬ হাজারেরও কম। ইউটাহ বরাবরই রিপাবলিকানদের শক্তিশালী একটি ঘাঁটি। কিন্তু এ বছরের নির্বাচনে ট্রাম্পের অজনপ্রিয়তা তাতে প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র রক্ষণশীল প্রার্থী ইভান ম্যাকমুলিন এই রাজ্যে ভালো প্রভাব ফেলতে সমর্থ হয়েছেন। ফলে ইউটাহতে কেবল ডেমোক্রেট নয়, ম্যাকমুলিনের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হচ্ছে ট্রাম্পকে। ফলে শক্তিশালী এই ঘাঁটিতেও সহজে জয় পাওয়া সম্ভব হবে না ট্রাম্পের জন্য।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X