বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:৩২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, July 26, 2016 9:11 pm
A- A A+ Print

আঙ্কারা-মস্কো সম্পর্কের নাটকীয় পরিবর্তন, রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন এরদোগান

148172_1

   
আঙ্কারা: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ৯ আগস্ট রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন। রুশ বিমান ভূপাতিত করার ঘটনার পর এই প্রথম রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনের সাথে এরদোগানের সাক্ষাত হতে যাচ্ছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন তুরস্কের উপপ্রধানমন্ত্রী মেহমেত সিমসেক। সিমসেক উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে অংশ নিতে বর্তমানে মস্কো রয়েছেন। তিনি বলেন, সেন্ট পিটার্সবাগে দুই প্রেসিডেন্ট বৈঠক করবেন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে তুর্কি বিমান সিরিয়া সীমান্তে একটি রুশ সু-২৪ জঙ্গিবিমান ভূপাতিত করার পর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে মারাত্মক অবনতি ঘটেছিল। মস্কো এর প্রতিক্রিয়ায় তুরস্কের ওপর অপরোধ আরোপ করেছিল।
তবে রুশ দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। গত মাসে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে। আঙ্কারার পররাষ্ট্রনীতি নাটকীয় মোড় ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর আঙ্কারার পররাষ্ট্রনীতি নাটকীয় মোড় নিচ্ছে। রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক উন্নয়নের কারণে সমস্যার মুখে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র। আঙ্কারার সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তুরস্কে সংঘটিত ব্যর্থ অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে আরো তিক্ত হয়ে উঠেছে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক। মার্কিনিদের আশ্রয়ে থাকা তুরস্কের স্বেচ্ছানির্বাসিত ধর্মগুরু ফেতুল্লাহ গুলেনকে কেন্দ্র করেই যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে তুরস্ক। তুর্কি কর্তৃপক্ষ দেশটির অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার জন্য সম্পূর্ণ দায় চাপাচ্ছে ফেতুল্লাহ গুলেনের ওপর এবং তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য মার্কিন সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু মার্কিন কর্তৃপক্ষ সে আহ্বানে সাড়া না দেয়ায় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকে ঝুঁকছে তুরস্ক। রাশিয়ার স্পুটনিক নিউজ তুরস্কের দৃষ্টিভঙ্গির এই পরিবর্তনকে আকস্মিক ও নাটকীয় বলে অভিহিত করেছে। এক প্রতিবেদনে স্পুটনিক জানায়, পশ্চিমাদের থেকে ক্রমেই দূরে সরা এবং রাশিয়ায় ইরানের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে ঝুঁকছে তুরস্ক। এমনকি এতদিন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার-আল- আসাদের তীব্র বিরোধিতাকারী তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানও এখন বিপরীত অবস্থান নেয়ার কথা ভাবছেন। তুর্কি পররাষ্ট্রনীতির নাটকীয় পরিবর্তনে সুসম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে সিরিয়ার সঙ্গেও। আঞ্চলিক ইস্যুর চেয়ে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে অধিক চাঙা করে তোলার লক্ষ্যে এরদোগান নতুন পররাষ্ট্রনীতির দিকে ঝুঁকছেন বলেও মনে করা হচ্ছে। কয়েক বছর ধরেই দেশটির উদীয়মান অর্থনীতি ক্রমেই চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সিরিয়া এবং ইরাকে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পর তুরস্কের অর্থনীতি আরো খারাপ হতে থাকে। এবার নিজেদের অর্থনৈতিক বিকাশ ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নতুন পররাষ্ট্রনীতির কথাই ভাবছে দেশটি। এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই রাশিয়ার প্রতি নিজেদের মনোভাব পুনর্বিবেচনা করেছে তুরস্ক। সিরিয়ার মাটিতে আইএসবিরোধী অভিযানের সময় রাশিয়ায় একটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি রাশিয়ার কাছে সুর নরম করেছে তারা। যদিও বিমান ধ্বংসের পর থেকে দু’দেশই কঠোর অবস্থানে চলে গিয়েছিল। এখন দুদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে এলে ‘স্টিম প্রজেক্ট’কে স্বাগত জানাবে আঙ্কারা। রাশিয়া থেকে ইউরোপের দেশগুলোতে গ্যাস সরবরাহের এই পাইপলাইনটি এতদিন পশ্চিমাদের ইচ্ছানুযায়ী বন্ধ করে রেখেছিল তুরস্ক। আঙ্কারা এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে তুরস্ক হয়ে রাশিয়ায় গ্যাসের লাইন সরাসরি গ্রিস পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।   এই প্রজেক্টটি চালু হলে ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার নির্ভরতা কমে যাবে। একইসঙ্গে তুরস্কও অর্থনৈতিকভাবে অনেক লাভবান হবে। স্বল্পমূল্যে রাশিয়ার গ্যাস দিয়ে নিজেদের চাহিদা মেটাবে তুর্কিরা। আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Comments

Comments!

 আঙ্কারা-মস্কো সম্পর্কের নাটকীয় পরিবর্তন, রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন এরদোগানAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আঙ্কারা-মস্কো সম্পর্কের নাটকীয় পরিবর্তন, রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন এরদোগান

Tuesday, July 26, 2016 9:11 pm
148172_1

 

 

আঙ্কারা: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ৯ আগস্ট রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন। রুশ বিমান ভূপাতিত করার ঘটনার পর এই প্রথম রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিনের সাথে এরদোগানের সাক্ষাত হতে যাচ্ছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন তুরস্কের উপপ্রধানমন্ত্রী মেহমেত সিমসেক।

সিমসেক উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে অংশ নিতে বর্তমানে মস্কো রয়েছেন। তিনি বলেন, সেন্ট পিটার্সবাগে দুই প্রেসিডেন্ট বৈঠক করবেন।

২০১৫ সালের নভেম্বরে তুর্কি বিমান সিরিয়া সীমান্তে একটি রুশ সু-২৪ জঙ্গিবিমান ভূপাতিত করার পর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে মারাত্মক অবনতি ঘটেছিল। মস্কো এর প্রতিক্রিয়ায় তুরস্কের ওপর অপরোধ আরোপ করেছিল।

তবে রুশ দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে চিঠি পাঠানোর মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। গত মাসে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে।

আঙ্কারার পররাষ্ট্রনীতি নাটকীয় মোড়

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর আঙ্কারার পররাষ্ট্রনীতি নাটকীয় মোড় নিচ্ছে। রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক উন্নয়নের কারণে সমস্যার মুখে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র। আঙ্কারার সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তুরস্কে সংঘটিত ব্যর্থ অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে আরো তিক্ত হয়ে উঠেছে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক।

মার্কিনিদের আশ্রয়ে থাকা তুরস্কের স্বেচ্ছানির্বাসিত ধর্মগুরু ফেতুল্লাহ গুলেনকে কেন্দ্র করেই যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে তুরস্ক। তুর্কি কর্তৃপক্ষ দেশটির অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার জন্য সম্পূর্ণ দায় চাপাচ্ছে ফেতুল্লাহ গুলেনের ওপর এবং তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য মার্কিন সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়েছে।

কিন্তু মার্কিন কর্তৃপক্ষ সে আহ্বানে সাড়া না দেয়ায় রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকে ঝুঁকছে তুরস্ক।

রাশিয়ার স্পুটনিক নিউজ তুরস্কের দৃষ্টিভঙ্গির এই পরিবর্তনকে আকস্মিক ও নাটকীয় বলে অভিহিত করেছে। এক প্রতিবেদনে স্পুটনিক জানায়, পশ্চিমাদের থেকে ক্রমেই দূরে সরা এবং রাশিয়ায় ইরানের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার দিকে ঝুঁকছে তুরস্ক।

এমনকি এতদিন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার-আল- আসাদের তীব্র বিরোধিতাকারী তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানও এখন বিপরীত অবস্থান নেয়ার কথা ভাবছেন।

তুর্কি পররাষ্ট্রনীতির নাটকীয় পরিবর্তনে সুসম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে সিরিয়ার সঙ্গেও। আঞ্চলিক ইস্যুর চেয়ে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে অধিক চাঙা করে তোলার লক্ষ্যে এরদোগান নতুন পররাষ্ট্রনীতির দিকে ঝুঁকছেন বলেও মনে করা হচ্ছে।

কয়েক বছর ধরেই দেশটির উদীয়মান অর্থনীতি ক্রমেই চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সিরিয়া এবং ইরাকে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পর তুরস্কের অর্থনীতি আরো খারাপ হতে থাকে। এবার নিজেদের অর্থনৈতিক বিকাশ ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নতুন পররাষ্ট্রনীতির কথাই ভাবছে দেশটি। এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই রাশিয়ার প্রতি নিজেদের মনোভাব পুনর্বিবেচনা করেছে তুরস্ক।

সিরিয়ার মাটিতে আইএসবিরোধী অভিযানের সময় রাশিয়ায় একটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি রাশিয়ার কাছে সুর নরম করেছে তারা। যদিও বিমান ধ্বংসের পর থেকে দু’দেশই কঠোর অবস্থানে চলে গিয়েছিল। এখন দুদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে এলে ‘স্টিম প্রজেক্ট’কে স্বাগত জানাবে আঙ্কারা।

রাশিয়া থেকে ইউরোপের দেশগুলোতে গ্যাস সরবরাহের এই পাইপলাইনটি এতদিন পশ্চিমাদের ইচ্ছানুযায়ী বন্ধ করে রেখেছিল তুরস্ক। আঙ্কারা এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে তুরস্ক হয়ে রাশিয়ায় গ্যাসের লাইন সরাসরি গ্রিস পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।

 

এই প্রজেক্টটি চালু হলে ইউক্রেনের ওপর রাশিয়ার নির্ভরতা কমে যাবে। একইসঙ্গে তুরস্কও অর্থনৈতিকভাবে অনেক লাভবান হবে। স্বল্পমূল্যে রাশিয়ার গ্যাস দিয়ে নিজেদের চাহিদা মেটাবে তুর্কিরা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X