সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:৫৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, January 19, 2017 8:24 pm
A- A A+ Print

আজিজের বুকে-পিঠে ‘বন্ধুর’ ছুরির আঘাত

34

সাদা-নীল রঙের শার্ট আর কালো ট্রাউজার পরে ১৬ বছরের কিশোরটি খেলতে গিয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকেরা বলেছেন, নিহত কিশোর আবদুল আজিজের শরীরে ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকেরা জানান, আজিজের মাথার ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, ডান পাশে চোখের ওপর জখমের চিহ্ন, গলার ডান পাশে আঘাত, বুকের বাঁ পাশে জখম রয়েছে। তার হাতের কনুইয়ের নিচে, পিঠের বাঁ পাশে গুরুতর জখম ও পিঠের ডান পাশে জখম রয়েছে। আজিজের সুরতহাল করেছেন তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দিদার হোসেন। তিনি বলেন, আজিজের শার্টটি ছিল রক্তে ভেজা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ফার্মগেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পরই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আবদুল আজিজের চাচা কুদ্দুস মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, চার ভাইবোনের মধ্যে আজিজ দ্বিতীয়। অভাবী পরিবারের সন্তান। ও-ই সংসারের হাল ধরেছিল। ওর টাকাতেই বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। ওর ছোট দুটি ভাই রয়েছে। পুরো পরিবারই আজিজের ওপর নির্ভরশীল। রিকশা গ্যারেজে কাজ করে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা রোজগার করত। খেলার নেশা ছিল। কাজের ফাঁকে একটু ফুরসত পেলে খেলাঘর মাঠে খেলতে যেত। পুলিশ বলছে, খেলার মাঠের সামনেই আজিজকে মরতে হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গতকাল বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে আজিজ তার বন্ধুদের সঙ্গে তেজকুনিপাড়ার খেলাঘর মাঠে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিল। খেলার সময় আর পায়নি। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারই খেলার সঙ্গীরা হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় ও পিঠে কোপায়, এলোপাতাড়ি মারপিট করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আজ দুপুরের দিকে আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজিজের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরসিংদীতে তাদের গ্রামের বাড়িতে। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন আজিজের বন্ধু। তাঁরা তিনজনই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। সায়মন (১৮) ছাড়া অন্য দুজনই অপ্রাপ্তবয়স্ক। সায়মনকে কারাগারে ও অন্য দুজনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে আজ বিকেলে।

Comments

Comments!

 আজিজের বুকে-পিঠে ‘বন্ধুর’ ছুরির আঘাতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আজিজের বুকে-পিঠে ‘বন্ধুর’ ছুরির আঘাত

Thursday, January 19, 2017 8:24 pm
34

সাদা-নীল রঙের শার্ট আর কালো ট্রাউজার পরে ১৬ বছরের কিশোরটি খেলতে গিয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকেরা বলেছেন, নিহত কিশোর আবদুল আজিজের শরীরে ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকেরা জানান, আজিজের মাথার ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, ডান পাশে চোখের ওপর জখমের চিহ্ন, গলার ডান পাশে আঘাত, বুকের বাঁ পাশে জখম রয়েছে। তার হাতের কনুইয়ের নিচে, পিঠের বাঁ পাশে গুরুতর জখম ও পিঠের ডান পাশে জখম রয়েছে।

আজিজের সুরতহাল করেছেন তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দিদার হোসেন। তিনি বলেন, আজিজের শার্টটি ছিল রক্তে ভেজা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ফার্মগেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পরই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আবদুল আজিজের চাচা কুদ্দুস মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, চার ভাইবোনের মধ্যে আজিজ দ্বিতীয়। অভাবী পরিবারের সন্তান। ও-ই সংসারের হাল ধরেছিল। ওর টাকাতেই বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। ওর ছোট দুটি ভাই রয়েছে। পুরো পরিবারই আজিজের ওপর নির্ভরশীল। রিকশা গ্যারেজে কাজ করে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা রোজগার করত। খেলার নেশা ছিল। কাজের ফাঁকে একটু ফুরসত পেলে খেলাঘর মাঠে খেলতে যেত।

পুলিশ বলছে, খেলার মাঠের সামনেই আজিজকে মরতে হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গতকাল বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে আজিজ তার বন্ধুদের সঙ্গে তেজকুনিপাড়ার খেলাঘর মাঠে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিল। খেলার সময় আর পায়নি। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারই খেলার সঙ্গীরা হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় ও পিঠে কোপায়, এলোপাতাড়ি মারপিট করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আজ দুপুরের দিকে আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজিজের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে নরসিংদীতে তাদের গ্রামের বাড়িতে। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন আজিজের বন্ধু। তাঁরা তিনজনই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। সায়মন (১৮) ছাড়া অন্য দুজনই অপ্রাপ্তবয়স্ক। সায়মনকে কারাগারে ও অন্য দুজনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে আজ বিকেলে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X