রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:১২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, December 24, 2016 10:45 pm
A- A A+ Print

আত্মসমর্পণের ভান করে বিস্ফোরণ ঘটায় নারী জঙ্গি

111

ঢাকা: মোবাইল ফোনে তোলা ছবিতে চেহারার কিছুই দেখা যাচ্ছে না। ইট বিছানো একটা খোলা জায়গায় পড়ে আছে দেহটি। শরীর কালো বোরকায় আবৃত। পা দুটি খালি। পুলিশের দাবি যদি সত্যি হয়ে থাকে, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আত্মঘাতী বোমারুর ছবি এটি। যে পুলিশ কর্মকর্তা তার মোবাইল ফোনে ছবিটি তোলেন, তিনি পরে সেটি শেয়ার করেছেন আশকোনায় জড়ো হওয়া বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে। বাংলাদেশে সম্প্রতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠা জঙ্গি ইসলামী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যে মহিলারাও যুক্ত হয়ে পড়ছেন, সেটি নতুন তথ্য নয়। কিন্তু এই প্রথম কোনো মহিলা জঙ্গি এভাবে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে প্রাণ হারালেন। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘তারা যখন আশকোনার বাড়িতে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের আত্মসমপর্ণের আহ্বান জানাচ্ছিলেন, তখন এই মহিলা আত্মসমর্পণের ভান করে বেরিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিল এক মেয়ে শিশু’। বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন মহিলা। আহত হয় সাথের শিশুটি। তবে পুলিশ আহত শিশুটিকে পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। আর বোমায় আহত জঙ্গি মহিলা মারা যায়। নিহত আত্মঘাতী বিস্ফোরনকারী নারী ‘জঙ্গি সুমনের স্ত্রী’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই জঙ্গি সুমন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। আত্মঘাতী হামলাকারী নারীর সাথে থাকা যে ৬/৭ বছর বয়সী মেয়েশিশুটি আহত হয়েছে সে অপর একজন জঙ্গির মেয়ে বলে পুলিশের কিছু সূত্র থেকে জানানো হচ্ছে। আশকোনার সেই বাড়িটিতে যখন পুলিশ অভিযান শুরু করে তখন সেখানে ছিলেন মোট সাত জন। শনিবার সকালেই তাদের মধ্যে চারজন আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণ করা চারজনের দুজন হচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার এবং তার মেয়ে। মেজর জাহিদ গত সেপ্টেম্বরে মিরপুরের রুপনগরে পুলিশের এক অভিযানে নিহত হন এবং তাকে নব্য জেএমবির অন্যতম প্রশিক্ষক হিসেবে জানায় পুলিশ। অন্য যে দুজন আত্মসমর্পণ করেছেন পুলিশের ভাষ্যমতে, তারা জঙ্গি মুসার স্ত্রী এবং কন্যা। জঙ্গি মুসাকে বর্তমানে নব্য জেএমবির অন্যতম নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে। সবার শেষে যে ‘ছেলেটি’ পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা এবং গুলি ছুড়তে থাকে তাকে তানভীর কাদেরীর ছেলে হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।   তানভীর কাদেরী ছিল নব্য জেএমবির অন্যতম নেতা এবং ঢাকার আজিমপুরে এক পুলিশী অভিযানের সময় সে আত্মহত্যা করে বলে জানায় পুলিশ। নব্য জেএমবির নেতা তামিম চৌধুরী নিহত হবার পর তানভীর কাদেরীই নব্য জেএমবির প্রধান হবে ধারণা করছিল পুলিশ। ঐ অভিযানে তানভীর কাদেরীর স্ত্রী এবং এক ছেলেকে পুলিশ আটক করেছিল। সূত্র: বিবিসি

Comments

Comments!

 আত্মসমর্পণের ভান করে বিস্ফোরণ ঘটায় নারী জঙ্গিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আত্মসমর্পণের ভান করে বিস্ফোরণ ঘটায় নারী জঙ্গি

Saturday, December 24, 2016 10:45 pm
111

ঢাকা: মোবাইল ফোনে তোলা ছবিতে চেহারার কিছুই দেখা যাচ্ছে না। ইট বিছানো একটা খোলা জায়গায় পড়ে আছে দেহটি। শরীর কালো বোরকায় আবৃত। পা দুটি খালি।

পুলিশের দাবি যদি সত্যি হয়ে থাকে, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আত্মঘাতী বোমারুর ছবি এটি।

যে পুলিশ কর্মকর্তা তার মোবাইল ফোনে ছবিটি তোলেন, তিনি পরে সেটি শেয়ার করেছেন আশকোনায় জড়ো হওয়া বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশে সম্প্রতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠা জঙ্গি ইসলামী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যে মহিলারাও যুক্ত হয়ে পড়ছেন, সেটি নতুন তথ্য নয়। কিন্তু এই প্রথম কোনো মহিলা জঙ্গি এভাবে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালিয়ে প্রাণ হারালেন।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘তারা যখন আশকোনার বাড়িতে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের আত্মসমপর্ণের আহ্বান জানাচ্ছিলেন, তখন এই মহিলা আত্মসমর্পণের ভান করে বেরিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিল এক মেয়ে শিশু’।

বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন মহিলা। আহত হয় সাথের শিশুটি। তবে পুলিশ আহত শিশুটিকে পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। আর বোমায় আহত জঙ্গি মহিলা মারা যায়।

নিহত আত্মঘাতী বিস্ফোরনকারী নারী ‘জঙ্গি সুমনের স্ত্রী’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই জঙ্গি সুমন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

আত্মঘাতী হামলাকারী নারীর সাথে থাকা যে ৬/৭ বছর বয়সী মেয়েশিশুটি আহত হয়েছে সে অপর একজন জঙ্গির মেয়ে বলে পুলিশের কিছু সূত্র থেকে জানানো হচ্ছে।

আশকোনার সেই বাড়িটিতে যখন পুলিশ অভিযান শুরু করে তখন সেখানে ছিলেন মোট সাত জন। শনিবার সকালেই তাদের মধ্যে চারজন আত্মসমর্পণ করে।

আত্মসমর্পণ করা চারজনের দুজন হচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার এবং তার মেয়ে। মেজর জাহিদ গত সেপ্টেম্বরে মিরপুরের রুপনগরে পুলিশের এক অভিযানে নিহত হন এবং তাকে নব্য জেএমবির অন্যতম প্রশিক্ষক হিসেবে জানায় পুলিশ।

অন্য যে দুজন আত্মসমর্পণ করেছেন পুলিশের ভাষ্যমতে, তারা জঙ্গি মুসার স্ত্রী এবং কন্যা। জঙ্গি মুসাকে বর্তমানে নব্য জেএমবির অন্যতম নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।

সবার শেষে যে ‘ছেলেটি’ পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা এবং গুলি ছুড়তে থাকে তাকে তানভীর কাদেরীর ছেলে হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

 

তানভীর কাদেরী ছিল নব্য জেএমবির অন্যতম নেতা এবং ঢাকার আজিমপুরে এক পুলিশী অভিযানের সময় সে আত্মহত্যা করে বলে জানায় পুলিশ।

নব্য জেএমবির নেতা তামিম চৌধুরী নিহত হবার পর তানভীর কাদেরীই নব্য জেএমবির প্রধান হবে ধারণা করছিল পুলিশ। ঐ অভিযানে তানভীর কাদেরীর স্ত্রী এবং এক ছেলেকে পুলিশ আটক করেছিল।

সূত্র: বিবিসি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X