সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, June 20, 2017 12:32 am
A- A A+ Print

আদালতে চিৎকার: ৫ আইনজীবীকে ২ জুলাই হাজিরার নির্দেশ

51fa12237babe-HIGH--court--2

এজলাস কক্ষে চিৎকার ও আদালতের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটানোয় পাঁচ আইনজীবীর প্রতি আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে আগামী ২ জুলাই পাঁচ আইনজীবীকে সকাল সাড়ে দশটায় আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আজ সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন। পাঁচ আইনজীবী হলেন নূরে ই আলম উজ্জ্বল, বিল্লাহ হোসেন লিজেন পাটোয়ারী, মাহমুদ, মতি লাল ব্যাপারী ও মোহাম্মদ আলী। কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর অবকাশকালীন বেঞ্চে যখন ২৪ নম্বর কক্ষে (এনেক্স) বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন, তখন কিছুসংখ্যক আইনজীবী চিৎকার শুরু করেন, যা এই আদালতের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। এরপর আইনজীবী নূরে ই আলম উজ্জ্বল, বিল্লাল হোসেন লিজেন পাটোয়ারী, মাহমুদ, মতি লাল ব্যাপারী ডায়াসে চলে এসে রফিকুল ইসলাম নামের বেঞ্চ কর্মকর্তার ওপর চড়াও হন, তাঁর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেন এবং আদালতের মামলার নথিপত্র তছনছ করেন, তালিকাভুক্ত না হওয়া মোশন (আবেদন) শুনানি হয়নি বলে অজুহাত দেন। এ ছাড়া আইনজীবী মোহাম্মদ আলীসহ কয়েকজন আইনজীবী ডায়াসের পাশে দাঁড়িয়ে আক্রমণাত্মক এই আইনজীবীদের বেঞ্চ কর্মকর্তাকে মারতে ও আঘাত করতে উৎসাহ দেন। এমনকি তাঁরা টেবিলে থাকা মামলার রেকর্ডও ছুড়ে ফেলতে শুরু করেন। তখন সংলগ্ন চেম্বারে থাকা বিচারকেরা তাঁদের চিৎকারের শব্দ শুনতে পান। আইনজীবীদের এ আচরণ আদালতের মর্যাদা, সম্মান, শ্রদ্ধা, মহিমাকে খাটো করে, যা বিচার প্রশাসনে বাধা। এমনকি আদালত সম্পর্কে মানুষের ধারণাকেও খাটো করেছে। আইনজীবীদের এমন আচরণ আদালত অবমাননার শামিল, যা আইনে শাস্তিযোগ্য। এসব তুলে ধরে আদালত ওই আদেশ দেন।

Comments

Comments!

 আদালতে চিৎকার: ৫ আইনজীবীকে ২ জুলাই হাজিরার নির্দেশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আদালতে চিৎকার: ৫ আইনজীবীকে ২ জুলাই হাজিরার নির্দেশ

Tuesday, June 20, 2017 12:32 am
51fa12237babe-HIGH--court--2

এজলাস কক্ষে চিৎকার ও আদালতের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটানোয় পাঁচ আইনজীবীর প্রতি আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে আগামী ২ জুলাই পাঁচ আইনজীবীকে সকাল সাড়ে দশটায় আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আজ সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন।

পাঁচ আইনজীবী হলেন নূরে ই আলম উজ্জ্বল, বিল্লাহ হোসেন লিজেন পাটোয়ারী, মাহমুদ, মতি লাল ব্যাপারী ও মোহাম্মদ আলী। কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর অবকাশকালীন বেঞ্চে যখন ২৪ নম্বর কক্ষে (এনেক্স) বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন, তখন কিছুসংখ্যক আইনজীবী চিৎকার শুরু করেন, যা এই আদালতের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। এরপর আইনজীবী নূরে ই আলম উজ্জ্বল, বিল্লাল হোসেন লিজেন পাটোয়ারী, মাহমুদ, মতি লাল ব্যাপারী ডায়াসে চলে এসে রফিকুল ইসলাম নামের বেঞ্চ কর্মকর্তার ওপর চড়াও হন, তাঁর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেন এবং আদালতের মামলার নথিপত্র তছনছ করেন, তালিকাভুক্ত না হওয়া মোশন (আবেদন) শুনানি হয়নি বলে অজুহাত দেন। এ ছাড়া আইনজীবী মোহাম্মদ আলীসহ কয়েকজন আইনজীবী ডায়াসের পাশে দাঁড়িয়ে আক্রমণাত্মক এই আইনজীবীদের বেঞ্চ কর্মকর্তাকে মারতে ও আঘাত করতে উৎসাহ দেন। এমনকি তাঁরা টেবিলে থাকা মামলার রেকর্ডও ছুড়ে ফেলতে শুরু করেন। তখন সংলগ্ন চেম্বারে থাকা বিচারকেরা তাঁদের চিৎকারের শব্দ শুনতে পান। আইনজীবীদের এ আচরণ আদালতের মর্যাদা, সম্মান, শ্রদ্ধা, মহিমাকে খাটো করে, যা বিচার প্রশাসনে বাধা। এমনকি আদালত সম্পর্কে মানুষের ধারণাকেও খাটো করেছে। আইনজীবীদের এমন আচরণ আদালত অবমাননার শামিল, যা আইনে শাস্তিযোগ্য। এসব তুলে ধরে আদালত ওই আদেশ দেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X