রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৫৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, November 27, 2016 9:47 pm
A- A A+ Print

আনসার উল্লাহর নেতৃত্বে রয়েছেন জিয়া

zia1480258567

জঙ্গি সংগঠন আনসার উল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) ২০০৭ সালে কর্মকা- শুরু করে। গোপনে তারা জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে গেলেও ব্লগার, লেখক ও মাজারের খাদেমকে হত্যার পর এই সংগঠনের নাম প্রকাশ্যে চলে আসে। আগে এর নেতৃত্বে ছিলেন জসীম উদ্দিন রাহমানী। বর্তমানে তিনি কারাগারে। এখন সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পলাতক সৈয়দ জিয়াউল হক বা চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া। এবিটির বেশ কিছু ঘটনা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে তদন্ত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘জেএমবিকে নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে এবিটির তথ্য বেড়িয়ে আসে। সেটি ২০০৮ সালের দিকের ঘটনা। ওই সময় থেকেই এর প্রধান হিসেবে ছিলেন জসীমউদ্দিন। তাকে ধরতে গোপনে ব্যাপক নজরদারি শুরু হয়। ২০১৩ সালে জসীমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অবশ্য তিনি গ্রেপ্তার হলেও সংগঠনের কার্যক্রম থেমে নেই। গোপনে এর দায়িত্ব চলে আসে পলাতক নেতা জিয়ার হাতে। তিনিই এখন এবিটির নেতৃত্বে আছেন বলে তথ্য আছে।’ এবিটির অপরাধের ধরণ উল্লেখ করে পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সংগঠনটি প্রকাশ্যে আসে ২০১২ সালে মিরপুরে ব্লগার রাজীব হত্যাকা-ের মধ্যে দিয়ে। এরপর তারা অভিজিৎ, দীপন, নিলয়, বাবু, পুরান ঢাকায় নিয়াজসহ কয়েকজনকে হত্যা করে। গোপীবাগে মাজারের খাদেমসহ ৬ জন, ইসলামী চিন্তাাবিদ মাওলানা নূরুল ইসলাম ফারুকী, রামপুরায় এক পীরকে এবিটির জঙ্গিরা হত্যা করে। এরা মূলত দু’শ্রেণির লোককে টার্গেট করে। তদন্ত শেষ হলে জসীমউদ্দিন আরও মামলায় আসামি হবেন।’ রোববার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে আইএস- ও আল কায়েদার ভাবধারায় গোপনে এ সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে। তারা কখনো কখনো ঘটনার পর আনসার আল ইসলাম নামেও দায় স্বীকার করে। আনসার আল ইসলাম নিজস্ব ওয়েব সাইট এবং ব্লগের মাধ্যমে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব মাধ্যমে শুধুই যে নিজস্ব মতামত প্রচার করছে তা নয়। নতুন প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করতে নানা ধরণের প্রচারও চালাচ্ছে। সংগঠনটি তিতুমীর মিডিয়া, বালাকোট মিডিয়াসহ বিভিন্ন নামে জঙ্গিবাদী তথ্য চিত্রও তৈরি করছে। জঙ্গি তৎপরতা, সরকার ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে তাদের ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গেলে ২০১৫ সালে সংগনঠটি নিষিদ্ধ করে সরকার। এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় রোববার জসীমউদ্দিনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে অভিযোগ গঠনের পর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার চার নম্বর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়েছে। মামলায় জসীমউদ্দিন ছাড়াও সাইফুল ইসলাম, আবু হানিফ, জাহিদুর রহমান, কাজী রেজোয়ান, কাজী নাইমুল হাসান, জুন্নুন শিকদার, পিয়াস ওরফে আবদুল্লাহ, আমিনুল ইসলাম ও আলী আজাদকে আসামি করা হয়েছে।

Comments

Comments!

 আনসার উল্লাহর নেতৃত্বে রয়েছেন জিয়াAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আনসার উল্লাহর নেতৃত্বে রয়েছেন জিয়া

Sunday, November 27, 2016 9:47 pm
zia1480258567

জঙ্গি সংগঠন আনসার উল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) ২০০৭ সালে কর্মকা- শুরু করে। গোপনে তারা জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে গেলেও ব্লগার, লেখক ও মাজারের খাদেমকে হত্যার পর এই সংগঠনের নাম প্রকাশ্যে চলে আসে।

আগে এর নেতৃত্বে ছিলেন জসীম উদ্দিন রাহমানী। বর্তমানে তিনি কারাগারে। এখন সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পলাতক সৈয়দ জিয়াউল হক বা চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া।

এবিটির বেশ কিছু ঘটনা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে তদন্ত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘জেএমবিকে নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে এবিটির তথ্য বেড়িয়ে আসে। সেটি ২০০৮ সালের দিকের ঘটনা। ওই সময় থেকেই এর প্রধান হিসেবে ছিলেন জসীমউদ্দিন। তাকে ধরতে গোপনে ব্যাপক নজরদারি শুরু হয়। ২০১৩ সালে জসীমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অবশ্য তিনি গ্রেপ্তার হলেও সংগঠনের কার্যক্রম থেমে নেই। গোপনে এর দায়িত্ব চলে আসে পলাতক নেতা জিয়ার হাতে। তিনিই এখন এবিটির নেতৃত্বে আছেন বলে তথ্য আছে।’

এবিটির অপরাধের ধরণ উল্লেখ করে পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সংগঠনটি প্রকাশ্যে আসে ২০১২ সালে মিরপুরে ব্লগার রাজীব হত্যাকা-ের মধ্যে দিয়ে। এরপর তারা অভিজিৎ, দীপন, নিলয়, বাবু, পুরান ঢাকায় নিয়াজসহ কয়েকজনকে হত্যা করে। গোপীবাগে মাজারের খাদেমসহ ৬ জন, ইসলামী চিন্তাাবিদ মাওলানা নূরুল ইসলাম ফারুকী, রামপুরায় এক পীরকে এবিটির জঙ্গিরা হত্যা করে। এরা মূলত দু’শ্রেণির লোককে টার্গেট করে। তদন্ত শেষ হলে জসীমউদ্দিন আরও মামলায় আসামি হবেন।’

রোববার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে আইএস- ও আল কায়েদার ভাবধারায় গোপনে এ সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে। তারা কখনো কখনো ঘটনার পর আনসার আল ইসলাম নামেও দায় স্বীকার করে। আনসার আল ইসলাম নিজস্ব ওয়েব সাইট এবং ব্লগের মাধ্যমে জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব মাধ্যমে শুধুই যে নিজস্ব মতামত প্রচার করছে তা নয়। নতুন প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করতে নানা ধরণের প্রচারও চালাচ্ছে। সংগঠনটি তিতুমীর মিডিয়া, বালাকোট মিডিয়াসহ বিভিন্ন নামে জঙ্গিবাদী তথ্য চিত্রও তৈরি করছে। জঙ্গি তৎপরতা, সরকার ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে তাদের ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গেলে ২০১৫ সালে সংগনঠটি নিষিদ্ধ করে সরকার।

এদিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় রোববার জসীমউদ্দিনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরু করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালতে অভিযোগ গঠনের পর মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার চার নম্বর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়েছে। মামলায় জসীমউদ্দিন ছাড়াও সাইফুল ইসলাম, আবু হানিফ, জাহিদুর রহমান, কাজী রেজোয়ান, কাজী নাইমুল হাসান, জুন্নুন শিকদার, পিয়াস ওরফে আবদুল্লাহ, আমিনুল ইসলাম ও আলী আজাদকে আসামি করা হয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X