শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, December 13, 2016 11:07 am
A- A A+ Print

আবাসন ব্যবসায় মন্দা, বিক্রি হচ্ছে না ১০০০০ ফ্ল্যাট

44537_b6

গত কয়েক বছরে দেশের আবাসন খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়লেও এ খাতে নেমে আসা মন্দা কাটছে না। আটকে আছে বড় ধরনের বিনিয়োগ। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নির্মিত ফ্ল্যাট বিক্রি করতে পারছে না ডেভেলপাররা। ফলে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিভিন্ন কোম্পানির প্রায় ১০ হাজার তৈরি ফ্ল্যাট অবিক্রীত অবস্থায় রয়েছে বলে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া আবাসন খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৭০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে উদ্যোক্তারা। সংশ্লিষ্টরা জানান, ফ্ল্যাট কিনতে যে টাকার প্রয়োজন হয়, তা একক ব্যক্তির জমানো টাকা থেকে জোগান দেয়া অসম্ভব। ফলে গ্রাহককে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভর হতে হয়। কিন্তু ব্যাংক সুদের হার কিছুটা কমলেও তারপরও তা বেশি বলে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়েনি। তাদের মতে, ২০১০ সালের পর থেকে অবিক্রীত তৈরি ফ্ল্যাটের পরিমাণ বেড়েছে। দাম কমানোর পরও ফ্ল্যাট কেনায় আগ্রহ বাড়েনি ক্রেতাদের। আবাসন ব্যবসায় মন্দা ও মূলধন হারানোর কারণে ২০১৪ সালে রিহ্যাবের তালিকাভুক্ত ৯২টি কোম্পানি বন্ধ হয়েছে। ফ্ল্যাট তৈরি করে এমন ২০৯টি রিহ্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অবিক্রীত তৈরি ফ্ল্যাটের সংখ্যা ২০১০ সালে ছিল তিন হাজার ১৮টি, ২০১১ সালে তিন হাজার ৬৫২টি, ২০১২ সালে তিন হাজার ৮৮৭টি ও ২০১৩ সালে ছিল ৫ হাজার ৫১৪টি। ২০১৪ সালে অবিক্রীত ফ্ল্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ হাজার ১৮৫টি। এর বাজার দর ছিল ৮ হাজার ৮১১ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। আবাসন কোম্পানিগুলোর মতে, রিহ্যাবের সদস্য নয়, এমন কোম্পানিগুলোতে অবিক্রীত ফ্লাটের সংখ্যাও প্রচুর। সব মিলিয়ে হিসাব করলে পাঁচ বছরে অবিক্রীত ফ্ল্যাটের সংখ্যা তিনগুণ হবে। রিহ্যাবের হিসাব মতে, ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ২০৯টি প্রতিষ্ঠানের ১১ হাজার ১৬৫টি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে। একই সময়ে আগের বিক্রি করা ফ্ল্যাট হস্তান্তর হয়েছে ৯ হাজার ৭৭৯টি ফ্ল্যাট। ২০১৪ সালে ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৭৪৯টি। ২০১০ সালের চেয়ে ওই বছর বাড়ার কথা থাকলেও আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ২০১৪ সালে কোম্পানিগুলোর অবিক্রীত তৈরি ফ্ল্যাটের ব্যয় দাঁড়ায় আট হাজার ৮১১ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই সময়ে ফ্ল্যাট বিক্রি বাবদ আয় ছিল ১ হাজার ২৭৩ কোটি ৭৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। জানা যায়, বর্তমানে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা বর্গফুটে ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে। চার বছর আগে ছিল সাড়ে ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা। কয়েক বছর ধরে ফ্ল্যাটের দাম কমছে। ধানমন্ডি এলাকার ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের দর ১২ থেকে ২০ হাজার টাকা ছিল। এখন তা কমে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকায় নেমেছে। গুলশানে যে ফ্ল্যাটের বর্গফুটপ্রতি দাম ২০ হাজার টাকা ছিল তা এখন ১২ হাজার টাকায়। অন্যান্য এলাকায় একই হারে কমেছে। একটি ডেভেলপার কোম্পানির কর্মকর্তা জানান, অনেকেই ব্যাংক ঋণ শোধ করতে উৎপাদন খরচে ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিচ্ছে। ক্রেতার কেনার আগ্রহ বাড়াতে প্রয়োজনে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থাও করে দিচ্ছে। এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি। রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নূরন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, বর্তমানে এই খাতে বিনিয়োগ প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকা। প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক নিয়োজিত। দেশে জিডিপির প্রায় ১৫ শতাংশ অবদান আছে নির্মাণ শিল্পের। কিন্তু গত কয়েক বছরে নীতিনির্ধারণী সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কারণে এই খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে চরম অনিশ্চিয়তার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে রিহ্যাব সদস্যরা। এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার ফ্ল্যাট অবিক্রীত অবস্থায় রয়েছে। ১৯৯২ সালে সাতটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে যাত্রা শুরু করে রিহ্যাব। বর্তমানে এ সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ১১৫১টি। রিহ্যাবের মতে, দেশে বর্তমানে সাড়ে তিন হাজার আবাসন কোম্পানি রয়েছে। রিহ্যাবের বাইরেও আরো দুই হাজারের অধিক উদীয়মান প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা ছোট ও মাঝারি ব্যবসা পরিচালনা করছে। ব্যবসায় ভালো হলে তারাও রিহ্যাবের সদস্য হতো। মন্দার কারণে গত পাঁচ বছরে অতালিকাভুক্ত কয়েকশ’ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। রিহ্যাবের সহ-সভাপতি মো. লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, কম দামে অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির প্রস্তাব করেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ থাকলেও বিনা প্রশ্নে সুযোগ না থাকায় বিনিয়োগ হচ্ছে না। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটেও ফ্ল্যাট-প্লট ক্রয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ বহাল রাখা হয়। এতে ওই বছর আবাসন ব্যবসায় কিছুটা গতি পায়। এছাড়া নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের অর্থায়নের লক্ষ্যে সরকারের কাছে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব করে আসছি। কিন্তু আশ্বাস পেলেও তার কোনো বাস্তবায়ন নেই। এ তহবিল গঠন হলে গ্রাহকদের ফ্ল্যাট কেনার আগ্রহ বাড়তো। তিনি বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বিশেষ করে জমির রেজিস্ট্রেশন খরচ অনেক বেশি। এটা কমানো উচিত।

Comments

Comments!

 আবাসন ব্যবসায় মন্দা, বিক্রি হচ্ছে না ১০০০০ ফ্ল্যাটAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আবাসন ব্যবসায় মন্দা, বিক্রি হচ্ছে না ১০০০০ ফ্ল্যাট

Tuesday, December 13, 2016 11:07 am
44537_b6

গত কয়েক বছরে দেশের আবাসন খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়লেও এ খাতে নেমে আসা মন্দা কাটছে না। আটকে আছে বড় ধরনের বিনিয়োগ। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নির্মিত ফ্ল্যাট বিক্রি করতে পারছে না ডেভেলপাররা। ফলে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিভিন্ন কোম্পানির প্রায় ১০ হাজার তৈরি ফ্ল্যাট অবিক্রীত অবস্থায় রয়েছে বলে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া আবাসন খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৭০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে উদ্যোক্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ফ্ল্যাট কিনতে যে টাকার প্রয়োজন হয়, তা একক ব্যক্তির জমানো টাকা থেকে জোগান দেয়া অসম্ভব। ফলে গ্রাহককে ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভর হতে হয়। কিন্তু ব্যাংক সুদের হার কিছুটা কমলেও তারপরও তা বেশি বলে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়েনি। তাদের মতে, ২০১০ সালের পর থেকে অবিক্রীত তৈরি ফ্ল্যাটের পরিমাণ বেড়েছে। দাম কমানোর পরও ফ্ল্যাট কেনায় আগ্রহ বাড়েনি ক্রেতাদের। আবাসন ব্যবসায় মন্দা ও মূলধন হারানোর কারণে ২০১৪ সালে রিহ্যাবের তালিকাভুক্ত ৯২টি কোম্পানি বন্ধ হয়েছে।
ফ্ল্যাট তৈরি করে এমন ২০৯টি রিহ্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, অবিক্রীত তৈরি ফ্ল্যাটের সংখ্যা ২০১০ সালে ছিল তিন হাজার ১৮টি, ২০১১ সালে তিন হাজার ৬৫২টি, ২০১২ সালে তিন হাজার ৮৮৭টি ও ২০১৩ সালে ছিল ৫ হাজার ৫১৪টি। ২০১৪ সালে অবিক্রীত ফ্ল্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ হাজার ১৮৫টি। এর বাজার দর ছিল ৮ হাজার ৮১১ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। আবাসন কোম্পানিগুলোর মতে, রিহ্যাবের সদস্য নয়, এমন কোম্পানিগুলোতে অবিক্রীত ফ্লাটের সংখ্যাও প্রচুর। সব মিলিয়ে হিসাব করলে পাঁচ বছরে অবিক্রীত ফ্ল্যাটের সংখ্যা তিনগুণ হবে।
রিহ্যাবের হিসাব মতে, ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ২০৯টি প্রতিষ্ঠানের ১১ হাজার ১৬৫টি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে। একই সময়ে আগের বিক্রি করা ফ্ল্যাট হস্তান্তর হয়েছে ৯ হাজার ৭৭৯টি ফ্ল্যাট। ২০১৪ সালে ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৭৪৯টি। ২০১০ সালের চেয়ে ওই বছর বাড়ার কথা থাকলেও আশঙ্কাজনক হারে কমেছে।
২০১৪ সালে কোম্পানিগুলোর অবিক্রীত তৈরি ফ্ল্যাটের ব্যয় দাঁড়ায় আট হাজার ৮১১ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই সময়ে ফ্ল্যাট বিক্রি বাবদ আয় ছিল ১ হাজার ২৭৩ কোটি ৭৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।
জানা যায়, বর্তমানে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা বর্গফুটে ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে। চার বছর আগে ছিল সাড়ে ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা। কয়েক বছর ধরে ফ্ল্যাটের দাম কমছে। ধানমন্ডি এলাকার ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের দর ১২ থেকে ২০ হাজার টাকা ছিল। এখন তা কমে ৭ থেকে ১০ হাজার টাকায় নেমেছে। গুলশানে যে ফ্ল্যাটের বর্গফুটপ্রতি দাম ২০ হাজার টাকা ছিল তা এখন ১২ হাজার টাকায়। অন্যান্য এলাকায় একই হারে কমেছে। একটি ডেভেলপার কোম্পানির কর্মকর্তা জানান, অনেকেই ব্যাংক ঋণ শোধ করতে উৎপাদন খরচে ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিচ্ছে। ক্রেতার কেনার আগ্রহ বাড়াতে প্রয়োজনে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থাও করে দিচ্ছে। এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নূরন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, বর্তমানে এই খাতে বিনিয়োগ প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার কোটি টাকা। প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক নিয়োজিত। দেশে জিডিপির প্রায় ১৫ শতাংশ অবদান আছে নির্মাণ শিল্পের। কিন্তু গত কয়েক বছরে নীতিনির্ধারণী সংক্রান্ত কিছু সমস্যার কারণে এই খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে চরম অনিশ্চিয়তার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে রিহ্যাব সদস্যরা। এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার ফ্ল্যাট অবিক্রীত অবস্থায় রয়েছে।
১৯৯২ সালে সাতটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে যাত্রা শুরু করে রিহ্যাব। বর্তমানে এ সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ১১৫১টি। রিহ্যাবের মতে, দেশে বর্তমানে সাড়ে তিন হাজার আবাসন কোম্পানি রয়েছে। রিহ্যাবের বাইরেও আরো দুই হাজারের অধিক উদীয়মান প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা ছোট ও মাঝারি ব্যবসা পরিচালনা করছে। ব্যবসায় ভালো হলে তারাও রিহ্যাবের সদস্য হতো। মন্দার কারণে গত পাঁচ বছরে অতালিকাভুক্ত কয়েকশ’ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে।
রিহ্যাবের সহ-সভাপতি মো. লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, কম দামে অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির প্রস্তাব করেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ থাকলেও বিনা প্রশ্নে সুযোগ না থাকায় বিনিয়োগ হচ্ছে না। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটেও ফ্ল্যাট-প্লট ক্রয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ বহাল রাখা হয়। এতে ওই বছর আবাসন ব্যবসায় কিছুটা গতি পায়। এছাড়া নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের অর্থায়নের লক্ষ্যে সরকারের কাছে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব করে আসছি। কিন্তু আশ্বাস পেলেও তার কোনো বাস্তবায়ন নেই। এ তহবিল গঠন হলে গ্রাহকদের ফ্ল্যাট কেনার আগ্রহ বাড়তো। তিনি বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। বিশেষ করে জমির রেজিস্ট্রেশন খরচ অনেক বেশি। এটা কমানো উচিত।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X