বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:১৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 30, 2017 9:17 pm
A- A A+ Print

আমরা প্রতিবেশির সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাসী: পাক হাইকমিশনারকে প্রধানমন্ত্রী

179186_1

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাস করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক যে প্রতিবেশিদের সঙ্গে সমস্যা থাকতেই পারে। কিন্তুু বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতাও চলমান থাকবে এবং যে কোনো সমস্যাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।’ বাংলাদেশে পাকিস্তানের হাইকমিশনার রফিউজ্জামান সিদ্দিকী রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খবর বাসসের। বৈঠকের পরে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এবং সমুদ্র সীমা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছে। তিনি বলেন, ভারতের সংসদ সীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত বিলটি সর্ব সম্মসতভাবে অনুমোদন করেছে। ভারতের সঙ্গে সমস্যাটির শান্তিপূর্ণ সমাধান সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি উদাহারণ সৃষ্টি করেছে। শেখ হাসিনা আরো উল্লেখ করেন, একই ভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমা সমস্যার সামাধান করা হয়েছে। আমরা শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত থেকে ৬২ হাজার শরনার্থী ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহের অবসান ঘটিয়েছি। দারিদ্রকে এই অঞ্চলের প্রধান শক্র পুনরোল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের দেশগুলো থেকে দারিদ্রের মূল উৎপটনে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বরোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার সরকারের নেতৃত্বে বিগত সাড়ে ৮ বছরে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নেরও একটি খন্ডচিত্র তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পরই কতগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যাই। যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষা এবং জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। যে কারণে জনগণ এখন এগুলোর সুফল পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসবের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কার্যকর নীতিমালা বিশেষ করে অর্থনৈতিক নীতিমালার দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে তাঁর সরকার বিএনপি-জামাতের কাছে শান্তিপূর্ণ ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অংশ হিসেবে জনকল্যাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা এবং একটি বাড়ি একটি খামারের মত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনা এ সময় ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু এভেনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে পরিচালিত গ্রেনেড হামলা এবং জঙ্গিদের সাহায্যে ৬৩টি জেলার ৫শ স্থানে পরিচালিত বোমা হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের হুমকির প্রসংগে বলেন, আসলে এতে করে অস্ত্র ব্যবসায়ীরাই লাভবান হচ্ছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের ভূয়শী প্রশংসা করে এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ধারায় পুরোপুরি পরিবর্তিত একটি দেশ। সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ হয়েছেন তাতে পাকিস্থানের জনগণও আনন্দিত। গত বছর গুলশানের হলি অর্টিজান রেস্তোরায় সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, ঐ হামলার পর আর এ ধরনের কোন ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদকে কঠোর হস্তে দমনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মধ্যে অনেক সাধারণ বিষয় রয়েছে এবং দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়নেই তিনি কাজ করে যেতে চান। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম এবং প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহম্মদ জয়নুল আবেদীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
 

Comments

Comments!

 আমরা প্রতিবেশির সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাসী: পাক হাইকমিশনারকে প্রধানমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আমরা প্রতিবেশির সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাসী: পাক হাইকমিশনারকে প্রধানমন্ত্রী

Sunday, July 30, 2017 9:17 pm
179186_1

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাস করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক যে প্রতিবেশিদের সঙ্গে সমস্যা থাকতেই পারে। কিন্তুু বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতাও চলমান থাকবে এবং যে কোনো সমস্যাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।’

বাংলাদেশে পাকিস্তানের হাইকমিশনার রফিউজ্জামান সিদ্দিকী রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।

বৈঠকের পরে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এবং সমুদ্র সীমা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছে।

তিনি বলেন, ভারতের সংসদ সীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত বিলটি সর্ব সম্মসতভাবে অনুমোদন করেছে। ভারতের সঙ্গে সমস্যাটির শান্তিপূর্ণ সমাধান সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি উদাহারণ সৃষ্টি করেছে।

শেখ হাসিনা আরো উল্লেখ করেন, একই ভাবে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমা সমস্যার সামাধান করা হয়েছে। আমরা শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত থেকে ৬২ হাজার শরনার্থী ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিদ্রোহের অবসান ঘটিয়েছি।

দারিদ্রকে এই অঞ্চলের প্রধান শক্র পুনরোল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের দেশগুলো থেকে দারিদ্রের মূল উৎপটনে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বরোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার সরকারের নেতৃত্বে বিগত সাড়ে ৮ বছরে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নেরও একটি খন্ডচিত্র তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পরই কতগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যাই। যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিক্ষা এবং জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। যে কারণে জনগণ এখন এগুলোর সুফল পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসবের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কার্যকর নীতিমালা বিশেষ করে অর্থনৈতিক নীতিমালার দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে তাঁর সরকার বিএনপি-জামাতের কাছে শান্তিপূর্ণ ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অংশ হিসেবে জনকল্যাণ সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা এবং একটি বাড়ি একটি খামারের মত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বন্ধ করে দেয়।

শেখ হাসিনা এ সময় ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু এভেনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে পরিচালিত গ্রেনেড হামলা এবং জঙ্গিদের সাহায্যে ৬৩টি জেলার ৫শ স্থানে পরিচালিত বোমা হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের হুমকির প্রসংগে বলেন, আসলে এতে করে অস্ত্র ব্যবসায়ীরাই লাভবান হচ্ছে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কর্মকান্ডের ভূয়শী প্রশংসা করে এ সময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ধারায় পুরোপুরি পরিবর্তিত একটি দেশ।

সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ হয়েছেন তাতে পাকিস্থানের জনগণও আনন্দিত।

গত বছর গুলশানের হলি অর্টিজান রেস্তোরায় সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, ঐ হামলার পর আর এ ধরনের কোন ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদকে কঠোর হস্তে দমনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মধ্যে অনেক সাধারণ বিষয় রয়েছে এবং দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়নেই তিনি কাজ করে যেতে চান।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম এবং প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহম্মদ জয়নুল আবেদীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X