রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:১৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, November 1, 2016 7:17 pm
A- A A+ Print

আমরা বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করবোই: রিজভী

158209_1

   
ঢাকা: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘৭ নভেম্বর গণতন্ত্র ফিরে পাবার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার একটি মহান দিন। এই দিবস পালিত হবে। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে বলছি, হানিফ সাহেবরা প্রতিহত করুন। আমরা জলপাইয়ের পাতা নিয়ে এগিয়ে যাব, দিবসটি পালন করবোই।’ মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পালাবদলের এক পর্যায়ে সেনানিবাসে বন্দি হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ৭ নভেম্বর মুক্ত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পর বিএনপি গঠন করেন।
আর ৪ দিন আগে ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর চার ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে কারাগারে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘটনবহুল এই দিনটিকে ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে বিএনপি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ পালন করে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে; তাদের রাজনৈতিক মিত্র জাসদ দিনটি পালন করে ‘সিপাহি জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে। গত ২০ অক্টোবর বিএনপি এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কিন্তু ওই দিন বিএনপির কর্মসূচি ঠেকানোর হুমকি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ সোমবার এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বরের ঘটনা আড়াল করতে সিপাহী বিপ্লবের নামে পঁচাত্তরের ঘাতকগোষ্ঠি তথাকথিত বিপ্লব দিবস পালন করে। এই দিন তারা হাজারো সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে। এই সেনা হত্যাকারীদের মাঠে নামার কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। বিপ্লবের নামে এই ঘাতকদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।’ এর জবাবে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, হানিফ সাহেব যে কথা বলেছেন, এটা তার ব্যক্তিগত বক্তব্য, সরকারের বক্তব্য নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সমাবেশ সরকার করতে দেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে, পুলিশও তা অনুমোদন দেবে। তাদের কাছ থেকে আমরা বিভিন্নভাবে ইংগিতও পাচ্ছি।’ দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপস্থিতিতে ওই সমাবেশ সুচারু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। আওয়ামী লীগ নেতা হানিফের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, ‘আপনাদের অস্ত্র আছে, রাইফেল আছে, আপনাদের সাজানো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে, আপনারা অনেক কিছুই করতে পারেন। কিন্তু মানুষের হৃদয়ের ভেতরে যে দিবসটি পালিত হয়, সেই দিবসটি মুছবেন কি করে।’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহজাদা মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা এ বিএম মোশাররফ হোসেন ও মুনির হোসেন।

Comments

Comments!

 আমরা বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করবোই: রিজভীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আমরা বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করবোই: রিজভী

Tuesday, November 1, 2016 7:17 pm
158209_1

 

 

ঢাকা: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘৭ নভেম্বর গণতন্ত্র ফিরে পাবার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার একটি মহান দিন। এই দিবস পালিত হবে। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে বলছি, হানিফ সাহেবরা প্রতিহত করুন। আমরা জলপাইয়ের পাতা নিয়ে এগিয়ে যাব, দিবসটি পালন করবোই।’

মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পালাবদলের এক পর্যায়ে সেনানিবাসে বন্দি হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ৭ নভেম্বর মুক্ত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পর বিএনপি গঠন করেন।

আর ৪ দিন আগে ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর চার ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে কারাগারে হত্যা করা হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘটনবহুল এই দিনটিকে ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে বিএনপি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ পালন করে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে; তাদের রাজনৈতিক মিত্র জাসদ দিনটি পালন করে ‘সিপাহি জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে।

গত ২০ অক্টোবর বিএনপি এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কিন্তু ওই দিন বিএনপির কর্মসূচি ঠেকানোর হুমকি দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ সোমবার এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বরের ঘটনা আড়াল করতে সিপাহী বিপ্লবের নামে পঁচাত্তরের ঘাতকগোষ্ঠি তথাকথিত বিপ্লব দিবস পালন করে। এই দিন তারা হাজারো সেনা সদস্যকে হত্যা করেছে। এই সেনা হত্যাকারীদের মাঠে নামার কোনো সুযোগ দেয়া হবে না। তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। বিপ্লবের নামে এই ঘাতকদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

এর জবাবে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, হানিফ সাহেব যে কথা বলেছেন, এটা তার ব্যক্তিগত বক্তব্য, সরকারের বক্তব্য নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সমাবেশ সরকার করতে দেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে, পুলিশও তা অনুমোদন দেবে। তাদের কাছ থেকে আমরা বিভিন্নভাবে ইংগিতও পাচ্ছি।’

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া উপস্থিতিতে ওই সমাবেশ সুচারু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আওয়ামী লীগ নেতা হানিফের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, ‘আপনাদের অস্ত্র আছে, রাইফেল আছে, আপনাদের সাজানো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে, আপনারা অনেক কিছুই করতে পারেন। কিন্তু মানুষের হৃদয়ের ভেতরে যে দিবসটি পালিত হয়, সেই দিবসটি মুছবেন কি করে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহজাদা মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা এ বিএম মোশাররফ হোসেন ও মুনির হোসেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X