রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, September 7, 2016 8:50 am
A- A A+ Print

‘আমরা লাইফ রিস্কে আছি’

241363_1

স্ত্রী হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে চাকরি থেকে অব্যাহতি পেলেন আলোচিত পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রসঙ্গে বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তন ডটকমকে বলেন ‘সে (বাবুল) দরখাস্ত করেছে, তারা (পুলিশ ডিপার্টমেন্ট) সেটা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে কি করবে না করবে সেটা বাবুলের ব্যাপার। চাকরি করে সে পুলিশ ডিপার্টমেন্টের তারাই তাকে আউট করেছে। চাকরি করে সে সরকারের সরকারই তাকে আউট করেছে। এ বিষয়ে সে কতটুকু কি করবে না করবে সেটা একান্তই তার ব্যাপার। আমরা শুধু বলতে পারি আমাদের মেয়ে হারিয়ে গেছে, তারপরও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টা নিয়ে আমরা লাইফ রিস্কে আছি। তার যেমন লাইফ রিস্ক আছে, তার সন্তানেরও লাইফ রিস্ক আছে। আমরা যারা আপনজন, আত্মীয়-স্বজন আছি কেউ ঝুঁকির বাহিরে নই। সবাই ঝুঁকির মধ্যে আছি। সে চাকরি করবে কি করবে না সম্পূর্ণ তার বিষয়।’ কাগজপত্র পাওয়ার পরে কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা বলতে পারি না। হয়তো যেতেও পারে। এটা বাবুলই বলুক। তার বিষয় সেই বলুক। চাকরি থাকা অবস্থায় ঝুঁকি, চাকুরি না থাকলে ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়।’ অব্যাহতির বিষয়ে বাবুলের ভাই হাবিবুর রহমান লাবু পরিবর্তনকে বলেন, ‘আমরা ব্যাপারটা আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। তবে সরকার যেটা ভাল মনে করেছে, সেটা করেছে। আমাদের এ ব্যাপারে আর কিছু বলার নেই।’ এদিকে প্রজ্ঞাপন জারির পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘এসপি বাবুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’ যদিও বাবুল এবং তার শ্বশুর একাধিকবার দাবি করেন, স্বেচ্ছায় নয়, বাধ্য হয়ে পদত্যাগপত্রে সই করেছিলেন তিনি। জানা গেছে, এসপি বাবুল আক্তার ৩ আগস্ট পুলিশ সদর দফতরে গিয়ে চাকরি ফিরে পেতে আবেদন করেছিলেন। এর পরদিন ৪ আগস্ট বাবুল আক্তার পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (প্রশাসন) বরাবর লিখিতভাবে যোগদানপত্রও জমা দেন। এ বিষয়ে সরকার কিংবা বাবুল আক্তারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেনি। পুলিশ সদর দফতরে যোগদান করতে না পেরে সই করা পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের জন্য ৯ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে আবেদন করেন বাবুল। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘পরিস্থিতির শিকার হয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে বাধ্য হয়ে অব্যাহতিপত্রে স্বাক্ষর করতে হয়েছিল। পারিপার্শ্বিক প্রতিকূল অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অনিচ্ছাকৃতভাবে আমি চাকরি থেকে অব্যাহতির আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ওই অব্যাহতিপত্রটি প্রত্যাহারের আবেদন জানাচ্ছি, যা আমি স্বেচ্ছায় দাখিল করিনি।’ মিতু হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৪ জুন গভীর রাতে শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুলকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ওই দিনই পদত্যাগপত্রে সই করেছিলেন বাবুল। এর প্রায় দেড় মাস পর্যন্ত অব্যাহতিপত্রটি পুলিশ সদর দফতরে থাকার পর মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এদিকে কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ‘শুনেছি, বাবুল আক্তার মানসিকভাবে বিষণ্নতায় ভুগছেন। চাকরি করার মতো মানসিক অবস্থা তার নেই। কারো সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। অফিসেও আসেন না। তিনি দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকলে আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ স্ত্রী মৃত্যুর পর থেকে বাবুল গণমাধ্যমে তেমন কোনো কথা বলেননি। কেবল ১৩ আগস্ট ফেসবুকে স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন বাবুল আক্তার। স্ট্যাটাসে উঠে আসে তাদের এক যুগের সংসার জীবনে স্ত্রী মিতুর ত্যাগ-তিতীক্ষার নানা গল্প। পুরো স্টাটাসে স্ত্রীর গুণগান ও প্রশংসাই পঞ্চমুখ ছিলেন এসপি বাবুল। এ ছাড়া স্ত্রীকে হারিয়ে দুই শিশুসন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ার করুন কাহিনিও উঠে আসে ওই লেখনীতে। চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় সংলগ্ন এলাকার ওআর নিজাম রোডে ৫ জুন সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে নিহত হন এসপি বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু)। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। স্ত্রী খুন হওয়ার পর থেকে দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ভূঁইয়াপাড়ায় শ্বশুর বাড়িতেই থাকছেন এসপি বাবুল আক্তার।

Comments

Comments!

 ‘আমরা লাইফ রিস্কে আছি’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘আমরা লাইফ রিস্কে আছি’

Wednesday, September 7, 2016 8:50 am
241363_1

স্ত্রী হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে চাকরি থেকে অব্যাহতি পেলেন আলোচিত পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রসঙ্গে বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তন ডটকমকে বলেন ‘সে (বাবুল) দরখাস্ত করেছে, তারা (পুলিশ ডিপার্টমেন্ট) সেটা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে কি করবে না করবে সেটা বাবুলের ব্যাপার। চাকরি করে সে পুলিশ ডিপার্টমেন্টের তারাই তাকে আউট করেছে। চাকরি করে সে সরকারের সরকারই তাকে আউট করেছে। এ বিষয়ে সে কতটুকু কি করবে না করবে সেটা একান্তই তার ব্যাপার। আমরা শুধু বলতে পারি আমাদের মেয়ে হারিয়ে গেছে, তারপরও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টা নিয়ে আমরা লাইফ রিস্কে আছি। তার যেমন লাইফ রিস্ক আছে, তার সন্তানেরও লাইফ রিস্ক আছে। আমরা যারা আপনজন, আত্মীয়-স্বজন আছি কেউ ঝুঁকির বাহিরে নই। সবাই ঝুঁকির মধ্যে আছি। সে চাকরি করবে কি করবে না সম্পূর্ণ তার বিষয়।’

কাগজপত্র পাওয়ার পরে কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা বলতে পারি না। হয়তো যেতেও পারে। এটা বাবুলই বলুক। তার বিষয় সেই বলুক। চাকরি থাকা অবস্থায় ঝুঁকি, চাকুরি না থাকলে ঝুঁকি আরো বেড়ে যায়।’

অব্যাহতির বিষয়ে বাবুলের ভাই হাবিবুর রহমান লাবু পরিবর্তনকে বলেন, ‘আমরা ব্যাপারটা আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। তবে সরকার যেটা ভাল মনে করেছে, সেটা করেছে। আমাদের এ ব্যাপারে আর কিছু বলার নেই।’

এদিকে প্রজ্ঞাপন জারির পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘এসপি বাবুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

যদিও বাবুল এবং তার শ্বশুর একাধিকবার দাবি করেন, স্বেচ্ছায় নয়, বাধ্য হয়ে পদত্যাগপত্রে সই করেছিলেন তিনি।

জানা গেছে, এসপি বাবুল আক্তার ৩ আগস্ট পুলিশ সদর দফতরে গিয়ে চাকরি ফিরে পেতে আবেদন করেছিলেন। এর পরদিন ৪ আগস্ট বাবুল আক্তার পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (প্রশাসন) বরাবর লিখিতভাবে যোগদানপত্রও জমা দেন। এ বিষয়ে সরকার কিংবা বাবুল আক্তারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেনি।

পুলিশ সদর দফতরে যোগদান করতে না পেরে সই করা পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের জন্য ৯ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে আবেদন করেন বাবুল। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘পরিস্থিতির শিকার হয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে বাধ্য হয়ে অব্যাহতিপত্রে স্বাক্ষর করতে হয়েছিল। পারিপার্শ্বিক প্রতিকূল অবস্থার ওপর ভিত্তি করে অনিচ্ছাকৃতভাবে আমি চাকরি থেকে অব্যাহতির আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই অব্যাহতিপত্রটি প্রত্যাহারের আবেদন জানাচ্ছি, যা আমি স্বেচ্ছায় দাখিল করিনি।’

মিতু হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৪ জুন গভীর রাতে শ্বশুরের বাসা থেকে বাবুলকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ওই দিনই পদত্যাগপত্রে সই করেছিলেন বাবুল। এর প্রায় দেড় মাস পর্যন্ত অব্যাহতিপত্রটি পুলিশ সদর দফতরে থাকার পর মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

এদিকে কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ‘শুনেছি, বাবুল আক্তার মানসিকভাবে বিষণ্নতায় ভুগছেন। চাকরি করার মতো মানসিক অবস্থা তার নেই। কারো সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। অফিসেও আসেন না। তিনি দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকলে আইন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্ত্রী মৃত্যুর পর থেকে বাবুল গণমাধ্যমে তেমন কোনো কথা বলেননি। কেবল ১৩ আগস্ট ফেসবুকে স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন বাবুল আক্তার। স্ট্যাটাসে উঠে আসে তাদের এক যুগের সংসার জীবনে স্ত্রী মিতুর ত্যাগ-তিতীক্ষার নানা গল্প। পুরো স্টাটাসে স্ত্রীর গুণগান ও প্রশংসাই পঞ্চমুখ ছিলেন এসপি বাবুল। এ ছাড়া স্ত্রীকে হারিয়ে দুই শিশুসন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ার করুন কাহিনিও উঠে আসে ওই লেখনীতে।

চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড় সংলগ্ন এলাকার ওআর নিজাম রোডে ৫ জুন সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে নিহত হন এসপি বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম (মিতু)। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন।

স্ত্রী খুন হওয়ার পর থেকে দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ভূঁইয়াপাড়ায় শ্বশুর বাড়িতেই থাকছেন এসপি বাবুল আক্তার।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X