সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:২৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, October 26, 2017 11:32 pm
A- A A+ Print

আমাকে অনেক বিপদের ভয় দেখানো হয়েছিল: খালেদা জিয়া

khaleda-zia_61779_1509035984

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে আসুক তা অনেকেই চাননি। এজন্য তাকে অনেক বিপদের ভয় দেখানো হয়েছিল। তবুও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি রাজনীতিতে আসেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় খালেদা জিয়াকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার দেয়া আংশিক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ তিন যুগ আগে দেশের জনগণের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজনীতিতে আসি। ওই সময় মসনদ বা ক্ষমতার কোনো হাতছনি ছিল না। সেই সময়ে ক্ষমতার অবৈধ দখলদাররা চায়নি আমি রাজনীতিতে আসি। আমাকে ভয় দেখানো হয়েছিল এমনভাবে যে, রাজনীতিতে অনেক বিপদ আছে। তার পরও দেশের আপামর জনসাধারণের ভাগ্য তথা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে লালন করে জাতীয়তাবাদের পতাকা হাতে নিয়ে তার (শহীদ জিয়া) অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে আমি রাজনীতিতে পদার্পণ করি। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত  ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে পৌঁছান খালেদা জিয়া। এরপর খালেদা জিয়া তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য শুরু করেন। খালেদা জিয়া আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশের ক্রান্তিলগ্নে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ঘটনা বর্ণনায় একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এমনকি রাজনৈতিক, শারীরিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি ও সম্মানহানি করতে জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। চার দশকের স্মৃতিবিজড়িত ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে উৎখাত করা হয়েছে। বক্তব্যের এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের প্রসঙ্গে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বিরুদ্ধেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে  দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। কিন্তু তার  (শেখ হাসিনার)সৌভাগ্য যে, আমার মতো তাকে আদালতে হাজির হতে হয়নি। মসনদে বসে ক্ষমতার জোরে সব মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন।’ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে আরও বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্য শেষে আদালতে সময় চান। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম মুলতবি করে আংশিক বক্তব্য উপস্থাপনের পর সময় চাইলে সংশ্লিষ্ট বিচারক ড. আখতারুজ্জামান আগামী ২ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেন। তবে পরবর্তী তারিখে পুরো বক্তব্য উপস্থাপন শেষ করতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিচারক। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় পরবর্তী একই দিন ধার্য করা হয়েছে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে হাজির হন। অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ঘণ্টাব্যাপী দেয়া বক্তব্যে খালেদা জিয়া তার রাজনীতিতে আসার প্রেক্ষাপট, দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন না থাকা এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে চলা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘আমি সবসময়ই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শত ব্যস্ততা ও শারীরিক অক্ষমতা সত্তে¡ও আদালতে হাজির হওয়ার চেষ্টা করি। আমার আইনজীবীরাও সাধ্যমতো আদালতকে সহযোগিতা করছেন। তবুও অনিবার্য কারণে কখনও আদালতে হাজির না হতে পারলে আমার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।’ এ সময় খালেদা জিয়া আদালতের বিচারককে বলেন, মাননীয় আদালত অনেক সময় ধরে কথা বললে আমার সমস্যা হয়। তাই আজকের মতো শুনানির কার্যক্রম মুলতবি রাখার আবেদন জানাচ্ছি। বিচারক খালেদার এ প্রার্থনা মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি (খালেদা জিয়া) রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন, এটি আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো বক্তব্য নয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে বেলা দেড়টার দিকে খালেদা জিয়া বকশিবাজারের বিশেষ জজ আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন। তিন মাস লন্ডনে অবস্থানের পর গতকাল বুধবার বিকালে দেশে ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন। লন্ডনে অবস্থানের সময়েই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

Comments

Comments!

 আমাকে অনেক বিপদের ভয় দেখানো হয়েছিল: খালেদা জিয়াAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আমাকে অনেক বিপদের ভয় দেখানো হয়েছিল: খালেদা জিয়া

Thursday, October 26, 2017 11:32 pm
khaleda-zia_61779_1509035984

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে আসুক তা অনেকেই চাননি। এজন্য তাকে অনেক বিপদের ভয় দেখানো হয়েছিল। তবুও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি রাজনীতিতে আসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় খালেদা জিয়াকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।

বৃহস্পতিবার দেয়া আংশিক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ তিন যুগ আগে দেশের জনগণের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজনীতিতে আসি। ওই সময় মসনদ বা ক্ষমতার কোনো হাতছনি ছিল না। সেই সময়ে ক্ষমতার অবৈধ দখলদাররা চায়নি আমি রাজনীতিতে আসি। আমাকে ভয় দেখানো হয়েছিল এমনভাবে যে, রাজনীতিতে অনেক বিপদ আছে। তার পরও দেশের আপামর জনসাধারণের ভাগ্য তথা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে লালন করে জাতীয়তাবাদের পতাকা হাতে নিয়ে তার (শহীদ জিয়া) অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে আমি রাজনীতিতে পদার্পণ করি।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত  ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে পৌঁছান খালেদা জিয়া। এরপর খালেদা জিয়া তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য শুরু করেন।

খালেদা জিয়া আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশের ক্রান্তিলগ্নে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ঘটনা বর্ণনায় একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এমনকি রাজনৈতিক, শারীরিক ও সামাজিকভাবে হয়রানি ও সম্মানহানি করতে জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। চার দশকের স্মৃতিবিজড়িত ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে উৎখাত করা হয়েছে।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে খালেদা জিয়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের প্রসঙ্গে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বিরুদ্ধেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে  দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। কিন্তু তার  (শেখ হাসিনার)সৌভাগ্য যে, আমার মতো তাকে আদালতে হাজির হতে হয়নি। মসনদে বসে ক্ষমতার জোরে সব মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন।’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে আরও বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বক্তব্য শেষে আদালতে সময় চান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম মুলতবি করে আংশিক বক্তব্য উপস্থাপনের পর সময় চাইলে সংশ্লিষ্ট বিচারক ড. আখতারুজ্জামান আগামী ২ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেন। তবে পরবর্তী তারিখে পুরো বক্তব্য উপস্থাপন শেষ করতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিচারক। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় পরবর্তী একই দিন ধার্য করা হয়েছে।

দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে হাজির হন। অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ঘণ্টাব্যাপী দেয়া বক্তব্যে খালেদা জিয়া তার রাজনীতিতে আসার প্রেক্ষাপট, দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন না থাকা এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে চলা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কথা বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘আমি সবসময়ই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শত ব্যস্ততা ও শারীরিক অক্ষমতা সত্তে¡ও আদালতে হাজির হওয়ার চেষ্টা করি। আমার আইনজীবীরাও সাধ্যমতো আদালতকে সহযোগিতা করছেন। তবুও অনিবার্য কারণে কখনও আদালতে হাজির না হতে পারলে আমার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।’

এ সময় খালেদা জিয়া আদালতের বিচারককে বলেন, মাননীয় আদালত অনেক সময় ধরে কথা বললে আমার সমস্যা হয়। তাই আজকের মতো শুনানির কার্যক্রম মুলতবি রাখার আবেদন জানাচ্ছি। বিচারক খালেদার এ প্রার্থনা মঞ্জুর করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি (খালেদা জিয়া) রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছেন, এটি আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো বক্তব্য নয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে বেলা দেড়টার দিকে খালেদা জিয়া বকশিবাজারের বিশেষ জজ আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন। বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগে থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছেন। তিন মাস লন্ডনে অবস্থানের পর গতকাল বুধবার বিকালে দেশে ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন। লন্ডনে অবস্থানের সময়েই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X