বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:০৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, June 25, 2017 9:02 pm
A- A A+ Print

‘আমার চেয়ে বড় দুবোন ভালো রান্না করেন’

12

‘ছোট বেলায় দেখা যেত সুচন্দা আপা অন্য জায়গা থেকে সালামি তুলে, তা থেকে আমাকে আর ববিতা আপাকে সালামি দিতেন। আবার ববিতা আপা সালামি তুলে সেখান থেকে আমাকে দিতেন। আমরা কিন্তু এখনো একজন আরেজনের কাছ থেকে সালামি নিই। ববিতা আপাও সুচন্দা আপাকে ক্ষমা করেন না। ঈদের দিন আমরা অবশ্যই সালামি নিব, একসঙ্গে বসে খাবার খাব। এবার ঈদে একটু মন খারাপ, কারণ আমরা দুবোন, আমি আর ববিতা আপা একসঙ্গে ঈদ করছি ঢাকায়, সুচন্দা আপা যশোরে ঈদ করবেন।’ এভাবেই তিন বোনের ঈদ নিয়ে বলছিলেন ‘পদ্মানদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রের কপিলা খ্যাত চম্পা। ছোটবেলায় ঈদি নিয়ে চম্পার বড় বোন, দেশের আরেক খ্যাতিমান নায়িকা, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’ খ্যাত ববিতা বলেন, ‘ছোটবেলায় সব সময়ই মনে হতো চম্পাকে সালামি দিতে হবে। সকাল থেকে পরিবারের সবার কাছ থেকে সালামি তুলতাম আর কিছু টাকা হয়ে গেলেই আগে চম্পাকে দিতাম, তারপর সুচন্দা আপার কাছ থেকে সালামি নিতাম। ছোটবেলা থেকেই দেখেছি, সালামি নেওয়ায় যেমন আনন্দ আছে, তেমনি ছোটদের সালামি দেওয়ার মধ্যেও আনন্দ আছে।’ তবে শুধু ঈদের সালামি নয়, তিন বোন মিলে রান্নাবান্না নিয়েও ব্যস্ত থাকতেন ঈদের দিন। ‘ছবিতে কাজ শুরু করার পর আমাদের ঈদের মূল আয়োজন ছিল রান্নাবান্না। তিন বোন এক সঙ্গে রান্না করতাম। যদিও আমার চেয়ে বড় দুবোন ভালো রান্না করেন। এরপরও আমি কোনো একটা স্পেশাল রান্না করে সবার প্রশংসার জন্য অপেক্ষায় থাকতাম। দুই বোন রান্না নাকের কাছে নিয়েই প্রশংসা শুরু করতেন। আমার চোখে পানি চলে আসতো, তখন বুঝতাম বোনেরা আমাকে কত ভালো বাসে।’ বলছিলেন চম্পা। তারকাখ্যাতি পাওয়ার পরও তিন বোন একসঙ্গেই ঈদ করতেন, অন্তত করার চেষ্টা করতেন, বলছিলেন ববিতা, ‘আসলে আমরা সব সময়ই চাইতাম তিন বোন একসঙ্গে ঈদ করতে। আর যখন আমাদের আলাদা সংসার হয়ে গেছে, এখন আমরা দিনের শুরুটা নিজের পরিবারের সঙ্গে হলেও, তিনজন একসঙ্গে হতেই হবে। এবার আপা বাড়িতে ঈদ করছেন। আমার সালামিটা এবার মিস করব। কারণ ঈদের দিন ছাড়া সালামি নিতে ভালো লাগে না।’ বড় বোন সুচন্দা ঢাকায় না থাকলেও দুই বোন ঈদের দিন একসঙ্গে থাকবেন। ববিতা জানালেন, ‘আমরা দুই বোন এক সঙ্গে ঈদে সময় কাটব, একসঙ্গে দুপুরে খাবো। সব কিছু আমাদের আগে থেকেই ঠিক করা আছে। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ঈদটাও একটু বদলে যায়। এখন অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়,  এরপরও দোয়া করি, যে যেখানে থাকেন ঈদটা যেন ভালো কাটে।’

Comments

Comments!

 ‘আমার চেয়ে বড় দুবোন ভালো রান্না করেন’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘আমার চেয়ে বড় দুবোন ভালো রান্না করেন’

Sunday, June 25, 2017 9:02 pm
12

‘ছোট বেলায় দেখা যেত সুচন্দা আপা অন্য জায়গা থেকে সালামি তুলে, তা থেকে আমাকে আর ববিতা আপাকে সালামি দিতেন। আবার ববিতা আপা সালামি তুলে সেখান থেকে আমাকে দিতেন। আমরা কিন্তু এখনো একজন আরেজনের কাছ থেকে সালামি নিই। ববিতা আপাও সুচন্দা আপাকে ক্ষমা করেন না। ঈদের দিন আমরা অবশ্যই সালামি নিব, একসঙ্গে বসে খাবার খাব। এবার ঈদে একটু মন খারাপ, কারণ আমরা দুবোন, আমি আর ববিতা আপা একসঙ্গে ঈদ করছি ঢাকায়, সুচন্দা আপা যশোরে ঈদ করবেন।’ এভাবেই তিন বোনের ঈদ নিয়ে বলছিলেন ‘পদ্মানদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রের কপিলা খ্যাত চম্পা।

ছোটবেলায় ঈদি নিয়ে চম্পার বড় বোন, দেশের আরেক খ্যাতিমান নায়িকা, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’ খ্যাত ববিতা বলেন, ‘ছোটবেলায় সব সময়ই মনে হতো চম্পাকে সালামি দিতে হবে। সকাল থেকে পরিবারের সবার কাছ থেকে সালামি তুলতাম আর কিছু টাকা হয়ে গেলেই আগে চম্পাকে দিতাম, তারপর সুচন্দা আপার কাছ থেকে সালামি নিতাম। ছোটবেলা থেকেই দেখেছি, সালামি নেওয়ায় যেমন আনন্দ আছে, তেমনি ছোটদের সালামি দেওয়ার মধ্যেও আনন্দ আছে।’

তবে শুধু ঈদের সালামি নয়, তিন বোন মিলে রান্নাবান্না নিয়েও ব্যস্ত থাকতেন ঈদের দিন। ‘ছবিতে কাজ শুরু করার পর আমাদের ঈদের মূল আয়োজন ছিল রান্নাবান্না। তিন বোন এক সঙ্গে রান্না করতাম। যদিও আমার চেয়ে বড় দুবোন ভালো রান্না করেন। এরপরও আমি কোনো একটা স্পেশাল রান্না করে সবার প্রশংসার জন্য অপেক্ষায় থাকতাম। দুই বোন রান্না নাকের কাছে নিয়েই প্রশংসা শুরু করতেন। আমার চোখে পানি চলে আসতো, তখন বুঝতাম বোনেরা আমাকে কত ভালো বাসে।’ বলছিলেন চম্পা।

তারকাখ্যাতি পাওয়ার পরও তিন বোন একসঙ্গেই ঈদ করতেন, অন্তত করার চেষ্টা করতেন, বলছিলেন ববিতা, ‘আসলে আমরা সব সময়ই চাইতাম তিন বোন একসঙ্গে ঈদ করতে। আর যখন আমাদের আলাদা সংসার হয়ে গেছে, এখন আমরা দিনের শুরুটা নিজের পরিবারের সঙ্গে হলেও, তিনজন একসঙ্গে হতেই হবে। এবার আপা বাড়িতে ঈদ করছেন। আমার সালামিটা এবার মিস করব। কারণ ঈদের দিন ছাড়া সালামি নিতে ভালো লাগে না।’

বড় বোন সুচন্দা ঢাকায় না থাকলেও দুই বোন ঈদের দিন একসঙ্গে থাকবেন। ববিতা জানালেন, ‘আমরা দুই বোন এক সঙ্গে ঈদে সময় কাটব, একসঙ্গে দুপুরে খাবো। সব কিছু আমাদের আগে থেকেই ঠিক করা আছে। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ঈদটাও একটু বদলে যায়। এখন অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়,  এরপরও দোয়া করি, যে যেখানে থাকেন ঈদটা যেন ভালো কাটে।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X