শনিবার, ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:১২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, May 18, 2017 6:56 am
A- A A+ Print

আমার পা সব সময় মাটিতেই থাকুক

2

ইদানীং ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা যাওয়া-আসার মধ্যে থাকতে হচ্ছে অভিনেত্রী জয়া আহসানকে। কখনো নতুন সিনেমা নিয়ে কথা বলা, কখনো শুটিং, আবার কখনো প্রচারণা। এই তো গত মাসের মাঝামাঝি কলকাতায় মুক্তি পাওয়া বিসর্জন ছবিটি নিয়েও তেমনই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে তাঁকে। শিগগিরই মুক্তি পাবে তাঁর প্রথম নেট সিনেমা ভালোবাসার শহর। ছবিটি বানিয়েছেন ফড়িংখ্যাত নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। এদিকে কলকাতায় নতুন আরেকটি সিনেমায় কাজ করার ব্যাপারে কথা পাকাপাকি করে ফেলেছেন জয়া। এসব নিয়েই ৫ মে দুপুরে প্রথম আলোর মুখোমুখি হন এই অভিনয়িশল্পী।

সারা ভারত এখন ‘বাহুবলী’তে মেতে আছে। এটা কি আপনার ‘বিসর্জন’ সিনেমায় কোনো প্রভাব ফেলেছে?

কিছুটা তো অবশ্যই ফেলেছে। বিসর্জন শুধু কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে, অন্যদিকে বাহুবলী জোর করে সারা ভারতের প্রেক্ষাগৃহ দখল করে নিয়েছে। বাহুবলী বড় বাজেটের সিনেমা। এরপরও শুনেছি, কলকাতায় এখনো ৩৫টি প্রেক্ষাগৃহে আমাদের সিনেমা চলছে। সবকিছুর পরও অনেক সফল একটা উদ্যোগ বিসর্জন। চারদিক থেকে অনেক প্রশংসা পেয়েছি। শুধু রাষ্ট্রীয় পুরস্কার নয়, দর্শক ভালোবেসেছে, পছন্দ করেছে। নানা রকম মন্তব্য করেছে। কেউ আমাকে প্রতিমা বলছে। কেউ হাত ধরে দেখছে, আমার পা ছুঁতে চাইছে। অদ্ভুত সব প্রশংসা পাচ্ছি। কিন্তু একটা কথা কি জানেন, আমি না এসব সময়ের চেয়ে কাজের সময়টা বেশি উপভোগ করি।

.

 কাজের সময়কার কোনো ঘটনার কথা মনে পড়ছে কি? বিসর্জন নিয়ে জার্নি মোটেও সহজ ছিল না। আমাদের এই সিনেমার প্রযোজক একেবারে নতুন। একটা কলেজের লেকচারার। এটি তাঁর প্রথম সিনেমা। তাও আবার একেবারে মেইনস্ট্রিম গল্প না। গল্পটা সুন্দর করে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রেও অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। সবার চেষ্টা ছিল, অল্প সময়ের মধ্য ছবিটা শেষ করার, মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়ার, রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের জন্য জমা দেওয়ার—সব কষ্ট ধুয়ে গেছে যখন দর্শক ছবিটি পছন্দ করেছে। কোনো সন্দেহ নেই যে রাষ্ট্রীয় সম্মান অনেক বড় ব্যাপার। কলকাতার নন্দনে ১২৫০ জন দর্শক ধারণক্ষমতার সেই মিলনায়তনে ১৪ এপ্রিল থেকে এই ছবিটি এখনো ‘হাউজফুল’। আমি তো নিজে উপস্থিত থেকে দেখেছি, ছবিটা যখন শুরু হয়, তখন সবার মধ্যে পিনপতন নীরবতা। এর বাইরেও অনেক প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছি। সবার মধ্যে ছবিটি নিয়ে অভাবনীয় আগ্রহ যেমন দেখেছি, তেমনি প্রশংসা পাচ্ছি। সবকিছুর জন্য পরিচালক কৌশিক দা, পশ্চিমবঙ্গের দর্শক, আমার ফ্যাটারনিটির কাছে খুবই কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি চাই, আমার পা সব সময় মাটিতেই থাকুক। আমি শিক্ষানবিশ থাকতে চাই। সব সময় কাজ করে যাব।

‘ভালবাসার শহর’ সম্পর্কে বলুন। ছবির চিত্রনাট্য হাতে পাওয়ার আগে শুধু গল্প শুনেই এই নির্মাতার সঙ্গে কাজটি করতে রাজি হই। আমার মনে হয়েছিল, এমন একটি গল্পের ছবিতে আমাকে অভিনয় করতেই হবে। এটি আমার অসম্ভব প্রিয় একজন নির্মাতার সিনেমা। এই সিনেমা আমাকে ও আমার অভিনয়জীবনকে সমৃদ্ধ করেছে। এই গল্প নির্দিষ্ট কোনো শহরের নয়, এই গল্প প্রতিটি শহরের। এই সিনেমায় ‘আদিল’ ও ‘অন্নপূর্ণা’ নামের দুটি চরিত্রের জীবনসংগ্রাম ও নির্মম পরিণতি দেখানো হয়েছে। অন্নপূর্ণা চরিত্রে অভিনয় করেছি আমি। শুধু সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই ছবিটা করেছি, এমনটা নয়।

কলকাতায় নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয় করবেন? বৃষ্টি তোমাকে দিলাম নামে নতুন একটি সিনেমার ব্যাপারে কথা পাকা হয়ে আছে। নতুন নির্মাতার কাজ। খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র। চিরঞ্জিত, রাজেশ শর্মাও কাজ করেবেন এতে।

আপনি তো বাংলাদেশ আর ভারতের কলকাতায় কাজ করছেন। যৌথ প্রযোজনার ব্যাপারটি সম্পর্কে আপনার অবস্থান বলবেন কী? দুই দেশ মিলে যদি যৌথ প্রযোজনা করা যায় তাহলে খুব ভালো। তবে এ ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতাও আছে। আমরা যেহেতু একটা দেশ আর কলকাতা ভারতের একটা রিজিয়ন। তাই অনেক ফাঁকফোকর থেকে যায়। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, কলকাতার অনেক সিনেমা বাংলাদেশে চললেও আমাদের ভালো সিনেমা ওখানে ঠিকভাবে দেখানো হচ্ছে না। এটা খুবই দুঃখজনক। এটা কখনোই কাম্য নয়। সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। আমাদের এখান থেকে যেসব সিনেমা কলকাতায় যাচ্ছে, ওখানে কাকপক্ষীও দেখছে না। প্রযোজক পর্যায় থেকেও কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না।

আপনারা যাঁরা কলকাতা ও ঢাকায় কাজ করেন তাঁরা কি দুই জায়গায় কোনো পার্থক্য উপলব্ধি করেন? অবশ্যই আছে। একটা বিষয় কি জানেন, আমাদের দেশে ঘটনা অনেক বেশি, ক্রাইসিসও অনেক বেশি। তাই বৈচিত্র্যপূর্ণ গল্প নিয়ে কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি। আমার কাছে মনে হয়, কলকাতার সিনেমা পূর্ণাঙ্গ সিনেমা হয়ে ওঠে। একটা গল্প থাকে। পুরো সিনেমায় একটা হারমোনি থাকে। আমাদের অবকাঠামো সমস্যার কারণেই অনেক চুম্বক অংশ থাকলেও পুরো সিনেমায় গল্প বলার ধরনে ছন্দ পাওয়া যায় না।

এবার ‘দেবী’ প্রসঙ্গ। প্রযোজক হিসেবে আপনাকে সিনেমায় পাওয়া গেল। অভিজ্ঞতা কেমন? আমাদের টার্গেট ছিল ৩৫ দিনে সিনেমার শুটিং শেষ করা। ১০ দিন বাকি থাকতেই কাজ শেষ করে ফেলেছি। প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট এত ভালো কাজ করেছে যে বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘মিসির আলী’ চরিত্রে চঞ্চলের কাছ থেকে খুব সমর্থন পেয়েছি। বিজ্ঞাপনের কিছু লোক নিয়ে কাজ করেছি। সবচেয়ে বড় সাপোর্ট সরকার থেকে পেয়েছি। যদিও আমি অংশীদার প্রযোজক, তারপরও সবচেয়ে বড় সহযোগিতা সরকারের।

কবে নাগদ ‘দেবী’ দেখতে পাব? এটা এখনো ঠিক করিনি। শুটিং-পরবর্তী অনেক কাজ এখনো বাকি। তাড়াহুড়ো নেই। সময় হলে মুক্তি দিয়ে দেব।

কথায় কথায় সময় শেষ হয়ে আসে। জয়া যাবেন এফডিসিতে। সেখানে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে সন্ধ্যায় যাবেন দেশের বাইরে। বিদায় নিয়ে বেরিয়ে এলাম, জয়াও বের হলেন তাঁর গন্তব্যের উদ্দেশে।

Comments

Comments!

 আমার পা সব সময় মাটিতেই থাকুকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আমার পা সব সময় মাটিতেই থাকুক

Thursday, May 18, 2017 6:56 am
2

ইদানীং ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা যাওয়া-আসার মধ্যে থাকতে হচ্ছে অভিনেত্রী জয়া আহসানকে। কখনো নতুন সিনেমা নিয়ে কথা বলা, কখনো শুটিং, আবার কখনো প্রচারণা। এই তো গত মাসের মাঝামাঝি কলকাতায় মুক্তি পাওয়া বিসর্জন ছবিটি নিয়েও তেমনই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে তাঁকে। শিগগিরই মুক্তি পাবে তাঁর প্রথম নেট সিনেমা ভালোবাসার শহর। ছবিটি বানিয়েছেন ফড়িংখ্যাত নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরী। এদিকে কলকাতায় নতুন আরেকটি সিনেমায় কাজ করার ব্যাপারে কথা পাকাপাকি করে ফেলেছেন জয়া। এসব নিয়েই ৫ মে দুপুরে প্রথম আলোর মুখোমুখি হন এই অভিনয়িশল্পী।

সারা ভারত এখন ‘বাহুবলী’তে মেতে আছে। এটা কি আপনার ‘বিসর্জন’ সিনেমায় কোনো প্রভাব ফেলেছে?

কিছুটা তো অবশ্যই ফেলেছে। বিসর্জন শুধু কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে, অন্যদিকে বাহুবলী জোর করে সারা ভারতের প্রেক্ষাগৃহ দখল করে নিয়েছে। বাহুবলী বড় বাজেটের সিনেমা। এরপরও শুনেছি, কলকাতায় এখনো ৩৫টি প্রেক্ষাগৃহে আমাদের সিনেমা চলছে। সবকিছুর পরও অনেক সফল একটা উদ্যোগ বিসর্জন। চারদিক থেকে অনেক প্রশংসা পেয়েছি। শুধু রাষ্ট্রীয় পুরস্কার নয়, দর্শক ভালোবেসেছে, পছন্দ করেছে। নানা রকম মন্তব্য করেছে। কেউ আমাকে প্রতিমা বলছে। কেউ হাত ধরে দেখছে, আমার পা ছুঁতে চাইছে। অদ্ভুত সব প্রশংসা পাচ্ছি। কিন্তু একটা কথা কি জানেন, আমি না এসব সময়ের চেয়ে কাজের সময়টা বেশি উপভোগ করি।

.

 কাজের সময়কার কোনো ঘটনার কথা মনে পড়ছে কি?
বিসর্জন নিয়ে জার্নি মোটেও সহজ ছিল না। আমাদের এই সিনেমার প্রযোজক একেবারে নতুন। একটা কলেজের লেকচারার। এটি তাঁর প্রথম সিনেমা। তাও আবার একেবারে মেইনস্ট্রিম গল্প না। গল্পটা সুন্দর করে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রেও অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। সবার চেষ্টা ছিল, অল্প সময়ের মধ্য ছবিটা শেষ করার, মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়ার, রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের জন্য জমা দেওয়ার—সব কষ্ট ধুয়ে গেছে যখন দর্শক ছবিটি পছন্দ করেছে। কোনো সন্দেহ নেই যে রাষ্ট্রীয় সম্মান অনেক বড় ব্যাপার। কলকাতার নন্দনে ১২৫০ জন দর্শক ধারণক্ষমতার সেই মিলনায়তনে ১৪ এপ্রিল থেকে এই ছবিটি এখনো ‘হাউজফুল’। আমি তো নিজে উপস্থিত থেকে দেখেছি, ছবিটা যখন শুরু হয়, তখন সবার মধ্যে পিনপতন নীরবতা। এর বাইরেও অনেক প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছি। সবার মধ্যে ছবিটি নিয়ে অভাবনীয় আগ্রহ যেমন দেখেছি, তেমনি প্রশংসা পাচ্ছি। সবকিছুর জন্য পরিচালক কৌশিক দা, পশ্চিমবঙ্গের দর্শক, আমার ফ্যাটারনিটির কাছে খুবই কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি চাই, আমার পা সব সময় মাটিতেই থাকুক। আমি শিক্ষানবিশ থাকতে চাই। সব সময় কাজ করে যাব।

‘ভালবাসার শহর’ সম্পর্কে বলুন।
ছবির চিত্রনাট্য হাতে পাওয়ার আগে শুধু গল্প শুনেই এই নির্মাতার সঙ্গে কাজটি করতে রাজি হই। আমার মনে হয়েছিল, এমন একটি গল্পের ছবিতে আমাকে অভিনয় করতেই হবে। এটি আমার অসম্ভব প্রিয় একজন নির্মাতার সিনেমা। এই সিনেমা আমাকে ও আমার অভিনয়জীবনকে সমৃদ্ধ করেছে। এই গল্প নির্দিষ্ট কোনো শহরের নয়, এই গল্প প্রতিটি শহরের। এই সিনেমায় ‘আদিল’ ও ‘অন্নপূর্ণা’ নামের দুটি চরিত্রের জীবনসংগ্রাম ও নির্মম পরিণতি দেখানো হয়েছে। অন্নপূর্ণা চরিত্রে অভিনয় করেছি আমি। শুধু সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই ছবিটা করেছি, এমনটা নয়।

কলকাতায় নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয় করবেন?
বৃষ্টি তোমাকে দিলাম নামে নতুন একটি সিনেমার ব্যাপারে কথা পাকা হয়ে আছে। নতুন নির্মাতার কাজ। খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র। চিরঞ্জিত, রাজেশ শর্মাও কাজ করেবেন এতে।

আপনি তো বাংলাদেশ আর ভারতের কলকাতায় কাজ করছেন। যৌথ প্রযোজনার ব্যাপারটি সম্পর্কে আপনার অবস্থান বলবেন কী?
দুই দেশ মিলে যদি যৌথ প্রযোজনা করা যায় তাহলে খুব ভালো। তবে এ ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতাও আছে। আমরা যেহেতু একটা দেশ আর কলকাতা ভারতের একটা রিজিয়ন। তাই অনেক ফাঁকফোকর থেকে যায়। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, কলকাতার অনেক সিনেমা বাংলাদেশে চললেও আমাদের ভালো সিনেমা ওখানে ঠিকভাবে দেখানো হচ্ছে না। এটা খুবই দুঃখজনক। এটা কখনোই কাম্য নয়। সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। আমাদের এখান থেকে যেসব সিনেমা কলকাতায় যাচ্ছে, ওখানে কাকপক্ষীও দেখছে না। প্রযোজক পর্যায় থেকেও কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না।

আপনারা যাঁরা কলকাতা ও ঢাকায় কাজ করেন তাঁরা কি দুই জায়গায় কোনো পার্থক্য উপলব্ধি করেন?
অবশ্যই আছে। একটা বিষয় কি জানেন, আমাদের দেশে ঘটনা অনেক বেশি, ক্রাইসিসও অনেক বেশি। তাই বৈচিত্র্যপূর্ণ গল্প নিয়ে কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি। আমার কাছে মনে হয়, কলকাতার সিনেমা পূর্ণাঙ্গ সিনেমা হয়ে ওঠে। একটা গল্প থাকে। পুরো সিনেমায় একটা হারমোনি থাকে। আমাদের অবকাঠামো সমস্যার কারণেই অনেক চুম্বক অংশ থাকলেও পুরো সিনেমায় গল্প বলার ধরনে ছন্দ পাওয়া যায় না।

এবার ‘দেবী’ প্রসঙ্গ। প্রযোজক হিসেবে আপনাকে সিনেমায় পাওয়া গেল। অভিজ্ঞতা কেমন?
আমাদের টার্গেট ছিল ৩৫ দিনে সিনেমার শুটিং শেষ করা। ১০ দিন বাকি থাকতেই কাজ শেষ করে ফেলেছি। প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট এত ভালো কাজ করেছে যে বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘মিসির আলী’ চরিত্রে চঞ্চলের কাছ থেকে খুব সমর্থন পেয়েছি। বিজ্ঞাপনের কিছু লোক নিয়ে কাজ করেছি। সবচেয়ে বড় সাপোর্ট সরকার থেকে পেয়েছি। যদিও আমি অংশীদার প্রযোজক, তারপরও সবচেয়ে বড় সহযোগিতা সরকারের।

কবে নাগদ ‘দেবী’ দেখতে পাব?
এটা এখনো ঠিক করিনি। শুটিং-পরবর্তী অনেক কাজ এখনো বাকি। তাড়াহুড়ো নেই। সময় হলে মুক্তি দিয়ে দেব।

কথায় কথায় সময় শেষ হয়ে আসে। জয়া যাবেন এফডিসিতে। সেখানে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে সন্ধ্যায় যাবেন দেশের বাইরে। বিদায় নিয়ে বেরিয়ে এলাম, জয়াও বের হলেন তাঁর গন্তব্যের উদ্দেশে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X