মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৫৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, January 9, 2017 7:38 am
A- A A+ Print

আম্পায়ার নিরপেক্ষ না থাকলে খেলা হয় না, রাষ্ট্রপতিকে বললেন ড. কামাল

%e0%a7%a8

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছ নয় দফা প্রস্তাব দিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আম্পায়ার যদি নিরপেক্ষ না থাকে তাহলে খেলা হয় না। গতকাল রোববার বিকেলে ইসি গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ শেষে বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল এ কথা বলেন। ‘নির্বাচনকালীন সরকার ও প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকতে হবে। ২০০৮ সালের মতো জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে’, বলেন ড. কামাল। ‘নির্বাচন কমিশন আইনে কী কী বিধান করা প্রয়োজন, সে বিষয়ে আমরা বলেছি। সার্চ কমিটি গঠনে আমরা কোন নাম প্রস্তাব করিনি। তবে ক্যাটাগরি বলেছি’, যোগ করেন ড. কামাল। ওই সময় এক সাংবাদিক ড. কামাল হোসেনের উদ্দেশে বলেন, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিগত নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়নি। তাতে সংবিধানের ব্যত্যয় ঘটেছিল কি না।  জবাবে গণফোরাম সভাপতি বলেন, ‘যদি তারা অবাধ, নিরপেক্ষভাবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন না করে থাকে, তাহলে অবশ্যই ব্যতয় ঘটেছে। সেটা জনগণ বিচার করুক।’ বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে যান। সেখানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার বৈঠক হয় দলটির। ৯ দফা প্রস্তাব ১. নির্বাহী বিভাগের প্রভাব ও হস্তক্ষেপমুক্ত স্বাধীন, শক্তিশালী ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠনকল্পে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতাসহ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কার্যকর ক্ষমতাসংবলিত একটি নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়ন করতে হবে। ২. সততা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও আইনি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের নিয়োগ দিতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার অগ্রাধিকার যাচাই বাছাইয়ের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করতে হবে। অনুসন্ধান কমিটির স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নে বর্ণিতরূপে কমিটি গঠন করা যেতে পারে : (ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি কমিটির সভাপতি; (খ) নিরপেক্ষ ও জাতির আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচিত একজন শিক্ষাবিদ কমিটির সদস্য; (গ) নারী সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নারী প্রতিনিধি কমিটির সদস্য; (ঘ) ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন প্রতিনিধি কমিটির সদস্য; এবং (ঙ) গণমাধ্যমের একজন প্রতিনিধি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ৩. নির্বাচন কমিশন আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকবে। জাতীয় বাজেটে নির্বাচন কমিশনের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। ৪. নির্বাচন কমিশন সচিবালয় নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন থাকবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করবে এবং তাদের দ্বারাই নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পরিচালনা করা হবে। ৫. নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা যাচাই-বাছাই করে রির্টানিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করবে। এসব নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁদের কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটলে, নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ৬. নির্বাচন কমিশন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ৭. নির্বাচনী বিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত থাকবে। ৮. মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা সহকারে প্রার্থীর দাখিলকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা, সম্পদের বিবরণী, ফৌজদারি রেকর্ড ইত্যাদি তথ্যসমূহ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে টানিয়ে প্রচার করবে। কোনো প্রার্থী ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা, ক্ষেত্র বিশেষে সদস্য পদ হারাবেন ও শাস্তি পাবেন। ৯. নির্বাচন কমিশন  নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রার্থীরা নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণ দাখিল না করলে এবং আইনে নির্ধারিত ব্যয়সীমা অতিক্রম করার বিষয়টি প্রমাণিত হলে শাস্তির বিধানসহ সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে। গণফোরামের প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মোহসীন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সভাপতি পরিষদের সদস্য তোবারক হোসেন, জগলুল হায়দার আফ্রিক, আ ও ম শফিক উল্ল্যা, সগীর আনোয়ার, মোশতাক আহমেদ, অধ্যাপক বিলকিস বানু, মহিউদ্দিন কাদের, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এস এম আলতাফ হোসেন, শান্তিপদ ঘোষ ও নৃপেন ঘোষ।

Comments

Comments!

 আম্পায়ার নিরপেক্ষ না থাকলে খেলা হয় না, রাষ্ট্রপতিকে বললেন ড. কামালAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আম্পায়ার নিরপেক্ষ না থাকলে খেলা হয় না, রাষ্ট্রপতিকে বললেন ড. কামাল

Monday, January 9, 2017 7:38 am
%e0%a7%a8

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছ নয় দফা প্রস্তাব দিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আম্পায়ার যদি নিরপেক্ষ না থাকে তাহলে খেলা হয় না।

গতকাল রোববার বিকেলে ইসি গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ শেষে বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. কামাল এ কথা বলেন।

‘নির্বাচনকালীন সরকার ও প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকায় থাকতে হবে। ২০০৮ সালের মতো জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে’, বলেন ড. কামাল।

‘নির্বাচন কমিশন আইনে কী কী বিধান করা প্রয়োজন, সে বিষয়ে আমরা বলেছি। সার্চ কমিটি গঠনে আমরা কোন নাম প্রস্তাব করিনি। তবে ক্যাটাগরি বলেছি’, যোগ করেন ড. কামাল।

ওই সময় এক সাংবাদিক ড. কামাল হোসেনের উদ্দেশে বলেন, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিগত নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়নি। তাতে সংবিধানের ব্যত্যয় ঘটেছিল কি না।  জবাবে গণফোরাম সভাপতি বলেন, ‘যদি তারা অবাধ, নিরপেক্ষভাবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন না করে থাকে, তাহলে অবশ্যই ব্যতয় ঘটেছে। সেটা জনগণ বিচার করুক।’

বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে যান। সেখানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার বৈঠক হয় দলটির।

৯ দফা প্রস্তাব

১. নির্বাহী বিভাগের প্রভাব ও হস্তক্ষেপমুক্ত স্বাধীন, শক্তিশালী ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠনকল্পে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতাসহ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কার্যকর ক্ষমতাসংবলিত একটি নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়ন করতে হবে।

২. সততা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও আইনি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের নিয়োগ দিতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার অগ্রাধিকার যাচাই বাছাইয়ের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করতে হবে। অনুসন্ধান কমিটির স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নে বর্ণিতরূপে কমিটি গঠন করা যেতে পারে : (ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি কমিটির সভাপতি; (খ) নিরপেক্ষ ও জাতির আস্থাভাজন হিসেবে বিবেচিত একজন শিক্ষাবিদ কমিটির সদস্য; (গ) নারী সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নারী প্রতিনিধি কমিটির সদস্য; (ঘ) ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন প্রতিনিধি কমিটির সদস্য; এবং (ঙ) গণমাধ্যমের একজন প্রতিনিধি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

৩. নির্বাচন কমিশন আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকবে। জাতীয় বাজেটে নির্বাচন কমিশনের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. নির্বাচন কমিশন সচিবালয় নির্বাহী বিভাগ থেকে সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন থাকবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করবে এবং তাদের দ্বারাই নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পরিচালনা করা হবে।

৫. নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা যাচাই-বাছাই করে রির্টানিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করবে। এসব নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁদের কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটলে, নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

৬. নির্বাচন কমিশন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৭. নির্বাচনী বিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত থাকবে।

৮. মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা সহকারে প্রার্থীর দাখিলকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা, সম্পদের বিবরণী, ফৌজদারি রেকর্ড ইত্যাদি তথ্যসমূহ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে টানিয়ে প্রচার করবে। কোনো প্রার্থী ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা, ক্ষেত্র বিশেষে সদস্য পদ হারাবেন ও শাস্তি পাবেন।

৯. নির্বাচন কমিশন  নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রার্থীরা নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণ দাখিল না করলে এবং আইনে নির্ধারিত ব্যয়সীমা অতিক্রম করার বিষয়টি প্রমাণিত হলে শাস্তির বিধানসহ সংসদ সদস্য পদ বাতিল হবে।

গণফোরামের প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মোহসীন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সভাপতি পরিষদের সদস্য তোবারক হোসেন, জগলুল হায়দার আফ্রিক, আ ও ম শফিক উল্ল্যা, সগীর আনোয়ার, মোশতাক আহমেদ, অধ্যাপক বিলকিস বানু, মহিউদ্দিন কাদের, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এস এম আলতাফ হোসেন, শান্তিপদ ঘোষ ও নৃপেন ঘোষ।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X