মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:১১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, September 11, 2016 12:41 am
A- A A+ Print

আরাফাত দিবস আজ: মিনায় হজযাত্রীদের ঢল

31272_f5

পবিত্র আরাফাত দিবস আজ। তাই সব হজযাত্রী এসে মিশছেন ইসলামের এই ঐতিহ্যবাহী ময়দানে। তারা সমস্বরে উচ্চারণ করছেন- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা, ওয়ান নিয়ামাতা, লাকা ওয়াল মুল্‌ক, লা শারিকা লাকা।’ অর্থাৎ- হাজির হে আল্লাহ হাজির, আপনার মহান দরবারে হাজির। আপনার কোনো শরিক নেই। সব প্রশংসা, নিয়ামত এবং সব রাজত্ব আপনারই। হজযাত্রীদের এ উচ্চারণে প্রকম্পিত হচ্ছে চারদিক। তাদের পরনে আজ সাদা পোশাক। সাদায় সাদায় সয়লাব হয়ে যাচ্ছে পুরো আরাফাতের ময়দান। এ সেই ময়দান যেখানে দাঁড়িয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই স্মৃতি বুকে ধরে হজযাত্রীরা এখানে ইবাদত বন্দেগিতে কাটিয়ে দেবেন সূর্যাস্ত পর্যন্ত। কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই মিলে এক জাতি। সবাই এক আল্লাহর অতিথি। আরাফাতের ময়দানে সমবেত হওয়া ও সেখানকার ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করাকেই হজের প্রধান অংশ বলা হয়। তাই এ দিনকে হজের দিন বলা হয়। আজ দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হজযাত্রীরা অবস্থান করবেন এখানে। এর মধ্যে মসজিদে নামিরা থেকে খুতবা দেয়া হবে। হজযাত্রীরা ইমামের পেছনে একসঙ্গে জোহর ও আছরের নামাজ আদায় করবেন। এর আগে গতকাল জোহরের নামাজের আগেই মিনায় পৌঁছেন লাখ লাখ হজযাত্রী। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পবিত্র হজের ৫ দিনের আনুষ্ঠানিকতা। শনিবার দিবাগত রাত মিনাতেই অবস্থান করেন হজযাত্রীরা। সেখানে আজকের ফজরসহ মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় শেষে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তারা ছুটেছেন আরাফাতের ময়দানে। মিনা থেকে আরাফাতের ময়দান ১০ কিলোমিটার বা ৬ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে। আজ মিনায় ফজরের নামাজ আদায় করেই কেউ পায়ে হেঁটে, হুইল চেয়ারে, বাসে করে, যে যেভাবে পারেন সেভাবেই ছুটছেন আরাফাতের ময়দানে। দু’টুকরো সাদা কাপড়ে ঢাকা হজযাত্রীতে যেন আরাফাতের ময়দান ও এর আশপাশ সফেদ রূপ ধারণ করেছে। আজ এখানে মাগরিবের নামাজ আদায় না করেই হজযাত্রীরা রওনা দেবেন মুজদালিফার দিকে। মুজাদালিফায় গিয়ে একসঙ্গে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন হজযাত্রীরা। সেখানেই রাত্রিযাপন করবেন খোলা আকাশের নিচে। গতকাল মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন সারা বিশ্ব থেকে সমবেত হওয়া লাখো হজযাত্রী। এর আগে তারা সমবেত হয়েছিলেন পবিত্র মক্কা নগরীতে। গতকাল মিনায় তাঁবুতে অবস্থানকালে ধর্মীয় বক্তাদের মূল্যবান বক্তব্য শোনেন নারী-পুরুষ হজযাত্রী পাশাপাশি বসে। তার আগে মিনায় নামে হজযাত্রীর ঢল। হাজার হাজার নয়, লাখ লাখ মানুষ। তারা ডানে বামে তাকাননি। এক আল্লাহর ধ্যান করতে করতে এগিয়ে যান পবিত্র নগরী মিনার দিকে। এ এক অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য। শুক্রবার সূর্য ডোবার পর থেকে এসব হজযাত্রী পবিত্র মিনায় সমবেত হওয়া শুরু করেন। তাদের মুখে আল্লাহর বাণী। দমে দমে আল্লাহকে ডাকছেন। হাতে পানির বোতল। কব্জিতে বাঁধা নাম, পরিচয়বাহী ব্রেসলেট। পিঠে ব্যাগ। পবিত্র হজের ৫ দিনের আনুষ্ঠানিকতার প্রথম পর্ব সম্পন্ন করতে তারা ছোটেন সবাই। কোনো বর্ণ, গোত্র, সাদা, কালোর ভেদাভেদ নেই। সবাই সেখানে এক আল্লাহর অতিথি। শনিবার সৌদি আরবে ৮ই জিলহজ। এদিনে সব হজযাত্রী সমবেত হন মিনায়। এখানেই দিন শেষে রাত কাটান তারা। রাত শেষে আজ ৯ই জিলহজ তারা ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যাবেন সেই ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে, যেখানে দাঁড়িয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহম্মদ (সা.) তার বিদায়ী হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। আর সেই ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন সারা মুসলিম উম্মাহর জন্য। শুক্রবারই হজের প্রস্তুতি হিসেবে লাখ লাখ হজযাত্রী সমবেত হতে থাকেন পবিত্র মক্কা নগরীতে। গ্রান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন প্রায় ১৫ লাখ মুসল্লি। সূর্যের প্রখর রোদ তাদের গতিবিধি, উদ্দেশ্যে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। শুক্রবার মক্কায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার মধ্যেই আল্লাহকে রাজি, খুশি করার জন্য মুসল্লিরা, হজযাত্রীরা ছুটে যান গ্রান্ড মসজিদে। আদায় করেন জুমার নামাজ। তবে এবার মক্কা থেকে মদিনা, মদিনা থেকে আরাফাত আবার ঠিক উল্টো যাত্রা মসৃণ, নিরাপদ করতে পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক বাদশা সালমানের নেতৃত্বে সরকার চমৎকার ব্যবস্থাপনা করেছে। এ বিষয়ে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল মানসুর আল তুর্কি হজযাত্রীদের এই বিশাল সমাবেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়োজন বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের সফরকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে সব রকম আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। হজ সিকিউরিটি ফোর্সেসের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালেদ আল হারবি বলেছেন, যা করা হয়েছে তা মহান আল্লাহর অতিথিদের সম্মানে করা হয়েছে। পবিত্র এই মক্কা নগরীকে আল্লাহ বেছে নিয়েছেন। আমরা সৌদি নাগরিকরা হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য, মিনায় যাত্রার আগে জুমার নামাজের আগে হজযাত্রীরা পবিত্র কাবা ঘর তাওয়াফ করেছেন। জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মাম থেকে হজযাত্রীবাহী শত শত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন শুক্রবার ছুটে যায় মক্কায়। কোনো কোনো গাড়ি সরাসরি চলে যায় মিনায়। মিনায় পৌঁছে তাদের মাঝে আনন্দের যেন সীমা ছিল না। জীবনে হজের আনুষ্ঠানিকতায় পৌঁছাতে পেরে আনন্দে কাঁদেন অনেক হজযাত্রী।

Comments

Comments!

 আরাফাত দিবস আজ: মিনায় হজযাত্রীদের ঢলAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আরাফাত দিবস আজ: মিনায় হজযাত্রীদের ঢল

Sunday, September 11, 2016 12:41 am
31272_f5

পবিত্র আরাফাত দিবস আজ। তাই সব হজযাত্রী এসে মিশছেন ইসলামের এই ঐতিহ্যবাহী ময়দানে। তারা সমস্বরে উচ্চারণ করছেন- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা, ওয়ান নিয়ামাতা, লাকা ওয়াল মুল্‌ক, লা শারিকা লাকা।’ অর্থাৎ- হাজির হে আল্লাহ হাজির, আপনার মহান দরবারে হাজির। আপনার কোনো শরিক নেই। সব প্রশংসা, নিয়ামত এবং সব রাজত্ব আপনারই।
হজযাত্রীদের এ উচ্চারণে প্রকম্পিত হচ্ছে চারদিক। তাদের পরনে আজ সাদা পোশাক। সাদায় সাদায় সয়লাব হয়ে যাচ্ছে পুরো আরাফাতের ময়দান। এ সেই ময়দান যেখানে দাঁড়িয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই স্মৃতি বুকে ধরে হজযাত্রীরা এখানে ইবাদত বন্দেগিতে কাটিয়ে দেবেন সূর্যাস্ত পর্যন্ত। কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাই মিলে এক জাতি। সবাই এক আল্লাহর অতিথি। আরাফাতের ময়দানে সমবেত হওয়া ও সেখানকার ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করাকেই হজের প্রধান অংশ বলা হয়। তাই এ দিনকে হজের দিন বলা হয়। আজ দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হজযাত্রীরা অবস্থান করবেন এখানে। এর মধ্যে মসজিদে নামিরা থেকে খুতবা দেয়া হবে। হজযাত্রীরা ইমামের পেছনে একসঙ্গে জোহর ও আছরের নামাজ আদায় করবেন। এর আগে গতকাল জোহরের নামাজের আগেই মিনায় পৌঁছেন লাখ লাখ হজযাত্রী। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পবিত্র হজের ৫ দিনের আনুষ্ঠানিকতা। শনিবার দিবাগত রাত মিনাতেই অবস্থান করেন হজযাত্রীরা। সেখানে আজকের ফজরসহ মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় শেষে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তারা ছুটেছেন আরাফাতের ময়দানে। মিনা থেকে আরাফাতের ময়দান ১০ কিলোমিটার বা ৬ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে। আজ মিনায় ফজরের নামাজ আদায় করেই কেউ পায়ে হেঁটে, হুইল চেয়ারে, বাসে করে, যে যেভাবে পারেন সেভাবেই ছুটছেন আরাফাতের ময়দানে। দু’টুকরো সাদা কাপড়ে ঢাকা হজযাত্রীতে যেন আরাফাতের ময়দান ও এর আশপাশ সফেদ রূপ ধারণ করেছে। আজ এখানে মাগরিবের নামাজ আদায় না করেই হজযাত্রীরা রওনা দেবেন মুজদালিফার দিকে। মুজাদালিফায় গিয়ে একসঙ্গে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন হজযাত্রীরা। সেখানেই রাত্রিযাপন করবেন খোলা আকাশের নিচে। গতকাল মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন সারা বিশ্ব থেকে সমবেত হওয়া লাখো হজযাত্রী। এর আগে তারা সমবেত হয়েছিলেন পবিত্র মক্কা নগরীতে। গতকাল মিনায় তাঁবুতে অবস্থানকালে ধর্মীয় বক্তাদের মূল্যবান বক্তব্য শোনেন নারী-পুরুষ হজযাত্রী পাশাপাশি বসে। তার আগে মিনায় নামে হজযাত্রীর ঢল। হাজার হাজার নয়, লাখ লাখ মানুষ। তারা ডানে বামে তাকাননি। এক আল্লাহর ধ্যান করতে করতে এগিয়ে যান পবিত্র নগরী মিনার দিকে। এ এক অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য। শুক্রবার সূর্য ডোবার পর থেকে এসব হজযাত্রী পবিত্র মিনায় সমবেত হওয়া শুরু করেন। তাদের মুখে আল্লাহর বাণী। দমে দমে আল্লাহকে ডাকছেন। হাতে পানির বোতল। কব্জিতে বাঁধা নাম, পরিচয়বাহী ব্রেসলেট। পিঠে ব্যাগ। পবিত্র হজের ৫ দিনের আনুষ্ঠানিকতার প্রথম পর্ব সম্পন্ন করতে তারা ছোটেন সবাই। কোনো বর্ণ, গোত্র, সাদা, কালোর ভেদাভেদ নেই। সবাই সেখানে এক আল্লাহর অতিথি। শনিবার সৌদি আরবে ৮ই জিলহজ। এদিনে সব হজযাত্রী সমবেত হন মিনায়। এখানেই দিন শেষে রাত কাটান তারা। রাত শেষে আজ ৯ই জিলহজ তারা ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যাবেন সেই ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে, যেখানে দাঁড়িয়ে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহম্মদ (সা.) তার বিদায়ী হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। আর সেই ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন সারা মুসলিম উম্মাহর জন্য।
শুক্রবারই হজের প্রস্তুতি হিসেবে লাখ লাখ হজযাত্রী সমবেত হতে থাকেন পবিত্র মক্কা নগরীতে। গ্রান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন প্রায় ১৫ লাখ মুসল্লি। সূর্যের প্রখর রোদ তাদের গতিবিধি, উদ্দেশ্যে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। শুক্রবার মক্কায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার মধ্যেই আল্লাহকে রাজি, খুশি করার জন্য মুসল্লিরা, হজযাত্রীরা ছুটে যান গ্রান্ড মসজিদে। আদায় করেন জুমার নামাজ। তবে এবার মক্কা থেকে মদিনা, মদিনা থেকে আরাফাত আবার ঠিক উল্টো যাত্রা মসৃণ, নিরাপদ করতে পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক বাদশা সালমানের নেতৃত্বে সরকার চমৎকার ব্যবস্থাপনা করেছে। এ বিষয়ে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল মানসুর আল তুর্কি হজযাত্রীদের এই বিশাল সমাবেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়োজন বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের সফরকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে সব রকম আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। হজ সিকিউরিটি ফোর্সেসের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালেদ আল হারবি বলেছেন, যা করা হয়েছে তা মহান আল্লাহর অতিথিদের সম্মানে করা হয়েছে। পবিত্র এই মক্কা নগরীকে আল্লাহ বেছে নিয়েছেন। আমরা সৌদি নাগরিকরা হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দেয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য, মিনায় যাত্রার আগে জুমার নামাজের আগে হজযাত্রীরা পবিত্র কাবা ঘর তাওয়াফ করেছেন। জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মাম থেকে হজযাত্রীবাহী শত শত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন শুক্রবার ছুটে যায় মক্কায়। কোনো কোনো গাড়ি সরাসরি চলে যায় মিনায়। মিনায় পৌঁছে তাদের মাঝে আনন্দের যেন সীমা ছিল না। জীবনে হজের আনুষ্ঠানিকতায় পৌঁছাতে পেরে আনন্দে কাঁদেন অনেক হজযাত্রী।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X