সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:১৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, July 28, 2016 10:10 am
A- A A+ Print

আরিচায় বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপরে যমুনার পানি

148311_1

   
মানিকগঞ্জ: যমুনা নদীর মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচাঘাট পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে এই পয়েন্টে বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
এতে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ভাঙন এবং প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমিসহ নতুন নতুন এলাকা। রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে ও ডুবে গিয়ে এসব এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
বাড়ি-ঘর ডুবে নিম্নাঞ্চলে বিশুদ্ধ পানির অভাবে পড়েছে অনেক পরিববার। স্থানীয় কৃষকেরা ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। শিবালয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার (জিআর) রিমন শিকদার জানান, যমুনা নদীর এ পয়েন্টে গত কয়েকদিন ধরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত মঙ্গলবার ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা (৯.১০ মিটার) পৌছে। বুধবার আরো ১৪ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি তিন ঘণ্টা পর পর এই পয়েন্টে পানি স্তর পরিমাপ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। নদী তীরবর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানায়, গত ক’দিনে যমুনায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এর শাখা নদী ইছামতি, কালিগঙ্গা, ধলেশ্বরীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী, বাঁচামারা, বাঘুটিয়া, জিয়নপুর ও খলসী ইউনিয়নের ইসলামপুর, বাসাইল, মুন্সিকান্দি, জোতকাশি, বেপারীপাড়া, ফকিরপাড়া, রাহাতপুর, চুয়াডাঙ্গা, হাজিপাড়া, কাচারীপাড়া, উত্তরখন্ড, অহেল আলীর পাড়া, গোবিন্দপুর, নকের আলী মাদবরপাড়া, বাঘপাড়া, মন্ডলপাড়া, বড়টিয়া, আমতলী, কাটাখালি ও বৈন্যা এলাকায় কম-বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে। শাখা নদী তীরবর্তী শ্রীধরনগর, কুস্তা, ঘিওর, মাইলাগি, জাবরা, তরা, বেউথা, নয়াকান্দিসহ প্রভৃতি নতুন নতুন এলাকাও পড়েছে ভাঙনের মুখে। অনেক স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে নদী তীরবর্তী এলাকাসমূহে পানি ঢুকে পড়েছে। নিমাঞ্চলের অনেক বাড়ি-ঘর ইতোমধ্যেই ডুবে গেছে। ফসল ক্ষেতও প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার দুর্গতদের জন্য সরকারিভাবে কোন ত্রাণ সাহায্যে আসেনি বলেও জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। মানিকগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আলিমুজ্জামান মিয়া জানান, বর্ষার পানি এমনিতেই জমির উর্বরা শক্তি বাড়ায়। এই পানি ফসলি জমিতে আসায় পাটের জন্য ভালো হয়েছে। তবে, এই পানিতে বোরো-আমন ধান এক হাজার হেক্টর, রোপার বীজতলার তিন হেক্টর ও পাঁচ হেক্টর শাকসবজি’র জমি ডুবে গেছে। এক সপ্তাহের বেশি এসব ফসল পানিতে ডুবে থাকলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তিনি। মানিকগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখনো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। তারপরও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দুর্গতদের তালিকা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দ্রুতই দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

Comments

Comments!

 আরিচায় বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপরে যমুনার পানিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আরিচায় বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপরে যমুনার পানি

Thursday, July 28, 2016 10:10 am
148311_1

 

 

মানিকগঞ্জ: যমুনা নদীর মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচাঘাট পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে এই পয়েন্টে বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে ভাঙন এবং প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমিসহ নতুন নতুন এলাকা। রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে ও ডুবে গিয়ে এসব এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বাড়ি-ঘর ডুবে নিম্নাঞ্চলে বিশুদ্ধ পানির অভাবে পড়েছে অনেক পরিববার। স্থানীয় কৃষকেরা ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

শিবালয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ রিডার (জিআর) রিমন শিকদার জানান, যমুনা নদীর এ পয়েন্টে গত কয়েকদিন ধরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত মঙ্গলবার ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা (৯.১০ মিটার) পৌছে।

বুধবার আরো ১৪ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতি তিন ঘণ্টা পর পর এই পয়েন্টে পানি স্তর পরিমাপ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নদী তীরবর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জানায়, গত ক’দিনে যমুনায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এর শাখা নদী ইছামতি, কালিগঙ্গা, ধলেশ্বরীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এতে দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী, বাঁচামারা, বাঘুটিয়া, জিয়নপুর ও খলসী ইউনিয়নের ইসলামপুর, বাসাইল, মুন্সিকান্দি, জোতকাশি, বেপারীপাড়া, ফকিরপাড়া, রাহাতপুর, চুয়াডাঙ্গা, হাজিপাড়া, কাচারীপাড়া, উত্তরখন্ড, অহেল আলীর পাড়া, গোবিন্দপুর, নকের আলী মাদবরপাড়া, বাঘপাড়া, মন্ডলপাড়া, বড়টিয়া, আমতলী, কাটাখালি ও বৈন্যা এলাকায় কম-বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে।

শাখা নদী তীরবর্তী শ্রীধরনগর, কুস্তা, ঘিওর, মাইলাগি, জাবরা, তরা, বেউথা, নয়াকান্দিসহ প্রভৃতি নতুন নতুন এলাকাও পড়েছে ভাঙনের মুখে।

অনেক স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে নদী তীরবর্তী এলাকাসমূহে পানি ঢুকে পড়েছে। নিমাঞ্চলের অনেক বাড়ি-ঘর ইতোমধ্যেই ডুবে গেছে। ফসল ক্ষেতও প্লাবিত হয়েছে।

এসব এলাকার দুর্গতদের জন্য সরকারিভাবে কোন ত্রাণ সাহায্যে আসেনি বলেও জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

মানিকগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আলিমুজ্জামান মিয়া জানান, বর্ষার পানি এমনিতেই জমির উর্বরা শক্তি বাড়ায়। এই পানি ফসলি জমিতে আসায় পাটের জন্য ভালো হয়েছে।

তবে, এই পানিতে বোরো-আমন ধান এক হাজার হেক্টর, রোপার বীজতলার তিন হেক্টর ও পাঁচ হেক্টর শাকসবজি’র জমি ডুবে গেছে। এক সপ্তাহের বেশি এসব ফসল পানিতে ডুবে থাকলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মানিকগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নদীসমূহের পানি বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখনো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি।

তারপরও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দুর্গতদের তালিকা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দ্রুতই দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X