রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:২০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 6, 2017 1:51 pm
A- A A+ Print

আরো দুটি রণতরী নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ

182514_1

ঢাকা: চীনের কারিগরি সহযোগিতায় খুলনা শিপইয়ার্ড আরো দুটি রণতরী নির্মাণ করেছে। আর এ জন্য সময় লেগেছে মাত্র ২৪ মাস। আগামী মাসে এই নতুন দুটি রণতরীর কমিশন হবে বলে জানা গেছে। প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ আগামী ৮ নভেম্বর খালিশপুর নৌঘাঁটি তিতুমির-এর জেটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধজাহাজ দু’টি নৌবাহিনীতে যুক্ত করবেন। স্থানীয় মুদ্রায় আটশ’ কোটি টাকা খরচে নির্মিত রণতরী দুটির নাম দেয়া হয়েছে ‘নিশান’ ও ‘দুর্গম’। এছাড়া দুটি সাবমেরিন টাগবোট ‘হালদা’ ও ‘পশুর’ নির্মাণ করা হয়েছে ১৪২ কোটি টাকায়। সূত্র জানায়, ভৌরব ও পশুর নদীতে নবনির্মিত যুদ্ধজাহাজ দু’টির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে। সমুদ্রে কার্যক্ষমতা পরীক্ষার জন্য গত মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বঙ্গোপসাগরে যাত্রা করে দুর্গম। শুক্রবার (৬ আগস্ট) নিশান-এর সমুদ্রযাত্রা শুরু হওয়ার কথা। খুলনা শিপইয়ার্ডের জিএম (উৎপাদন) ক্যাপ্টেন এম নুরুল ইসলাম শরিফ জানান, যুদ্ধজাহাজগুলো বিদেশে নির্মাণ করতে গেলে ১,০০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হতো। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামুদ্রিক অঞ্চল নিরাপদ করার জন্য নৌ বাহিনীর এসব যুদ্ধজাহাজ খুবই প্রয়োজন। তাছাড়া সম্পদ আহরণ ও সঠিক সমুদ্র ব্যবস্থাপনার জন্যও এগুলো প্রয়োজন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে যুদ্ধ জাহাজগুলো নির্মাণ শুরু হয়। প্রতিটি জাহাজ ৬৪.২ মিটার দীর্ঘ ও ৯ মিটার প্রশস্ত। এগুলোর ঘন্টায় গতিবেগ ২৫ নটিক্যাল মাইল। চীনের কারিগরি সহযোগিতায় যুদ্ধজাহাজগুলো তৈরি করা হয়। এছাড়া ৩২ মিটার দীর্ঘ টাগবোটগুলো আধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এগুলো তৈরি হয় মালয়েশিয়ার প্রযুক্তিগত সহযোগিতায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড এর আগে আরো পাঁচটি যুদ্ধ জাহাজ তৈরি করেছে। ১৯৫৭ সালে এই শিপইয়ার্ডের যাত্রা শুরু হয়। এটি পরিচালনার জন্য ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ পর্যন্ত এই শিপইয়ার্ড ৭২৫টি জাহাজ নির্মাণ ও ২,২২৪টি নৌযান মেরামত করেছে।

Comments

Comments!

 আরো দুটি রণতরী নির্মাণ করেছে বাংলাদেশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আরো দুটি রণতরী নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ

Friday, October 6, 2017 1:51 pm
182514_1

ঢাকা: চীনের কারিগরি সহযোগিতায় খুলনা শিপইয়ার্ড আরো দুটি রণতরী নির্মাণ করেছে। আর এ জন্য সময় লেগেছে মাত্র ২৪ মাস। আগামী মাসে এই নতুন দুটি রণতরীর কমিশন হবে বলে জানা গেছে।

প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ আগামী ৮ নভেম্বর খালিশপুর নৌঘাঁটি তিতুমির-এর জেটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধজাহাজ দু’টি নৌবাহিনীতে যুক্ত করবেন।

স্থানীয় মুদ্রায় আটশ’ কোটি টাকা খরচে নির্মিত রণতরী দুটির নাম দেয়া হয়েছে ‘নিশান’ ও ‘দুর্গম’। এছাড়া দুটি সাবমেরিন টাগবোট ‘হালদা’ ও ‘পশুর’ নির্মাণ করা হয়েছে ১৪২ কোটি টাকায়।

সূত্র জানায়, ভৌরব ও পশুর নদীতে নবনির্মিত যুদ্ধজাহাজ দু’টির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে। সমুদ্রে কার্যক্ষমতা পরীক্ষার জন্য গত মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বঙ্গোপসাগরে যাত্রা করে দুর্গম। শুক্রবার (৬ আগস্ট) নিশান-এর সমুদ্রযাত্রা শুরু হওয়ার কথা।

খুলনা শিপইয়ার্ডের জিএম (উৎপাদন) ক্যাপ্টেন এম নুরুল ইসলাম শরিফ জানান, যুদ্ধজাহাজগুলো বিদেশে নির্মাণ করতে গেলে ১,০০০ কোটি টাকার প্রয়োজন হতো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামুদ্রিক অঞ্চল নিরাপদ করার জন্য নৌ বাহিনীর এসব যুদ্ধজাহাজ খুবই প্রয়োজন। তাছাড়া সম্পদ আহরণ ও সঠিক সমুদ্র ব্যবস্থাপনার জন্যও এগুলো প্রয়োজন।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে যুদ্ধ জাহাজগুলো নির্মাণ শুরু হয়। প্রতিটি জাহাজ ৬৪.২ মিটার দীর্ঘ ও ৯ মিটার প্রশস্ত। এগুলোর ঘন্টায় গতিবেগ ২৫ নটিক্যাল মাইল। চীনের কারিগরি সহযোগিতায় যুদ্ধজাহাজগুলো তৈরি করা হয়।

এছাড়া ৩২ মিটার দীর্ঘ টাগবোটগুলো আধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এগুলো তৈরি হয় মালয়েশিয়ার প্রযুক্তিগত সহযোগিতায়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড এর আগে আরো পাঁচটি যুদ্ধ জাহাজ তৈরি করেছে।

১৯৫৭ সালে এই শিপইয়ার্ডের যাত্রা শুরু হয়। এটি পরিচালনার জন্য ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ পর্যন্ত এই শিপইয়ার্ড ৭২৫টি জাহাজ নির্মাণ ও ২,২২৪টি নৌযান মেরামত করেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X