শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:৪৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, September 16, 2017 12:49 am
A- A A+ Print

আরো সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায়

252090_160

আরো সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। এরমধ্যে দেড় লাখ নাফ নদীর ওপারে এসে জড়ো হয়েছেন। আরো দুই লাখ বুচিডং ও রাসিডং থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের পথে রয়েছেন। নাফ নদীর তীরে যে দেড়লাখ এসেছেন তারা দু’এক দিনের মধ্যে এপারে আসতে শুরু করবেন। বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এমন কয়েকজন রোহিঙ্গা বলেছেন, জড়ো হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে তাদের আত্মীয়-স্বজনও রয়েছেন। তারা বলেছেন, বর্মী বাহিনী ও উগ্রপন্থী মগরা একত্রে অনেক রোহিঙ্গা দেখলে তাদের উপর আক্রমণ করে না। বিচ্ছিন্নভাবে কাউকে পেলে তার আর রক্ষা নেই। যে কারণে রোহিঙ্গারা এখন দলে দলে আসেন। তাদেরকে দেখলে বর্মী সেনারা বলে ‘তোয়া’। যার অর্থ ভেগে যা। এদিকে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো ঘুরে আজ দেখা গেছে, এখনো ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে প্রশাসন কোনো নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি। যে যার ইচ্ছে মতো ত্রাণ দিচ্ছে। খাবার ও নগদ অর্থের জন্য হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী রাত-দিন কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের পাশে অবস্থান করছেন। গাড়ি দেখলেই তারা দৌঁড়ে আসছেন ত্রাণের আশায়। রোদ-বৃষ্টি, কাঁদা উপেক্ষা করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একমাত্র কাজ হচ্ছে ত্রাণ সংগ্রহ করা। এদিকে, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের নিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজার, টেকনাফ ও উখিয়া এলাকায় প্রতারকচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এমনকি তারা অসহায় রোহিঙ্গাদের ত্রাণেও ভাগ বসাচ্ছে। বসতি গড়ে দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদেরকে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পৌঁছে দেয়ার কথা বলেও টাকা নিচ্ছে। ক্যাম্পগুলোতে থাকা পুরনো শরনার্থীরা নতুন শরনার্থীদের ত্রাণ কেড়ে নিচ্ছেন। হাজার হাজার শরনার্থী এখনো কোনো ক্যাম্প খুঁজে না পেয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। আজও ওপারে মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। ওপারের মিজানপুরের বাসিন্দা এক রোহিঙ্গা বলেন, গত বৃহস্পতিবার মিজানপুর জামেয়া মাদরাসায় আগুন লাগিয়ে দেয় বর্মী সেনা এবং উগ্রপন্থী বৌদ্ধরা। বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত এলাকায় ঘুরে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র থেকে ও গত দু’দিনে যেসব শরনার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের কাছ থেকে জানা গেছে, এখনো অন্তত সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন। এরা অধিকাংশই বুচিডং ও রাসিডং-এর বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এদের অনেক আত্মীয়-স্বজন ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। তারা বলেছেন, দীর্ঘপথ হেঁটে পাড়ি দিতে তাদের খুব কষ্ট হয়েছে। কষ্ট করে তাদের আত্মীয়-স্বজনরাও সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছেন। তারা এদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন। কখনো পাহাড় বেয়ে, কখনো জঙ্গলের ভেতর দিয়ে, আবারো কখনো নদী-সমুদ্র, বিশাল জলাশয় পেরিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশে আসতে হচ্ছে।

Comments

Comments!

 আরো সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আরো সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায়

Saturday, September 16, 2017 12:49 am
252090_160

আরো সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। এরমধ্যে দেড় লাখ নাফ নদীর ওপারে এসে জড়ো হয়েছেন। আরো দুই লাখ বুচিডং ও রাসিডং থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের পথে রয়েছেন। নাফ নদীর তীরে যে দেড়লাখ এসেছেন তারা দু’এক দিনের মধ্যে এপারে আসতে শুরু করবেন।

বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এমন কয়েকজন রোহিঙ্গা বলেছেন, জড়ো হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে তাদের আত্মীয়-স্বজনও রয়েছেন।

তারা বলেছেন, বর্মী বাহিনী ও উগ্রপন্থী মগরা একত্রে অনেক রোহিঙ্গা দেখলে তাদের উপর আক্রমণ করে না। বিচ্ছিন্নভাবে কাউকে পেলে তার আর রক্ষা নেই। যে কারণে রোহিঙ্গারা এখন দলে দলে আসেন। তাদেরকে দেখলে বর্মী সেনারা বলে ‘তোয়া’। যার অর্থ ভেগে যা।

এদিকে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো ঘুরে আজ দেখা গেছে, এখনো ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে প্রশাসন কোনো নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি। যে যার ইচ্ছে মতো ত্রাণ দিচ্ছে। খাবার ও নগদ অর্থের জন্য হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী রাত-দিন কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের পাশে অবস্থান করছেন। গাড়ি দেখলেই তারা দৌঁড়ে আসছেন ত্রাণের আশায়। রোদ-বৃষ্টি, কাঁদা উপেক্ষা করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একমাত্র কাজ হচ্ছে ত্রাণ সংগ্রহ করা।

এদিকে, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের নিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি, কক্সবাজার, টেকনাফ ও উখিয়া এলাকায় প্রতারকচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এমনকি তারা অসহায় রোহিঙ্গাদের ত্রাণেও ভাগ বসাচ্ছে। বসতি গড়ে দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদেরকে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে পৌঁছে দেয়ার কথা বলেও টাকা নিচ্ছে। ক্যাম্পগুলোতে থাকা পুরনো শরনার্থীরা নতুন শরনার্থীদের ত্রাণ কেড়ে নিচ্ছেন। হাজার হাজার শরনার্থী এখনো কোনো ক্যাম্প খুঁজে না পেয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।

আজও ওপারে মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। ওপারের মিজানপুরের বাসিন্দা এক রোহিঙ্গা বলেন, গত বৃহস্পতিবার মিজানপুর জামেয়া মাদরাসায় আগুন লাগিয়ে দেয় বর্মী সেনা এবং উগ্রপন্থী বৌদ্ধরা।

বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা
সীমান্ত এলাকায় ঘুরে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র থেকে ও গত দু’দিনে যেসব শরনার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন তাদের কাছ থেকে জানা গেছে, এখনো অন্তত সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন। এরা অধিকাংশই বুচিডং ও রাসিডং-এর বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এদের অনেক আত্মীয়-স্বজন ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন।

তারা বলেছেন, দীর্ঘপথ হেঁটে পাড়ি দিতে তাদের খুব কষ্ট হয়েছে। কষ্ট করে তাদের আত্মীয়-স্বজনরাও সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছেন। তারা এদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন। কখনো পাহাড় বেয়ে, কখনো জঙ্গলের ভেতর দিয়ে, আবারো কখনো নদী-সমুদ্র, বিশাল জলাশয় পেরিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশে আসতে হচ্ছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X