মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:২৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, December 24, 2016 11:23 pm | আপডেটঃ December 25, 2016 7:26 PM
A- A A+ Print

আশকোনা অভিযানে নিহত ‘শীর্ষ জঙ্গি’ ১৪ বছরের শহীদ কাদেরী, ছবির শিশুটির জমজ ভাই

images-1

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর,২০১৬ইং) অভিযানে ‘আত্মঘাতী বিস্ফোরণে’ জঙ্গিনেতা তানভীর কাদেরীর ১৪ বছরের ছেলে শহীদ কাদেরী এবং জঙ্গিনেতা সুমনের স্ত্রী মারা গেছে। চারজন আত্মসমর্পণ করেছেন। এরা হচ্ছেন- প্রাক্তন মেজর জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী জেবুন্নাহার শীলা ও তার মেয়ে এবং জঙ্গিনেতা মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার মেয়ে। আহত অবস্থায় চার-পাঁচ বছরের একটি শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর উত্তরার আশকোনার সূর্য ভিলায় পুলিশের অভিযানের পর জঙ্গিদের নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাড়িমালিকের বড় মেয়ে জোনাকী রাসেল। কুয়েত প্রবাসী বাড়িওয়ালা জামাল উদ্দিনের মেয়ে জোনাকী রাসেল রাইজিংবিডিকে জানান, প্রায় চার মাস আগে ছোট পরিবারের কথা বলে ইমতিয়াজ নামে এক ব্যক্তি ঘর ভাড়া নেন। কথা ছিল তিনি, তার স্ত্রী এবং এক ছোট ছেলে থাকবেন। ইমতিয়াজ অনলাইনে ব্যবসা করেন বলে তার পেশার বিবরণ দেন।‘আমি দুবার তাদের বাসায় গিয়েছিলাম। একবার গ্যাসের লাইনের সমস্যার কারণে আরেকবার পানির সমস্যার কারণে। দেখেছি তারা মেঝেতে ঘুমায়। জানতে চাইলে তারা বলেন, বাসায় বেশি মেহমান আসে তো তাই মেঝেতে ঘুমাতে হয়’, বলেন জোনাকী। বাড়ির এই ফ্ল্যাটে বসবাসকারীদের জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে তা ঘূণাক্ষরেও জানতে পারেননি বলে জানান বাড়ির মালিকের এই মেয়ে। ‘সূর্য ভিলা’র পাশের এক বাড়িতে থাকেন মো. নুর সোবহান রাজীব। জঙ্গিদের আচার-আচরণ সম্পর্কে জানতে চাইলে রাইজিংবিডিকে তিনি বলেন, ওই বাসাতে যারা থাকতেন, তারা খুব একটা বের হতেন না। বাসায় প্রায়ই অতিথি আসত। অবশ্যই তা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি। মহিলাদের খুব একটা দেখা না গেলেও মাঝে মাঝে বোরকা পরে মহিলারা আসত। আবার বোরকা পরেই বের হয়ে যেত। আনুমানিক বেলা আড়াইটায় গুলির আওয়াজে ঘুম ভাঙে জানিয়ে রাজীব বলেন, মুহুর্মুহু গুলির শব্দে বাড়ির বাইরে এসে জানতে পারি পুলিশ জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে। তার কথা সমর্থন করে স্থানীয় আরেক ব্যক্তি হীরা লাল বলেন, তিনিও ওই সময়েই গুলির আওয়াজ শুনেছেন। এরপরই বাড়ির বাইরে আসেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে অভিযান শুরু করে দীর্ঘ প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেল ৪টায় অভিযান শেষ করে পুলিশ। আগের খবর এ বছর ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত জঙ্গি তানভীর কাদেরী ওরফে আব্দুল করিমের ১৪ বছর বয়সী ছেলে তাহরীম কাদেরী রাসেলকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন আদালত। (ছবির শিশুটি) রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তদন্তকারী কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্তি মহানগর দায়রা জজ আদালতের  বিচারক রুহুল আমিন এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে জঙ্গি করিমের ছেলের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না। রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ‘কিশোরটি জেএমবি সদস্য। ঘটনার দিন পুলিশ ওই জঙ্গি আস্তানার একটি কক্ষে ঢোকে। এ সময় সে দরজা আটকে দিয়েছিল। পুলিশ দরজা খুলে ভেতরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ওই কিশোর পুলিশের ওপর ছুরি হাতে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তবে পুলিশ তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তার পরিবারের সবাই জেএমবির সদস্য। ওই বাসায় যাতায়াতকারী আরও কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় নারী-পুরুষের বিষয়ে সে প্রাথমিক তথ্য দিয়েছে। জঙ্গি সংগঠনের আস্তানার সন্ধান, জঙ্গিদের নাম ঠিকানা জানতে বিভিন্ন স্থানে তাকে নিয়ে অভিযান পরিচালনার জন্য দশ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।’ এর আগে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সহকারী কমিশনার (এসি) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুল হক ওই কিশোরকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চান। সে ধানমণ্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের লেভেল ‘এইট’ এর ছাত্র ছিল। অভিযানের ঘটনায় রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে লালবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় তাহরীমকে ৫ নম্বর আসামি করা হয়। জঙ্গি আস্তানা থেকে আটক করে তাকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের হেফাজতে রাখা হয়েছিল। মামলার এজাহারে বলা হয়, বাসার ভেতরে ঢোকার পর একটি কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। এ অবস্থায় পরিস্থিতি ঝুকিপূর্ণ মনে হওয়ায় সোয়াট টিমকে খবর দেওয়া হয়। সোয়াট টিমের সদস্যরা ওই কক্ষের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ৮ বছর বয়সী জুনায়ারা পিংকি এবং ১ বছর বয়সী সাবিহা জামান নামে দুই শিশুকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠান। কিশোর তাহরীম কাদেরী বাবা-মায়ের মতো জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছে কি না এবং কেন সে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছিল সে বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে বলে জানান তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, তাহরীমের একটি জমজ ভাই রয়েছে। তবে ওই জঙ্গি আস্তানায় তাকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাহরীমের ওই জমজ ভাইকে ‘জিহাদে’র পথে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কাউন্টার টেরোরিজমের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। সে এখন কোথায় আছে তা জানার চেষ্টা চলছে। তদন্ত সূত্র জানায়, তাহরীম সে গত কয়েক মাস ধরে স্কুলে অনিয়মিত ছিল। বাবা-মা দুজনই জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার কারণে জমজ দুই ছেলেকেও মোটিভেট করে জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য,গত শনিবার রাতে লালবাগ থানাধীন আজিমপুরের ২০৯/৫  পিলখানা রোডের একটি ছয় তলা আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। পরে ওই বাসা থেকে এক জঙ্গির মৃতদেহ,আহত তিন নারী জঙ্গি ও নিহত জঙ্গি করিমের ১৪ বছর বয়সী ছেলে তাহরীমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।    

Comments

Comments!

 আশকোনা অভিযানে নিহত ‘শীর্ষ জঙ্গি’ ১৪ বছরের শহীদ কাদেরী, ছবির শিশুটির জমজ ভাইAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

আশকোনা অভিযানে নিহত ‘শীর্ষ জঙ্গি’ ১৪ বছরের শহীদ কাদেরী, ছবির শিশুটির জমজ ভাই

Saturday, December 24, 2016 11:23 pm | আপডেটঃ December 25, 2016 7:26 PM
images-1

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর,২০১৬ইং) অভিযানে ‘আত্মঘাতী বিস্ফোরণে’ জঙ্গিনেতা তানভীর কাদেরীর ১৪ বছরের ছেলে শহীদ কাদেরী এবং জঙ্গিনেতা সুমনের স্ত্রী মারা গেছে। চারজন আত্মসমর্পণ করেছেন। এরা হচ্ছেন- প্রাক্তন মেজর জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী জেবুন্নাহার শীলা ও তার মেয়ে এবং জঙ্গিনেতা মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার মেয়ে। আহত অবস্থায় চার-পাঁচ বছরের একটি শিশুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর উত্তরার আশকোনার সূর্য ভিলায় পুলিশের অভিযানের পর জঙ্গিদের নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাড়িমালিকের বড় মেয়ে জোনাকী রাসেল।

কুয়েত প্রবাসী বাড়িওয়ালা জামাল উদ্দিনের মেয়ে জোনাকী রাসেল রাইজিংবিডিকে জানান, প্রায় চার মাস আগে ছোট পরিবারের কথা বলে ইমতিয়াজ নামে এক ব্যক্তি ঘর ভাড়া নেন। কথা ছিল তিনি, তার স্ত্রী এবং এক ছোট ছেলে থাকবেন। ইমতিয়াজ অনলাইনে ব্যবসা করেন বলে তার পেশার বিবরণ দেন।‘আমি দুবার তাদের বাসায় গিয়েছিলাম। একবার গ্যাসের লাইনের সমস্যার কারণে আরেকবার পানির সমস্যার কারণে। দেখেছি তারা মেঝেতে ঘুমায়। জানতে চাইলে তারা বলেন, বাসায় বেশি মেহমান আসে তো তাই মেঝেতে ঘুমাতে হয়’, বলেন জোনাকী।

বাড়ির এই ফ্ল্যাটে বসবাসকারীদের জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে তা ঘূণাক্ষরেও জানতে পারেননি বলে জানান বাড়ির মালিকের এই মেয়ে।

‘সূর্য ভিলা’র পাশের এক বাড়িতে থাকেন মো. নুর সোবহান রাজীব। জঙ্গিদের আচার-আচরণ সম্পর্কে জানতে চাইলে রাইজিংবিডিকে তিনি বলেন, ওই বাসাতে যারা থাকতেন, তারা খুব একটা বের হতেন না। বাসায় প্রায়ই অতিথি আসত। অবশ্যই তা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি। মহিলাদের খুব একটা দেখা না গেলেও মাঝে মাঝে বোরকা পরে মহিলারা আসত। আবার বোরকা পরেই বের হয়ে যেত।

আনুমানিক বেলা আড়াইটায় গুলির আওয়াজে ঘুম ভাঙে জানিয়ে রাজীব বলেন, মুহুর্মুহু গুলির শব্দে বাড়ির বাইরে এসে জানতে পারি পুলিশ জঙ্গিবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে।

তার কথা সমর্থন করে স্থানীয় আরেক ব্যক্তি হীরা লাল বলেন, তিনিও ওই সময়েই গুলির আওয়াজ শুনেছেন। এরপরই বাড়ির বাইরে আসেন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে অভিযান শুরু করে দীর্ঘ প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেল ৪টায় অভিযান শেষ করে পুলিশ।

আগের খবর

এ বছর ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত জঙ্গি তানভীর কাদেরী ওরফে আব্দুল করিমের ১৪ বছর বয়সী ছেলে তাহরীম কাদেরী রাসেলকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন আদালত। (ছবির শিশুটি)

রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তদন্তকারী কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্তি মহানগর দায়রা জজ আদালতের  বিচারক রুহুল আমিন এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে জঙ্গি করিমের ছেলের পক্ষে কোনও আইনজীবী ছিলেন না।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ‘কিশোরটি জেএমবি সদস্য। ঘটনার দিন পুলিশ ওই জঙ্গি আস্তানার একটি কক্ষে ঢোকে। এ সময় সে দরজা আটকে দিয়েছিল। পুলিশ দরজা খুলে ভেতরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ওই কিশোর পুলিশের ওপর ছুরি হাতে নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তবে পুলিশ তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তার পরিবারের সবাই জেএমবির সদস্য। ওই বাসায় যাতায়াতকারী আরও কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় নারী-পুরুষের বিষয়ে সে প্রাথমিক তথ্য দিয়েছে। জঙ্গি সংগঠনের আস্তানার সন্ধান, জঙ্গিদের নাম ঠিকানা জানতে বিভিন্ন স্থানে তাকে নিয়ে অভিযান পরিচালনার জন্য দশ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।’

এর আগে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সহকারী কমিশনার (এসি) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আহসানুল হক ওই কিশোরকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চান।

সে ধানমণ্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের লেভেল ‘এইট’ এর ছাত্র ছিল। অভিযানের ঘটনায় রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে লালবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় তাহরীমকে ৫ নম্বর আসামি করা হয়। জঙ্গি আস্তানা থেকে আটক করে তাকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের হেফাজতে রাখা হয়েছিল।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাসার ভেতরে ঢোকার পর একটি কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পাওয়া যায়। এ অবস্থায় পরিস্থিতি ঝুকিপূর্ণ মনে হওয়ায় সোয়াট টিমকে খবর দেওয়া হয়। সোয়াট টিমের সদস্যরা ওই কক্ষের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ৮ বছর বয়সী জুনায়ারা পিংকি এবং ১ বছর বয়সী সাবিহা জামান নামে দুই শিশুকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠান।

কিশোর তাহরীম কাদেরী বাবা-মায়ের মতো জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছে কি না এবং কেন সে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছিল সে বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে বলে জানান তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, তাহরীমের একটি জমজ ভাই রয়েছে। তবে ওই জঙ্গি আস্তানায় তাকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাহরীমের ওই জমজ ভাইকে ‘জিহাদে’র পথে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কাউন্টার টেরোরিজমের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। সে এখন কোথায় আছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

তদন্ত সূত্র জানায়, তাহরীম সে গত কয়েক মাস ধরে স্কুলে অনিয়মিত ছিল। বাবা-মা দুজনই জঙ্গিবাদে জড়িত থাকার কারণে জমজ দুই ছেলেকেও মোটিভেট করে জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য,গত শনিবার রাতে লালবাগ থানাধীন আজিমপুরের ২০৯/৫  পিলখানা রোডের একটি ছয় তলা আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। পরে ওই বাসা থেকে এক জঙ্গির মৃতদেহ,আহত তিন নারী জঙ্গি ও নিহত জঙ্গি করিমের ১৪ বছর বয়সী ছেলে তাহরীমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X