শনিবার, ২১শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৬ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:২৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, April 7, 2017 8:52 am
A- A A+ Print

ইউপি কার্যালয়ে নারী সদস্যকে ‘ধর্ষণ’, চেয়ারম্যান-সদস্য গ্রেপ্তার

১৭

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ে এক নারী সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘট্নায় ইউপির  চেয়ারম্যান ও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউপি কার্যালয়ের লাইব্রেরিতে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে বাঘা থানায় ধর্ষণের একটি মামলা হয়েছে। সেই মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান জান্নাত আলী ও সদস্য আলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে বাঘা উপজেলার ১ নম্বর বাজুবাঘা ইউপি কক্ষের লাইব্রেরির দরজা-জানালা বন্ধ দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। তারা একজোট হয়ে ইউপি ঘেরাও করে। এরপর বাঘা থানায় খবর দিলে পুলিশ পরিষদের লাইব্রেরি কক্ষ থেকে এক নারী সদস্য ও ওই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলাল উদ্দিনকে হাতেনাতে ধরে থানায় নিয়ে যায়। ওই নারী ইউপি সদস্য পুলিশকে জানান, আজ দুপুরে তিনি বাড়িতে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিন চেয়ারম্যানের সঙ্গে জরুরি কথা বলার কথা বলে তাঁকে লাইব্রেরি কক্ষে নিয়ে যান। তিনি লাইব্রেরিতে প্রবেশ করলে কক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে আলাল উদ্দিন তাঁকে কুপ্রস্তাব দেন এবং এক পর্যায়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন। স্থানীয় যুবক রহিদুল ইসলাম জানান, দুপুর ২টার সময় পরিষদ চত্বরে তেমন একটা লোকজন ছিল না। ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিনের এদিক-ওদিক তাকানো দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। তাই পরিষদের পেছনে তিনি অবস্থান নিয়েছিলেন। এরপর যখন তাঁরা এক নারী সদস্যকে নিয়ে লাইব্রেরির দরজা-জানালা বন্ধ করে দেন, তখন অন্য লোকদের ডাকেন ও থানা পুলিশকে খবর দেন। ওই ব্যক্তি আরো জানান, ঘটনার সময় লাইব্রেরির দরজা তালাবদ্ধ ছিল। সেই তালার চাবি ছিল চেয়ারম্যানের কাছে। এ থেকে চেয়ারম্যানকেও সন্দেহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী ওই পরিষদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আয়েশা জানান, তিনি ওই সময় বারান্দা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। লোকজনের চিৎকার শুনে তিনি লাইব্রেরির সামনে যান ও দরজার ফাঁক দিয়ে দুজনকে ভেতরে দেখে চেয়ারম্যানের কাছে দৌড় দেন। বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করেছেন। এ বিষয়ে নারী সদস্য নিজে বাদী হয়ে বিকেলে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। মেম্বার আলাল উদ্দিনকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ও তাঁকে সহযোগিতা করার জন্য চেয়ারম্যানকে আটক করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। চেয়ারম্যানকে আটকের কারণ হিসেবে ওসি বলেন, নারী ও পুরুষ ইউপি সদস্যকে যখন লাইব্রেরি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়, তখন দরজা তালাবদ্ধ ছিল। তালার চাবি ছিল চেয়ারম্যানের কাছে। এ কারণে তাঁরা চেয়ারম্যানকে সহযোগী হিসেবে দায়ী করছেন। ওসি আরো জানান, মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল টেস্ট করার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান জান্নাত আলী তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। দুই মেম্বারকে রেখে লাইব্রেরির কক্ষের দরজায় তালা দিয়ে চাবি তাঁর কাছে রাখার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি।

Comments

Comments!

 ইউপি কার্যালয়ে নারী সদস্যকে ‘ধর্ষণ’, চেয়ারম্যান-সদস্য গ্রেপ্তারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ইউপি কার্যালয়ে নারী সদস্যকে ‘ধর্ষণ’, চেয়ারম্যান-সদস্য গ্রেপ্তার

Friday, April 7, 2017 8:52 am
১৭

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ে এক নারী সদস্যকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘট্নায় ইউপির  চেয়ারম্যান ও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউপি কার্যালয়ের লাইব্রেরিতে এ ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে বাঘা থানায় ধর্ষণের একটি মামলা হয়েছে। সেই মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান জান্নাত আলী ও সদস্য আলাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে বাঘা উপজেলার ১ নম্বর বাজুবাঘা ইউপি কক্ষের লাইব্রেরির দরজা-জানালা বন্ধ দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। তারা একজোট হয়ে ইউপি ঘেরাও করে। এরপর বাঘা থানায় খবর দিলে পুলিশ পরিষদের লাইব্রেরি কক্ষ থেকে এক নারী সদস্য ও ওই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলাল উদ্দিনকে হাতেনাতে ধরে থানায় নিয়ে যায়।

ওই নারী ইউপি সদস্য পুলিশকে জানান, আজ দুপুরে তিনি বাড়িতে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিন চেয়ারম্যানের সঙ্গে জরুরি কথা বলার কথা বলে তাঁকে লাইব্রেরি কক্ষে নিয়ে যান। তিনি লাইব্রেরিতে প্রবেশ করলে কক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে আলাল উদ্দিন তাঁকে কুপ্রস্তাব দেন এবং এক পর্যায়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন।

স্থানীয় যুবক রহিদুল ইসলাম জানান, দুপুর ২টার সময় পরিষদ চত্বরে তেমন একটা লোকজন ছিল না। ইউপি সদস্য আলাল উদ্দিনের এদিক-ওদিক তাকানো দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। তাই পরিষদের পেছনে তিনি অবস্থান নিয়েছিলেন। এরপর যখন তাঁরা এক নারী সদস্যকে নিয়ে লাইব্রেরির দরজা-জানালা বন্ধ করে দেন, তখন অন্য লোকদের ডাকেন ও থানা পুলিশকে খবর দেন।

ওই ব্যক্তি আরো জানান, ঘটনার সময় লাইব্রেরির দরজা তালাবদ্ধ ছিল। সেই তালার চাবি ছিল চেয়ারম্যানের কাছে। এ থেকে চেয়ারম্যানকেও সন্দেহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী ওই পরিষদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আয়েশা জানান, তিনি ওই সময় বারান্দা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। লোকজনের চিৎকার শুনে তিনি লাইব্রেরির সামনে যান ও দরজার ফাঁক দিয়ে দুজনকে ভেতরে দেখে চেয়ারম্যানের কাছে দৌড় দেন।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করেছেন। এ বিষয়ে নারী সদস্য নিজে বাদী হয়ে বিকেলে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। মেম্বার আলাল উদ্দিনকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ও তাঁকে সহযোগিতা করার জন্য চেয়ারম্যানকে আটক করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

চেয়ারম্যানকে আটকের কারণ হিসেবে ওসি বলেন, নারী ও পুরুষ ইউপি সদস্যকে যখন লাইব্রেরি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়, তখন দরজা তালাবদ্ধ ছিল। তালার চাবি ছিল চেয়ারম্যানের কাছে। এ কারণে তাঁরা চেয়ারম্যানকে সহযোগী হিসেবে দায়ী করছেন।

ওসি আরো জানান, মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল টেস্ট করার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান জান্নাত আলী তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। দুই মেম্বারকে রেখে লাইব্রেরির কক্ষের দরজায় তালা দিয়ে চাবি তাঁর কাছে রাখার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X