শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ২:২৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, September 6, 2016 11:45 am
A- A A+ Print

ইসিতে অফিস সহকারী থেকে একলাফে প্রথম শ্রেণীতে পদোন্নতি!

241111_1

একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে সোমবার (০৫ সেপ্টেম্বর)। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী পদ থেকে একলাফে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনার জন্ম দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যা প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জানা গেছে, প্রথম শ্রেণীর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পদে সোমবার (০৫ সেপ্টেম্বর) ৯৮ জনকে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে স্টেনোগ্রাফার, অফিস সহকারীর মতো কর্মচারীরাও এক লাফে পদোন্নতি পেয়ে প্রথম শ্রেণীর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হলেন। সূত্র জানিয়েছে, ৯৮ জনের মধ্যে ৫০ জনের মতো তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন। যারা ডিগ্রি (পাস) পাসও করেনি। অবশিষ্টরা দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ খোদ ইসি কর্মকর্তারাই। তাদের মতে, এ অবস্থায় যারা পিএসসি’র (পাবলিক সার্ভিস কমিশন) মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে উপজেলা কর্মকর্তা হয়েছেন, তাদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হবে। মনোবল, কর্মস্পৃহা কমে যাবে। অন্যদিকে মেধা ও যোগ্যতা না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত অনেকেই ইসি’র কর্মযজ্ঞে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন। ইসি’র সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, কিছু করার ছিল না। আইনে এমনটি থাকায় তৃতীয় শ্রেণী থেকে নন ডিগ্রিধারীরাও সরাসরি প্রথম শ্রেণীতে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমাদের প্রথম শ্রেণীর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পদ রয়েছে ৬শ’। এর মধ্যে ৩৩ শতাংশ পদে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার বিধান রয়েছে। সে হিসেবে প্রায় ২শ’ পদ পদোন্নতি থেকে পূরণ করতে হয়’। সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০০৮ সালে এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন নির্বাচন কমিশন চাকরি বিধিমালায় পরিবর্তন এনে এমন বিধান তুলে দিয়েছিল। এটাও বলা হয়েছিল যে, প্রথম শ্রেণীতে পদোন্নতি পেতে ডিগ্রি পাস হতে হবে। কিন্তু এখানকার কর্মচারীরা আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত নির্দেশনা দেন- যেহেতু তারা নিয়োগ পাওয়ার সময় ওই রকম আইন ছিল, তাই তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এজন্যই তারা পদোন্নতি পেয়ে গেছেন। এ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও আপত্তি জানিয়েছিল। কিন্তু সবকিছু জানার পর তারাও আর আপত্তি করে থাকতে পারেনি। সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনেই এ ব্যাতিক্রম বিষয়টি রয়েছে। অন্য কোথাও এমন নেই। এদিকে ইসি’র নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপ-সচিব পর‌্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ২০০৮ সালের আগে যারা অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন, তারাও ভবিষ্যতে এ সুযোগ পাবেন। এতে অনেক মেধাবী ও যোগ্যরা বঞ্চিত হবেন।

Comments

Comments!

 ইসিতে অফিস সহকারী থেকে একলাফে প্রথম শ্রেণীতে পদোন্নতি!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ইসিতে অফিস সহকারী থেকে একলাফে প্রথম শ্রেণীতে পদোন্নতি!

Tuesday, September 6, 2016 11:45 am
241111_1

একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে সোমবার (০৫ সেপ্টেম্বর)। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী পদ থেকে একলাফে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনার জন্ম দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যা প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

জানা গেছে, প্রথম শ্রেণীর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পদে সোমবার (০৫ সেপ্টেম্বর) ৯৮ জনকে নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে স্টেনোগ্রাফার, অফিস সহকারীর মতো কর্মচারীরাও এক লাফে পদোন্নতি পেয়ে প্রথম শ্রেণীর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হলেন।

সূত্র জানিয়েছে, ৯৮ জনের মধ্যে ৫০ জনের মতো তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন। যারা ডিগ্রি (পাস) পাসও করেনি। অবশিষ্টরা দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে পদোন্নতি পেয়েছেন।

এ নিয়ে ক্ষুব্ধ খোদ ইসি কর্মকর্তারাই। তাদের মতে, এ অবস্থায় যারা পিএসসি’র (পাবলিক সার্ভিস কমিশন) মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে উপজেলা কর্মকর্তা হয়েছেন, তাদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হবে। মনোবল, কর্মস্পৃহা কমে যাবে। অন্যদিকে মেধা ও যোগ্যতা না থাকায় পদোন্নতিপ্রাপ্ত অনেকেই ইসি’র কর্মযজ্ঞে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন।

ইসি’র সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, কিছু করার ছিল না। আইনে এমনটি থাকায় তৃতীয় শ্রেণী থেকে নন ডিগ্রিধারীরাও সরাসরি প্রথম শ্রেণীতে নিয়োগ পেয়েছেন।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমাদের প্রথম শ্রেণীর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার পদ রয়েছে ৬শ’। এর মধ্যে ৩৩ শতাংশ পদে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার বিধান রয়েছে। সে হিসেবে প্রায় ২শ’ পদ পদোন্নতি থেকে পূরণ করতে হয়’।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০০৮ সালে এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন নির্বাচন কমিশন চাকরি বিধিমালায় পরিবর্তন এনে এমন বিধান তুলে দিয়েছিল। এটাও বলা হয়েছিল যে, প্রথম শ্রেণীতে পদোন্নতি পেতে ডিগ্রি পাস হতে হবে। কিন্তু এখানকার কর্মচারীরা আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত নির্দেশনা দেন- যেহেতু তারা নিয়োগ পাওয়ার সময় ওই রকম আইন ছিল, তাই তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এজন্যই তারা পদোন্নতি পেয়ে গেছেন।

এ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও আপত্তি জানিয়েছিল। কিন্তু সবকিছু জানার পর তারাও আর আপত্তি করে থাকতে পারেনি।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনেই এ ব্যাতিক্রম বিষয়টি রয়েছে। অন্য কোথাও এমন নেই।

এদিকে ইসি’র নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপ-সচিব পর‌্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ২০০৮ সালের আগে যারা অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন, তারাও ভবিষ্যতে এ সুযোগ পাবেন। এতে অনেক মেধাবী ও যোগ্যরা বঞ্চিত হবেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X