শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৫৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, December 13, 2016 8:15 pm
A- A A+ Print

ইস্তাম্বুল হামলায় নিহতদের গল্প হতাহতের সংখ্যা কেবলই একটি সংখ্যা নয়, আরো বেশি কিছু

44

আঙ্কারা: ইস্তাম্বুলে শনিবারের সন্ত্রাসী হামলায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তাদের কেউই পরিচয়হীন ইউনিফর্মধারী ছিলেন না; একই সঙ্গে তারা ছিল কারো পুত্র, ভাই কিংবা বাবা। তুরস্কে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রিচার্ড মুর এক আবেগপূর্ণ টুইটে এ মন্তব্য করেন। একই কথা নিহত বেসামরিক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমান প্রযোজ্য। গত শনিবার ইস্তাম্বুলের ‘বেসিক্টাস ভোডাফোন এরিনা স্টেডিয়ামের’ কাছাকাছি জোড়া বোমা হামলায় ৪৪ প্রাণ হারায়। তাদের মধ্যে ৩৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা। তাদের মৃত্যুতে তুরস্কজুড়ে যেমন চলছে শোকের মাতম, তেমনি তাদের ব্যক্তিগত কাহিনী আবারো প্রমাণ করল যে, হতাহতের সংখ্যা কেবলই একটি সংখ্যা নয়; বরং আরো বেশি কিছু! বিস্ফোরণের সময় ইস্তাম্বুলের তাকসিম অ্যাভিনিউয়ের একটি মিনিবাসে ছিলেন সেলিন সেলিক (২৮)। হামলায় তিনি মাথায় প্রচণ্ড আঘাত প্রাপ্ত হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার পরিবার তার পুনরুদ্ধারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সেলিনে রক্তের প্রয়োজন হলে সামাজিক মিডিয়ায় প্রচারণা চালানো হয়। পরে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনেকেই তাকে রক্ত দিতে হাসপাতালে ছুটে আসে। যাইহোক, তার জীবন রক্ষা করার জন্য সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো যায়নি। সেলিনের কাজিন তানকার্ট তারমোক বলেন, ‘আমার কাজিন বিস্ফোরণ স্থলের ঠিক কাছাকাছি একটি মিনিবাসে ছিল। তাকে খুঁজে বের করতে তার বন্ধুরা সব হাসপাতালেই অনুসন্ধান চালায়। পরে তার বন্ধুরা তার (সেলিক) হাতে আঁকা উলকি দেখে তাকে চিনতে পারে। কিন্তু এরআগ পর্যন্ত আমরা এর কিছুই জানতাম না।’   সেলিন ছিলেন ‘গালাতাসার স্পোর্টস ক্লাবের’ সাঁতারু প্রশিক্ষক পেলিন সেলিকের বোন। ভোডাফোন এরিনায় বিস্ফোরণের সময় অন্য একটি মিনিবাস চালাচ্ছিলেন ভেলাত দেমিরুগলো। দক্ষিণ-পূর্ব প্রদেশ দেয়ারবাকির জেলার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। তার ফেসবুক প্রোফাইলে গেলে দেখা যায় সেখানে ২০১৫ সালের আঙ্কারা বোমা বিস্ফোরণের কয়েকটি ছবি রয়েছে। সেখানে তিনি শান্তির জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, ‘যাই হোক না কেন এ ছবির দৃশ্য, যাই হোক না কেন তার গ্রহণযোগ্য যুক্তি, আমরা কোনমতেই মৃত্যু চাই না।  মানুষের জীবনের চেয়ে কোনো কিছুই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না।’ মুস্তাফা বারক আব্বাস। মাত্র ১৯ বছর বয়সী যুবক। মূলত ‘ব্ল্যাক সী’ প্রদেশের সিনোপের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। দুই দিনের সফরে ইস্তাম্বুলে এসেছিলেন। তিনি আঙ্কারার বেজকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেলের ছাত্র ছিলেন। হামলায় নিহত মুস্তাফা বারক আব্বাসের বাবা বলেন, ‘মোস্তফা ছিল মাত্র ১৯ বছর বয়সী যুবক। সে মাত্র দুই দিনের জন্য ইস্তাম্বুলে এসেছিল। মোস্তফা ও তার এক বন্ধু মিলে ইস্তাম্বুলের চারপাশ ঘুরতে বেড়িয়েছিল। তারা একটি ট্যাক্সিতে ছিল। স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কাকতালীয়ভাবে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য তাকে এখন একজন শহীদ বলা হচ্ছে। আমি আমার আমার ছেলেকে শহীদ হতে দিতে চাই না। আমি বলব তাকে হত্যা করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তার ইচ্ছা ছিল একজন ডাক্তার হয়ে মানুষের সাহায্য করা। কিন্তু তার এই পূরণ হতে দিল না সন্ত্রাসীরা।  শুধু নিন্দা প্রকাশের মাধ্যমেই ‘সন্ত্রাসের’ অবসান হতে পারে না। আমরা কেবল বছরের পর বছর ধরে এর নিন্দাই করে যাচ্ছি।’ দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ‘আদানার’ বাসিন্দা আদম ওগোজ। তিনি ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার। হামলা দিন বেসিক্টাসে তার দায়িত্ব নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে তিনি তার স্ত্রী এবং ছয় মাস বয়সী ছেলের কল্যাণে বেঁচে আছেন। পূর্বাঞ্চলীয় ‘ভ্যান’ প্রদেশের বাসিন্দা সোনের ইদিল। আদম ওগোজের মতো তিনিও একজন পুলিশ অফিসার; সেদিন তারও ওই এলাকায় দায়িত্ব নির্ধারিত ছিল। মাত্র তিন মাস আগে তিনি পুলিশে যোগ দেন। সোনের ইদিলের বাবা মিখতাদ ইদিল জানান, হামলার পর থেকে তিনি তার পুত্রের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না। তার বাবা বলেন, ‘দেশের জন্য আমাদের বীর সন্তানেরা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে। সে তার দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। আমি আশা করি আল্লাহ তাকে স্বর্গে স্থান দিবেন। শেষবারের মতো আমি তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তখন সে আমাকে বলেছিল, ‘বাবা, আমরা খেলার মাঠে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছি। আমি তোমাকে পরে কল করবো।’ এর পর রাত ৯টার আগ পর্যন্ত আমরা তাকে খুঁজে পাইনি।’ ম্যাচ চলাকালীন নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা ভেফা কারাকারদো। বেসিক্টাসপ্রেমী হিসেবে তিনি বেশ সুপরিচিত ছিলেন। ক্লাব স্টেডিয়ামের বাইরের হামলায় তিনি নিহত হন। তার একজন সহকর্মী বলেন, ‘আমার ম্যানেজার বেসিক্টাসের জন্য মারা গেছে। বেসিক্টাসই ছিল তার সবকিছু।’ শনিবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টায় বেসিক্টাস ভোডাফোন এরেনা স্টেডিয়ামের পাশে দুটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তুরস্কের প্রধান দুটি ফুটবল দল বেসিক্টাস এবং বুরসাসপোরের মধ্যকার খেলার দুই ঘণ্টা পর হামলাটি চালানো হয়। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথমটি ছিল একটি গাড়িবোমা হামলা এবং দ্বিতীয়টি স্টেডিয়ামের কাছেই একটি পার্কে একজন আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়। হুরিয়াত ডেইলি নিউজ অবলম্বনে মো. রাহুল আমীন
 

Comments

Comments!

 ইস্তাম্বুল হামলায় নিহতদের গল্প হতাহতের সংখ্যা কেবলই একটি সংখ্যা নয়, আরো বেশি কিছুAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ইস্তাম্বুল হামলায় নিহতদের গল্প হতাহতের সংখ্যা কেবলই একটি সংখ্যা নয়, আরো বেশি কিছু

Tuesday, December 13, 2016 8:15 pm
44

আঙ্কারা: ইস্তাম্বুলে শনিবারের সন্ত্রাসী হামলায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তাদের কেউই পরিচয়হীন ইউনিফর্মধারী ছিলেন না; একই সঙ্গে তারা ছিল কারো পুত্র, ভাই কিংবা বাবা। তুরস্কে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রিচার্ড মুর এক আবেগপূর্ণ টুইটে এ মন্তব্য করেন।

একই কথা নিহত বেসামরিক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সমান প্রযোজ্য।

গত শনিবার ইস্তাম্বুলের ‘বেসিক্টাস ভোডাফোন এরিনা স্টেডিয়ামের’ কাছাকাছি জোড়া বোমা হামলায় ৪৪ প্রাণ হারায়। তাদের মধ্যে ৩৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা।

তাদের মৃত্যুতে তুরস্কজুড়ে যেমন চলছে শোকের মাতম, তেমনি তাদের ব্যক্তিগত কাহিনী আবারো প্রমাণ করল যে, হতাহতের সংখ্যা কেবলই একটি সংখ্যা নয়; বরং আরো বেশি কিছু!

বিস্ফোরণের সময় ইস্তাম্বুলের তাকসিম অ্যাভিনিউয়ের একটি মিনিবাসে ছিলেন সেলিন সেলিক (২৮)। হামলায় তিনি মাথায় প্রচণ্ড আঘাত প্রাপ্ত হলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার পরিবার তার পুনরুদ্ধারের জন্য অপেক্ষা করছিল।

সেলিনে রক্তের প্রয়োজন হলে সামাজিক মিডিয়ায় প্রচারণা চালানো হয়। পরে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনেকেই তাকে রক্ত দিতে হাসপাতালে ছুটে আসে।

যাইহোক, তার জীবন রক্ষা করার জন্য সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো যায়নি।

সেলিনের কাজিন তানকার্ট তারমোক বলেন, ‘আমার কাজিন বিস্ফোরণ স্থলের ঠিক কাছাকাছি একটি মিনিবাসে ছিল। তাকে খুঁজে বের করতে তার বন্ধুরা সব হাসপাতালেই অনুসন্ধান চালায়। পরে তার বন্ধুরা তার (সেলিক) হাতে আঁকা উলকি দেখে তাকে চিনতে পারে। কিন্তু এরআগ পর্যন্ত আমরা এর কিছুই জানতাম না।’

 

সেলিন ছিলেন ‘গালাতাসার স্পোর্টস ক্লাবের’ সাঁতারু প্রশিক্ষক পেলিন সেলিকের বোন।

ভোডাফোন এরিনায় বিস্ফোরণের সময় অন্য একটি মিনিবাস চালাচ্ছিলেন ভেলাত দেমিরুগলো। দক্ষিণ-পূর্ব প্রদেশ দেয়ারবাকির জেলার বাসিন্দা ছিলেন তিনি।

তার ফেসবুক প্রোফাইলে গেলে দেখা যায় সেখানে ২০১৫ সালের আঙ্কারা বোমা বিস্ফোরণের কয়েকটি ছবি রয়েছে। সেখানে তিনি শান্তির জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, ‘যাই হোক না কেন এ ছবির দৃশ্য, যাই হোক না কেন তার গ্রহণযোগ্য যুক্তি, আমরা কোনমতেই মৃত্যু চাই না।  মানুষের জীবনের চেয়ে কোনো কিছুই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না।’

মুস্তাফা বারক আব্বাস। মাত্র ১৯ বছর বয়সী যুবক। মূলত ‘ব্ল্যাক সী’ প্রদেশের সিনোপের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। দুই দিনের সফরে ইস্তাম্বুলে এসেছিলেন। তিনি আঙ্কারার বেজকেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেলের ছাত্র ছিলেন।

হামলায় নিহত মুস্তাফা বারক আব্বাসের বাবা বলেন, ‘মোস্তফা ছিল মাত্র ১৯ বছর বয়সী যুবক। সে মাত্র দুই দিনের জন্য ইস্তাম্বুলে এসেছিল। মোস্তফা ও তার এক বন্ধু মিলে ইস্তাম্বুলের চারপাশ ঘুরতে বেড়িয়েছিল। তারা একটি ট্যাক্সিতে ছিল। স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কাকতালীয়ভাবে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই মর্মান্তিক মৃত্যুর জন্য তাকে এখন একজন শহীদ বলা হচ্ছে। আমি আমার আমার ছেলেকে শহীদ হতে দিতে চাই না। আমি বলব তাকে হত্যা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তার ইচ্ছা ছিল একজন ডাক্তার হয়ে মানুষের সাহায্য করা। কিন্তু তার এই পূরণ হতে দিল না সন্ত্রাসীরা।  শুধু নিন্দা প্রকাশের মাধ্যমেই ‘সন্ত্রাসের’ অবসান হতে পারে না। আমরা কেবল বছরের পর বছর ধরে এর নিন্দাই করে যাচ্ছি।’

দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ ‘আদানার’ বাসিন্দা আদম ওগোজ। তিনি ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার। হামলা দিন বেসিক্টাসে তার দায়িত্ব নির্ধারিত ছিল। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে তিনি তার স্ত্রী এবং ছয় মাস বয়সী ছেলের কল্যাণে বেঁচে আছেন।

পূর্বাঞ্চলীয় ‘ভ্যান’ প্রদেশের বাসিন্দা সোনের ইদিল। আদম ওগোজের মতো তিনিও একজন পুলিশ অফিসার; সেদিন তারও ওই এলাকায় দায়িত্ব নির্ধারিত ছিল। মাত্র তিন মাস আগে তিনি পুলিশে যোগ দেন।

সোনের ইদিলের বাবা মিখতাদ ইদিল জানান, হামলার পর থেকে তিনি তার পুত্রের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না।

তার বাবা বলেন, ‘দেশের জন্য আমাদের বীর সন্তানেরা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে। সে তার দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। আমি আশা করি আল্লাহ তাকে স্বর্গে স্থান দিবেন। শেষবারের মতো আমি তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তখন সে আমাকে বলেছিল, ‘বাবা, আমরা খেলার মাঠে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছি। আমি তোমাকে পরে কল করবো।’ এর পর রাত ৯টার আগ পর্যন্ত আমরা তাকে খুঁজে পাইনি।’

ম্যাচ চলাকালীন নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা ভেফা কারাকারদো। বেসিক্টাসপ্রেমী হিসেবে তিনি বেশ সুপরিচিত ছিলেন। ক্লাব স্টেডিয়ামের বাইরের হামলায় তিনি নিহত হন।

তার একজন সহকর্মী বলেন, ‘আমার ম্যানেজার বেসিক্টাসের জন্য মারা গেছে। বেসিক্টাসই ছিল তার সবকিছু।’

শনিবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টায় বেসিক্টাস ভোডাফোন এরেনা স্টেডিয়ামের পাশে দুটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তুরস্কের প্রধান দুটি ফুটবল দল বেসিক্টাস এবং বুরসাসপোরের মধ্যকার খেলার দুই ঘণ্টা পর হামলাটি চালানো হয়।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথমটি ছিল একটি গাড়িবোমা হামলা এবং দ্বিতীয়টি স্টেডিয়ামের কাছেই একটি পার্কে একজন আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়।

হুরিয়াত ডেইলি নিউজ অবলম্বনে মো. রাহুল আমীন

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X