সোমবার, ২৪শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং, ১১ই বৈশাখ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৩০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, March 30, 2017 9:09 am
A- A A+ Print

এইচএসসির প্রশ্ন ফাঁসের আগাম ঘোষণা : গোয়েন্দা নজরদারিতে ২৫ হাজার ব্যক্তি

facebook-crime_43417_1490824354

২৫ হাজার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সহযোগী এবং ফেসবুকের ২ জন অ্যাডমিন ভার্চুয়ালি গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে। ২ এপ্রিল শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগাম ফাঁসের ঘোষণা দেয়া এসব ব্যক্তির ব্যাপারে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এদের মধ্যে দোষীদের যে কোনো মুহূর্তে গ্রেফতার করা হবে। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ঢাকা মহানগর (উত্তর) গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম এ তথ্য প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন, ফেসবুকে একটি গ্রুপ থেকে এবারের এইচএসসির প্রশ্ন আগাম দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিটি প্রশ্নের বিনিময়ে তারা এক হাজার টাকা নেবে বলছে। তথ্য পেয়ে অনুসন্ধান করে তাদের চিহ্নিত করেছি। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে তারা ধরা পড়বে। তিনি আরও বলেন, ফেসবুকের ওই গ্রুপের দুই অ্যাডমিন আছে। একটিতে ১৬ হাজার, আরেকটিতে ৯ হাজার সদস্য। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার আইন-শৃংখলা বিষয়ক জাতীয় মনিটরিং কমিটির এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন ও মো. আলমগীরসহ মন্ত্রণালয় এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এতে গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা শেখ নাজমুল আলমের বক্তব্য শোনার পর শিক্ষামন্ত্রী ও সচিব সংশ্লিষ্টদের পাকড়াওয়ের নির্দেশ দেন। এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, ফেসবুক থেকে প্রশ্ন সংগ্রহ করে কোনো শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার প্রমাণ পেলে ওই শিক্ষার্থীর ফল বাতিল করবে সরকার। তাই ফেসবুক অ্যাডমিন বা যারা এর সঙ্গে যুক্ত আছেন যদি তিনি ছাত্র হন তার তথ্যও আমাদের দরকার। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সভায় বলেন, সুনির্দিষ্টভাবে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করে ধরা হবে। যদি ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক বা স্কুলও হয় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব। শিক্ষামন্ত্রী মনে করেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষুদ্র একটি অংশ এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। মন্ত্রী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রশ্নের পেছনে না ঘোরার আহ্বান জানান। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগে বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠত। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে বিজি প্রেসে নজর দেয়া হয়। গত তিন বছরে সেখান থেকে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রশ্ন বিতরণেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নফাঁস হওয়ার প্রমাণ না পাওয়ার কথা পুলিশ কর্মকর্তা শেখ নাজমুল আলমও সভায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকায় গত দুই মাসে ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জন অধ্যক্ষ, তিনজন শিক্ষক, একজন কোচিং সেন্টারের শিক্ষক এবং ২০ জন ছাত্র, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবারের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের অ্যাডমিন। তিনি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এ সংক্রান্ত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করার সুপারিশ করেন। এ সভায় পুলিশের আরেক কর্মকর্তা বলেন, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে গোয়েন্দা সংস্থার একটি ‘ডেডিকেটেড ইউনিট’ কাজ করছে।

Comments

Comments!

 এইচএসসির প্রশ্ন ফাঁসের আগাম ঘোষণা : গোয়েন্দা নজরদারিতে ২৫ হাজার ব্যক্তিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

এইচএসসির প্রশ্ন ফাঁসের আগাম ঘোষণা : গোয়েন্দা নজরদারিতে ২৫ হাজার ব্যক্তি

Thursday, March 30, 2017 9:09 am
facebook-crime_43417_1490824354

২৫ হাজার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সহযোগী এবং ফেসবুকের ২ জন অ্যাডমিন ভার্চুয়ালি গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে। ২ এপ্রিল শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগাম ফাঁসের ঘোষণা দেয়া এসব ব্যক্তির ব্যাপারে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এদের মধ্যে দোষীদের যে কোনো মুহূর্তে গ্রেফতার করা হবে।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ঢাকা মহানগর (উত্তর) গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম এ তথ্য প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন, ফেসবুকে একটি গ্রুপ থেকে এবারের এইচএসসির প্রশ্ন আগাম দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিটি প্রশ্নের বিনিময়ে তারা এক হাজার টাকা নেবে বলছে। তথ্য পেয়ে অনুসন্ধান করে তাদের চিহ্নিত করেছি। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে তারা ধরা পড়বে। তিনি আরও বলেন, ফেসবুকের ওই গ্রুপের দুই অ্যাডমিন আছে। একটিতে ১৬ হাজার, আরেকটিতে ৯ হাজার সদস্য।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার আইন-শৃংখলা বিষয়ক জাতীয় মনিটরিং কমিটির এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন ও মো. আলমগীরসহ মন্ত্রণালয় এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। এতে গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তা শেখ নাজমুল আলমের বক্তব্য শোনার পর শিক্ষামন্ত্রী ও সচিব সংশ্লিষ্টদের পাকড়াওয়ের

নির্দেশ দেন।

এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, ফেসবুক থেকে প্রশ্ন সংগ্রহ করে কোনো শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার প্রমাণ পেলে ওই শিক্ষার্থীর ফল বাতিল করবে সরকার। তাই ফেসবুক অ্যাডমিন বা যারা এর সঙ্গে যুক্ত আছেন যদি তিনি ছাত্র হন তার তথ্যও আমাদের দরকার।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সভায় বলেন, সুনির্দিষ্টভাবে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করে ধরা হবে। যদি ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক বা স্কুলও হয় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব। শিক্ষামন্ত্রী মনে করেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষুদ্র একটি অংশ এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। মন্ত্রী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রশ্নের পেছনে না ঘোরার আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগে বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠত। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে বিজি প্রেসে নজর দেয়া হয়। গত তিন বছরে সেখান থেকে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রশ্ন বিতরণেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নফাঁস হওয়ার প্রমাণ না পাওয়ার কথা পুলিশ কর্মকর্তা শেখ নাজমুল আলমও সভায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকায় গত দুই মাসে ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জন অধ্যক্ষ, তিনজন শিক্ষক, একজন কোচিং সেন্টারের শিক্ষক এবং ২০ জন ছাত্র, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবারের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের অ্যাডমিন। তিনি প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এ সংক্রান্ত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করার সুপারিশ করেন। এ সভায় পুলিশের আরেক কর্মকর্তা বলেন, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে গোয়েন্দা সংস্থার একটি ‘ডেডিকেটেড ইউনিট’ কাজ করছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X