বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 21, 2016 2:50 pm
A- A A+ Print

একই অপরাধী টেলিটকও, সিটিসেল বন্ধ কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?

252175_1

বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশে টেলিকম লিমিটেড সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বিটিআরসি কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল মহাখালিতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় গিয়ে তরঙ্গ স্থগিত করে দেয়। বিটিআরসির কর্মকর্তা সারোয়ার আলোম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় সারোয়ার হোসেন বলেন, সিটিসেলের অনূকুলে যে বরাদ্দকৃত এবং নবায়নের যে তরঙ্গ ছিল সেগুলো সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাথে সাথে সিটিসেলের লাইন্সেও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারের কাছে সিটিসেলের বকেয়া বিল নির্ধারিত সময় পরিশোধ না করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সিটিসেলে ৫৫ ভাগ শেয়ারের মালিক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা মোরশেদ খানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক মটরস ও ফারিস্ট টেলিকম। এছাড়া সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সিনটেলও এই শেয়ারের অংশীদার। কর্তৃপক্ষ আরও বলেন, শুরু থেকেই এই টেলিকমটিকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্ক ছিল। একক অপরেটর হিসেবে বেশ চড়া দামে তারা মোবাইল ফোন বিক্রি করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে মোবাইল খাত যখন লাভজনক একটি ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেই সময়ে কেন তাদের এই পতন? বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্লেষক ও এমটবের সাবেক মহাসচিব আবু সাইদ খান বলেন, সিটিসেল একচেটিয়া সুযোগ পেয়ে যে কার্যক্রম শুরু করেছিল, সেই সময়ে তারা যে প্রযুক্তি নিয়ে ব্যবসায় এসেছিল সে প্রযুক্তিটা সীমিত লোকের আওতায় ছিল। কিন্তু তার পরে পরবর্তীকালে প্রযুক্তির যে বিবর্তন ঘটেছে সেই বিবর্তনকে সিটিসেলের ব্যবস্থাপনায় যারা ছিল বা আছেন তারা সেটাকে ব্যবহার করতে পারেনি। যার ফলে ধীরে ধীরে ব্যবসায়ীক দিক থেকে তারা পিছিয়ে পড়েছে। আর দ্বিতীয় দিকটি হচ্ছে, বর্তমানে সরকার সিটিসেলে বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে আইনের জয় হয়েছে কিন্তু পরাজিত হয়েছে নৈতিকতার। কারণ একই অপরাধে সরকারের নিজেস্ব মালিকানাধিন মোবাইল অপারেটর টেলিটকও অপরাধী। কিন্তু তাদেরকে কোন ধরণের বিচারের সামনেও আনা হয়নি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বেসরকারি খাতের কোম্পানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটা কতখানিক নৈতিক সেটা আমার কাছে প্রশ্ন। তাহলে কি এখানে রাজনৈতিক বিষয়টি প্রধান্য পেয়েছে নাকি প্রতিহিংসার বিষয় রয়েছে? জবাবে তিনি বলেন, এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। তবে আমি যেটা বলতে পারি সেটা হলো, এখানে আইনের জয় হয়েছে কিন্তু পরাজিত হয়েছে নৈতিকতার। তিনি বলেন, তারা যখন এটি চালু করেন তখন কিন্তু তারা সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা পেয়েছেন। তারপরেও তাদের কেন এত বকেয়া এবং কেনই বা পারলেন না টিকে থাকতে? জাবাবে তিনি বলেন, ২০০৬ এর পর থেকেই সিটিসেলের পতন শুরু হয় এবং সেটা হয় খুব ধীরে ধীরে। কারণ, তাদের যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক যারাই ছিলেন তাদের নিজেস্ব কিছু অক্ষমতা ছিল বলেই এমনটা ঘটেছে বলে আমি মনে করি। এবং আমি মনে করি তাদের ব্যবসা সম্পর্কে অনেক অজ্ঞতাও রয়েছে। এছাড়া তিনি বলেন, সিটিসেলের কর্মকর্তা কর্মচারিদের জন্য সরকারের একটা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কারণ কোম্পানি চলাকালিন সময় তাদের কাছ থেকে সরকার অনেক কর নিয়েছিলেন। তাই আমার মতে, তাদের দিকে তাকিয়ে সরকারে একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

Comments

Comments!

 একই অপরাধী টেলিটকও, সিটিসেল বন্ধ কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

একই অপরাধী টেলিটকও, সিটিসেল বন্ধ কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?

Friday, October 21, 2016 2:50 pm
252175_1

বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশে টেলিকম লিমিটেড সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বিটিআরসি কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল মহাখালিতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় গিয়ে তরঙ্গ স্থগিত করে দেয়। বিটিআরসির কর্মকর্তা সারোয়ার আলোম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ সময় সারোয়ার হোসেন বলেন, সিটিসেলের অনূকুলে যে বরাদ্দকৃত এবং নবায়নের যে তরঙ্গ ছিল সেগুলো সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাথে সাথে সিটিসেলের লাইন্সেও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারের কাছে সিটিসেলের বকেয়া বিল নির্ধারিত সময় পরিশোধ না করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সিটিসেলে ৫৫ ভাগ শেয়ারের মালিক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা মোরশেদ খানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক মটরস ও ফারিস্ট টেলিকম। এছাড়া সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সিনটেলও এই শেয়ারের অংশীদার।

কর্তৃপক্ষ আরও বলেন, শুরু থেকেই এই টেলিকমটিকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্ক ছিল। একক অপরেটর হিসেবে বেশ চড়া দামে তারা মোবাইল ফোন বিক্রি করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে মোবাইল খাত যখন লাভজনক একটি ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেই সময়ে কেন তাদের এই পতন?

বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্লেষক ও এমটবের সাবেক মহাসচিব আবু সাইদ খান বলেন, সিটিসেল একচেটিয়া সুযোগ পেয়ে যে কার্যক্রম শুরু করেছিল, সেই সময়ে তারা যে প্রযুক্তি নিয়ে ব্যবসায় এসেছিল সে প্রযুক্তিটা সীমিত লোকের আওতায় ছিল। কিন্তু তার পরে পরবর্তীকালে প্রযুক্তির যে বিবর্তন ঘটেছে সেই বিবর্তনকে সিটিসেলের ব্যবস্থাপনায় যারা ছিল বা আছেন তারা সেটাকে ব্যবহার করতে পারেনি। যার ফলে ধীরে ধীরে ব্যবসায়ীক দিক থেকে তারা পিছিয়ে পড়েছে।

আর দ্বিতীয় দিকটি হচ্ছে, বর্তমানে সরকার সিটিসেলে বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে আইনের জয় হয়েছে কিন্তু পরাজিত হয়েছে নৈতিকতার। কারণ একই অপরাধে সরকারের নিজেস্ব মালিকানাধিন মোবাইল অপারেটর টেলিটকও অপরাধী। কিন্তু তাদেরকে কোন ধরণের বিচারের সামনেও আনা হয়নি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বেসরকারি খাতের কোম্পানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটা কতখানিক নৈতিক সেটা আমার কাছে প্রশ্ন।

তাহলে কি এখানে রাজনৈতিক বিষয়টি প্রধান্য পেয়েছে নাকি প্রতিহিংসার বিষয় রয়েছে? জবাবে তিনি বলেন, এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। তবে আমি যেটা বলতে পারি সেটা হলো, এখানে আইনের জয় হয়েছে কিন্তু পরাজিত হয়েছে নৈতিকতার।

তিনি বলেন, তারা যখন এটি চালু করেন তখন কিন্তু তারা সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা পেয়েছেন। তারপরেও তাদের কেন এত বকেয়া এবং কেনই বা পারলেন না টিকে থাকতে?

জাবাবে তিনি বলেন, ২০০৬ এর পর থেকেই সিটিসেলের পতন শুরু হয় এবং সেটা হয় খুব ধীরে ধীরে। কারণ, তাদের যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক যারাই ছিলেন তাদের নিজেস্ব কিছু অক্ষমতা ছিল বলেই এমনটা ঘটেছে বলে আমি মনে করি। এবং আমি মনে করি তাদের ব্যবসা সম্পর্কে অনেক অজ্ঞতাও রয়েছে।

এছাড়া তিনি বলেন, সিটিসেলের কর্মকর্তা কর্মচারিদের জন্য সরকারের একটা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কারণ কোম্পানি চলাকালিন সময় তাদের কাছ থেকে সরকার অনেক কর নিয়েছিলেন। তাই আমার মতে, তাদের দিকে তাকিয়ে সরকারে একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X