বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, July 28, 2016 8:15 am
A- A A+ Print

একজন ছদরুদ্দিন

24519_x3

স্বপ্ন দেখেছিলেন শিক্ষায় বদলে দেবেন সিলেটকে। আশির দশকের কথা। তখন উচ্চশিক্ষার অন্ধকারে সিলেট। নেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়। একমাত্র অবলম্বন সিলেটের শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান এমসি কলেজ। স্বপ্ন-সাধ থাকলেও সিলেটের অনেক শিক্ষার্থী তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা মাড়ানোর সুযোগ পাননি। ঠিক সেই সময়ে স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে এগিয়ে এসেছিলেন প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিন আহমদ। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই নিজের হাতেই স্বপ্ন বোনা শুরু করেন সিলেটে। চ্যালেঞ্জ ছিল অনেক। দৃঢ়চেতা এ শিক্ষাবিদের হাত ধরেই সিলেটে যাত্রা শুরু করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় বদলে দিয়েছে সিলেটের শিক্ষাকে। আলোর নতুন জগতের সন্ধান দিয়েছে কোটি মানুষকে। সেই প্রফেসর ছদরুদ্দিন আহমদকে চির বিদায় জানিয়েছে সিলেটবাসী। প্রিয় ক্যাম্পাস, প্রিয় সিলেটের মায়া ত্যাগ করে তিনি চলে গেছেন পরলোকে। গত রোববার বিকালে তাকে নিজ বাড়ি গোলাপগঞ্জে সমাহিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিন আহমদ সিলেটবাসীর অন্তরে ঠাঁই করে নিয়েছেন আজীবনের জন্য। শুধু তাই নয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরও শিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচনের পিপাসা মিটেনি ছদরুদ্দিন আহমদের। ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি নিজ হাতে স্থায়ী ক্যাম্পাসে গড়ে তুলেছিলেন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ও এখন আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে সিলেটে। এর বাইরে সিলেটে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিনের পৃষ্ঠা ৯ কলাম ৪ নাম লেখা হয়েছে ইতিহাসের খাতায়। ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী একাধারে শিক্ষাবিদ, পদার্থ বিজ্ঞানী, ভাষাসৈনিক, গবেষক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, দক্ষ প্রশাসক ও পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক। বর্ণাঢ্য পেশাজীবনে দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালনসহ আরো তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তিনি নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন। সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফুলবাড়ি গ্রামের চৌধুরী পরিবারে ১৯৩১ সালের ১লা জানুয়ারি ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন। বইটিকর পাঠশালায় প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি ১৯৪১ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় তদানীন্তন সমগ্র আসাম প্রদেশে মুসলমান ছাত্রদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে বৃত্তি পান। পরে সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৫১ সালে এমসি কলেজ থেকে আইএসসিতে প্রথম বিভাগে পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে রাজনীতি সচেতন শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে অনার্স ও ১৯৫৫ সালে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। পরের বছরই রাজশাহী কলেজের শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা গবেষণাগারে রিসার্চ স্টুডেন্ট হিসেবে গবেষণাকাজে জড়িত হন। ১৯৫৮ সালে নবপ্রতিষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় নিয়োজিত হন। পরে ১৯৬৬ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ‘এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি বিষয়ে গবেষণা ছাড়াও ‘হিউম্যান ইনসুলিন’ আবিষ্কার তার মৌলিক আবিষ্কারগুলোর অন্যতম। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্বীকৃত জার্নালে তার ৪০টিরও অধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৮৯ সালে থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। মাত্র দেড় বছরের মধ্যে নিজস্ব জায়গায় ও ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করাতে দক্ষ প্রশাসক হিসেবে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বনামধন্য শিক্ষকদের সমাবেশ ঘটিয়ে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলেন। ফলে শুরু থেকেই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশ-বিদেশে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত প্রফেসর ছদরুদ্দিন চৌধুরী এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ডিন অব স্টাডিজ (একাডেমিক ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসারে যখন স্থায়ী ক্যাম্পাসসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়ে সব ক’টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ হয়ে যায়, তখন প্রফেসর ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরীর নিজস্ব জায়গায় ক্যাম্পাসসহ সব শর্ত পূরণ করে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। পরে তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

Comments

Comments!

 একজন ছদরুদ্দিনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

একজন ছদরুদ্দিন

Thursday, July 28, 2016 8:15 am
24519_x3

স্বপ্ন দেখেছিলেন শিক্ষায় বদলে দেবেন সিলেটকে। আশির দশকের কথা। তখন উচ্চশিক্ষার অন্ধকারে সিলেট। নেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়। একমাত্র অবলম্বন সিলেটের শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান এমসি কলেজ। স্বপ্ন-সাধ থাকলেও সিলেটের অনেক শিক্ষার্থী তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা মাড়ানোর সুযোগ পাননি। ঠিক সেই সময়ে স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে এগিয়ে এসেছিলেন প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিন আহমদ। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই নিজের হাতেই স্বপ্ন বোনা শুরু করেন সিলেটে। চ্যালেঞ্জ ছিল অনেক। দৃঢ়চেতা এ শিক্ষাবিদের হাত ধরেই সিলেটে যাত্রা শুরু করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় বদলে দিয়েছে সিলেটের শিক্ষাকে। আলোর নতুন জগতের সন্ধান দিয়েছে কোটি মানুষকে। সেই প্রফেসর ছদরুদ্দিন আহমদকে চির বিদায় জানিয়েছে সিলেটবাসী। প্রিয় ক্যাম্পাস, প্রিয় সিলেটের মায়া ত্যাগ করে তিনি চলে গেছেন পরলোকে। গত রোববার বিকালে তাকে নিজ বাড়ি গোলাপগঞ্জে সমাহিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিন আহমদ সিলেটবাসীর অন্তরে ঠাঁই করে নিয়েছেন আজীবনের জন্য। শুধু তাই নয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরও শিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচনের পিপাসা মিটেনি ছদরুদ্দিন আহমদের। ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি নিজ হাতে স্থায়ী ক্যাম্পাসে গড়ে তুলেছিলেন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ও এখন আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে সিলেটে। এর বাইরে সিলেটে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রফেসর ড. ছদরুদ্দিনের পৃষ্ঠা ৯ কলাম ৪
নাম লেখা হয়েছে ইতিহাসের খাতায়। ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী একাধারে শিক্ষাবিদ, পদার্থ বিজ্ঞানী, ভাষাসৈনিক, গবেষক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, দক্ষ প্রশাসক ও পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক। বর্ণাঢ্য পেশাজীবনে দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালনসহ আরো তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তিনি নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন। সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফুলবাড়ি গ্রামের চৌধুরী পরিবারে ১৯৩১ সালের ১লা জানুয়ারি ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন। বইটিকর পাঠশালায় প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি ১৯৪১ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় তদানীন্তন সমগ্র আসাম প্রদেশে মুসলমান ছাত্রদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে বৃত্তি পান। পরে সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৫১ সালে এমসি কলেজ থেকে আইএসসিতে প্রথম বিভাগে পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে রাজনীতি সচেতন শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে অনার্স ও ১৯৫৫ সালে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। পরের বছরই রাজশাহী কলেজের শিক্ষক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা গবেষণাগারে রিসার্চ স্টুডেন্ট হিসেবে গবেষণাকাজে জড়িত হন। ১৯৫৮ সালে নবপ্রতিষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় নিয়োজিত হন। পরে ১৯৬৬ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ‘এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি বিষয়ে গবেষণা ছাড়াও ‘হিউম্যান ইনসুলিন’ আবিষ্কার তার মৌলিক আবিষ্কারগুলোর অন্যতম। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্বীকৃত জার্নালে তার ৪০টিরও অধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৮৯ সালে থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। মাত্র দেড় বছরের মধ্যে নিজস্ব জায়গায় ও ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করাতে দক্ষ প্রশাসক হিসেবে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বনামধন্য শিক্ষকদের সমাবেশ ঘটিয়ে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলেন। ফলে শুরু থেকেই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশ-বিদেশে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত প্রফেসর ছদরুদ্দিন চৌধুরী এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ডিন অব স্টাডিজ (একাডেমিক ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসারে যখন স্থায়ী ক্যাম্পাসসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়ে সব ক’টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ হয়ে যায়, তখন প্রফেসর ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরীর নিজস্ব জায়গায় ক্যাম্পাসসহ সব শর্ত পূরণ করে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। পরে তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X