সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:৩২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 10, 2016 4:30 pm
A- A A+ Print

এখনই দুশ্চিন্তার কারণ নেই অভিবাসীদের!

r7

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় এখনই অভিবাসীদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলে মত দিয়েছেন এক মার্কিন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ। মঈন চৌধুরী নামের এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বৈধ অভিবাসী বা যাদের অভিবাসন-প্রক্রিয়া কোনো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আছে, তাদের উৎকণ্ঠিত হওয়ার কিছু নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করেন সীমা খানম। বললেন, মেয়েকে বাংলাদেশে নিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। মেয়ের জামাই এখন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন কি না, সে প্রশ্ন তাঁর। ১০ বছর ধরে নিউ জার্সিতে বসবাস করা সাইফুল ইসলাম জানতে চাইলেন, তাঁর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন ঝুলে আছে। এখন কি আমেরিকা থেকে তাঁকে চলে যেতে হবে? গতকাল বুধবার দিনভর এমন উৎকণ্ঠিত ও উদ্বিগ্ন প্রশ্ন ছিল অনেকের মুখে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা দল বেঁধে হিলারির পক্ষে ছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী ও মুসলিমবিরোধী বক্তব্য প্রবাসীদের হিলারির পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিতে সহায়তা করে। ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর তাই অনেকে মুষড়ে পড়েছেন। আমেরিকার দীর্ঘদিনের পারিবারিক অভিবাসন চলমান থাকবে কি না, এ নিয়েও সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়াসহ বড় বড় বেশ কয়েকটি নগরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। ক্ষোভ-বিক্ষোভ আর অসন্তোষের মধ্যে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অভিবাসীরা। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইনজীবী ও ইউএস সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, উদ্বেগ আর শঙ্কা নিয়ে স্বদেশিদের শত শত ফোনকল তাঁকে সামাল দিতে হচ্ছে। মার্কিন নাগরিকত্ব আছে—এমন প্রবাসীদের চিন্তা করার আদৌ কিছু নেই। বিদ্যমান অভিবাসন আইনের আমূল পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত পারিবারিক অভিবাসনে কোনো পরিবর্তন আসবে না। যাদের গ্রিন কার্ড আছে, তারাও আমেরিকার আইনানুগ অভিবাসী। আইনানুগ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো অবস্থান নেই। এই আইনজীবী বলেন, ‘আমাদের বহু প্রবাসীর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন বিবেচনাধীন আছে। অনেকের অভিবাসন নানা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এসব অভিবাসীরও দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমেরিকার অভিবাসন আইন চাইলেই দ্রুত পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। খোদ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমতায় থেকেও নিজের দলকেই অভিবাসন নিয়ে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেননি। যাদের নামে বিতাড়নের আদেশ আছে বা যেসব অভিবাসী অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের ধরপাকড় একটি চলমান প্রক্রিয়া। ওবামার সময়ও এমন অনেককে আমেরিকার বাইরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কিছু নির্বাহী আদেশ দিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের সুবিধা দিয়েছিলেন। এসব সুবিধা ছিল নেহাত সাময়িক। নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর এ নির্বাহী আদেশ বাতিল করতে পারেন। ধারণা করা হচ্ছে, আইন প্রণয়ন করে অভিবাসনের ওপর কড়াকড়ি আনার তোড়জোড় হবে ট্রাম্পের শাসনামলে। কংগ্রেস ও সিনেটে অভিবাসন নিয়ে ঐক্যবদ্ধ করা অনেকটাই দুরূহ হবে অতীতের যেকোনো প্রেসিডেন্টের মতো। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এমন উদ্যোগের জন্য কংগ্রেসে বিশাল বাজেট পাস করতে হবে। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ করা হবে অবৈধভাবে অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে। এমন দেয়াল নির্মাণ করলেও বৈধ অভিবাসনের আদৌ কোনো অসুবিধা হবে না বলে স্বদেশিদের আশ্বস্ত করছেন মঈন চৌধুরী।

Comments

Comments!

 এখনই দুশ্চিন্তার কারণ নেই অভিবাসীদের!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

এখনই দুশ্চিন্তার কারণ নেই অভিবাসীদের!

Thursday, November 10, 2016 4:30 pm
r7

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় এখনই অভিবাসীদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলে মত দিয়েছেন এক মার্কিন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ। মঈন চৌধুরী নামের এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বৈধ অভিবাসী বা যাদের অভিবাসন-প্রক্রিয়া কোনো আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আছে, তাদের উৎকণ্ঠিত হওয়ার কিছু নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করেন সীমা খানম। বললেন, মেয়েকে বাংলাদেশে নিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। মেয়ের জামাই এখন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন কি না, সে প্রশ্ন তাঁর। ১০ বছর ধরে নিউ জার্সিতে বসবাস করা সাইফুল ইসলাম জানতে চাইলেন, তাঁর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন ঝুলে আছে। এখন কি আমেরিকা থেকে তাঁকে চলে যেতে হবে? গতকাল বুধবার দিনভর এমন উৎকণ্ঠিত ও উদ্বিগ্ন প্রশ্ন ছিল অনেকের মুখে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা দল বেঁধে হিলারির পক্ষে ছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী ও মুসলিমবিরোধী বক্তব্য প্রবাসীদের হিলারির পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিতে সহায়তা করে। ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর তাই অনেকে মুষড়ে পড়েছেন। আমেরিকার দীর্ঘদিনের পারিবারিক অভিবাসন চলমান থাকবে কি না, এ নিয়েও সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়াসহ বড় বড় বেশ কয়েকটি নগরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। ক্ষোভ-বিক্ষোভ আর অসন্তোষের মধ্যে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অভিবাসীরা।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইনজীবী ও ইউএস সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, উদ্বেগ আর শঙ্কা নিয়ে স্বদেশিদের শত শত ফোনকল তাঁকে সামাল দিতে হচ্ছে। মার্কিন নাগরিকত্ব আছে—এমন প্রবাসীদের চিন্তা করার আদৌ কিছু নেই। বিদ্যমান অভিবাসন আইনের আমূল পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত পারিবারিক অভিবাসনে কোনো পরিবর্তন আসবে না। যাদের গ্রিন কার্ড আছে, তারাও আমেরিকার আইনানুগ অভিবাসী। আইনানুগ অভিবাসনের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো অবস্থান নেই।

এই আইনজীবী বলেন, ‘আমাদের বহু প্রবাসীর রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন বিবেচনাধীন আছে। অনেকের অভিবাসন নানা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এসব অভিবাসীরও দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমেরিকার অভিবাসন আইন চাইলেই দ্রুত পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। খোদ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমতায় থেকেও নিজের দলকেই অভিবাসন নিয়ে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেননি। যাদের নামে বিতাড়নের আদেশ আছে বা যেসব অভিবাসী অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের ধরপাকড় একটি চলমান প্রক্রিয়া। ওবামার সময়ও এমন অনেককে আমেরিকার বাইরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কিছু নির্বাহী আদেশ দিয়ে অবৈধ অভিবাসীদের সুবিধা দিয়েছিলেন। এসব সুবিধা ছিল নেহাত সাময়িক। নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর এ নির্বাহী আদেশ বাতিল করতে পারেন।

ধারণা করা হচ্ছে, আইন প্রণয়ন করে অভিবাসনের ওপর কড়াকড়ি আনার তোড়জোড় হবে ট্রাম্পের শাসনামলে। কংগ্রেস ও সিনেটে অভিবাসন নিয়ে ঐক্যবদ্ধ করা অনেকটাই দুরূহ হবে অতীতের যেকোনো প্রেসিডেন্টের মতো। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এমন উদ্যোগের জন্য কংগ্রেসে বিশাল বাজেট পাস করতে হবে। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ করা হবে অবৈধভাবে অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে। এমন দেয়াল নির্মাণ করলেও বৈধ অভিবাসনের আদৌ কোনো অসুবিধা হবে না বলে স্বদেশিদের আশ্বস্ত করছেন মঈন চৌধুরী।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X