শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, December 24, 2016 12:00 pm | আপডেটঃ December 24, 2016 12:18 PM
A- A A+ Print

‘এখন যদি গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয় আমাদের কী হবে?’

%e0%a7%a7%e0%a7%ae

রাজধানীর আশকোনায় হাজিক্যাম্পের কাছে তিনতলা বাড়িটির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে মা আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। ‘জঙ্গিদের’ কাছে গ্রেনেড আছে বলে গণমাধ্যমের খবরে জেনেছেন মোহাম্মদ। আতঙ্কিত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘এখন যদি গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়, আমাদের কী হবে?’ মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘বারান্দা থেকে পুলিশকে বলেছি। ওনারা বের করে নিচ্ছে না। পুলিশ বলছে, আপনারা যেখানে আছেন, সেখানেই নিরাপদ।’ ওই বাড়ি ঘিরেই জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বাড়িটির দোতলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে মুঠোফোনে এ কথা জানান। মোহাম্মদ বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ বাসার মূল ফটকে এসে বিভিন্ন ফ্ল্যাটে কলবেল বাজায়। মোহাম্মদ জানালা দিয়ে পুলিশকে দেখেন। ভয়ে তিনি কোনো সাড়াশব্দ করেননি। আনুমানিক দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাঁদের ফ্ল্যাটের দরজায় শব্দ হয়। তিনজন পুলিশ সদস্য নিচতলার ফ্ল্যাট সম্পর্কে তাঁর কাছে তথ্য জানতে চান। মোহাম্মদ তাঁদের তিনতলায় বাড়িওয়ালার কাছে যেতে বলেন। এরপর পুলিশ চলে যায়। সারা রাতে আর কোনো শব্দ শোনেননি মোহাম্মদ। ফজরের আজানের পরে পুলিশ মাইকে নিচতলায় জঙ্গিদের উদ্দেশে বলে, ‘আপনারা বের হয়ে আসেন। আপনাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি করব না। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। আপনাদের কাছে যে মুঠোফোন পাঠানো হয়েছে, সেটা অন করেন।’ কিছুক্ষণ পরই মাইকে একটি ছেলে কেঁদে কেঁদে তাঁর মাকে বের হয়ে আসতে আকুতি জানায়। ছেলেটি বলে, ‘আম্মা, তুমি বের হয়ে আসো। ওরা তোমার কোনো ক্ষতি করবে না। আমরা তোমাকে জীবিত দেখতে চাই।’ মোহাম্মদ আলী জানান, এক বছর আগে তিনি ওই বাসার দোতলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। সে সময় বাসাটি দোতলা ছিল। পরে তিনতলা হয়। এরপর বাড়িওয়ালার পরিবার নিচতলা থেকে তিনতলায় উঠে যায়। মাঝে এক পরিবার কিছুদিন নিচতলায় ভাড়া ছিল। পরে তারা চলে যায়। এরপর নিচতলার ফ্ল্যাটে কারা ভাড়া নিয়েছে, তিনি জানেন না। তাদের কখনো দেখা যেত না। এমনকি দরজাও সব সময় বন্ধ থাকত।

Comments

Comments!

 ‘এখন যদি গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয় আমাদের কী হবে?’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘এখন যদি গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয় আমাদের কী হবে?’

Saturday, December 24, 2016 12:00 pm | আপডেটঃ December 24, 2016 12:18 PM
%e0%a7%a7%e0%a7%ae

রাজধানীর আশকোনায় হাজিক্যাম্পের কাছে তিনতলা বাড়িটির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে মা আনোয়ারা বেগমকে নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। ‘জঙ্গিদের’ কাছে গ্রেনেড আছে বলে গণমাধ্যমের খবরে জেনেছেন মোহাম্মদ। আতঙ্কিত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘এখন যদি গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়, আমাদের কী হবে?’

মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘বারান্দা থেকে পুলিশকে বলেছি। ওনারা বের করে নিচ্ছে না। পুলিশ বলছে, আপনারা যেখানে আছেন, সেখানেই নিরাপদ।’

ওই বাড়ি ঘিরেই জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বাড়িটির দোতলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে মুঠোফোনে এ কথা জানান।

মোহাম্মদ বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ বাসার মূল ফটকে এসে বিভিন্ন ফ্ল্যাটে কলবেল বাজায়। মোহাম্মদ জানালা দিয়ে পুলিশকে দেখেন। ভয়ে তিনি কোনো সাড়াশব্দ করেননি। আনুমানিক দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাঁদের ফ্ল্যাটের দরজায় শব্দ হয়। তিনজন পুলিশ সদস্য নিচতলার ফ্ল্যাট সম্পর্কে তাঁর কাছে তথ্য জানতে চান। মোহাম্মদ তাঁদের তিনতলায় বাড়িওয়ালার কাছে যেতে বলেন। এরপর পুলিশ চলে যায়।

সারা রাতে আর কোনো শব্দ শোনেননি মোহাম্মদ। ফজরের আজানের পরে পুলিশ মাইকে নিচতলায় জঙ্গিদের উদ্দেশে বলে, ‘আপনারা বের হয়ে আসেন। আপনাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি করব না। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। আপনাদের কাছে যে মুঠোফোন পাঠানো হয়েছে, সেটা অন করেন।’

কিছুক্ষণ পরই মাইকে একটি ছেলে কেঁদে কেঁদে তাঁর মাকে বের হয়ে আসতে আকুতি জানায়। ছেলেটি বলে, ‘আম্মা, তুমি বের হয়ে আসো। ওরা তোমার কোনো ক্ষতি করবে না। আমরা তোমাকে জীবিত দেখতে চাই।’

মোহাম্মদ আলী জানান, এক বছর আগে তিনি ওই বাসার দোতলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। সে সময় বাসাটি দোতলা ছিল। পরে তিনতলা হয়। এরপর বাড়িওয়ালার পরিবার নিচতলা থেকে তিনতলায় উঠে যায়। মাঝে এক পরিবার কিছুদিন নিচতলায় ভাড়া ছিল। পরে তারা চলে যায়। এরপর নিচতলার ফ্ল্যাটে কারা ভাড়া নিয়েছে, তিনি জানেন না। তাদের কখনো দেখা যেত না। এমনকি দরজাও সব সময় বন্ধ থাকত।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X