বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:৪৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, January 22, 2017 7:48 pm | আপডেটঃ January 22, 2017 7:54 PM
A- A A+ Print

এমপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেব: প্রধানমন্ত্রী

15

গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটনের মৃত্যুতে শোক আলোচনায় গণমাধ্যমকে দুষেছেন সংসদ সদস্যরা। তারা বলেছেন, একজন কিশোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে লিটনকে পরিকল্পিতভাবে জড়ানো হয়েছে। এতে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। তাদের প্রচারনার কাছে আমরা হেরে গেছি। প্রকৃত তথ্য জানলেও লিটনের জন্য কিছুই করা সম্ভব হয়নি। উল্টো তার কাছ থেকে লাইসেন্স করা অস্ত্র নিয়ে নেয়া হয়েছিলো। এমপি লিটনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এমপিদের নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত হয় সে ব্যবস্থা করব। লিটনের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই ধরব এবং শাস্তি নিশ্চিত করব। এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে এটাই আমরা চাই।’ শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় আরও অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া, চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জুনাইদ আহমেদ পলক, হুইপ মাহাবুব আরা গিনি, এ কে এম শামীম ওসমান, মীর শওকত আলী বাদশা ও জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ। বক্তাদের বেশিরই হত্যাকান্ডের শিকার মনজুর”ল ইসলাম লিটনকে নিয়ে গণমাধ্যমের কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। রবিবার জাতীয় সংসদে মনজুরুল ইসলাম লিটনের মৃত্যুতে আনা শোকপ্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে শোকপ্রস্তাবটি পাস হয়। এরপর মরহুমের সম্মানে সংসদের বৈঠক কিছুক্ষণের জন্য মুলতবি রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে বিএনপি-জামায়াত কত মানুষকে যে হত্যা করেছে তার কোনো হিসাব নেই। এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সে রুখে দাঁড়িয়েছিল। এটাই বুঝি তার কাল হয়ে গেল। সেখানকার মানুষের জীবনে লিটন শান্তি ফিরিয়ে এনেছিল। এলাকার মানুষের জীবনে স্বস্তি এনেছিল। এটিই তার কাল হয়েছে।’ এমপি লিটন শিশু সৌরভকে গুলি করেনি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি কেন একজন শিশুকে গুলি করতে যাবেন?লিটনের বাবা তো আওয়ামী লীগ করত। কিন্তু এ কারণে তার গুলি সিজ করে নেয়া হয়।’ শেখ হাসিনা বলেন,‘আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি। এর প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। এজন্য লিটনকে হত্যা করা হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার নিজেরই খুব কষ্ট লাগছে। লিটন এমন একটি এলাকা থেকে নির্বাচিত যে এলাকা সন্ত্রাসীদের আখড়া, জামায়াত-শিবিরের আখড়া। ২০১৩ সালে ওই এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি, দোকানপাট পুড়িয়ে তা-ব চালায়। উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান একজন মহিলা, তার বাড়িতে হামলা চালায়। এরপরই দুজন পুলিশ হত্যা করা হয়। এরপর ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত মিলে শত শত স্কুল পুড়িয়ে দেয়। জামায়াত সেখানে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিল।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের বিরদ্ধে যেভাবে কঠোর অবস্থা নিয়েছি, তেমনিভাবে অবশ্যই লিটন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘দেশ যখন সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, গোটা বিশ্বের দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমরা যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি- তখনই যেন প্রতিশোধ নিতেই এসব কর্মকান্ড ঘটানো হচ্ছে। এটাই হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনের নমুনা। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।’ এমপি লিটনের নির্বাচনী এলাকা জামায়াত অধ্যুষিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনের বানচালের নামে বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র নিয়ে হাজার হাজার গাছ কেটে রাস্তায় অবরোধ করে সারাদেশের মতো ওই এলাকাতেও বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। যখন ওই এলাকার জনগণ বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুললো, তখন এমপি হিসেবে নয়, একজন এলাকার সাধারণ মানুষ হয়ে মনজুরল ইসলাম লিটন নেতৃত্ব দিয়েছে। এটাই যেন এমপি লিটনের জীবনে কাল হয়ে দেখা দিলো। তাদের অগ্নিসন্ত্রাস লিটন রুখে দিয়ে ওই এলাকায় মানুষের মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছিল। এটা যেন ছিল লিটনের বড় অপরাধ। এজন্যই তাকে টার্গেট করা হলো। শিশু সৌরভ গুলিবিদ্ধ হওয়া নিয়ে ওই সময় কিছু গণমাধ্যমের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য লিটন কেন একটি শিশুকে গুলি করবে? শিশু সৌরভের পরিবারও তো আওয়ামী লীগ করতো। লিটনকে হত্যার জন্য ওই সময় এ্যামবুশ করে বসেছিল। এটা দেখে লিটন নিজের জীবন বাঁচাতেই ফাঁকা গুলি করে। এটা নিয়ে কিছু পত্র-পত্রিকাগুলো এমনভাবে লিখলো, কিন্তু কেউ সত্য ঘটনাটি লিখলো না।

Comments

Comments!

 এমপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেব: প্রধানমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

এমপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেব: প্রধানমন্ত্রী

Sunday, January 22, 2017 7:48 pm | আপডেটঃ January 22, 2017 7:54 PM
15

গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটনের মৃত্যুতে শোক আলোচনায় গণমাধ্যমকে দুষেছেন সংসদ সদস্যরা।

তারা বলেছেন, একজন কিশোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে লিটনকে পরিকল্পিতভাবে জড়ানো হয়েছে।

এতে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। তাদের প্রচারনার কাছে আমরা হেরে গেছি।

প্রকৃত তথ্য জানলেও লিটনের জন্য কিছুই করা সম্ভব হয়নি। উল্টো তার কাছ থেকে লাইসেন্স করা অস্ত্র নিয়ে নেয়া হয়েছিলো।

এমপি লিটনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এমপিদের নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত হয় সে ব্যবস্থা করব। লিটনের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই ধরব এবং শাস্তি নিশ্চিত করব। এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে এটাই আমরা চাই।’

শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় আরও অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া, চিফ হুইপ আসম ফিরোজ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জুনাইদ আহমেদ পলক, হুইপ মাহাবুব আরা গিনি, এ কে এম শামীম ওসমান, মীর শওকত আলী বাদশা ও জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ।

বক্তাদের বেশিরই হত্যাকান্ডের শিকার মনজুর”ল ইসলাম লিটনকে নিয়ে গণমাধ্যমের কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

রবিবার জাতীয় সংসদে মনজুরুল ইসলাম লিটনের মৃত্যুতে আনা শোকপ্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে শোকপ্রস্তাবটি পাস হয়। এরপর মরহুমের সম্মানে সংসদের বৈঠক কিছুক্ষণের জন্য মুলতবি রাখা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে বিএনপি-জামায়াত কত মানুষকে যে হত্যা করেছে তার কোনো হিসাব নেই। এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সে রুখে দাঁড়িয়েছিল। এটাই বুঝি তার কাল হয়ে গেল। সেখানকার মানুষের জীবনে লিটন শান্তি ফিরিয়ে এনেছিল। এলাকার মানুষের জীবনে স্বস্তি এনেছিল। এটিই তার কাল হয়েছে।’

এমপি লিটন শিশু সৌরভকে গুলি করেনি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি কেন একজন শিশুকে গুলি করতে যাবেন?লিটনের বাবা তো আওয়ামী লীগ করত। কিন্তু এ কারণে তার গুলি সিজ করে নেয়া হয়।’

শেখ হাসিনা বলেন,‘আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি। এর প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। এজন্য লিটনকে হত্যা করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার নিজেরই খুব কষ্ট লাগছে। লিটন এমন একটি এলাকা থেকে নির্বাচিত যে এলাকা সন্ত্রাসীদের আখড়া, জামায়াত-শিবিরের আখড়া। ২০১৩ সালে ওই এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি, দোকানপাট পুড়িয়ে তা-ব চালায়। উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান একজন মহিলা, তার বাড়িতে হামলা চালায়।

এরপরই দুজন পুলিশ হত্যা করা হয়। এরপর ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত মিলে শত শত স্কুল পুড়িয়ে দেয়। জামায়াত সেখানে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের বিরদ্ধে যেভাবে কঠোর অবস্থা নিয়েছি, তেমনিভাবে অবশ্যই লিটন হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশ যখন সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, গোটা বিশ্বের দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমরা যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি- তখনই যেন প্রতিশোধ নিতেই এসব কর্মকান্ড ঘটানো হচ্ছে।

এটাই হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনের নমুনা। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

এমপি লিটনের নির্বাচনী এলাকা জামায়াত অধ্যুষিত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনের বানচালের নামে বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র নিয়ে হাজার হাজার গাছ কেটে রাস্তায় অবরোধ করে সারাদেশের মতো ওই এলাকাতেও বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল।

যখন ওই এলাকার জনগণ বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুললো, তখন এমপি হিসেবে নয়, একজন এলাকার সাধারণ মানুষ হয়ে মনজুরল ইসলাম লিটন নেতৃত্ব দিয়েছে।

এটাই যেন এমপি লিটনের জীবনে কাল হয়ে দেখা দিলো। তাদের অগ্নিসন্ত্রাস লিটন রুখে দিয়ে ওই এলাকায় মানুষের মধ্যে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছিল। এটা যেন ছিল লিটনের বড় অপরাধ। এজন্যই তাকে টার্গেট করা হলো।

শিশু সৌরভ গুলিবিদ্ধ হওয়া নিয়ে ওই সময় কিছু গণমাধ্যমের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য লিটন কেন একটি শিশুকে গুলি করবে? শিশু সৌরভের পরিবারও তো আওয়ামী লীগ করতো।

লিটনকে হত্যার জন্য ওই সময় এ্যামবুশ করে বসেছিল। এটা দেখে লিটন নিজের জীবন বাঁচাতেই ফাঁকা গুলি করে। এটা নিয়ে কিছু পত্র-পত্রিকাগুলো এমনভাবে লিখলো, কিন্তু কেউ সত্য ঘটনাটি লিখলো না।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X