মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, May 5, 2017 8:16 pm | আপডেটঃ May 05, 2017 8:17 PM
A- A A+ Print

এরশাদের নেতৃত্বে আসছে ৭০ দলের ‘সম্মিলিত জাতীয় জোট- ইউএনএ

217512_153

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে আসছে ৭০ দলের ‘সম্মিলিত জাতীয় জোট- ইউএনএ’। আগামী ৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোট আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। দেশের ইতিহাসে সংখ্যার দিক থেকে এটি হবে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক জোট। তবে নতুন জোটের একমাত্র নিবন্ধিত দল হচ্ছে উদ্যোক্তা জাতীয় পার্টি। সম্মিলিত জাতীয় জোট ‘ইউএনএ’র বাকি একটি দলেরও নিবন্ধন নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নির্বাচন সামনে রেখে দেশের ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংসদের বাইরে থাকা প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপিকে চাপে রাখতেই মূলত এই নতুন জোট হচ্ছে। বলতে গেলে, অনেকটা সরকারি প্রযোজনায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ভোটব্যাংকে ভাগ বসানোর আশায় ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে এই জোট গঠনের চেষ্টা চলছে। তবে এরশাদের নেতৃত্বে সরকারের এই পরিকল্পনা কতটা সফল হবে তা দেখার বিষয়। সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ জাতীয় প্রেস কাবে জোট গঠনের প্রাথমিক আলোচনায় ৩৪টি দল যোগ দিয়েছিল। নতুন করে লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় জোট বিএনএ’র ২১টি রাজনৈতিক দল এবং সাংবাদিক সালাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন ১৫ দলীয় যুক্তফ্রন্টও ৭ মে এরশাদের নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেবে। এতে জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা হবে ৭০টি। আর নতুন জোটের নামকরণ করা হচ্ছে সম্মিলিত জাতীয় জোট- ইউএনএ। যদিও কেউ কেউ আবার বলেছেন, নতুন জোটের নামকরণ হচ্ছে সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যজোট। ৩০ মার্চ এরশাদের নেতৃত্বাধীন আলোচনায় আসা দলগুলো ছিল গণ ইসলামিক জোট, পিপলস জাস্টিস পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ ইসলামিক লিবারেল পার্টি, জাতীয় শরিয়া আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ, বাংলাদেশ জনতা পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী জনকল্যাণ পার্টি, ইউনাইটেড ইসলামিক লীগ, জমিয়তে মুসলিমিন বাংলাদেশ, ন্যাপ-ভাসানী, খেলাফত সংগ্রাম পরিষদ, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, ইসলামী গণ-আন্দোলন, জাতীয় ইসলামী আন্দোলন, জমিয়তুল ওলামা পার্টি, জাতীয় ইসলামিক মুভমেন্ট, খেলাফত আন্দোলন বাংলাদেশ, ইনসানিয়াত পার্টি, খেলাফত বাস্তবায়ন পার্টি, ইসলামী আক্বিদা সংরণ পার্টি, ইসলামী সংরণ পার্টি, মুসলিম জনতা পার্টি, খেদমতে খালক পার্টি, ওলামা মাশায়েখ সমন্বয় পরিষদ, ইউনাইটেড ইসলামিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামী পার্টি, ইসলামী সমাজ কল্যাণ আন্দোলন, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল মুসলিমিন, বাংলাদেশ খলাফাতুল উম্মাহ, বাংলাদেশ আক্বিমুদ্দিন মজলিস, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট পার্টি, জমিয়তুল হেদায়াহ মুভমেন্ট। এই দলগুলোর মধ্যে একটিরও নিবন্ধন নেই। এ দিকে বাংলাদেশ জাতীয় জোট-বিএনএ চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনি জোট প্রসঙ্গে বলেন, আমরা ২১টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে বিএনএ জোট এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছি। ৭ মে নতুন এ জোট ঘোষণা করা হবে। জাতীয় পার্টি ছাড়া আমাদের জোটের অন্যকোনো দলের নিবন্ধন নেই। তিনি বলেন, তাতে কী হয়েছে, আমাদের রাজপথের কর্মী বাহিনী আছে। নির্বাচনী মাঠ গরম করার মতো শক্তি-সামর্থ্যও আছে আমাদের। অন্য দিকে ১৫টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট বৃহস্পতিবার জোটের এক সভা থেকে এরশাদের নেতৃত্বে সম্মিলিত জাতীয় জোটে যোগদানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যুক্তফ্রন্ট জোটের শরিক দলগুলো হচ্ছে- কৃষক শ্রমিক পার্টি-কেএসপি, আঞ্জুমানে তরিকতে সাজ্জাদী, নতুনধারা গণতান্ত্রিক পার্টি-এনজিপি, বাংলাদেশ দেশপ্রেমিক পার্টি-বিডিপি, সম্মিলিত নাগরিক পার্টি, বাঙালি জনতার পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি-বিজিপি, জাতীয় গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা পার্টি, বাঙালি জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বিশ্বশান্তি মুক্তির গণপরিষদ, বঙ্গপার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক ওলামা পার্টি, প্রগ্রেসিভ পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক মুক্তি পার্টি। এই জোটের কোনো দলের নিবন্ধন নেই। এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের পুনর্নির্বাচিত সভাপতি এস এম ফয়সাল চিশতি এবং পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় জানান, ৭ মে বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এরশাদের নেতৃত্বাধীন এই নতুন জোটে আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক আন্দোলনসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল যুক্ত হওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা আসবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারার সাথে আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক আন্দোলন, বাসদের উভয় অংশসহ আরো বেশ কয়েকটি ছোট ছোট রাজনৈতিক দল ‘বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি’র ব্যানারে জোট গড়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দেিণর সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, দেশে জোটের রাজনীতির প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ আছে। কোন দলের কত ভোট আছে সেটি মূল কথা নয়, দেশের মানুষ দেখতে চায় এরশাদের সঙ্গে কয়টি দল আছে। ২০দলীয় জোট ও ১৪দলীয় জোটের বেশির ভাগ শরিক দলের জনভিত্তি নেই। তার পরও শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া জোটের রাজনীতিকে গুরুত্বসহকারে দেখেন। আমরাও তাই। এ দিকে নতুন জোটে শুরু থেকেই প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোট এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টকে আসার অনুরোধ জানানো হলেও তারা মজলিসে শূরার বৈঠকের কথা বলে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। তবে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেছেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা সব দলের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী। তবে এখনই কোনো জোটে যাবো কি না তা নির্ভর করছে আমাদের দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মজলিসে শূরার সদস্যদের মতামতের ওপর। শূরার বৈঠকের পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো যাবে। তবে আপাতত শূরার বৈঠকের সম্ভাবনা নেই বলেও তিনি জানান।

Comments

Comments!

 এরশাদের নেতৃত্বে আসছে ৭০ দলের ‘সম্মিলিত জাতীয় জোট- ইউএনএAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

এরশাদের নেতৃত্বে আসছে ৭০ দলের ‘সম্মিলিত জাতীয় জোট- ইউএনএ

Friday, May 5, 2017 8:16 pm | আপডেটঃ May 05, 2017 8:17 PM
217512_153

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে আসছে ৭০ দলের ‘সম্মিলিত জাতীয় জোট- ইউএনএ’। আগামী ৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোট আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। দেশের ইতিহাসে সংখ্যার দিক থেকে এটি হবে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক জোট।
তবে নতুন জোটের একমাত্র নিবন্ধিত দল হচ্ছে উদ্যোক্তা জাতীয় পার্টি। সম্মিলিত জাতীয় জোট ‘ইউএনএ’র বাকি একটি দলেরও নিবন্ধন নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নির্বাচন সামনে রেখে দেশের ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংসদের বাইরে থাকা প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপিকে চাপে রাখতেই মূলত এই নতুন জোট হচ্ছে। বলতে গেলে, অনেকটা সরকারি প্রযোজনায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ভোটব্যাংকে ভাগ বসানোর আশায় ইসলামী দলগুলোকে নিয়ে এই জোট গঠনের চেষ্টা চলছে। তবে এরশাদের নেতৃত্বে সরকারের এই পরিকল্পনা কতটা সফল হবে তা দেখার বিষয়।

সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ জাতীয় প্রেস কাবে জোট গঠনের প্রাথমিক আলোচনায় ৩৪টি দল যোগ দিয়েছিল। নতুন করে লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় জোট বিএনএ’র ২১টি রাজনৈতিক দল এবং সাংবাদিক সালাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন ১৫ দলীয় যুক্তফ্রন্টও ৭ মে এরশাদের নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেবে। এতে জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা হবে ৭০টি। আর নতুন জোটের নামকরণ করা হচ্ছে সম্মিলিত জাতীয় জোট- ইউএনএ। যদিও কেউ কেউ আবার বলেছেন, নতুন জোটের নামকরণ হচ্ছে সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যজোট।
৩০ মার্চ এরশাদের নেতৃত্বাধীন আলোচনায় আসা দলগুলো ছিল গণ ইসলামিক জোট, পিপলস জাস্টিস পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ ইসলামিক লিবারেল পার্টি, জাতীয় শরিয়া আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ, বাংলাদেশ জনতা পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী জনকল্যাণ পার্টি, ইউনাইটেড ইসলামিক লীগ, জমিয়তে মুসলিমিন বাংলাদেশ, ন্যাপ-ভাসানী, খেলাফত সংগ্রাম পরিষদ, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, ইসলামী গণ-আন্দোলন, জাতীয় ইসলামী আন্দোলন, জমিয়তুল ওলামা পার্টি, জাতীয় ইসলামিক মুভমেন্ট, খেলাফত আন্দোলন বাংলাদেশ, ইনসানিয়াত পার্টি, খেলাফত বাস্তবায়ন পার্টি, ইসলামী আক্বিদা সংরণ পার্টি, ইসলামী সংরণ পার্টি, মুসলিম জনতা পার্টি, খেদমতে খালক পার্টি, ওলামা মাশায়েখ সমন্বয় পরিষদ, ইউনাইটেড ইসলামিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামী পার্টি, ইসলামী সমাজ কল্যাণ আন্দোলন, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল মুসলিমিন, বাংলাদেশ খলাফাতুল উম্মাহ, বাংলাদেশ আক্বিমুদ্দিন মজলিস, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট পার্টি, জমিয়তুল হেদায়াহ মুভমেন্ট। এই দলগুলোর মধ্যে একটিরও নিবন্ধন নেই।
এ দিকে বাংলাদেশ জাতীয় জোট-বিএনএ চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনি জোট প্রসঙ্গে বলেন, আমরা ২১টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে বিএনএ জোট এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছি। ৭ মে নতুন এ জোট ঘোষণা করা হবে। জাতীয় পার্টি ছাড়া আমাদের জোটের অন্যকোনো দলের নিবন্ধন নেই। তিনি বলেন, তাতে কী হয়েছে, আমাদের রাজপথের কর্মী বাহিনী আছে। নির্বাচনী মাঠ গরম করার মতো শক্তি-সামর্থ্যও আছে আমাদের।
অন্য দিকে ১৫টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট বৃহস্পতিবার জোটের এক সভা থেকে এরশাদের নেতৃত্বে সম্মিলিত জাতীয় জোটে যোগদানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
যুক্তফ্রন্ট জোটের শরিক দলগুলো হচ্ছে- কৃষক শ্রমিক পার্টি-কেএসপি, আঞ্জুমানে তরিকতে সাজ্জাদী, নতুনধারা গণতান্ত্রিক পার্টি-এনজিপি, বাংলাদেশ দেশপ্রেমিক পার্টি-বিডিপি, সম্মিলিত নাগরিক পার্টি, বাঙালি জনতার পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি-বিজিপি, জাতীয় গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা পার্টি, বাঙালি জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, বিশ্বশান্তি মুক্তির গণপরিষদ, বঙ্গপার্টি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক ওলামা পার্টি, প্রগ্রেসিভ পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক মুক্তি পার্টি। এই জোটের কোনো দলের নিবন্ধন নেই।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের পুনর্নির্বাচিত সভাপতি এস এম ফয়সাল চিশতি এবং পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় জানান, ৭ মে বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
এরশাদের নেতৃত্বাধীন এই নতুন জোটে আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক আন্দোলনসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল যুক্ত হওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা আসবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারার সাথে আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক আন্দোলন, বাসদের উভয় অংশসহ আরো বেশ কয়েকটি ছোট ছোট রাজনৈতিক দল ‘বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি’র ব্যানারে জোট গড়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দেিণর সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, দেশে জোটের রাজনীতির প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ আছে। কোন দলের কত ভোট আছে সেটি মূল কথা নয়, দেশের মানুষ দেখতে চায় এরশাদের সঙ্গে কয়টি দল আছে। ২০দলীয় জোট ও ১৪দলীয় জোটের বেশির ভাগ শরিক দলের জনভিত্তি নেই। তার পরও শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া জোটের রাজনীতিকে গুরুত্বসহকারে দেখেন। আমরাও তাই।
এ দিকে নতুন জোটে শুরু থেকেই প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোট এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টকে আসার অনুরোধ জানানো হলেও তারা মজলিসে শূরার বৈঠকের কথা বলে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।
তবে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেছেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা সব দলের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী। তবে এখনই কোনো জোটে যাবো কি না তা নির্ভর করছে আমাদের দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মজলিসে শূরার সদস্যদের মতামতের ওপর। শূরার বৈঠকের পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো যাবে। তবে আপাতত শূরার বৈঠকের সম্ভাবনা নেই বলেও তিনি জানান।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X