শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, October 27, 2016 9:59 am
A- A A+ Print

ওরা টেনেটুনে মেট্রিক পাস, ওদের দেশের প্রতি মায়া নেই : বিএনপির প্রতি শেখ হাসিনা

253444_1

নীতি ও আদর্শের চর্চা করে নিজেকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যারা ছাত্রলীগ করে ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী তাদের দেশপ্রেমিক হতে হবে। দেশ-জাতির প্রতি যে কর্তব্য, সেই কর্তব্যবোধ ও অনুভূতি থাকতে হবে। অন্যদিকে একজন ছাত্রের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো লেখাপড়া। কাজেই সর্বোপরি সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। কী পেলাম, আর কী পেলাম না সে হিসেব না করে দেশকে কী দিতে পারলাম, দেশের মানুষের জন্য কী করতে পারলাম সে হিসেব করতে হবে। গতকাল বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগ নেতারা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। অষ্টমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে গণভবনে আসেন ছাত্রলীগের নেতারা। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতা-কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি তোমাদের হাতে খাতা ও কলম তুলে দিয়েছি। তোমাদের লেখাপড়া শিখতে হবে। মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। অশিক্ষিত কেউ ক্ষমতায় এলে কী করতে পারে, সেটা মনে হয় তোমাদের আর বুঝিয়ে বলতে হবে না। এ সময় তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, কেউ মেট্রিক ফেল, কেউ টেনেটুনে মেট্রিক পাস। যাদের জ্ঞান নেই, তারা অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে এটাই স্বাভাবিক। এদেশের প্রতি তাদের কোনো মায়া নেই। তারা তো কেউ এদেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেন নাই। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্ম পাকিস্তানের করাচিতে। সেখানে তার বাবা-মায়েরও কবর রয়েছে। জেনারেল এরশাদের জন্ম কুচবিহারে, আর খালেদা জিয়ার জন্ম শিলিগুড়িতে। এদেশের মানুষের প্রতি তাদের ভালোবাসা থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। বঙ্গবন্ধু এদেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছেন, তার কন্যা হিসেবে আমিও এদেশের মাটিতেই জন্মগ্রহণ করেছি। এদেশের প্রতি, মানুষের প্রতি আমাদের মমত্ববোধ রয়েছে। দেশের স্বার্থ আমরা কখনো জলাঞ্জলি দেব না। ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম ও দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগ সব সময় একটা আদর্শ নিয়ে চলবে। তোমরা আদর্শ নিয়ে গড়ে উঠলে আদর্শবান নেতা পাওয়া যাবে। আমরা চাই না কেউ মাদকাসক্ত হোক, জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ুক। তিনি বলেন, শুধু নিজের জন্য নয়, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। আমি একটা দায়িত্ব তোমাদের দেব, পরীক্ষার পরের যে সময়টা থাকে, প্রত্যেকেই নিজের বাড়িতে গিয়ে দেখবে আশপাশে কোনো নিরক্ষর আছে কিনা খুঁজে বের করে তাদের অক্ষরজ্ঞান দিতে হবে। আমরা নিরক্ষরতা দূর করতে চাই। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো আমরা করে দিয়েছি সেগুলোর খোঁজখবর নিবা, ঠিকমতো মানুষ সেখানে চিকিৎসা নিতে পারছে কি-না। বিনামূল্যে সেবা নিশ্চিত হচ্ছে কি-না। এসব বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার স্কুল-কলেজ ঠিকমতো চলে কি-না, সেখানকার পড়াশোনার খোঁজখবর নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছুটিতে যখন বাড়িতে যাবা দেখবা আশপাশে কোনো মানুষ গৃহহীন আছে কিনা, কেউ না খেয়ে আছে কিনা। কারণ বাংলাদেশে কোনো দারিদ্র্য থাকবে না। কোনো মানুষ গৃহহারা থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে, সেটা আমরা হতে দেব না। আমরা সবার জন্য খাদ্য ও বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব। রোগীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন : সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস)-এর ১৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রোগীদের প্রতি আচরণ বদলানোর জন্য চিকিৎসকদের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, রোগ সারাতে ওষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসকদের কথা। এ জন্য সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। মানুষের সেবা করার মানসিকতা নিয়ে কাজ করবেন—এটাই আমরা চাই। বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ান্স (বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক মো. সানাওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, কলেজের সাবেক সভাপতি এস এ এম গোলাম কিবরিয়া। প্রধানমন্ত্রী সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এফসিপিএস এবং এমসিপিএস ডিগ্রি অর্জনকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মধ্যে সনদ এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বর্ণপদক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক মো. সানওয়ার হোসেন এদিন সমাবর্তনে সনদ লাভকারী শিক্ষার্থীদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

Comments

Comments!

 ওরা টেনেটুনে মেট্রিক পাস, ওদের দেশের প্রতি মায়া নেই : বিএনপির প্রতি শেখ হাসিনাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ওরা টেনেটুনে মেট্রিক পাস, ওদের দেশের প্রতি মায়া নেই : বিএনপির প্রতি শেখ হাসিনা

Thursday, October 27, 2016 9:59 am
253444_1

নীতি ও আদর্শের চর্চা করে নিজেকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যারা ছাত্রলীগ করে ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী তাদের দেশপ্রেমিক হতে হবে। দেশ-জাতির প্রতি যে কর্তব্য, সেই কর্তব্যবোধ ও অনুভূতি থাকতে হবে। অন্যদিকে একজন ছাত্রের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো লেখাপড়া। কাজেই সর্বোপরি সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। কী পেলাম, আর কী পেলাম না সে হিসেব না করে দেশকে কী দিতে পারলাম, দেশের মানুষের জন্য কী করতে পারলাম সে হিসেব করতে হবে। গতকাল বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগ নেতারা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। অষ্টমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে গণভবনে আসেন ছাত্রলীগের নেতারা। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের নেতা-কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি তোমাদের হাতে খাতা ও কলম তুলে দিয়েছি। তোমাদের লেখাপড়া শিখতে হবে। মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। অশিক্ষিত কেউ ক্ষমতায় এলে কী করতে পারে, সেটা মনে হয় তোমাদের আর বুঝিয়ে বলতে হবে না। এ সময় তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, কেউ মেট্রিক ফেল, কেউ টেনেটুনে মেট্রিক পাস। যাদের জ্ঞান নেই, তারা অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে এটাই স্বাভাবিক। এদেশের প্রতি তাদের কোনো মায়া নেই। তারা তো কেউ এদেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেন নাই। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্ম পাকিস্তানের করাচিতে। সেখানে তার বাবা-মায়েরও কবর রয়েছে। জেনারেল এরশাদের জন্ম কুচবিহারে, আর খালেদা জিয়ার জন্ম শিলিগুড়িতে। এদেশের মানুষের প্রতি তাদের ভালোবাসা থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। বঙ্গবন্ধু এদেশের মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছেন, তার কন্যা হিসেবে আমিও এদেশের মাটিতেই জন্মগ্রহণ করেছি। এদেশের প্রতি, মানুষের প্রতি আমাদের মমত্ববোধ রয়েছে। দেশের স্বার্থ আমরা কখনো জলাঞ্জলি দেব না।

ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম ও দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগ সব সময় একটা আদর্শ নিয়ে চলবে। তোমরা আদর্শ নিয়ে গড়ে উঠলে আদর্শবান নেতা পাওয়া যাবে। আমরা চাই না কেউ মাদকাসক্ত হোক, জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ুক। তিনি বলেন, শুধু নিজের জন্য নয়, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। আমি একটা দায়িত্ব তোমাদের দেব, পরীক্ষার পরের যে সময়টা থাকে, প্রত্যেকেই নিজের বাড়িতে গিয়ে দেখবে আশপাশে কোনো নিরক্ষর আছে কিনা খুঁজে বের করে তাদের অক্ষরজ্ঞান দিতে হবে। আমরা নিরক্ষরতা দূর করতে চাই। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো আমরা করে দিয়েছি সেগুলোর খোঁজখবর নিবা, ঠিকমতো মানুষ সেখানে চিকিৎসা নিতে পারছে কি-না। বিনামূল্যে সেবা নিশ্চিত হচ্ছে কি-না। এসব বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার স্কুল-কলেজ ঠিকমতো চলে কি-না, সেখানকার পড়াশোনার খোঁজখবর নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছুটিতে যখন বাড়িতে যাবা দেখবা আশপাশে কোনো মানুষ গৃহহীন আছে কিনা, কেউ না খেয়ে আছে কিনা। কারণ বাংলাদেশে কোনো দারিদ্র্য থাকবে না। কোনো মানুষ গৃহহারা থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো মানুষ না খেয়ে থাকবে, সেটা আমরা হতে দেব না। আমরা সবার জন্য খাদ্য ও বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।

রোগীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন : সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস)-এর ১৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রোগীদের প্রতি আচরণ বদলানোর জন্য চিকিৎসকদের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, রোগ সারাতে ওষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসকদের কথা। এ জন্য সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। মানুষের সেবা করার মানসিকতা নিয়ে কাজ করবেন—এটাই আমরা চাই। বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ান্স (বিসিপিএস) সভাপতি অধ্যাপক মো. সানাওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, কলেজের সাবেক সভাপতি এস এ এম গোলাম কিবরিয়া। প্রধানমন্ত্রী সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এফসিপিএস এবং এমসিপিএস ডিগ্রি অর্জনকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মধ্যে সনদ এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বর্ণপদক বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক মো. সানওয়ার হোসেন এদিন সমাবর্তনে সনদ লাভকারী শিক্ষার্থীদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X