মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 24, 2016 11:02 pm
A- A A+ Print

কথিত জঙ্গি শেহজাদ ও তাওসীফ দেশেই!

230039_1 (1)

সরকার প্রকাশিত কথিত নিখোঁজ জঙ্গি শেহজাদ রউফ অর্ক ও তাওসীফ হোসেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলায় ঘরছাড়া তরুণদের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর গত ১৭ জুলাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিখোঁজদের যে দ্বিতীয় তালিকা দিয়েছিল, তাতে নাম আসে শেহজাদ ও তাওসীফের। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সূত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছে, বাড়ি থেকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি উধাও এই দুই সন্দেহভাজন তরুণের পাসপোর্ট ধরে খোঁজ নিয়ে গোয়েন্দারা নিশ্চিত যে এই দুজন দেশত্যাগ করেননি। দুই হামলার সময় নিহত নিবরাজ ও আবীরের সঙ্গে এই দুজনও ঝিনাইদহের সেই মেসে থাকতেন বলে ধারণা জঙ্গি-তদন্তে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। তারা বলছেন, ওই মেসে থাকা সবাই এই দুটি হামলায় জড়িত ছিলেন এবং তারা সবাই এখনও দেশেই রয়েছেন। এই বিষয়ে পুলিশের কোনো কর্মকর্তা মুখ খুলতে না চাইলেও ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া রোববার বলেছেন, গুলশান হামলার রহস্য ‘উদঘাটিত’, জড়িতদের গ্রেপ্তার এখন ‘সময়ের ব্যাপার’। গত ফেব্রুয়ারিতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র নিবরাজ ও আবীর ঝিনাইদহ শহরের যে মেসটিতে থাকতেন, সেখানে আরও ছয়জন ছিলেন। ঈদের আগে জুন মাসের শেষ দিকে ওই আটজনই মেস ছেড়েছিলেন, পরে আর ফেরেননি বলে বাড়ির মালিক জানান। এর পরপরই ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা হয়। ২০ জনকে হত্যার পর কমান্ডো অভিযানে নিহত জঙ্গিদের মধ্যে নিবরাজকে পাওয়া যায়। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি শোলাকিয়ায় পড়ে আছে আবীরের লাশ শোলাকিয়ায় পড়ে আছে আবীরের লাশ তার ছয় দিন পর ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের কাছে হামলা চালিয়ে দুই পুলিশ সদস্যকে হত্যার পর গোলাগুলিতে প্রাণ হারান আবীর। ওই হামলার কয়েকদিন আগে আবীর শোলাকিয়ার নীলগঞ্জ সড়কে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে উঠেছিলেন। ১ জুলাই আবীর চারজন থাকার কথা বলে দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলেন বলে বাড়ির মালিক জানান। গুলশান ও শোলাকিয়া হামলার তদন্তে র‌্যাব সম্প্রতি বগুড়ার দুর্গম চরে জঙ্গিদের আস্তানার সন্ধানে অভিযান চালায়। ধারণা করা হচ্ছে, ঝিনাইদহ থেকেই ওই চরে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন জঙ্গিরা এবং পরে গুলশান ও শোলাকিয়ায় ‘অপারেশনে’ যান। বগুড়ায় যমুনার চরে ওই প্রশিক্ষণে তাওসীফ ও শেহজাদও ছিলেন বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ধারণা। নিবরাজের সঙ্গেই মালয়েশিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন শেহজাদ। তার বাসা ঢাকার বারিধারায়। তার বাবার নাম তৌহিদ রউফ। নিবরাজ ৩ ফেব্রুয়ারি ঘর ছেড়েছিলেন বলে তার বাবা গণমাধ্যমকে জানান। আবীরও বাড়ি ছেড়েছিলেন ফেব্রুয়ারিতেই। তাওসীফও বাড়ি ছাড়েন একই সময়ে। তাদের বাসা ঢাকার ধানমণ্ডির ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে। তার বাবার নাম ডা. মো. আজমল। গুলশানে হামলার পর এর দায়িত্ব স্বীকার করে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের নামে বার্তা আসে ইন্টারনেটে; যদিও সরকার বলছে, বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা এই জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। তাওসীফের ফুপাত ভাই আহমেদ শাম্মুর রাইয়ান একবার আইএসে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। শাম্মুর এখন জামিন নিয়ে ঢাকার মগবাজারের তাদের বাসায়ই আছেন। তবে তার মা ছেলের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার খবর অস্বীকার করেছেন। নিখোঁজদের তালিকায় থাকা অনেকে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িয়ে পড়েছেন বলে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ সম্প্রতি বলেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ বিদেশে রয়েছেন বলেও তথ্য মিলছে।

Comments

Comments!

 কথিত জঙ্গি শেহজাদ ও তাওসীফ দেশেই!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কথিত জঙ্গি শেহজাদ ও তাওসীফ দেশেই!

Sunday, July 24, 2016 11:02 pm
230039_1 (1)

সরকার প্রকাশিত কথিত নিখোঁজ জঙ্গি শেহজাদ রউফ অর্ক ও তাওসীফ হোসেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলায় ঘরছাড়া তরুণদের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর গত ১৭ জুলাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিখোঁজদের যে দ্বিতীয় তালিকা দিয়েছিল, তাতে নাম আসে শেহজাদ ও তাওসীফের।
সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সূত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছে, বাড়ি থেকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি উধাও এই দুই সন্দেহভাজন তরুণের পাসপোর্ট ধরে খোঁজ নিয়ে গোয়েন্দারা নিশ্চিত যে এই দুজন দেশত্যাগ করেননি।
দুই হামলার সময় নিহত নিবরাজ ও আবীরের সঙ্গে এই দুজনও ঝিনাইদহের সেই মেসে থাকতেন বলে ধারণা জঙ্গি-তদন্তে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।
তারা বলছেন, ওই মেসে থাকা সবাই এই দুটি হামলায় জড়িত ছিলেন এবং তারা সবাই এখনও দেশেই রয়েছেন।
এই বিষয়ে পুলিশের কোনো কর্মকর্তা মুখ খুলতে না চাইলেও ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া রোববার বলেছেন, গুলশান হামলার রহস্য ‘উদঘাটিত’, জড়িতদের গ্রেপ্তার এখন ‘সময়ের ব্যাপার’।
গত ফেব্রুয়ারিতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র নিবরাজ ও আবীর ঝিনাইদহ শহরের যে মেসটিতে থাকতেন, সেখানে আরও ছয়জন ছিলেন।
ঈদের আগে জুন মাসের শেষ দিকে ওই আটজনই মেস ছেড়েছিলেন, পরে আর ফেরেননি বলে বাড়ির মালিক জানান।
এর পরপরই ১ জুলাই গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা হয়। ২০ জনকে হত্যার পর কমান্ডো অভিযানে নিহত জঙ্গিদের মধ্যে নিবরাজকে পাওয়া যায়।
গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি শোলাকিয়ায় পড়ে আছে আবীরের লাশ শোলাকিয়ায় পড়ে আছে আবীরের লাশ
তার ছয় দিন পর ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাতের কাছে হামলা চালিয়ে দুই পুলিশ সদস্যকে হত্যার পর গোলাগুলিতে প্রাণ হারান আবীর।
ওই হামলার কয়েকদিন আগে আবীর শোলাকিয়ার নীলগঞ্জ সড়কে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে উঠেছিলেন। ১ জুলাই আবীর চারজন থাকার কথা বলে দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলেন বলে বাড়ির মালিক জানান।
গুলশান ও শোলাকিয়া হামলার তদন্তে র‌্যাব সম্প্রতি বগুড়ার দুর্গম চরে জঙ্গিদের আস্তানার সন্ধানে অভিযান চালায়।
ধারণা করা হচ্ছে, ঝিনাইদহ থেকেই ওই চরে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন জঙ্গিরা এবং পরে গুলশান ও শোলাকিয়ায় ‘অপারেশনে’ যান।
বগুড়ায় যমুনার চরে ওই প্রশিক্ষণে তাওসীফ ও শেহজাদও ছিলেন বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ধারণা।
নিবরাজের সঙ্গেই মালয়েশিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন শেহজাদ। তার বাসা ঢাকার বারিধারায়। তার বাবার নাম তৌহিদ রউফ।
নিবরাজ ৩ ফেব্রুয়ারি ঘর ছেড়েছিলেন বলে তার বাবা গণমাধ্যমকে জানান। আবীরও বাড়ি ছেড়েছিলেন ফেব্রুয়ারিতেই।
তাওসীফও বাড়ি ছাড়েন একই সময়ে। তাদের বাসা ঢাকার ধানমণ্ডির ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে। তার বাবার নাম ডা. মো. আজমল।
গুলশানে হামলার পর এর দায়িত্ব স্বীকার করে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের নামে বার্তা আসে ইন্টারনেটে; যদিও সরকার বলছে, বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা এই জঙ্গিদের আন্তর্জাতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
তাওসীফের ফুপাত ভাই আহমেদ শাম্মুর রাইয়ান একবার আইএসে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। শাম্মুর এখন জামিন নিয়ে ঢাকার মগবাজারের তাদের বাসায়ই আছেন। তবে তার মা ছেলের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার খবর অস্বীকার করেছেন।
নিখোঁজদের তালিকায় থাকা অনেকে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িয়ে পড়েছেন বলে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ সম্প্রতি বলেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ বিদেশে রয়েছেন বলেও তথ্য মিলছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X