বৃহস্পতিবার, ১৭ই আগস্ট, ২০১৭ ইং, ২রা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৩৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, August 2, 2017 12:35 pm
A- A A+ Print

কনডম বাঁচাতে পারে লাখো মায়ের জীবন!

5

উন্নয়নশীল বিশ্বে সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় বহু নারীর মৃত্যু ঘটে। তবে কনডমসহ মাত্র তিনটি সস্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করেই এই মৃত্যু ঠেকানো যায়। এর নাম ইউবিটি কিট। বর্তমানে আফ্রিকাজুড়ে ধাত্রীদের ইউবিটি কিট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। খবর বিবিসির। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই কিট দিয়ে চিকিৎসায় সফলতার হার ৯৭ শতাংশ। এই কিট লাখ লাখ মায়ের জীবন বাঁচাতে পারে। আফ্রিকার কেনিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এক ধাত্রী অ্যানি মুলিঞ্জ বলেন, ‘এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আমরা এ পর্যন্ত তিনজনের জীবন বাঁচিয়েছি। সন্তান জন্মদানের সময় কোনো নারীর যখন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়, তখন আমরা এটা ব্যবহারের পরই রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে যায়।’ বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে গর্ভাবস্থায় ও সন্তান জন্মদানের সময় একজন মায়ের মৃত্যু ঘটে। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ। আর এর সমাধান হলো ইউবিটি কিট। এতে রয়েছে একটি কনডম, একটি ক্যাথেটার ও একটি সিরিঞ্জ, যার মূল্য পাঁচ ডলারেরও কম। এটিতে কাজ হয়। এদিকে চিকিৎসাকেন্দ্রে তীব্র রক্তক্ষরণে আক্রান্ত নারীর চিকিৎসায় ৪০০ ডলারেরও বেশি খরচ করতে হয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্যই এই খরচ অনেক বেশি। ধাত্রী অ্যানি মুলিঞ্জ বলেন, ‘আমরা কনডমের মধ্যে ক্যাথেটার ঢুকিয়ে কনডমের মুখের কাছের অংশটি বেঁধে ফেলি এবং কনডমটি হাত দিয়ে জরায়ুর ভেতরে ঢুকিয়ে দিই। এরপর সিরিঞ্জ দিয়ে ক্যাথেটারে ভেতরে স্যালাইন ঢুকিয়ে ফুলিয়ে দিই কনডমটি। এটি ফুলে ওঠায় জরায়ুর মুখ বন্ধ হয়ে যায় এবং রক্তক্ষরণ থেমে যায়। আফ্রিকাজুড়ে ধাত্রীদের ওই কিট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’ ধাত্রী অ্যানি মুলিঞ্জ আরও বলেন, ‘গত বছরের শুরুর দিকের ঘটনা। সন্তান জন্মদানের পর এক মায়ের গর্ভফুল অপসারিত হওয়ার কয়েক মিনিট পরেই তাঁর প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। রক্ত অবিরত পানির মতো গড়িয়ে পড়তে থাকে। তখন ইউবিটি কিট ব্যবহারের কথা মাথায় আসে। আমি জরায়ুতে কনডম ঢুকিয়ে ফুলিয়ে দিই। পাঁচ মিনিটের মধ্যে রক্তক্ষরণের মাত্রা কমে যায়। ওই নারী সুস্থ হয়ে সন্তানসহ বাড়ি ফেরেন।’

Comments

Comments!

 কনডম বাঁচাতে পারে লাখো মায়ের জীবন!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কনডম বাঁচাতে পারে লাখো মায়ের জীবন!

Wednesday, August 2, 2017 12:35 pm
5

উন্নয়নশীল বিশ্বে সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় বহু নারীর মৃত্যু ঘটে। তবে কনডমসহ মাত্র তিনটি সস্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করেই এই মৃত্যু ঠেকানো যায়। এর নাম ইউবিটি কিট। বর্তমানে আফ্রিকাজুড়ে ধাত্রীদের ইউবিটি কিট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। খবর বিবিসির।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই কিট দিয়ে চিকিৎসায় সফলতার হার ৯৭ শতাংশ। এই কিট লাখ লাখ মায়ের জীবন বাঁচাতে পারে।

আফ্রিকার কেনিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এক ধাত্রী অ্যানি মুলিঞ্জ বলেন, ‘এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আমরা এ পর্যন্ত তিনজনের জীবন বাঁচিয়েছি। সন্তান জন্মদানের সময় কোনো নারীর যখন অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়, তখন আমরা এটা ব্যবহারের পরই রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে যায়।’

বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে গর্ভাবস্থায় ও সন্তান জন্মদানের সময় একজন মায়ের মৃত্যু ঘটে। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ। আর এর সমাধান হলো ইউবিটি কিট। এতে রয়েছে একটি কনডম, একটি ক্যাথেটার ও একটি সিরিঞ্জ, যার মূল্য পাঁচ ডলারেরও কম। এটিতে কাজ হয়। এদিকে চিকিৎসাকেন্দ্রে তীব্র রক্তক্ষরণে আক্রান্ত নারীর চিকিৎসায় ৪০০ ডলারেরও বেশি খরচ করতে হয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর অনেক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্যই এই খরচ অনেক বেশি।

ধাত্রী অ্যানি মুলিঞ্জ বলেন, ‘আমরা কনডমের মধ্যে ক্যাথেটার ঢুকিয়ে কনডমের মুখের কাছের অংশটি বেঁধে ফেলি এবং কনডমটি হাত দিয়ে জরায়ুর ভেতরে ঢুকিয়ে দিই। এরপর সিরিঞ্জ দিয়ে ক্যাথেটারে ভেতরে স্যালাইন ঢুকিয়ে ফুলিয়ে দিই কনডমটি। এটি ফুলে ওঠায় জরায়ুর মুখ বন্ধ হয়ে যায় এবং রক্তক্ষরণ থেমে যায়। আফ্রিকাজুড়ে ধাত্রীদের ওই কিট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’

ধাত্রী অ্যানি মুলিঞ্জ আরও বলেন, ‘গত বছরের শুরুর দিকের ঘটনা। সন্তান জন্মদানের পর এক মায়ের গর্ভফুল অপসারিত হওয়ার কয়েক মিনিট পরেই তাঁর প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। রক্ত অবিরত পানির মতো গড়িয়ে পড়তে থাকে। তখন ইউবিটি কিট ব্যবহারের কথা মাথায় আসে। আমি জরায়ুতে কনডম ঢুকিয়ে ফুলিয়ে দিই। পাঁচ মিনিটের মধ্যে রক্তক্ষরণের মাত্রা কমে যায়। ওই নারী সুস্থ হয়ে সন্তানসহ বাড়ি ফেরেন।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X