রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:৫৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, September 9, 2016 9:17 am
A- A A+ Print

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

241921_1

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ দুটি সফরে যাওয়ার পথে সরকার প্রধান লন্ডনে এক রাত কাটাবেন। আসন্ন ঈদুল আজহার পরদিন বুধবার তিনি ঢাকা ছেড়ে যাবেন। আগামী ২৬শে সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন। সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র মতে, কানাডায় স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেয়া সরকার প্রধানের সফরের মুখ্য উপলক্ষ হলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা পিয়েরে ট্রুডোকে মরণোত্তর সম্মাননা জানাবেন বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৫ই সেপ্টেম্বর লন্ডন থেকে রওনা করে ওই দিনই কানাডায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পরদিন ১৬ই সেপ্টেম্বর কানাডা সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল ফ্রান্ড রিপ্ল্যানিশমেন্ট কনফারেন্স টু ফাইট এইডস, টিউবাকলোসিস অ্যান্ড ম্যালারিয়া’-এর উদ্বোধনীতে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে অংশ নেবেন। ১৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কানাডায় থাকবেন শেখ হাসিনা। ১৮ই সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের পথে রওনা করবেন। সেখানে জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানাদিতে ব্যস্ত সময় কাটাবেন। শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা দেয়া ছাড়াও সাইড লাইনে বিভিন্ন হাই লেভেল সামিট ও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর যোগদানের কথা রয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায়ও অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী ২২শে সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন যাবেন। সেখানে দুদিন কাটিয়ে নিউ ইয়র্ক হয়ে তিনি ঢাকায় ফিরবেন। পিতার সম্মাননা গ্রহণ করবেন পুত্র ট্রুডো: বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ছিল কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর। তার যোগ্য উত্তরসূরি জাস্টিন ট্রুডো বর্তমানে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর আসনে। বাংলাদেশের যুদ্ধবন্ধু পিয়েরে ট্রুডোকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া মরণোত্তর সম্মাননা জুনিয়র ট্রুডোর হাতে তুলে দেয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গতকাল মানবজমিনকে বলেন, সম্মাননা হস্তান্তরের জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে সেখানে। এ নিয়ে দেশটির সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর সফরের সমাপনী দিনে অর্থাৎ ১৭ই সেপ্টেম্বর হতে পারে বলে আভাস দেন তিনি। আধুনিক কানাডার জনক দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বড় রকমের সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে শরণার্থীদের মানবিক সাহায্য অনুমোদন করেছিলেন। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালে পিয়েরে ট্রুডো কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ওই সময় কানাডার অনেক মিত্র দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালিয়েছে। ওই স্রোতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে পিয়েরে ট্রুডো কানাডার পার্লামেন্টের তিনজন এমপিকে শরণার্থী শিবিরে পাঠান। তাদের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ সহায়তা পাঠান। পিয়েরে ট্রুডো শুধু প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়েই ঝুঁকি নেননি বরং নিজের দেশেও রাজনৈতিকভাবে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন। কেননা কানাডার কুইবেক প্রদেশে ওই সময় স্বাধীনতার আন্দোলন চলছিল। গোটা কানাডায় কুইবেক রাজ্যের আন্দোলনকে বলা হয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন। ফলে ওই সময়টাতে যে কোনো দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামকে কানাডার জনগণ ব্যাপকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হিসেবে বিবেচনা করেছে। ফলে ওই সময়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে সামান্যতম সহানুভূতি প্রকাশ করাও রাজনৈতিকভাবে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। পিয়েরে ট্রুডো ১৯৮৩ সালে একবার বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। ওই সময় বাংলাদেশের জনগণ এ অকৃত্রিম বন্ধুকে বীরের মতো সংবর্ধনা দিয়েছিল। দিল্লিতে কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদান শেষে একদিনের জন্য ঢাকায় আসার সময় তার পুত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জি-৭ সম্মেলনের আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান সফরকালে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে অন্তরঙ্গ আলাপ করেন। সেই আলাপেও পিতার অবদানের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পিয়েরে ট্রুডোকে সম্মাননা দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্বর্ণের একটি ক্রেস্ট তৈরি করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ক্রেস্টের স্বর্ণ নিখাঁদ কি-না সেটিও পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কানাডা সফরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকও সঙ্গী হচ্ছেন।

Comments

Comments!

 কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

Friday, September 9, 2016 9:17 am
241921_1

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ দুটি সফরে যাওয়ার পথে সরকার প্রধান লন্ডনে এক রাত কাটাবেন। আসন্ন ঈদুল আজহার পরদিন বুধবার তিনি ঢাকা ছেড়ে যাবেন। আগামী ২৬শে সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন। সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র মতে, কানাডায় স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেয়া সরকার প্রধানের সফরের মুখ্য উপলক্ষ হলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা পিয়েরে ট্রুডোকে মরণোত্তর সম্মাননা জানাবেন বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৫ই সেপ্টেম্বর লন্ডন থেকে রওনা করে ওই দিনই কানাডায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পরদিন ১৬ই সেপ্টেম্বর কানাডা সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল ফ্রান্ড রিপ্ল্যানিশমেন্ট কনফারেন্স টু ফাইট এইডস, টিউবাকলোসিস অ্যান্ড ম্যালারিয়া’-এর উদ্বোধনীতে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে অংশ নেবেন। ১৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কানাডায় থাকবেন শেখ হাসিনা। ১৮ই সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের পথে রওনা করবেন। সেখানে জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানাদিতে ব্যস্ত সময় কাটাবেন। শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা দেয়া ছাড়াও সাইড লাইনে বিভিন্ন হাই লেভেল সামিট ও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর যোগদানের কথা রয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায়ও অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী ২২শে সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন যাবেন। সেখানে দুদিন কাটিয়ে নিউ ইয়র্ক হয়ে তিনি ঢাকায় ফিরবেন। পিতার সম্মাননা গ্রহণ করবেন পুত্র ট্রুডো: বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ছিল কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর। তার যোগ্য উত্তরসূরি জাস্টিন ট্রুডো বর্তমানে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর আসনে। বাংলাদেশের যুদ্ধবন্ধু পিয়েরে ট্রুডোকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া মরণোত্তর সম্মাননা জুনিয়র ট্রুডোর হাতে তুলে দেয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গতকাল মানবজমিনকে বলেন, সম্মাননা হস্তান্তরের জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে সেখানে। এ নিয়ে দেশটির সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর সফরের সমাপনী দিনে অর্থাৎ ১৭ই সেপ্টেম্বর হতে পারে বলে আভাস দেন তিনি। আধুনিক কানাডার জনক দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বড় রকমের সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে শরণার্থীদের মানবিক সাহায্য অনুমোদন করেছিলেন। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালে পিয়েরে ট্রুডো কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ওই সময় কানাডার অনেক মিত্র দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালিয়েছে। ওই স্রোতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে পিয়েরে ট্রুডো কানাডার পার্লামেন্টের তিনজন এমপিকে শরণার্থী শিবিরে পাঠান। তাদের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ সহায়তা পাঠান। পিয়েরে ট্রুডো শুধু প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়েই ঝুঁকি নেননি বরং নিজের দেশেও রাজনৈতিকভাবে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন। কেননা কানাডার কুইবেক প্রদেশে ওই সময় স্বাধীনতার আন্দোলন চলছিল। গোটা কানাডায় কুইবেক রাজ্যের আন্দোলনকে বলা হয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন। ফলে ওই সময়টাতে যে কোনো দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামকে কানাডার জনগণ ব্যাপকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হিসেবে বিবেচনা করেছে। ফলে ওই সময়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে সামান্যতম সহানুভূতি প্রকাশ করাও রাজনৈতিকভাবে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। পিয়েরে ট্রুডো ১৯৮৩ সালে একবার বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। ওই সময় বাংলাদেশের জনগণ এ অকৃত্রিম বন্ধুকে বীরের মতো সংবর্ধনা দিয়েছিল। দিল্লিতে কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদান শেষে একদিনের জন্য ঢাকায় আসার সময় তার পুত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সঙ্গে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জি-৭ সম্মেলনের আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান সফরকালে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে অন্তরঙ্গ আলাপ করেন। সেই আলাপেও পিতার অবদানের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পিয়েরে ট্রুডোকে সম্মাননা দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্বর্ণের একটি ক্রেস্ট তৈরি করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। ক্রেস্টের স্বর্ণ নিখাঁদ কি-না সেটিও পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কানাডা সফরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকও সঙ্গী হচ্ছেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X