বুধবার, ২২শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং, ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:০৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, November 5, 2017 7:57 am
A- A A+ Print

কান্না থামেনি অপুর

183978_1

ঢাকা: ফের অঝোরে কাঁদলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। শুক্রবার সন্ধ্যায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বিনোদন বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান কিউট সাময়িকীতে নিজের ও স্বামী শাকিব সম্পর্কে বলতে গিয়ে কান্না করেন তিনি। এর আগে গত ১০ এপ্রিল ছেলেকে নিয়ে প্রথমবারের মতো টিভি চ্যানেলে হাজির হয়ে বিয়ে ও ছেলের কথা ঘোষণার দেয়ার সময়ও কেঁদেছিলেন অপু। স্বামী শাকিব খানের সঙ্গে অপুর বর্তমানে যে দূরত্ব চলছে, ভবিষ্যতে তা আরো বাড়তে থাকলে তখন কী করবেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে অপু বলেন, ‘আমি ধরে নেব ভুলটা আমারই ছিল। হয়তো লাইভে আসার কারণে সে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত। আমি বাচ্চা পেটে নিয়ে অনেক সাফার করেছি। তখন আমি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলাম। আমি ভাগ্য, সময়, বিবেচনা- সবকিছুই মেনে নিয়েছি। বেশি কিছু ভাবি না। যেটা হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা চাচ্ছেন তাই হচ্ছে। যেটা হবার নয়, আল্লাহ না চাইলে কখনোই হবে না।’ নিয়তিকে মেনে নেয়ার কথা বলতে গিয়ে নিজের একটি ঘটনা তুলে ধরেন অপু। ‘লাইভে আসার আগে আমি বাসায় দুধে সেমাই বসিয়েছিলাম। পাতিলটা নামানোর সময় হাত থেকে পড়ে গেল। কোনোভাবেই আর সেটাকে উঠিয়ে খাওয়া সম্ভব না। ওইটা আমার রিজিকে ছিল না। যতটুকু রিজিকে ছিল ততক্ষণ আমি রান্না করেছি। ফিল করেছি, ঠান্ডা হলে খাব। কিন্তু যখন পড়ে গেছে তখন ফিলটাও নষ্ট হয়ে গেছে। ওটা আর খেতে পারলাম না। আমাকে আবার তৈরি করে খেতে হবে।’ অপু বলেন, ‘আমি জয়কে পেটে নিয়ে নিজে নিজে সাফার করেছি। ভেঙে পড়িনি। কারণ আমি তখনই নিজেকে মেন্টালি সেটআপ করে নিয়েছি। শুধু ভেবেছি, সন্তানটা তো নিষ্পাপ। আর আমি যাকে ভালোবাসি, এটা সেই ভালোবাসার একটা প্রতীক। এটাই আমার কাছে অনেক কিছু।’ গত কয়েক মাস তোমরা আলাদা থাকো। দীর্ঘ একটা বছর। তো যখন একেবারে নিরালায় থাকো, একাকী থাকো, তখন মন কী বলে? উপস্থাপকের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন অপু। তিনি বলেন, ‘একা একা অনেক কান্না করি। নিজেকে হালকা করার চেষ্টা করি। আর আমার কষ্টটা আমি কারো সাথে শেয়ার করতে চাই না। এই কষ্টের ভাগিদার আমি নিজেই। কারণ পরিবার থেকে আমাকে আগেই না করে দিয়েছিল। তারা বলেছিল, সময় থাকতে সবকিছু নিজের মতো করে নাও। আমি সেটা করিনি। তার জন্য কান্নাটা আমার একান্ত।’ চোখের পানি মুছতে মুছতে অপু বলেন, ‘যে কষ্ট আমি পাচ্ছি সেটা আমার একার মধ্যেই রাখি। আমি চাই না আমার বয়স্ক মা এবং আমার পরিবারের যারা আমাকে অনেক ভালোবেসে বড় করেছে তারা জীবনে আর কোনো কষ্ট পাক। কষ্ট একজন পাওয়া ভালো। সবাইকে কষ্ট দেয়াটা আমার কাছে ভালো লাগে না। আমি সবকিছু উপরওয়ালার ওপরে ছেড়ে দিয়েছি। উপরওয়ালাকে আমি বিশ্বাস করি।’ কিছুটা ভালো সময় কাটে, জয় যখন কাছে থাকে। কিন্তু দিনশেষে রাতে, মধ্যরাতে কেমন লাগে? দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে অপু বলেন, ‘ভালো আছি। প্লিজ আমাকে আর হার্ট কইরেন না। আমি অনেক ভালো আছি। বিয়ের পর থেকে দর্শকরা আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছে, উৎসাহ দিয়েছে। এখনো দিচ্ছে। দোকান, এয়ারপোর্ট, যেখানেই যাই না কেন ভক্তরা দেখলে আমাকে স্যালুট জানায়। এত ভালোবাসার মধ্যে একটি ভালোবাসা তো তুচ্ছ। আর ওই একটি ভালোবাসা তো আমি সবকিছু ফুলফিল করি আমার সন্তান জয়ের মধ্য দিয়ে। সো, আমার কাছে ওটা বড় কোনো কষ্টের ব্যাপার না।’ উপস্থাপককে উদ্দেশ করে অপু বলেন, ‘ভালোবাসা কি শুধু আমি খুইয়েছি? আপনি তাকেও (শাকিব) প্রশ্ন করে দেখেন। তার জীবনে বড় একটা একাকিত্ব। আমার কাছে আমার ছেলে জয় আছে। তার কাছে কিছুই নাই। আমি কাজ শেষে, বেলাশেষে রাতে জয়কে বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিচ্ছি। কিন্তু শাকিব? সে তো টোটালি একা। ওর কাছে না আছে জয়, না তার স্ত্রী তাকে দেখাশোনা করছে। আমার খারাপ লাগে কি জানেন, শাকিব ভীষণ একা, আমি কিন্তু একা না। আমি যখন ঘরে ঢুকি ছেলেটা তখন দৌড়ে আমার বুকের মধ্যে আসে। পৃথিবীর সমস্ত প্রেম-ভালোবাসা তখন আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। সেটা হতে পারে স্বামী, হতে পারে মা-বাবাও। কারণ সন্তানটা তো আমার। শাকিব তো সেটাও মিস করছে। সো, একা সে, আমি না।’ ২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করার পর প্রায় নয় বছর তা গোপনে করে রেখেছিলেন শাকিব-অপু। এরই মধ্যে তাদের কোল জুড়ে আসে ছেলে আব্রাম জয়। কিন্তু তখনো বিয়ের কথা লুকিয়ে রাখেন এই তারকা দম্পতি। ছেলের জন্ম দিতে ২০১৬ সালের শুরুর দিকে হঠাৎ উধাও হয়ে যান অপু। ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর আলো দেখে আব্রাম জয়। এরপর কেটে যায় আরো সাত মাস। গত ১০ এপ্রিল সাত মাসের ছেলে জয়কে নিয়ে অপু হঠাৎ হাজির হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরে। সরাসরি সম্প্রচারিত সাক্ষাৎকারে ছেলেকে কোলে নিয়ে অপু প্রকাশ করেন তাদের বিয়ের কথা। ক্যারিযারের কথা ভেবে শাকিব খানই তাদের বিয়ে ও ছেলের কথা লুকিয়ে রাখতে উদ্বুদ্ধ করেন বলে জানান অপু। কিন্তু ছেলেকে আর লুকিয়ে রাখতে তার ভালো লাগছিল না। এ ঘটনায় শাকিব প্রথমে উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া দেখালেও বিয়ে ও ছেলের কথা স্বীকার করে নেন। তবে ক্ষুব্ধ হন অপুর ওপর। যদিও তিনি পরে জানান, স্ত্রী অপু ও ছেলে জয়কে নিয়ে সুখের সংসার করতে চান তিনি।

Comments

Comments!

 কান্না থামেনি অপুরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কান্না থামেনি অপুর

Sunday, November 5, 2017 7:57 am
183978_1

ঢাকা: ফের অঝোরে কাঁদলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। শুক্রবার সন্ধ্যায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বিনোদন বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান কিউট সাময়িকীতে নিজের ও স্বামী শাকিব সম্পর্কে বলতে গিয়ে কান্না করেন তিনি।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল ছেলেকে নিয়ে প্রথমবারের মতো টিভি চ্যানেলে হাজির হয়ে বিয়ে ও ছেলের কথা ঘোষণার দেয়ার সময়ও কেঁদেছিলেন অপু।

স্বামী শাকিব খানের সঙ্গে অপুর বর্তমানে যে দূরত্ব চলছে, ভবিষ্যতে তা আরো বাড়তে থাকলে তখন কী করবেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে অপু বলেন, ‘আমি ধরে নেব ভুলটা আমারই ছিল। হয়তো লাইভে আসার কারণে সে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত। আমি বাচ্চা পেটে নিয়ে অনেক সাফার করেছি। তখন আমি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলাম। আমি ভাগ্য, সময়, বিবেচনা- সবকিছুই মেনে নিয়েছি। বেশি কিছু ভাবি না। যেটা হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা চাচ্ছেন তাই হচ্ছে। যেটা হবার নয়, আল্লাহ না চাইলে কখনোই হবে না।’

নিয়তিকে মেনে নেয়ার কথা বলতে গিয়ে নিজের একটি ঘটনা তুলে ধরেন অপু। ‘লাইভে আসার আগে আমি বাসায় দুধে সেমাই বসিয়েছিলাম। পাতিলটা নামানোর সময় হাত থেকে পড়ে গেল। কোনোভাবেই আর সেটাকে উঠিয়ে খাওয়া সম্ভব না। ওইটা আমার রিজিকে ছিল না। যতটুকু রিজিকে ছিল ততক্ষণ আমি রান্না করেছি। ফিল করেছি, ঠান্ডা হলে খাব। কিন্তু যখন পড়ে গেছে তখন ফিলটাও নষ্ট হয়ে গেছে। ওটা আর খেতে পারলাম না। আমাকে আবার তৈরি করে খেতে হবে।’

অপু বলেন, ‘আমি জয়কে পেটে নিয়ে নিজে নিজে সাফার করেছি। ভেঙে পড়িনি। কারণ আমি তখনই নিজেকে মেন্টালি সেটআপ করে নিয়েছি। শুধু ভেবেছি, সন্তানটা তো নিষ্পাপ। আর আমি যাকে ভালোবাসি, এটা সেই ভালোবাসার একটা প্রতীক। এটাই আমার কাছে অনেক কিছু।’

গত কয়েক মাস তোমরা আলাদা থাকো। দীর্ঘ একটা বছর। তো যখন একেবারে নিরালায় থাকো, একাকী থাকো, তখন মন কী বলে? উপস্থাপকের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন অপু।

তিনি বলেন, ‘একা একা অনেক কান্না করি। নিজেকে হালকা করার চেষ্টা করি। আর আমার কষ্টটা আমি কারো সাথে শেয়ার করতে চাই না। এই কষ্টের ভাগিদার আমি নিজেই। কারণ পরিবার থেকে আমাকে আগেই না করে দিয়েছিল। তারা বলেছিল, সময় থাকতে সবকিছু নিজের মতো করে নাও। আমি সেটা করিনি। তার জন্য কান্নাটা আমার একান্ত।’

চোখের পানি মুছতে মুছতে অপু বলেন, ‘যে কষ্ট আমি পাচ্ছি সেটা আমার একার মধ্যেই রাখি। আমি চাই না আমার বয়স্ক মা এবং আমার পরিবারের যারা আমাকে অনেক ভালোবেসে বড় করেছে তারা জীবনে আর কোনো কষ্ট পাক। কষ্ট একজন পাওয়া ভালো। সবাইকে কষ্ট দেয়াটা আমার কাছে ভালো লাগে না। আমি সবকিছু উপরওয়ালার ওপরে ছেড়ে দিয়েছি। উপরওয়ালাকে আমি বিশ্বাস করি।’

কিছুটা ভালো সময় কাটে, জয় যখন কাছে থাকে। কিন্তু দিনশেষে রাতে, মধ্যরাতে কেমন লাগে? দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে অপু বলেন, ‘ভালো আছি। প্লিজ আমাকে আর হার্ট কইরেন না। আমি অনেক ভালো আছি। বিয়ের পর থেকে দর্শকরা আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছে, উৎসাহ দিয়েছে। এখনো দিচ্ছে। দোকান, এয়ারপোর্ট, যেখানেই যাই না কেন ভক্তরা দেখলে আমাকে স্যালুট জানায়। এত ভালোবাসার মধ্যে একটি ভালোবাসা তো তুচ্ছ। আর ওই একটি ভালোবাসা তো আমি সবকিছু ফুলফিল করি আমার সন্তান জয়ের মধ্য দিয়ে। সো, আমার কাছে ওটা বড় কোনো কষ্টের ব্যাপার না।’

উপস্থাপককে উদ্দেশ করে অপু বলেন, ‘ভালোবাসা কি শুধু আমি খুইয়েছি? আপনি তাকেও (শাকিব) প্রশ্ন করে দেখেন। তার জীবনে বড় একটা একাকিত্ব। আমার কাছে আমার ছেলে জয় আছে। তার কাছে কিছুই নাই। আমি কাজ শেষে, বেলাশেষে রাতে জয়কে বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিচ্ছি। কিন্তু শাকিব? সে তো টোটালি একা। ওর কাছে না আছে জয়, না তার স্ত্রী তাকে দেখাশোনা করছে। আমার খারাপ লাগে কি জানেন, শাকিব ভীষণ একা, আমি কিন্তু একা না। আমি যখন ঘরে ঢুকি ছেলেটা তখন দৌড়ে আমার বুকের মধ্যে আসে। পৃথিবীর সমস্ত প্রেম-ভালোবাসা তখন আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। সেটা হতে পারে স্বামী, হতে পারে মা-বাবাও। কারণ সন্তানটা তো আমার। শাকিব তো সেটাও মিস করছে। সো, একা সে, আমি না।’

২০০৮ সালে গোপনে বিয়ে করার পর প্রায় নয় বছর তা গোপনে করে রেখেছিলেন শাকিব-অপু। এরই মধ্যে তাদের কোল জুড়ে আসে ছেলে আব্রাম জয়। কিন্তু তখনো বিয়ের কথা লুকিয়ে রাখেন এই তারকা দম্পতি। ছেলের জন্ম দিতে ২০১৬ সালের শুরুর দিকে হঠাৎ উধাও হয়ে যান অপু। ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর আলো দেখে আব্রাম জয়। এরপর কেটে যায় আরো সাত মাস।

গত ১০ এপ্রিল সাত মাসের ছেলে জয়কে নিয়ে অপু হঠাৎ হাজির হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরে। সরাসরি সম্প্রচারিত সাক্ষাৎকারে ছেলেকে কোলে নিয়ে অপু প্রকাশ করেন তাদের বিয়ের কথা। ক্যারিযারের কথা ভেবে শাকিব খানই তাদের বিয়ে ও ছেলের কথা লুকিয়ে রাখতে উদ্বুদ্ধ করেন বলে জানান অপু। কিন্তু ছেলেকে আর লুকিয়ে রাখতে তার ভালো লাগছিল না। এ ঘটনায় শাকিব প্রথমে উত্তেজিত প্রতিক্রিয়া দেখালেও বিয়ে ও ছেলের কথা স্বীকার করে নেন। তবে ক্ষুব্ধ হন অপুর ওপর। যদিও তিনি পরে জানান, স্ত্রী অপু ও ছেলে জয়কে নিয়ে সুখের সংসার করতে চান তিনি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X