মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, September 10, 2016 11:42 pm
A- A A+ Print

‘কারখানার এই আগুন নেভানো যাবে না’

12

ঢাকা: টঙ্গীর যে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে সেই কারখানাটিতে এখনো দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। শনিবার ভোরে আগুন লাগে। দমকল বাহিনীর কর্মকর্তারা সারা দিন ধরে আগুন নেভাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু সন্ধ্যা পার হয়ে রাত আটটাতেও সেই কারখানাটি আগুনে জ্বলছে। বিকেলের দিকে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিলো কিন্তু সন্ধ্যার পর সেটা আবার বাড়তে থাকে। দমকল বাহিনী আগুন নেভাতে চেষ্টা করছে। তারা যখন কারখানার এক পাশে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনছেন তখন দেখা যাচ্ছে যে আরেক পাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। সারাদিন আগুনের সাথে এভাবেই যুদ্ধ করেন দমকল বাহিনীর কর্মকর্তারা। সন্ধ্যার দিকে তারা ভেবেছিলেন যে আগুন হয়তো নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কিন্তু রাত নামার পরে দেখা গেলো কারখানা এখনও জ্বলছে। কারখানা ভবনটি পাঁচতলা। আগুনে উপরের তিনটি তলা প্রায় ধসে পড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা লোকজনকে ওই ভবনের কাছাকাছি অবস্থান না করতে লোকজনকে সতর্ক করে দিয়েছেন। তারা বলছেন, কারখানার যে কাঠামোটি এখনও পর্যন্ত দাঁড়িয়ে আছে সেটিও যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। কারখানাটি একটি ফয়েলের কারখানা।   সিগারেট, চিপস ও বিভিন্ন খাবার দাবারের প্যাকেটে যে ফয়েল থাকে এই কারখানায় সেটি তৈরি করা হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, কারখানায় গতকাল বিপুল পরিমাণে মালামাল আনা হয়েছিলো যেগুলো দাহ্য পদার্থ। সেকারণে বয়লার বিস্ফোরণের পর মুহূর্তের মধ্যেই কারখানাটিতে আগুন ধরে যায় ও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তারা বলছেন, এই দাহ্য পদার্থের কারণেই আগুন নেভানো সম্ভব হচ্ছে না। দমকল বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন না যে তারা এই আগুন আর নেভাতে পারবেন। একজন কর্মকর্তা বলেছেন, মনে হচ্ছে এই আগুন জ্বলতে জ্বলতেই একসময় নিভে যাবে। দুর্ঘটনার সময় কারখানার ভেতরে কতো শ্রমিক ছিলো সেটিও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। কারখানার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, রাতের শিফটে ৮০ জনের মতো শ্রমিক কাজ করে যারা সকালে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি যখন নিচ্ছিলেন তখন এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালের শিফটের শ্রমিকরাও তখন আসতে শুরু করেছিলেন। সুতরাং কারখানার ভেতরে কতো শ্রমিক ছিলো সেটা স্পষ্ট করে জানা যাচ্ছে না। সূত্র: বিবিসি

Comments

Comments!

 ‘কারখানার এই আগুন নেভানো যাবে না’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘কারখানার এই আগুন নেভানো যাবে না’

Saturday, September 10, 2016 11:42 pm
12

ঢাকা: টঙ্গীর যে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে সেই কারখানাটিতে এখনো দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে।

শনিবার ভোরে আগুন লাগে। দমকল বাহিনীর কর্মকর্তারা সারা দিন ধরে আগুন নেভাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু সন্ধ্যা পার হয়ে রাত আটটাতেও সেই কারখানাটি আগুনে জ্বলছে।

বিকেলের দিকে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিলো কিন্তু সন্ধ্যার পর সেটা আবার বাড়তে থাকে। দমকল বাহিনী আগুন নেভাতে চেষ্টা করছে। তারা যখন কারখানার এক পাশে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনছেন তখন দেখা যাচ্ছে যে আরেক পাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে।

সারাদিন আগুনের সাথে এভাবেই যুদ্ধ করেন দমকল বাহিনীর কর্মকর্তারা। সন্ধ্যার দিকে তারা ভেবেছিলেন যে আগুন হয়তো নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কিন্তু রাত নামার পরে দেখা গেলো কারখানা এখনও জ্বলছে।

কারখানা ভবনটি পাঁচতলা। আগুনে উপরের তিনটি তলা প্রায় ধসে পড়েছে। উদ্ধারকর্মীরা লোকজনকে ওই ভবনের কাছাকাছি অবস্থান না করতে লোকজনকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

তারা বলছেন, কারখানার যে কাঠামোটি এখনও পর্যন্ত দাঁড়িয়ে আছে সেটিও যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে।

কারখানাটি একটি ফয়েলের কারখানা।

 

সিগারেট, চিপস ও বিভিন্ন খাবার দাবারের প্যাকেটে যে ফয়েল থাকে এই কারখানায় সেটি তৈরি করা হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, কারখানায় গতকাল বিপুল পরিমাণে মালামাল আনা হয়েছিলো যেগুলো দাহ্য পদার্থ।

সেকারণে বয়লার বিস্ফোরণের পর মুহূর্তের মধ্যেই কারখানাটিতে আগুন ধরে যায় ও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তারা বলছেন, এই দাহ্য পদার্থের কারণেই আগুন নেভানো সম্ভব হচ্ছে না। দমকল বাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করছেন না যে তারা এই আগুন আর নেভাতে পারবেন।

একজন কর্মকর্তা বলেছেন, মনে হচ্ছে এই আগুন জ্বলতে জ্বলতেই একসময় নিভে যাবে। দুর্ঘটনার সময় কারখানার ভেতরে কতো শ্রমিক ছিলো সেটিও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না।

কারখানার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, রাতের শিফটে ৮০ জনের মতো শ্রমিক কাজ করে যারা সকালে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি যখন নিচ্ছিলেন তখন এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সকালের শিফটের শ্রমিকরাও তখন আসতে শুরু করেছিলেন। সুতরাং কারখানার ভেতরে কতো শ্রমিক ছিলো সেটা স্পষ্ট করে জানা যাচ্ছে না।

সূত্র: বিবিসি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X