বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, January 19, 2017 10:57 pm
A- A A+ Print

কারা থাকছেন ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায়?

৫১

শুক্রবার ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডনাল্ড ট্রাম্প। মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্যই ইতিমধ্যে তিনি মনোনীত করেছেন। মনোনীতদের কারও নিয়োগই এখন পর্যন্ত সিনেট নিশ্চিত করেনি। অনেকের শুনানি চলছে। আবার হোয়াইট হাউসের কিছু শীর্ষ পদে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন নেই। রেক্স টিলারসন: তেল ব্যবসার সঙ্গে রেক্স টিলারসন জড়িয়ে ছিলেন প্রায় সারাজীবন। তবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনাঢ্য তেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এক্সন মবিলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতি, প্রভাব ও যোগাযোগই ট্রাম্পকে মুগ্ধ করেছে বেশি। তবে রাশিয়ার সঙ্গে এক্সন মবিলের বিপুল ব্যবসায়িক সম্পর্ক, দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ¬াদিমির পুতিনের সঙ্গে তার সখ্যতা, ইত্যাদি নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে তার অবস্থান নিয়েও অনেকে ক্ষুব্ধ। সিনেট শুনানিতে এসব নিয়ে অনেক কটু কথা শুনতে হয়েছে তাকে। জেনারেল ম্যাটিস: ইরাক যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অধিনায়ক ছিলেন জেনারেল জেমস ম্যাটিস। তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদে মনোনীত করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ৪৪ বছরের ক্যারিয়ারজুড়ে তাকে মার্কিন ম্যারিন কর্পসে খুবই শ্রদ্ধার চোখে দেখা হয়। অবসরপ্রাপ্ত এই চার তারকা জেনারেল ‘ম্যাড ডগ’ নামেও পরিচিত। ২০০৪ সালে ইরাকের ফালুজা যুদ্ধে নেতৃত্বের জন্য তিনি খ্যাত। ইরাকযুদ্ধে সেটিই ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের একটি। একপর্যায়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের নেতৃত্ব বর্তায় তার ওপর। ‘কিছু লোককে গুলি করাটা আনন্দদায়ক’ Ñ ২০০৫ সালে এমন মন্তব্য করে একবার বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। তবে সাবেক সেনা কর্মকর্তা হওয়ায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদে যোগ্য হতে কংগ্রেসের বিশেষ ছাড় প্রয়োজন হবে ম্যাটিসের। কারণ, বিদ্যমান আইনানুযায়ী সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা অবসরের ৭ বছর পার হওয়ার আগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হতে পারেন না। ধারণা করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় ছাড় তিনি পাবেন। রেইন্স প্রিবাস: রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ২০১১ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন রেইন্স প্রিবাস। এর আগে তিনি কমিটির জেনারেল কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। ট্রাম্প তাকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন। এ পদে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন নেই। তার পেছনে সমর্থন আছে মূলধারার রিপাবলিকান দলের। হাউস স্পিকার পল রায়ান ও সিনেট মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাককনেলের সমর্থন থাকায় কংগ্রেসের সঙ্গে দরকষাকষিতে ট্রাম্পকে সাহায্য করতে পারবেন তিনি। স্টিভ এমনুচিন: ১৭ বছর ধরে বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাখসে কাজ করেছেন স্টিভ এমনুচিন। মে মাসে তিনি ট্রাম্প শিবিরের ফাইন্যান্স চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি হলিউড প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন। সুইসাইড স্কোয়াড, আমেরিকান সøাইপার, লিগো, ইত্যাদি ব্যবসা সফল ছবি প্রযোজনা করেছেন এমনুচিন। তাকে রাজস্ব মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। পূর্বে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিকÑ উভয় দলের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছিলেন তিনি। হিলারি ক্লিনটনের সিনেট নির্বাচন ও ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী তহবিলে তিনি অর্থ অনুদান দিয়েছেন। আবার বারাক ওবামার সিনেট ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী তহবিল এবং সিনেটের নতুন ডেমোক্রেটিক নেতা চার্লস শ্যামারের নির্বাচনী তহবিলেও অর্থের যোগান দিয়েছেন তিনি। এমনুচিন এর আগে বিলিয়নিয়ার জর্জ সরোসের সঙ্গে কাজ করেছেন। জর্জ সরোস অনেক উদারপন্থি প্রার্থী ও প্রচারে অর্থায়ন করেছেন। এবারের নির্বাচনে ট্রাম্প শিবির সরোসকে ভিলেন হিসেবে রূপায়িত করে। জেফ সেশন্স: সিনেটর জেফ সেশন্স মার্কিন সিনেটে আলাবামা অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন ১৯৯৭ সাল থেকে। তিনি সিনেটের প্রথম সদস্য যিনি ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। প্রচারাভিযান চলার সময় ট্রাম্পের প্রধান সহযোগী হিসেবেও কাজ করেন তিনি। নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে তিনি ফেডারেল বিচারক হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ ওঠায় সিনেট তার মনোনয়ন অনুমোদন করেনি। তবে ওই অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছিলেন। পরে অবশ্য সিনেটের যেই কমিটি তার মনোনয়ন বাতিল করেছিল সেই কমিটিতেই সদস্য হন জেফ সেশন্স। একে তিনি ব্যক্তিগত মিশন হিসেবে নিয়েছিলেন। সিনেটে থাকাকালে অভিবাসন সংস্কারে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। তাকে অ্যাটর্নি জেনারেল অর্থাৎ বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রধানের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। উইলবার রস: বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন প্রথম দিককার ট্রাম্প সমর্থক উইলবার রস। তিনিও একজন বিলিয়নিয়ার। মৃতপ্রায় শিল্প পুনর্জীবন করে বেশ নাম ও অর্থ কামিয়েছেন তিনি। স্টিল ও কয়লা খাতে তার ভালো ব্যবসা রয়েছে। ট্রাম্প নিজেও এ খাত পুনর্জীবনের পক্ষে। রসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গত দশকে দেউলিয়া হওয়া স্টিল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কয়েকটি কিনেছে। যেমন, বেথলেহেম স্টিল কোম্পানিকে তিনি ইন্টারন্যাশনাল স্টিল গ্রুপে পরিণত করেছেন। দুই বছর পর তিনি প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারে বিক্রি করতে সক্ষম হন। অ্যান্ড্রু পুজডার: তাকে শ্রমমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম। কার্লস জুনিয়র ও হার্ডি রেস্তোরাঁর প্রধান তিনি। ৬৬ বছর বয়সী পুজডার সরকারি রেগুলেশনের বিরুদ্ধে। ন্যূনতম ১৫ ডলার বেতনের বিরুদ্ধে তিনি। এছাড়া ওভারটাইম বেতন ও অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের বিরোধী তিনি। আমেরিকার কর্মসংস্থান বাজারের তত্ত্বাবধান, কর্মক্ষেত্রে রেগুলেশন প্রয়োগ, বেকারত্বের হারের মতো পরিসংখ্যান প্রনয়ণ শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ। সিকেই রেস্তোরাঁর প্রধান নির্বাহী হিসেবে ২০০০ সাল থেকে কাজ করছেন তিনি। হার্ডিকে ব্রান্ড হিসেবে তৈরি করার কৃতিত্ব দেয়া হয় তাকে। কিন্তু তার কোম্পানির বিরুদ্ধে শ্রম অধিকার লঙ্ঘন ও নারী বিদ্বেষী বিজ্ঞাপন তৈরির অভিযোগ রয়েছে। তার মনোনয়ন এমন সময় দেয়া হলো, যখন রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য কম বেতনের শিল্পে বেতন বৃদ্ধির চাপ তৈরি হচ্ছে। শ্রমমন্ত্রী হিসেবে এসব চাপ তিনি উপেক্ষা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেটসি দেভস: শিক্ষামন্ত্রী পদে আমেরিকান ফেডারেশন ফর চিলড্রেনের চেয়ারম্যান বেটসি দেভসকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। তার ওই প্রতিষ্ঠান চার্টার স্কুল নিয়ে কাজ করে। তিনি ফাউন্ডেশন ফর এক্সেলেন্স ইন এডুকেশনের বোর্ডেরও সদস্য। ওই প্রতিষ্ঠান এমন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে যার বিরোধী ট্রাম্পও। তাকে নিয়ে ব্যাপক বিতর্কও তৈরি হয়েছে ইদানীং। তিনি রিপাবলিকান দলের বড় দাতা। টম প্রাইস: তিনি মনোনীত হয়েছেন স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তাবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে। এ মন্ত্রণালয়টি মূলত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নামেই পরিচিত। বর্তমানে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে প্রতিনিধি পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বাজেট কমিটির চেয়ারম্যান তিনি। তার পূর্বতন দুই মন্ত্রী স্বাস্থ্য সংস্কার আইন বাস্তবায়ন করেছেন। কিন্তু এটি বাতিল করাই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি নিজেও একজন অর্থোপেডিক সার্জন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্বাস্থ্যনীতি ওবামাকেয়ারের বিরুদ্ধে। জেনারেল মাইকেল ফ্লিন: এই অবসরপ্রাপ্ত চার তারকা জেনারেলকে ট্রাম্প নিজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এ পদে সিনেটের মনোনয়ন প্রয়োজন হয় না। বহু বিতর্ক তার কাঁধে। একসময়কার ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থক ফ্লিন এ নির্বাচনের অনেক আগ থেকেই ট্রাম্পের সমর্থক। ২০১২ থেকে ২০১৪ সালে ওবামার আমলে তিনি ডিফেন্স ইন্টিলিজেন্স এজেন্সির পরিচালক ছিলেন। তাকে বিভিন্ন কারণে বরখাস্ত করে ওবামা প্রশাসন। তিনি ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্সের সহকারী পরিচালক ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন ইরাক ও আফগানিস্তানেও। তার বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ, রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, স্পর্শকাতর তথ্য ব্যবস্থাপনায় অপারদর্শিতা, ভুয়া খবর ছড়ানো, ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে। জ্যাসন মিলার: জ্যাসন মিলারকে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। এ পদের জন্য সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন নেই। নির্বাচনী প্রচারাভিযানকালে যোগাযোগ কৌশল নিয়ে ট্রাম্প শিবিরকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০০৮ সালে রুডি গিলানির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারাভিযানে কাজ করেছিলেন মিলার। শন স্পাইসার: বর্তমানে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির প্রধান কৌশলবিদ ও কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন শন স্পাইসার। ২০১১ সাল থেকে এ পদে আছেন তিনি। ট্রাম্প তাকে তার প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। জেনারেল জন কেলি: ট্রাম্পের এবারের জেনারেল ও বিলিয়নিয়ারে ভরপুর ক্যাবিনেটে আরেক সংযোজন জেনারেল জন কেলি। অবসরপ্রাপ্ত এই মেরিন জেনারেলকে ট্রাম্প মনোনীত করেছেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নেতৃত্বের জন্য। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান ছিলেন। এ কারণে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় মাদক নেটওয়ার্কের হুমকি মোকাবিলায় কাজ করতে হয়েছে তাকে। এ ইস্যুটি ট্রাম্প নিজের নির্বাচনী প্রচারাভিযানে তুলে ধরেছেন। তার ছেলে মেরিন ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট রবার্ট কেলি আফগানিস্তানে ২০১০ সালে নিহত হন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান হিসেবে মেক্সিকো সীমান্তে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ওয়াল নির্মাণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে তার ঘাড়ে। ড্যান কোটস: ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত সিনেটর ড্যান কোটসকে গুরুত্বপূর্ণ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। সিনেটে থাকাকালে প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা কমিটিগুলোতে কাজ করেছেন তিনি। তিনি এমন এক কার্যালয়ের প্রধান হবেন যেটির গুরুত্ব ট্রাম্প প্রশাসনের অনেকে কমাতে চান। ৯/১১-এর হামলার পর আমেরিকার ১৬টি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় আনয়নের জন্য এই বিভাগ চালু করে জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসন। কোটস এর আগে জার্মানিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবেও কাজ করেন। রিক পেরি: টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সাবেক গভর্নর রিক পেরিকে জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। মজার ব্যাপার হলো, মূলধারার রিপাবলিকানদের মধ্যে রিক পেরি ছিলেন প্রথম দিককার একজন যিনি ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন। নির্বাচনী মাঠে তিনিও ছিলেন একজন প্রার্থী। তবে প্রথম দিকেই দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে ট্রাম্পকে সমর্থন দেন। তেল সমৃদ্ধ টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে বেশি দিন গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন পেরি। জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিয়ে তার বিশেষ আগ্রহও ছিল। বেন কারসন: রিক পেরির মতো তিনিও ট্রাম্পের সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী। আবার পরে সমর্থনও দিয়েছেন তাকে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আগ্রহ ছিল তার। তবে অবশেষে গৃহায়ন ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী পদে এই সাবেক নিউরোসার্জনকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের সঙ্গে তার মিল হলো, তাদের দু’জনের কারোই সরকারি কোনো পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। এলাইন চাও: আগে একাধিকবার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এলাইন চাও। এবার তাকে পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রধানের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে বুশ প্রশাসনে শ্রমমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এশিয়ান বংশোদ্ভূত প্রথম কোনো নারী হিসেবে মার্কিন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন চাও। তার আরেক বড় পরিচয় হলো তিনি প্রভাবশালী রিপাবলিকান ও সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ মিককনেলের স্ত্রী তিনি। তাদেরকে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর পরিবারের একটি ভাবা হয়। এছাড়া ইউনাইটেড ওয়ের প্রধান নির্বাহী ও পিস কর্পসের পরিচালকের দায়িত্বেও আছেন তিনি। ধনবান জাহাজ ব্যবসায়ী পরিবারের কন্যা চাও সান ফ্রান্সিস্কো ও নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন ব্যাংকেও কাজ করেছেন। রায়ান জিঙ্কে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে মন্টানা অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসম্যান রায়ান জিঙ্কেকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। তার আরেক বড় পরিচয় তিনি সাবেক নেভি সিল কমান্ডার। মার্কিন নৌবাহিনীর অভিজাত এই বিশেষ বাহিনীতে কাজ করে মুখোমুখি লড়াইয়ের জন্য দুটি ব্রোঞ্জ পদকও আছে তার ঝুলিতে। তিনি ট্রাম্পের সমর্থক শুরু থেকে। ২০১৫ সালে কংগ্রেসে যোগ দেয়ার পর পরিবেশ গ্রুপগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। জিঙ্কে কংগ্রেসের আর্মড সার্ভিসেস ও ন্যাচারাল রিসোর্সেস কমিটিতে সদস্য ছিলেন। ফরেস্ট লুকাস: লুকাস ওয়েল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ফরেস্ট লুকাসকে কৃষিমন্ত্রী পদে ট্রাম্প মনোনীত করতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি প্রাণী-অধিকারের বিরোধী। ডেভিড শালকিন: এত দিন যুদ্ধপ্রবীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ডেভিড শালকিন। চমক দেখিয়ে তাকে এই মন্ত্রণালয়ের প্রধানের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে নিউ ইয়র্কের বেশ কয়েকটি মেডিকেল সেন্টারের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ সিস্টেমের প্রধান মেডিকেল কর্মকর্তাও ছিলেন শালকিন। এ পদে লোক দেয়াটা খুব কঠিন ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য। এ জন্য ১ শতাধিক লোককে নিরীক্ষা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। স্টিফেন ব্রেনান: বিতর্কিত এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অনেক আগ থেকেই ট্রাম্পের নির্বাচনী কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছেন। একপর্যায়ে তিনি ট্রাম্প শিবিরের প্রধান নির্বাহীর পদে পান। কট্টর শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নির্বাচনে জয়ের পর তাকে হোয়াইট হাউসের প্রধান কৌশলবিদ ও জ্যেষ্ঠ পরামর্শদাতার পদে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বিতর্কিত ও আলোচিত অনলাইন সংবাদ পোর্টাল ব্রেইবার্ট নিউজের সাবেক প্রধান। জ্যারেড কুশনার: তিনি ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের স্বামী। জ্যারেড কুশনার ট্রাম্প শিবিরে প্রচ- প্রভাবশালী। এ জন্য সমস্ত রীতিনীতি ভেঙে তাকে জ্যেষ্ঠ পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। ধন্যাঢ্য জ্যারেড কুশনার শ্বশুর ট্রাম্পের মতোই রিয়েল স্টেট ব্যবসা করেন। নিউ ইয়র্ক অবজার্ভার নামে একটি পত্রিকাও আছে তার। ইহুদি জ্যারেড কুশনার ইসরাইল বিষয়ে বিশেষ আগ্রহী। কুশনার মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করেন ট্রাম্প। অন্যান্য পদের মধ্যে সাউথ ক্যারোলাইনার কংগ্রেসম্যান মিক মালভ্যানি মনোনীত হয়েছেন হোয়াইট হাউসের ব্যবস্থাপনা ও বাজেটবিষয়ক পরিচালকে। পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার প্রধানের পদে মনোনীত হয়েছেন স্কট প্রুট। তিনি অকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল। মজার বিষয় হলো স্কট প্রুট নিজেই এই সংস্থার তীব্র সমালোচক। এ সংস্থার বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন তিনি। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মানেন না। ক্ষমতাধর গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ প্রধানের পদে কানসাসের কংগ্রেসম্যান মাইক পম্পেওকে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। রিপাবলিকান দলের কট্টরপন্থি অংশটি পার্টির সদস্য ছিলেন তিনি। জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে সাউথ ক্যারোলাইনার সাবেক গভর্নর নিক্কি হ্যালেকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। নিক্কি রিপাবলিকান দলের হলেও ট্রাম্প সমালোচক হিসেবে পরিচিত। স্মল বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধানের পদে নিয়োগ পেয়েছেন  লিন্ডা ম্যাকমহন। তিনি বিনোদনমূলক রেসলিং প্রতিষ্ঠান ডব্লিউডব্লিউইর সাবেক প্রধান নির্বাহী তিনি। এ প্রতিষ্ঠান তার পরিবারেরই। ট্রাম্প নিজে ডব্লিউডব্লিউইর কয়েকটি পর্বে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি সিনেটের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্য আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির পদে মনোনীত হয়েছেন আইনজীবী রবার্ট লাইটিজার। এর আগে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের প্রশাসনে এই বিভাগের দ্বিতীয় শীর্ষ পদে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কার্যালয়ের প্রধান মূলত বাণিজ্য চুক্তি ও দ্বন্দ্বে সরকারের প্রধান আলোচকের দায়িত্ব পালন করেন। (সিএনএন অবলম্বনে)

Comments

Comments!

 কারা থাকছেন ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায়?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কারা থাকছেন ট্রাম্পের মন্ত্রিসভায়?

Thursday, January 19, 2017 10:57 pm
৫১

শুক্রবার ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডনাল্ড ট্রাম্প। মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্যই ইতিমধ্যে তিনি মনোনীত করেছেন। মনোনীতদের কারও নিয়োগই এখন পর্যন্ত সিনেট নিশ্চিত করেনি। অনেকের শুনানি চলছে। আবার হোয়াইট হাউসের কিছু শীর্ষ পদে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন নেই।
রেক্স টিলারসন: তেল ব্যবসার সঙ্গে রেক্স টিলারসন জড়িয়ে ছিলেন প্রায় সারাজীবন। তবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনাঢ্য তেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এক্সন মবিলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতি, প্রভাব ও যোগাযোগই ট্রাম্পকে মুগ্ধ করেছে বেশি। তবে রাশিয়ার সঙ্গে এক্সন মবিলের বিপুল ব্যবসায়িক সম্পর্ক, দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ¬াদিমির পুতিনের সঙ্গে তার সখ্যতা, ইত্যাদি নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে তার অবস্থান নিয়েও অনেকে ক্ষুব্ধ। সিনেট শুনানিতে এসব নিয়ে অনেক কটু কথা শুনতে হয়েছে তাকে।
জেনারেল ম্যাটিস: ইরাক যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় অধিনায়ক ছিলেন জেনারেল জেমস ম্যাটিস। তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদে মনোনীত করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ৪৪ বছরের ক্যারিয়ারজুড়ে তাকে মার্কিন ম্যারিন কর্পসে খুবই শ্রদ্ধার চোখে দেখা হয়। অবসরপ্রাপ্ত এই চার তারকা জেনারেল ‘ম্যাড ডগ’ নামেও পরিচিত। ২০০৪ সালে ইরাকের ফালুজা যুদ্ধে নেতৃত্বের জন্য তিনি খ্যাত। ইরাকযুদ্ধে সেটিই ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের একটি। একপর্যায়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের নেতৃত্ব বর্তায় তার ওপর। ‘কিছু লোককে গুলি করাটা আনন্দদায়ক’ Ñ ২০০৫ সালে এমন মন্তব্য করে একবার বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন তিনি। তবে সাবেক সেনা কর্মকর্তা হওয়ায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদে যোগ্য হতে কংগ্রেসের বিশেষ ছাড় প্রয়োজন হবে ম্যাটিসের। কারণ, বিদ্যমান আইনানুযায়ী সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা অবসরের ৭ বছর পার হওয়ার আগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হতে পারেন না। ধারণা করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় ছাড় তিনি পাবেন।
রেইন্স প্রিবাস: রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ২০১১ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন রেইন্স প্রিবাস। এর আগে তিনি কমিটির জেনারেল কাউন্সেল হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। ট্রাম্প তাকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন। এ পদে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন নেই। তার পেছনে সমর্থন আছে মূলধারার রিপাবলিকান দলের। হাউস স্পিকার পল রায়ান ও সিনেট মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাককনেলের সমর্থন থাকায় কংগ্রেসের সঙ্গে দরকষাকষিতে ট্রাম্পকে সাহায্য করতে পারবেন তিনি।
স্টিভ এমনুচিন: ১৭ বছর ধরে বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাখসে কাজ করেছেন স্টিভ এমনুচিন। মে মাসে তিনি ট্রাম্প শিবিরের ফাইন্যান্স চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি হলিউড প্রযোজক হিসেবে কাজ করছেন। সুইসাইড স্কোয়াড, আমেরিকান সøাইপার, লিগো, ইত্যাদি ব্যবসা সফল ছবি প্রযোজনা করেছেন এমনুচিন। তাকে রাজস্ব মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। পূর্বে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিকÑ উভয় দলের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছিলেন তিনি। হিলারি ক্লিনটনের সিনেট নির্বাচন ও ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী তহবিলে তিনি অর্থ অনুদান দিয়েছেন। আবার বারাক ওবামার সিনেট ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী তহবিল এবং সিনেটের নতুন ডেমোক্রেটিক নেতা চার্লস শ্যামারের নির্বাচনী তহবিলেও অর্থের যোগান দিয়েছেন তিনি। এমনুচিন এর আগে বিলিয়নিয়ার জর্জ সরোসের সঙ্গে কাজ করেছেন। জর্জ সরোস অনেক উদারপন্থি প্রার্থী ও প্রচারে অর্থায়ন করেছেন। এবারের নির্বাচনে ট্রাম্প শিবির সরোসকে ভিলেন হিসেবে রূপায়িত করে।
জেফ সেশন্স: সিনেটর জেফ সেশন্স মার্কিন সিনেটে আলাবামা অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছেন ১৯৯৭ সাল থেকে। তিনি সিনেটের প্রথম সদস্য যিনি ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। প্রচারাভিযান চলার সময় ট্রাম্পের প্রধান সহযোগী হিসেবেও কাজ করেন তিনি। নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে তিনি ফেডারেল বিচারক হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ ওঠায় সিনেট তার মনোনয়ন অনুমোদন করেনি। তবে ওই অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছিলেন। পরে অবশ্য সিনেটের যেই কমিটি তার মনোনয়ন বাতিল করেছিল সেই কমিটিতেই সদস্য হন জেফ সেশন্স। একে তিনি ব্যক্তিগত মিশন হিসেবে নিয়েছিলেন। সিনেটে থাকাকালে অভিবাসন সংস্কারে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। তাকে অ্যাটর্নি জেনারেল অর্থাৎ বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রধানের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প।
উইলবার রস: বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন প্রথম দিককার ট্রাম্প সমর্থক উইলবার রস। তিনিও একজন বিলিয়নিয়ার। মৃতপ্রায় শিল্প পুনর্জীবন করে বেশ নাম ও অর্থ কামিয়েছেন তিনি। স্টিল ও কয়লা খাতে তার ভালো ব্যবসা রয়েছে। ট্রাম্প নিজেও এ খাত পুনর্জীবনের পক্ষে। রসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গত দশকে দেউলিয়া হওয়া স্টিল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কয়েকটি কিনেছে। যেমন, বেথলেহেম স্টিল কোম্পানিকে তিনি ইন্টারন্যাশনাল স্টিল গ্রুপে পরিণত করেছেন। দুই বছর পর তিনি প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারে বিক্রি করতে সক্ষম হন।
অ্যান্ড্রু পুজডার: তাকে শ্রমমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম। কার্লস জুনিয়র ও হার্ডি রেস্তোরাঁর প্রধান তিনি। ৬৬ বছর বয়সী পুজডার সরকারি রেগুলেশনের বিরুদ্ধে। ন্যূনতম ১৫ ডলার বেতনের বিরুদ্ধে তিনি। এছাড়া ওভারটাইম বেতন ও অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের বিরোধী তিনি। আমেরিকার কর্মসংস্থান বাজারের তত্ত্বাবধান, কর্মক্ষেত্রে রেগুলেশন প্রয়োগ, বেকারত্বের হারের মতো পরিসংখ্যান প্রনয়ণ শ্রম মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ। সিকেই রেস্তোরাঁর প্রধান নির্বাহী হিসেবে ২০০০ সাল থেকে কাজ করছেন তিনি। হার্ডিকে ব্রান্ড হিসেবে তৈরি করার কৃতিত্ব দেয়া হয় তাকে। কিন্তু তার কোম্পানির বিরুদ্ধে শ্রম অধিকার লঙ্ঘন ও নারী বিদ্বেষী বিজ্ঞাপন তৈরির অভিযোগ রয়েছে। তার মনোনয়ন এমন সময় দেয়া হলো, যখন রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য কম বেতনের শিল্পে বেতন বৃদ্ধির চাপ তৈরি হচ্ছে। শ্রমমন্ত্রী হিসেবে এসব চাপ তিনি উপেক্ষা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেটসি দেভস: শিক্ষামন্ত্রী পদে আমেরিকান ফেডারেশন ফর চিলড্রেনের চেয়ারম্যান বেটসি দেভসকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। তার ওই প্রতিষ্ঠান চার্টার স্কুল নিয়ে কাজ করে। তিনি ফাউন্ডেশন ফর এক্সেলেন্স ইন এডুকেশনের বোর্ডেরও সদস্য। ওই প্রতিষ্ঠান এমন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে যার বিরোধী ট্রাম্পও। তাকে নিয়ে ব্যাপক বিতর্কও তৈরি হয়েছে ইদানীং। তিনি রিপাবলিকান দলের বড় দাতা।
টম প্রাইস: তিনি মনোনীত হয়েছেন স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তাবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে। এ মন্ত্রণালয়টি মূলত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নামেই পরিচিত। বর্তমানে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে প্রতিনিধি পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বাজেট কমিটির চেয়ারম্যান তিনি। তার পূর্বতন দুই মন্ত্রী স্বাস্থ্য সংস্কার আইন বাস্তবায়ন করেছেন। কিন্তু এটি বাতিল করাই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি নিজেও একজন অর্থোপেডিক সার্জন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্বাস্থ্যনীতি ওবামাকেয়ারের বিরুদ্ধে।
জেনারেল মাইকেল ফ্লিন: এই অবসরপ্রাপ্ত চার তারকা জেনারেলকে ট্রাম্প নিজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এ পদে সিনেটের মনোনয়ন প্রয়োজন হয় না। বহু বিতর্ক তার কাঁধে। একসময়কার ডেমোক্রেটিক পার্টির সমর্থক ফ্লিন এ নির্বাচনের অনেক আগ থেকেই ট্রাম্পের সমর্থক। ২০১২ থেকে ২০১৪ সালে ওবামার আমলে তিনি ডিফেন্স ইন্টিলিজেন্স এজেন্সির পরিচালক ছিলেন। তাকে বিভিন্ন কারণে বরখাস্ত করে ওবামা প্রশাসন। তিনি ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্সের সহকারী পরিচালক ছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন ইরাক ও আফগানিস্তানেও। তার বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ, রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, স্পর্শকাতর তথ্য ব্যবস্থাপনায় অপারদর্শিতা, ভুয়া খবর ছড়ানো, ইত্যাদি অভিযোগ রয়েছে।
জ্যাসন মিলার: জ্যাসন মিলারকে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। এ পদের জন্য সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন নেই। নির্বাচনী প্রচারাভিযানকালে যোগাযোগ কৌশল নিয়ে ট্রাম্প শিবিরকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এর আগে ২০০৮ সালে রুডি গিলানির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারাভিযানে কাজ করেছিলেন মিলার।
শন স্পাইসার: বর্তমানে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির প্রধান কৌশলবিদ ও কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করছেন শন স্পাইসার। ২০১১ সাল থেকে এ পদে আছেন তিনি। ট্রাম্প তাকে তার প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
জেনারেল জন কেলি: ট্রাম্পের এবারের জেনারেল ও বিলিয়নিয়ারে ভরপুর ক্যাবিনেটে আরেক সংযোজন জেনারেল জন কেলি। অবসরপ্রাপ্ত এই মেরিন জেনারেলকে ট্রাম্প মনোনীত করেছেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নেতৃত্বের জন্য। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীর সাউদার্ন কমান্ডের প্রধান ছিলেন। এ কারণে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় মাদক নেটওয়ার্কের হুমকি মোকাবিলায় কাজ করতে হয়েছে তাকে। এ ইস্যুটি ট্রাম্প নিজের নির্বাচনী প্রচারাভিযানে তুলে ধরেছেন। তার ছেলে মেরিন ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট রবার্ট কেলি আফগানিস্তানে ২০১০ সালে নিহত হন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান হিসেবে মেক্সিকো সীমান্তে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ওয়াল নির্মাণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে তার ঘাড়ে।
ড্যান কোটস: ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত সিনেটর ড্যান কোটসকে গুরুত্বপূর্ণ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালকের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। সিনেটে থাকাকালে প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা কমিটিগুলোতে কাজ করেছেন তিনি। তিনি এমন এক কার্যালয়ের প্রধান হবেন যেটির গুরুত্ব ট্রাম্প প্রশাসনের অনেকে কমাতে চান। ৯/১১-এর হামলার পর আমেরিকার ১৬টি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় আনয়নের জন্য এই বিভাগ চালু করে জর্জ ডব্লিউ বুশের প্রশাসন। কোটস এর আগে জার্মানিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবেও কাজ করেন।
রিক পেরি: টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সাবেক গভর্নর রিক পেরিকে জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। মজার ব্যাপার হলো, মূলধারার রিপাবলিকানদের মধ্যে রিক পেরি ছিলেন প্রথম দিককার একজন যিনি ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন। নির্বাচনী মাঠে তিনিও ছিলেন একজন প্রার্থী। তবে প্রথম দিকেই দৌড় থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে ট্রাম্পকে সমর্থন দেন। তেল সমৃদ্ধ টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে বেশি দিন গভর্নরের দায়িত্ব পালন করেন পেরি। জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিয়ে তার বিশেষ আগ্রহও ছিল।
বেন কারসন: রিক পেরির মতো তিনিও ট্রাম্পের সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী। আবার পরে সমর্থনও দিয়েছেন তাকে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আগ্রহ ছিল তার। তবে অবশেষে গৃহায়ন ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী পদে এই সাবেক নিউরোসার্জনকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের সঙ্গে তার মিল হলো, তাদের দু’জনের কারোই সরকারি কোনো পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই।
এলাইন চাও: আগে একাধিকবার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এলাইন চাও। এবার তাকে পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রধানের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে বুশ প্রশাসনে শ্রমমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এশিয়ান বংশোদ্ভূত প্রথম কোনো নারী হিসেবে মার্কিন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন চাও। তার আরেক বড় পরিচয় হলো তিনি প্রভাবশালী রিপাবলিকান ও সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা মিচ মিককনেলের স্ত্রী তিনি। তাদেরকে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর পরিবারের একটি ভাবা হয়। এছাড়া ইউনাইটেড ওয়ের প্রধান নির্বাহী ও পিস কর্পসের পরিচালকের দায়িত্বেও আছেন তিনি। ধনবান জাহাজ ব্যবসায়ী পরিবারের কন্যা চাও সান ফ্রান্সিস্কো ও নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন ব্যাংকেও কাজ করেছেন।
রায়ান জিঙ্কে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে মন্টানা অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসম্যান রায়ান জিঙ্কেকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। তার আরেক বড় পরিচয় তিনি সাবেক নেভি সিল কমান্ডার। মার্কিন নৌবাহিনীর অভিজাত এই বিশেষ বাহিনীতে কাজ করে মুখোমুখি লড়াইয়ের জন্য দুটি ব্রোঞ্জ পদকও আছে তার ঝুলিতে। তিনি ট্রাম্পের সমর্থক শুরু থেকে। ২০১৫ সালে কংগ্রেসে যোগ দেয়ার পর পরিবেশ গ্রুপগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। জিঙ্কে কংগ্রেসের আর্মড সার্ভিসেস ও ন্যাচারাল রিসোর্সেস কমিটিতে সদস্য ছিলেন।
ফরেস্ট লুকাস: লুকাস ওয়েল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ফরেস্ট লুকাসকে কৃষিমন্ত্রী পদে ট্রাম্প মনোনীত করতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনি প্রাণী-অধিকারের বিরোধী।
ডেভিড শালকিন: এত দিন যুদ্ধপ্রবীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ডেভিড শালকিন। চমক দেখিয়ে তাকে এই মন্ত্রণালয়ের প্রধানের পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে নিউ ইয়র্কের বেশ কয়েকটি মেডিকেল সেন্টারের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ সিস্টেমের প্রধান মেডিকেল কর্মকর্তাও ছিলেন শালকিন। এ পদে লোক দেয়াটা খুব কঠিন ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য। এ জন্য ১ শতাধিক লোককে নিরীক্ষা করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্টিফেন ব্রেনান: বিতর্কিত এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব অনেক আগ থেকেই ট্রাম্পের নির্বাচনী কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছেন। একপর্যায়ে তিনি ট্রাম্প শিবিরের প্রধান নির্বাহীর পদে পান। কট্টর শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নির্বাচনে জয়ের পর তাকে হোয়াইট হাউসের প্রধান কৌশলবিদ ও জ্যেষ্ঠ পরামর্শদাতার পদে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বিতর্কিত ও আলোচিত অনলাইন সংবাদ পোর্টাল ব্রেইবার্ট নিউজের সাবেক প্রধান।
জ্যারেড কুশনার: তিনি ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের স্বামী। জ্যারেড কুশনার ট্রাম্প শিবিরে প্রচ- প্রভাবশালী। এ জন্য সমস্ত রীতিনীতি ভেঙে তাকে জ্যেষ্ঠ পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প। ধন্যাঢ্য জ্যারেড কুশনার শ্বশুর ট্রাম্পের মতোই রিয়েল স্টেট ব্যবসা করেন। নিউ ইয়র্ক অবজার্ভার নামে একটি পত্রিকাও আছে তার। ইহুদি জ্যারেড কুশনার ইসরাইল বিষয়ে বিশেষ আগ্রহী। কুশনার মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করেন ট্রাম্প।
অন্যান্য পদের মধ্যে সাউথ ক্যারোলাইনার কংগ্রেসম্যান মিক মালভ্যানি মনোনীত হয়েছেন হোয়াইট হাউসের ব্যবস্থাপনা ও বাজেটবিষয়ক পরিচালকে। পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার প্রধানের পদে মনোনীত হয়েছেন স্কট প্রুট। তিনি অকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল। মজার বিষয় হলো স্কট প্রুট নিজেই এই সংস্থার তীব্র সমালোচক। এ সংস্থার বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন তিনি। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মানেন না। ক্ষমতাধর গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ প্রধানের পদে কানসাসের কংগ্রেসম্যান মাইক পম্পেওকে মনোনয়ন দিয়েছেন ট্রাম্প। রিপাবলিকান দলের কট্টরপন্থি অংশটি পার্টির সদস্য ছিলেন তিনি। জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে সাউথ ক্যারোলাইনার সাবেক গভর্নর নিক্কি হ্যালেকে মনোনীত করেছেন ট্রাম্প। নিক্কি রিপাবলিকান দলের হলেও ট্রাম্প সমালোচক হিসেবে পরিচিত। স্মল বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধানের পদে নিয়োগ পেয়েছেন  লিন্ডা ম্যাকমহন। তিনি বিনোদনমূলক রেসলিং প্রতিষ্ঠান ডব্লিউডব্লিউইর সাবেক প্রধান নির্বাহী তিনি। এ প্রতিষ্ঠান তার পরিবারেরই। ট্রাম্প নিজে ডব্লিউডব্লিউইর কয়েকটি পর্বে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি সিনেটের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্য আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির পদে মনোনীত হয়েছেন আইনজীবী রবার্ট লাইটিজার। এর আগে প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের প্রশাসনে এই বিভাগের দ্বিতীয় শীর্ষ পদে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কার্যালয়ের প্রধান মূলত বাণিজ্য চুক্তি ও দ্বন্দ্বে সরকারের প্রধান আলোচকের দায়িত্ব পালন করেন।

(সিএনএন অবলম্বনে)

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X