মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ২:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, September 20, 2016 3:59 pm
A- A A+ Print

কাশ্মির হামলা, ভারতের পাশে আছে বাংলাদেশ : মোদিকে শেখ হাসিনা

1

কাশ্মিরে সেনাঘাঁটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে কঠিন এই সময়ে ভারতের পাশেই রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পাঠানো এক বার্তায় আশ্বাস দেন তিনি, যেই বার্তার একটি অনুলিপি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে রয়েছে। বোববার চার অস্ত্র ও গ্রেনেডধারী উরির সামরিক ঘাঁটিতে ঢুকে হামলা চালিয়ে ১৭ ভারতীয় সেনাকে হত্যা করে; হামলায় আহত হন আরও ৩৫ জন। পরে হামলাকারীরাও পাল্টা গুলিতে মারা যান। শেখ হাসিনা ‘সন্ত্রাসী এই হামলায়’ নিহত ও আহত সৈনিকদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী সহিংসতার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ এই কঠিন সময়ে ভারতের পাশে থাকবে। “ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে এই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ও সীমানাজুড়ে চলমান সব হুমকি নির্মূলে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।” সব ধরনের সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী ধ্যান-ধারণা এবং এর সহিংস প্রকাশের নিন্দা জানিয়ে এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। এর আগে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সৈয়দ মুয়াজ্জেম আলী সিএনএন-নিউজ১৮-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর বার্তার উল্লেখ করে ভারতের পাশে থাকার কথা জানান। “আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনায় বাংলাদেশের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ রয়েছে। ভারতের জন্য কঠিন এ সময়ে বাংলাদেশ তাদের পাশে থাকবে।” ভারতীয় কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বাংলাদেশ বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করবে বলেও জানান হাইকমিশনার। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্ব মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে উৎসারিত মন্তব্য করে মুয়াজ্জেম বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারতীয় সৈনিকের রক্ত যে বন্ধুত্বের ভিত্তি রচনা করেছিল, তা এখনো চলমান। “একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে একাত্তরের চেতনাই যেন আমাদের ভিত্তি হিসেবে অমলিন থাকে তা আমি চাইব।ওই সময় আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বাধীনতার জন্য লড়েছিলাম।” ২০১৪ সালের পর কাশ্মিরের উত্তরাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী হামলাগুলোর মধ‌্যে রোববারের হামলাকে ‘সবচেয়ে প্রাণঘাতী’ বলা হচ্ছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, চার জন আত্মঘাতী ভোরবেলায় ওই হামলা চালায়। তিন ঘণ্টা ধরে চলা লড়াইয়ে তারা সবাই নিহত হন। এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে অভিযোগ তুলে পাকিস্তানকে ‘কড়া জবাব’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ভারত। দেশভাগের পর থেকেই কাশ্মির নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছে। প্রতিবেশী দুটি দেশের মধ্যে সংঘটিত তিনটি যুদ্ধের মধ্যে দুটিই হয়েছে বিরোধপূর্ণ এই অঞ্চল ঘিরে। এই হামলা পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত তিক্ত সম্পর্কের দুটি শত্রুভাবাপন্ন দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও উসকে দিয়েছে; তৈরি হয়েছে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সামরিকায়িত এই সীমানাজুড়ে অনেক জায়গায় ভারত ও পাকিস্তানের সেনারা খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও প্রায়ই ঘটে থাকে।

Comments

Comments!

 কাশ্মির হামলা, ভারতের পাশে আছে বাংলাদেশ : মোদিকে শেখ হাসিনাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কাশ্মির হামলা, ভারতের পাশে আছে বাংলাদেশ : মোদিকে শেখ হাসিনা

Tuesday, September 20, 2016 3:59 pm
1

কাশ্মিরে সেনাঘাঁটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় হতাহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে কঠিন এই সময়ে ভারতের পাশেই রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পাঠানো এক বার্তায় আশ্বাস দেন তিনি, যেই বার্তার একটি অনুলিপি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে রয়েছে।

বোববার চার অস্ত্র ও গ্রেনেডধারী উরির সামরিক ঘাঁটিতে ঢুকে হামলা চালিয়ে ১৭ ভারতীয় সেনাকে হত্যা করে; হামলায় আহত হন আরও ৩৫ জন। পরে হামলাকারীরাও পাল্টা গুলিতে মারা যান।

শেখ হাসিনা ‘সন্ত্রাসী এই হামলায়’ নিহত ও আহত সৈনিকদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী সহিংসতার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ এই কঠিন সময়ে ভারতের পাশে থাকবে।

“ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে এই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা ও সীমানাজুড়ে চলমান সব হুমকি নির্মূলে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

সব ধরনের সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী ধ্যান-ধারণা এবং এর সহিংস প্রকাশের নিন্দা জানিয়ে এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সৈয়দ মুয়াজ্জেম আলী সিএনএন-নিউজ১৮-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর বার্তার উল্লেখ করে ভারতের পাশে থাকার কথা জানান।

“আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনায় বাংলাদেশের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ রয়েছে। ভারতের জন্য কঠিন এ সময়ে বাংলাদেশ তাদের পাশে থাকবে।”

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বাংলাদেশ বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করবে বলেও জানান হাইকমিশনার।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্ব মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে উৎসারিত মন্তব্য করে মুয়াজ্জেম বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভারতীয় সৈনিকের রক্ত যে বন্ধুত্বের ভিত্তি রচনা করেছিল, তা এখনো চলমান।

“একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে একাত্তরের চেতনাই যেন আমাদের ভিত্তি হিসেবে অমলিন থাকে তা আমি চাইব।ওই সময় আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বাধীনতার জন্য লড়েছিলাম।”

২০১৪ সালের পর কাশ্মিরের উত্তরাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী হামলাগুলোর মধ‌্যে রোববারের হামলাকে ‘সবচেয়ে প্রাণঘাতী’ বলা হচ্ছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, চার জন আত্মঘাতী ভোরবেলায় ওই হামলা চালায়। তিন ঘণ্টা ধরে চলা লড়াইয়ে তারা সবাই নিহত হন।

এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে অভিযোগ তুলে পাকিস্তানকে ‘কড়া জবাব’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ভারত।

দেশভাগের পর থেকেই কাশ্মির নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছে। প্রতিবেশী দুটি দেশের মধ্যে সংঘটিত তিনটি যুদ্ধের মধ্যে দুটিই হয়েছে বিরোধপূর্ণ এই অঞ্চল ঘিরে।

এই হামলা পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত তিক্ত সম্পর্কের দুটি শত্রুভাবাপন্ন দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও উসকে দিয়েছে; তৈরি হয়েছে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের আশঙ্কা।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সামরিকায়িত এই সীমানাজুড়ে অনেক জায়গায় ভারত ও পাকিস্তানের সেনারা খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও প্রায়ই ঘটে থাকে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X