মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, September 22, 2016 12:21 pm
A- A A+ Print

‘কাশ্মীরি সেনাঘাঁটির নিরাপত্তায় গলদ ছিল’

5

ঢাকা: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের উরিতে সেনাঘাঁটির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাঁক থাকার কথা স্বীকার করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর। তবে বিষয়টিকে সংবেদনশীল উল্লেখ করে তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি। বুধবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে উরি প্রসঙ্গে বলেন, ‘কোথাও তো ভুল-ত্রুটি ছিলই। আমি এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না। কারণ বিষয়টি সংবেদনশীল।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন কোনও কিছুতে ভুল হয়, তখন সকলেরই লক্ষ্য থাকে, যেন দ্বিতীয়বার সে রকমটা না ঘটে। কোথায় ভুল হয়েছে, তা প্রথমে খুঁজে বের করবো। তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবো, যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয়।’ উরির ঘটনার তদন্তে নেমে শুরু থেকেই গোয়েন্দারা মনে করছেন, অন্তর্ঘাতের কারণেই কার্যত বিনা প্রতিরোধে জঙ্গিরা ভিতরে ঢুকতে পেরেছিল। ঘাঁটিতে থাকে বা যাতায়াত করে– এমন কেউ  সাহায্য করেছে হামলাকারীদের। সেই সাহায্যকারী কে বা কারা তার খোঁজ চলছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সেনাঘাঁটির পিছনের দিকে দু’টি জায়গায় লোহার তারজালি কেটে ভিতরে ঢুকেছিল চার হামলাকারী। এরপর কী ভাবে ১৫০ মিটার ভিতরে কোনও বাধা ছাড়াই ঢুকে গেল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সে দিন ঘাঁটিতে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীদের ঘায়েল করে একেবারে বেছে বেছে হামলা চালায় হামলাকারীরা। অফিসারদের মেস ছাড়াও অস্থায়ী তাঁবুতে থাকা সেনারা ছিল মূল নিশানা। যাতে তারা তাঁবুর বাইরে বের হতে না পারেন, সেজন্য পরিকল্পিত ভাবে গ্রেনেড ছুঁড়ে ডিজেল ভাণ্ডারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে হামলাকারীদের রক্তের নমুনা ও ডিএনএ স্যাম্পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। হামলাকারীদের কাছে থাকা যে সব একে-৪৭ উদ্ধার করা হয়েছে, তা কোন দেশে বানানো সেই ছাপ অনুপস্থিত বলে জানিয়েছে এনআইএ। গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ওই ছাপ ঘষে তুলে দেওয়া হয় যাতে পাকিস্তানের দিকে আঙুল তোলা না যায়। তবে হামলাকারীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া খাবার, ওষুধ, সিরিঞ্জ পাকিস্তানে তৈরি। পঠানকোট, উধমপুর আর উরি– এসব হামলায় হামলাকারীরা একই ধরনের কিট ব্যবহার করছে বলে দেখা তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। হামলাকারীদের যে হ্যান্ডসেটটি পাওয়া গেছে, সেই ধরনের একটি হ্যান্ডসেট গত জুলাই মাসে ধৃত জঙ্গি বাহাদুর আলীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। যার সঙ্গে লস্কর-ই-তৈয়বার কন্ট্রোল রুম আলফা-থ্রির সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এই তথ্যপ্রমাণের বিষয়ে কথা বলতে আজ ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার আবদুল বাসিতকে ডেকে পাঠান পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্কর। পাকিস্তান কী ভাবে জঙ্গিবাদে মদত দিচ্ছে সেই তথ্য তুলে ধরা হয় বাসিতের কাছে। জয়শঙ্কর বসিতকে জানান, উরির হামলায় সন্ত্রাসবাদীদের শরীর থেকে উদ্ধার হওয়া জিপিএস থেকে কোথায়, কোন সময় তারা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ঢুকেছে, তা জানা গেছে। তাদের ব্যবহৃত গ্রেনেড, কমিউনিকেশন ম্যাট্রিক্স, খাবার, ওষুধ ও জামাকাপড়ে পাকিস্তানের ছাপ পাওয়া গেছে বলেও জয়শঙ্কর উল্লেখ করেন। পাকিস্তান সন্ত্রাসের তদন্ত করতে চাইলে ভারত উরি ও পুঞ্চে নিহত জঙ্গিদের আঙুলের ছাপ, ডিএনএ নমুনা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন। পাকিস্তানকে কী ভাবে জবাব দেওয়া হবে– তা নিয়ে আজও মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি আলোচনায় বসে। পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর মন্তব্য করেন, ‘আমরা সব সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন অপরাধীরা শাস্তি পাবেই। এটা কথার কথা নয়। একে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’ ভারত হামলা চালালে পাকিস্তান পরমাণু শক্তি ব্যবহার করতে পারে বলে ইসলামাবাদ যে হুমকি দিয়েছে তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি পারিকর। এ সম্পর্কে তার মত, ‘শূন্য পাত্রই আওয়াজ করে বেশি।’ বুধবার সন্ধ্যায় শীর্ষ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মোদি। শুক্রবার থেকে কোজিকোড়ে শুরু হচ্ছে বিজেপির জাতীয় পরিষদের বৈঠক। তাই এই বৈঠকে হাজির ছিলেন দলের সভাপতি অমিত শাহও। উরির ঘটনার পর বিজেপির মধ্যেও দাবি উঠেছে পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দেওয়ার। এই পরিস্থিতিতে জবাব কী হবে – তা নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। উরির সেনাঘাঁটিতে হামলার প্রতিক্রিয়ায় এরইমধ্যে দুই ধাপে বেশ কয়েকজন কথিত সন্ত্রাসী প্রাণ হারিয়েছেন ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, হত্যাকাণ্ডের শিকার ওই সন্ত্রাসীরা পাকিস্তান সীমান্ত থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। এই দাবি অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অব্যাহত অভিযোগ ভারতের সীমানা পেরিয়ে মার্কিন পার্লামেন্টেও জায়গা করে নিয়েছে। দেশটিকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি তুলেছেন দুজন আইনপ্রণেতা। এদিকে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কার কথা প্রচার করে যাচ্ছে দুই দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যম। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।
 

Comments

Comments!

 ‘কাশ্মীরি সেনাঘাঁটির নিরাপত্তায় গলদ ছিল’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘কাশ্মীরি সেনাঘাঁটির নিরাপত্তায় গলদ ছিল’

Thursday, September 22, 2016 12:21 pm
5

ঢাকা: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের উরিতে সেনাঘাঁটির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাঁক থাকার কথা স্বীকার করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর। তবে বিষয়টিকে সংবেদনশীল উল্লেখ করে তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে উরি প্রসঙ্গে বলেন, ‘কোথাও তো ভুল-ত্রুটি ছিলই। আমি এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না। কারণ বিষয়টি সংবেদনশীল।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন কোনও কিছুতে ভুল হয়, তখন সকলেরই লক্ষ্য থাকে, যেন দ্বিতীয়বার সে রকমটা না ঘটে। কোথায় ভুল হয়েছে, তা প্রথমে খুঁজে বের করবো। তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবো, যেন তার পুনরাবৃত্তি না হয়।’

উরির ঘটনার তদন্তে নেমে শুরু থেকেই গোয়েন্দারা মনে করছেন, অন্তর্ঘাতের কারণেই কার্যত বিনা প্রতিরোধে জঙ্গিরা ভিতরে ঢুকতে পেরেছিল। ঘাঁটিতে থাকে বা যাতায়াত করে– এমন কেউ  সাহায্য করেছে হামলাকারীদের। সেই সাহায্যকারী কে বা কারা তার খোঁজ চলছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সেনাঘাঁটির পিছনের দিকে দু’টি জায়গায় লোহার তারজালি কেটে ভিতরে ঢুকেছিল চার হামলাকারী।

এরপর কী ভাবে ১৫০ মিটার ভিতরে কোনও বাধা ছাড়াই ঢুকে গেল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সে দিন ঘাঁটিতে ঢুকে নিরাপত্তারক্ষীদের ঘায়েল করে একেবারে বেছে বেছে হামলা চালায় হামলাকারীরা। অফিসারদের মেস ছাড়াও অস্থায়ী তাঁবুতে থাকা সেনারা ছিল মূল নিশানা। যাতে তারা তাঁবুর বাইরে বের হতে না পারেন, সেজন্য পরিকল্পিত ভাবে গ্রেনেড ছুঁড়ে ডিজেল ভাণ্ডারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে হামলাকারীদের রক্তের নমুনা ও ডিএনএ স্যাম্পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। হামলাকারীদের কাছে থাকা যে সব একে-৪৭ উদ্ধার করা হয়েছে, তা কোন দেশে বানানো সেই ছাপ অনুপস্থিত বলে জানিয়েছে এনআইএ।

গোয়েন্দাদের বক্তব্য, ওই ছাপ ঘষে তুলে দেওয়া হয় যাতে পাকিস্তানের দিকে আঙুল তোলা না যায়। তবে হামলাকারীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া খাবার, ওষুধ, সিরিঞ্জ পাকিস্তানে তৈরি। পঠানকোট, উধমপুর আর উরি– এসব হামলায় হামলাকারীরা একই ধরনের কিট ব্যবহার করছে বলে দেখা তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

হামলাকারীদের যে হ্যান্ডসেটটি পাওয়া গেছে, সেই ধরনের একটি হ্যান্ডসেট গত জুলাই মাসে ধৃত জঙ্গি বাহাদুর আলীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। যার সঙ্গে লস্কর-ই-তৈয়বার কন্ট্রোল রুম আলফা-থ্রির সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এই তথ্যপ্রমাণের বিষয়ে কথা বলতে আজ ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার আবদুল বাসিতকে ডেকে পাঠান পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্কর। পাকিস্তান কী ভাবে জঙ্গিবাদে মদত দিচ্ছে সেই তথ্য তুলে ধরা হয় বাসিতের কাছে।

জয়শঙ্কর বসিতকে জানান, উরির হামলায় সন্ত্রাসবাদীদের শরীর থেকে উদ্ধার হওয়া জিপিএস থেকে কোথায়, কোন সময় তারা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ঢুকেছে, তা জানা গেছে। তাদের ব্যবহৃত গ্রেনেড, কমিউনিকেশন ম্যাট্রিক্স, খাবার, ওষুধ ও জামাকাপড়ে পাকিস্তানের ছাপ পাওয়া গেছে বলেও জয়শঙ্কর উল্লেখ করেন। পাকিস্তান সন্ত্রাসের তদন্ত করতে চাইলে ভারত উরি ও পুঞ্চে নিহত জঙ্গিদের আঙুলের ছাপ, ডিএনএ নমুনা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন।

পাকিস্তানকে কী ভাবে জবাব দেওয়া হবে– তা নিয়ে আজও মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি আলোচনায় বসে। পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর মন্তব্য করেন, ‘আমরা সব সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন অপরাধীরা শাস্তি পাবেই। এটা কথার কথা নয়। একে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’ ভারত হামলা চালালে পাকিস্তান পরমাণু শক্তি ব্যবহার করতে পারে বলে ইসলামাবাদ যে হুমকি দিয়েছে তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি পারিকর। এ সম্পর্কে তার মত, ‘শূন্য পাত্রই আওয়াজ করে বেশি।’

বুধবার সন্ধ্যায় শীর্ষ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মোদি। শুক্রবার থেকে কোজিকোড়ে শুরু হচ্ছে বিজেপির জাতীয় পরিষদের বৈঠক। তাই এই বৈঠকে হাজির ছিলেন দলের সভাপতি অমিত শাহও। উরির ঘটনার পর বিজেপির মধ্যেও দাবি উঠেছে পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দেওয়ার। এই পরিস্থিতিতে জবাব কী হবে – তা নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

উরির সেনাঘাঁটিতে হামলার প্রতিক্রিয়ায় এরইমধ্যে দুই ধাপে বেশ কয়েকজন কথিত সন্ত্রাসী প্রাণ হারিয়েছেন ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, হত্যাকাণ্ডের শিকার ওই সন্ত্রাসীরা পাকিস্তান সীমান্ত থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। এই দাবি অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ।

তবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অব্যাহত অভিযোগ ভারতের সীমানা পেরিয়ে মার্কিন পার্লামেন্টেও জায়গা করে নিয়েছে। দেশটিকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি তুলেছেন দুজন আইনপ্রণেতা। এদিকে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কার কথা প্রচার করে যাচ্ছে দুই দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যম।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X