শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৫৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, October 24, 2016 12:14 pm
A- A A+ Print

কাশ্মীরে ছররা গুলিতে আহতদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী

157482_1

   
শ্রীনগর: ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভ দমনে ভারতীয় বাহিনীর ছোড়া ছররা গুলিতে আহতদের অন্তত ৫০০ জনের বয়স ২০ বছরের নিচে। তাদের বেশিরভাগই স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং তাদের আক্রান্ত চোখের দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার জন্য এখনো সংগ্রাম করে যাচ্ছে। হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী, ছররায় আহত মোট ১০৬৫ জনকে শ্রীনগরের শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালে এবং শের-ই-কাশ্মীর মেডিকেল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫২৩ জনই ২০ বছরের নিচে। এছাড়াও, ১০১ জনের বয়স ১৫ বছরের নিচে এবং ছররায় আহত সবচেয়ে ছোট শিশুটির বয়স ৪ বছর।
হাসপাতালের ডাক্তাররা এ ঘটনাকে একটি দুঃখজনক পরিস্থিতির প্রমাণ বলে বর্ণনা করেন। শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালের একজন ডাক্তার বলেন, ‘আহতদের অধিকাংশই ২০ বছরের কম বয়সী। মারাত্মক আঘাতের কারণে তাদের অধিকাংশরই চোখ নষ্ট হওয়ার পথে।’ গত ১০৭ দিনের মতো কাশ্মীরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। গত ৮ জুলাই হিজবুল মোজাহিদিনি কমান্ডার বুরহান ওয়ানি ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হলে সমগ্র কাশ্মীর জুড়ে এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ডাক্তাররা জানান, ‘ছররা গুলিতে চোখে আঘাত প্রাপ্তদের মধ্যে আরো ৩৭০ জনের বয়স ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে। তাদের মধ্যেও অনেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী রয়েছে।’ এসব আহতদের আরোগ্যলাভের জন্য এক বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে তারা জানিয়েছেন। শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালের একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ বলেন ‘চোখে আঘাত প্রাপ্তদের একাধিকবার সার্জারি অপারেশন করতে হয়েছে। রোগীদের চোখের সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।’ তিনি আরো জানান, এসব আহতরা শিগগিরই নিয়মিত কোনো কার্যকলাপে অংশ নিতে পারবে না। আহতের মধ্যে অন্তত ৫০ জন উভয় চোখেই মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। ডাক্তারদের ভয়, ছররায় আহতদের অধিকাংশই আর স্কুলে ফিরে যেতে পারবেনা।

Comments

Comments!

 কাশ্মীরে ছররা গুলিতে আহতদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কাশ্মীরে ছররা গুলিতে আহতদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী

Monday, October 24, 2016 12:14 pm
157482_1

 

 

শ্রীনগর: ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভ দমনে ভারতীয় বাহিনীর ছোড়া ছররা গুলিতে আহতদের অন্তত ৫০০ জনের বয়স ২০ বছরের নিচে। তাদের বেশিরভাগই স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী এবং তাদের আক্রান্ত চোখের দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার জন্য এখনো সংগ্রাম করে যাচ্ছে।

হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী, ছররায় আহত মোট ১০৬৫ জনকে শ্রীনগরের শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালে এবং শের-ই-কাশ্মীর মেডিকেল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫২৩ জনই ২০ বছরের নিচে।

এছাড়াও, ১০১ জনের বয়স ১৫ বছরের নিচে এবং ছররায় আহত সবচেয়ে ছোট শিশুটির বয়স ৪ বছর।

হাসপাতালের ডাক্তাররা এ ঘটনাকে একটি দুঃখজনক পরিস্থিতির প্রমাণ বলে বর্ণনা করেন।

শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালের একজন ডাক্তার বলেন, ‘আহতদের অধিকাংশই ২০ বছরের কম বয়সী। মারাত্মক আঘাতের কারণে তাদের অধিকাংশরই চোখ নষ্ট হওয়ার পথে।’

গত ১০৭ দিনের মতো কাশ্মীরে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। গত ৮ জুলাই হিজবুল মোজাহিদিনি কমান্ডার বুরহান ওয়ানি ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হলে সমগ্র কাশ্মীর জুড়ে এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

ডাক্তাররা জানান, ‘ছররা গুলিতে চোখে আঘাত প্রাপ্তদের মধ্যে আরো ৩৭০ জনের বয়স ২১ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে। তাদের মধ্যেও অনেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী রয়েছে।’

এসব আহতদের আরোগ্যলাভের জন্য এক বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে তারা জানিয়েছেন।

শ্রী মহারাজা হরি সিং হাসপাতালের একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ বলেন ‘চোখে আঘাত প্রাপ্তদের একাধিকবার সার্জারি অপারেশন করতে হয়েছে। রোগীদের চোখের সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।’

তিনি আরো জানান, এসব আহতরা শিগগিরই নিয়মিত কোনো কার্যকলাপে অংশ নিতে পারবে না।

আহতের মধ্যে অন্তত ৫০ জন উভয় চোখেই মারাত্মক আঘাত পেয়েছেন। ডাক্তারদের ভয়, ছররায় আহতদের অধিকাংশই আর স্কুলে ফিরে যেতে পারবেনা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X