বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, July 14, 2017 7:22 pm
A- A A+ Print

কাশ্মীর সঙ্কট সমাধানে চীনের মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ভারতের

178320_1

নয়া দিল্লি: অধিকৃত কাশ্মীর সঙ্কট সমাধানে চীনের মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘কাশ্মীর সঙ্কট নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যকার  দ্বিপক্ষীয় ইস্যু এবং এ সঙ্কট সমাধানে ভারত পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোন দেশ বা চীনের সাথে আলোচনা করতে রাজি নয়’। প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার পর থেকেই কাশ্মীর ইস্যুটি নিয়ে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ নিয়ে একাধিকবার সীমান্ত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল প্রতিবেশী দুই দেশ। পাকিস্তান বরাবরই জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় এই সঙ্কটের সমাধানে আগ্রহী। তবে ভারত কাশ্মীর ইস্যুটি নিয়ে তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে কোন রকম আলোচনার যেতে চায় না। এমনকি জাতিসংঘের মধ্যস্থতাও মানবে না ভারত। চীন বলেছে, ‘আমরা গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চাই। বিশেষ করে বিতর্কিত কাশ্মীর উপত্যকা নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার চলমান বিরোধ মিটিয়ে এ অঞ্চলেন শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনতে চাই।’ তবে বৃহস্পতিবার ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র চীনের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। গোপাল ব্যাগ্লে বলেন, ‘আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচন করতে প্রস্তুত, কিন্তু তৃতীয় পক্ষের সাথে কোনো মধ্যস্থতার আলোচনা করবো না’। ‘আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আপনারা জানেন একটি দেশ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসকে মদত দিচ্ছে যা এ অঞ্চল এবং সারাবিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ভারত এবং পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ এশীয় দেশ কিন্তু বর্তমান কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চিন্তিত’। চীন এমন সময়ে মন্তব্যটি করেছে যখন চীন ভারতের সিকিম রাজ্যের কাছাকাছি ডোকলাম এলাকায় একটি রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা করছে কিন্তু ভারত এর তীব্র বিরোধিতা করছে। এদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর হতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সংলাপের মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান করতে চায়। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নাফিস জাকারিয়া বলেন, ‘জাতিসংঘের প্রধান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, চীনা নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্যরা কাশ্মীরের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করার প্রস্তাব দিয়েছেন।’ কাশ্মীর একটি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ হিমালয় অঞ্চল যা ভারত ও পাকিস্তান কর্তৃক শাসিত হয় এবং উভয় দেশই সম্পূর্ণ কাশ্মীরকে নিজেদের দাবি করে। ভারত সম্পূর্ণ জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকাকে তাদের বলে দাবি করে। ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী, জম্মুর বেশিরভাগ অংশ, কাশ্মীর উপত্যকা, লাদাখ এবং সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে প্রায় ৪৩% অঞ্চল ভারত শাসন করছে। পাকিস্তান এই দাবির বিরোধিতা করে, তারা প্রায় কাশ্মীরের ৩৭% নিয়ন্ত্রণ করে যার মধ্যে আছে আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট বাল্টিস্থানের উত্তরাঞ্চল। কাশ্মীরের জনগণ পাকিস্তানে যোগ দেয়ার জন্য জন্য ১৯৪৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। আর এ লড়াইয়ে ১৯৮৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে প্রায় ৭০ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে। আনাদোলু নিউজ এজেন্সি অবলম্বনে

Comments

Comments!

 কাশ্মীর সঙ্কট সমাধানে চীনের মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ভারতেরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কাশ্মীর সঙ্কট সমাধানে চীনের মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ভারতের

Friday, July 14, 2017 7:22 pm
178320_1

নয়া দিল্লি: অধিকৃত কাশ্মীর সঙ্কট সমাধানে চীনের মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘কাশ্মীর সঙ্কট নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যকার  দ্বিপক্ষীয় ইস্যু এবং এ সঙ্কট সমাধানে ভারত পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোন দেশ বা চীনের সাথে আলোচনা করতে রাজি নয়’।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার পর থেকেই কাশ্মীর ইস্যুটি নিয়ে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ নিয়ে একাধিকবার সীমান্ত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল প্রতিবেশী দুই দেশ। পাকিস্তান বরাবরই জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় এই সঙ্কটের সমাধানে আগ্রহী। তবে ভারত কাশ্মীর ইস্যুটি নিয়ে তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে কোন রকম আলোচনার যেতে চায় না। এমনকি জাতিসংঘের মধ্যস্থতাও মানবে না ভারত।

চীন বলেছে, ‘আমরা গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চাই। বিশেষ করে বিতর্কিত কাশ্মীর উপত্যকা নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার চলমান বিরোধ মিটিয়ে এ অঞ্চলেন শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনতে চাই।’

তবে বৃহস্পতিবার ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র চীনের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

গোপাল ব্যাগ্লে বলেন, ‘আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচন করতে প্রস্তুত, কিন্তু তৃতীয় পক্ষের সাথে কোনো মধ্যস্থতার আলোচনা করবো না’।

‘আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আপনারা জানেন একটি দেশ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসকে মদত দিচ্ছে যা এ অঞ্চল এবং সারাবিশ্বের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, ভারত এবং পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ এশীয় দেশ কিন্তু বর্তমান কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চিন্তিত’।

চীন এমন সময়ে মন্তব্যটি করেছে যখন চীন ভারতের সিকিম রাজ্যের কাছাকাছি ডোকলাম এলাকায় একটি রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা করছে কিন্তু ভারত এর তীব্র বিরোধিতা করছে।

এদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর হতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সংলাপের মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান করতে চায়। পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নাফিস জাকারিয়া বলেন, ‘জাতিসংঘের প্রধান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, চীনা নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্যরা কাশ্মীরের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করার প্রস্তাব দিয়েছেন।’

কাশ্মীর একটি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ হিমালয় অঞ্চল যা ভারত ও পাকিস্তান কর্তৃক শাসিত হয় এবং উভয় দেশই সম্পূর্ণ কাশ্মীরকে নিজেদের দাবি করে।

ভারত সম্পূর্ণ জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকাকে তাদের বলে দাবি করে। ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী, জম্মুর বেশিরভাগ অংশ, কাশ্মীর উপত্যকা, লাদাখ এবং সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে প্রায় ৪৩% অঞ্চল ভারত শাসন করছে। পাকিস্তান এই দাবির বিরোধিতা করে, তারা প্রায় কাশ্মীরের ৩৭% নিয়ন্ত্রণ করে যার মধ্যে আছে আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট বাল্টিস্থানের উত্তরাঞ্চল।

কাশ্মীরের জনগণ পাকিস্তানে যোগ দেয়ার জন্য জন্য ১৯৪৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। আর এ লড়াইয়ে ১৯৮৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে প্রায় ৭০ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে।

আনাদোলু নিউজ এজেন্সি অবলম্বনে

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X