শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:১৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, November 25, 2016 6:43 pm
A- A A+ Print

‘কিছু দালাল টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢোকাচ্ছে’

98

দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরের ‘মালঞ্চ’ কটেজের প্রাঙ্গণে বিজিবি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক এসব কথা বলেন। মেজর জেনারেল আবুল হোসেন বলেন, ‘কিছু রোহিঙ্গা নাফ নদীসহ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। বিজিবির একার পক্ষে ৬৩ কিলোমিটার জলসীমান্তসহ ২৭১ কিলোমিটার জলপথের শতভাগ নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। যেসব স্থলপথে বিজিবি টহল দিতে পারছে না, সেসব পয়েন্ট দিয়ে কিছু দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢোকাচ্ছে। এটি অস্বীকার করার অবকাশ নেই। কারণ, আপনারা জানেন সীমান্তের উভয় পারে কিছু দালাল রয়েছে। তাদের সহযোগিতায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। যেসব পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটছে, সে রকম কয়েকটি পয়েন্ট চিহ্নিত করে ওই পয়েন্টগুলোতে বিজিবির বাড়তি নজরদারি করা হয়েছে। তবে কী পরিমাণ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে, তার পরিসংখ্যান বিজিবির কাছে নেই।’ বিপদাপন্ন রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আবুল হোসেন বলেন, এটি বিশ্বায়নের যুগ। কোনো কিছু গোপন করার সুযোগ নেই। মিয়ানমারে কী হচ্ছে, সেটি বিশ্ববাসী দেখছে। এরপরও রোহিঙ্গাদের সব মানবিক সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, এ সম্পর্কে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ চিন্তা করছে। বিজিবির কাজ হচ্ছে সীমান্ত পাহারা দেওয়া। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে স্মার্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্ট করা হয়েছে। তবু অনুপ্রবেশ রোধ করা সম্ভব হয় না। এরপরও বর্তমান সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, সড়ক ও টাওয়ার স্থাপনের চিন্তা করছে। তবে এটি শিগগিরই সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দিয়ে সীমান্ত সমস্যা নিরসনের চেষ্টা চালাই। দুই দিন ধরে আমি স্থল ও জলসীমান্ত পরিদর্শন করেছি। এ সময় এবং সম্প্রতি কক্সবাজারে রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠকে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) চোরাচালানসহ সব বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি চট্টগ্রাম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, কক্সবাজার সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল এম এম আনিসুর রহমান, টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিউল আলমসহ পদস্থ কর্মকর্তারা। এর আগে বিজিবির মহাপরিচালক বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার এসে স্থলপথে উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত এবং শুক্রবার (আজ) সকালে তিনটি স্পিডবোটযোগে নাফ নদী দিয়ে টেকনাফ থেকে শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে বিকেলে তিনি সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে টেকনাফ ত্যাগ করেন।

Comments

Comments!

 ‘কিছু দালাল টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢোকাচ্ছে’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘কিছু দালাল টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢোকাচ্ছে’

Friday, November 25, 2016 6:43 pm
98

দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরের ‘মালঞ্চ’ কটেজের প্রাঙ্গণে বিজিবি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক এসব কথা বলেন।
মেজর জেনারেল আবুল হোসেন বলেন, ‘কিছু রোহিঙ্গা নাফ নদীসহ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। বিজিবির একার পক্ষে ৬৩ কিলোমিটার জলসীমান্তসহ ২৭১ কিলোমিটার জলপথের শতভাগ নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। যেসব স্থলপথে বিজিবি টহল দিতে পারছে না, সেসব পয়েন্ট দিয়ে কিছু দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢোকাচ্ছে। এটি অস্বীকার করার অবকাশ নেই। কারণ, আপনারা জানেন সীমান্তের উভয় পারে কিছু দালাল রয়েছে। তাদের সহযোগিতায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। যেসব পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটছে, সে রকম কয়েকটি পয়েন্ট চিহ্নিত করে ওই পয়েন্টগুলোতে বিজিবির বাড়তি নজরদারি করা হয়েছে। তবে কী পরিমাণ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে, তার পরিসংখ্যান বিজিবির কাছে নেই।’
বিপদাপন্ন রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আবুল হোসেন বলেন, এটি বিশ্বায়নের যুগ। কোনো কিছু গোপন করার সুযোগ নেই। মিয়ানমারে কী হচ্ছে, সেটি বিশ্ববাসী দেখছে। এরপরও রোহিঙ্গাদের সব মানবিক সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।
অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, এ সম্পর্কে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ চিন্তা করছে। বিজিবির কাজ হচ্ছে সীমান্ত পাহারা দেওয়া। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে।
সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার বিষয়ে মহাপরিচালক বলেন, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে স্মার্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্ট করা হয়েছে। তবু অনুপ্রবেশ রোধ করা সম্ভব হয় না। এরপরও বর্তমান সরকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, সড়ক ও টাওয়ার স্থাপনের চিন্তা করছে। তবে এটি শিগগিরই সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দিয়ে সীমান্ত সমস্যা নিরসনের চেষ্টা চালাই। দুই দিন ধরে আমি স্থল ও জলসীমান্ত পরিদর্শন করেছি। এ সময় এবং সম্প্রতি কক্সবাজারে রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠকে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) চোরাচালানসহ সব বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি চট্টগ্রাম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, কক্সবাজার সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার কর্নেল এম এম আনিসুর রহমান, টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিউল আলমসহ পদস্থ কর্মকর্তারা। এর আগে বিজিবির মহাপরিচালক বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার এসে স্থলপথে উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত এবং শুক্রবার (আজ) সকালে তিনটি স্পিডবোটযোগে নাফ নদী দিয়ে টেকনাফ থেকে শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে বিকেলে তিনি সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে টেকনাফ ত্যাগ করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X