সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:০১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 29, 2017 8:51 am
A- A A+ Print

কেনেডি হত্যার নথি : কে এই রহস্যঘেরা রুশ বংশোদ্ভূত প্রকৌশলী?

a593d5cec8786eb0dbec20ac59852767-59f4e7aa19af2

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডিকে হত্যার কয়েক দিন পরের ঘটনা। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে কর্মরত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) এক সদস্যের কাছে ফোন করেন তাঁর এক বন্ধু। তিনি জানালেন, হত্যাকারী লি হারভি অসওয়াল্ডের সঙ্গে তাঁর এক অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল ১৯৬৩ সালের জানুয়ারি মাসে। আর কেনেডি খুন হন ওই বছরের ২২ নভেম্বর। জানুয়ারির ওই অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন জর্জ ডি মোহানশিল্ড। তিনি জ্বালানি প্রকৌশলী। রুশ বংশোদ্ভূত নাগরিক। তাঁর সম্পর্কে বিশদ তথ্য এসেছে কেনেডি হত্যা-সংক্রান্ত নথিতে। তাঁর গল্পটি অনেকটা গোয়েন্দা কাহিনির মতো। বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর যোগাযোগ ছিল। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের বাল্যকালের বন্ধুর মামা ছিলেন তিনি। তাঁর অর্থ ছিল, খরচও করতেন। আমুদে ও আয়েশি জীবনযাপন করতেন। ছিল নারীদের প্রতি আসক্তি। ১৯৪২ সালে তিনি সিআইএর পূর্বসূরি অফিস অব দ্য স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নাৎসিদের প্রতি সহানুভূতিশীল—এমন অভিযোগের কারণে তাঁকে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। এরপর তিনি জ্বালানি প্রকৌশলী হয়ে ওঠেন। ১৯৭৭ সালে তিনি আত্মহত্যা করেন। মোহানশিল্ডের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী তদন্তকারীদের একটি ছবি সরবরাহ করেন। এতে দেখা যায়, অসওয়াল্ড আর মোহানশিল্ড পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। অসওয়াল্ডের হাতে একটি রাইফেল। এটি দিয়েই প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারী।

কেনেডির মৃত্যুর পর সোকোনি মোবাইল রিসার্চ ল্যাবরেটরির দুই কর্মী ডালাসে সিআইএর কর্মকর্তা জে ওয়াল্টন মুরকে ফোন করেন। তাঁদের মধ্যে মারিয়ান দুগান নামের কর্মী সিআইএর সদস্যকে ওই প্রকৌশলী সম্পর্কে তথ্য দেন। তিনি বলেন, ডালাসে অসওয়াল্ডকে বন্ধু হিসেবে বরণ করেন মোহানশিল্ড। তাঁকে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি গবেষণা দলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

কেনেডি হত্যার পর ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত দুই বছর হাইতিতে ছিলেন ওই প্রকৌশলী। এর আগে ১৯৫৭ সালে তৎকালীন কমিউনিস্ট রাষ্ট্র যুগোস্লাভিয়ায় ছিলেন তিনি। জানা যায়, যুগোস্লাভিয়া থেকে ফেরার পর সিআইএর ওয়াল্টন মুর ওই রুশ বংশোদ্ভূত প্রকৌশলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

মোহানশিল্ডের প্রসঙ্গ সামনে চলে আসে ১৯৭৫ সালে। তখন কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে সিআইএ এবং তাঁর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে চলে আসে। একই সঙ্গে কেনেডি হত্যায় তাঁদের জড়িত থাকা নিয়েও সন্দেহ জেগে ওঠে।

Comments

Comments!

 কেনেডি হত্যার নথি : কে এই রহস্যঘেরা রুশ বংশোদ্ভূত প্রকৌশলী?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কেনেডি হত্যার নথি : কে এই রহস্যঘেরা রুশ বংশোদ্ভূত প্রকৌশলী?

Sunday, October 29, 2017 8:51 am
a593d5cec8786eb0dbec20ac59852767-59f4e7aa19af2

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডিকে হত্যার কয়েক দিন পরের ঘটনা। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে কর্মরত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) এক সদস্যের কাছে ফোন করেন তাঁর এক বন্ধু। তিনি জানালেন, হত্যাকারী লি হারভি অসওয়াল্ডের সঙ্গে তাঁর এক অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল ১৯৬৩ সালের জানুয়ারি মাসে। আর কেনেডি খুন হন ওই বছরের ২২ নভেম্বর।

জানুয়ারির ওই অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন জর্জ ডি মোহানশিল্ড। তিনি জ্বালানি প্রকৌশলী। রুশ বংশোদ্ভূত নাগরিক। তাঁর সম্পর্কে বিশদ তথ্য এসেছে কেনেডি হত্যা-সংক্রান্ত নথিতে। তাঁর গল্পটি অনেকটা গোয়েন্দা কাহিনির মতো। বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর যোগাযোগ ছিল। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের বাল্যকালের বন্ধুর মামা ছিলেন তিনি। তাঁর অর্থ ছিল, খরচও করতেন। আমুদে ও আয়েশি জীবনযাপন করতেন। ছিল নারীদের প্রতি আসক্তি।

১৯৪২ সালে তিনি সিআইএর পূর্বসূরি অফিস অব দ্য স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নাৎসিদের প্রতি সহানুভূতিশীল—এমন অভিযোগের কারণে তাঁকে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। এরপর তিনি জ্বালানি প্রকৌশলী হয়ে ওঠেন। ১৯৭৭ সালে তিনি আত্মহত্যা করেন।

মোহানশিল্ডের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী তদন্তকারীদের একটি ছবি সরবরাহ করেন। এতে দেখা যায়, অসওয়াল্ড আর মোহানশিল্ড পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। অসওয়াল্ডের হাতে একটি রাইফেল। এটি দিয়েই প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে নিশ্চিত হয়েছেন তদন্তকারী।

কেনেডির মৃত্যুর পর সোকোনি মোবাইল রিসার্চ ল্যাবরেটরির দুই কর্মী ডালাসে সিআইএর কর্মকর্তা জে ওয়াল্টন মুরকে ফোন করেন। তাঁদের মধ্যে মারিয়ান দুগান নামের কর্মী সিআইএর সদস্যকে ওই প্রকৌশলী সম্পর্কে তথ্য দেন। তিনি বলেন, ডালাসে অসওয়াল্ডকে বন্ধু হিসেবে বরণ করেন মোহানশিল্ড। তাঁকে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি গবেষণা দলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

কেনেডি হত্যার পর ১৯৬৪ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত দুই বছর হাইতিতে ছিলেন ওই প্রকৌশলী। এর আগে ১৯৫৭ সালে তৎকালীন কমিউনিস্ট রাষ্ট্র যুগোস্লাভিয়ায় ছিলেন তিনি। জানা যায়, যুগোস্লাভিয়া থেকে ফেরার পর সিআইএর ওয়াল্টন মুর ওই
রুশ বংশোদ্ভূত প্রকৌশলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

মোহানশিল্ডের প্রসঙ্গ সামনে চলে আসে ১৯৭৫ সালে। তখন কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে সিআইএ এবং তাঁর সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে চলে আসে। একই সঙ্গে কেনেডি হত্যায় তাঁদের জড়িত থাকা নিয়েও সন্দেহ জেগে ওঠে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X