বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৩৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 28, 2016 8:54 pm
A- A A+ Print

কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ না পাওয়ায় রাজশাহীর লিটন সমর্থকরা হতাশ

157909_1

রাজশাহী: আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে কমিটিতে জাতীয় নেতার অন্যতম শহীদ কামরুজ্জামান হেনার ছেলে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে কোনো পদ না দেওয়ায় তার সমর্থকরা চরম হতাশ হয়েছেন। এ নিয়ে গত ক’দিন ধরে ভার্চুয়াল জগতে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। লিটন সমর্থকদের অনেকেই তাদের পছন্দের নেতাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে কোনো পদ না দেওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। লিটনের ঘনিষ্টজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু সমর্থকরাই নয়, লিটন নিজেও এ বিষয়ে হতাশ হয়েছেন। কেননা, সম্মেলনের কয়েক দিন আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল এবারের সম্মেলনে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হতে পারে। এছাড়াও আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে লিটনকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করার দাবি জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আসছিল তার সমর্থকরা। কিন্তু গত ২২-২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সমর্থকদের সে আশা পূরণ হয়নি। এতে অনেকেই চটেছেন। এরপরও অনেকে আশা করেছিলেন, লিটনকে অন্তত সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে রাখা হবে। কিন্তু সেটাও করা হয়নি। লিটন সমর্থকদের বক্তব্য হলো- আওয়ামী লীগ তিন তিন বার ক্ষমতাসীন হলেও এই পরিবারের সদস্যরা বরাবরই থেকেছেন ক্ষমতার স্বাদের বাইরে। এরমধ্যে মাত্র একবার ২০০৮ সালে রাজশাহী সিটি নির্বাচনে  এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন একবার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু সেটি আবার অনেকটাই জোর করে কেড়ে নেয়ার মতো বিষয় ছিল। কেননা, ওই সময় মেয়র পদে ১৪ দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশাকে। পরে স্থানীয়দের চাপে নাগরিক কমিটির ব্যানারে লিটন মেয়র নির্বাচিত হন। পুরো পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে রমিজ নামে লিটনের এক সমর্থক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে বিএনপির ঘাটিতে ভঙ্গুর দলকে করেছেন শক্তিশালী। এক সময়ের আওয়ামী লীগের আসন শূণ্য এলাকা থেকে বিগত তিন নির্বাচনে দিয়েছেন সবকটি আসন। অনেক নবীনরা দলে ভিড়ে হয়েছেন মন্ত্রী-এমপি কিন্তু তার ভাগ্যে কোনো কিছুই জোটেনি। দলের সুদিনেও তিনি এখন অনেকটাই বঞ্চিত। দলের জন্য রাতদিন খেটেও হিসেবের খাতায় শূণ্য। এইতো তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। এতে স্থানীয় নেতাকর্মী সমর্থকরাও ক্ষুব্ধ। সাইদুর নামে আরেকজন বলেন, ‘লিটন ভাইয়ের মতো ত্যাগী নেতাকে যদি মূল্যায়ন না করা হয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই আমরা আহত হই। আমি আশা করি তাকে মূল্যায়ন করা হবে। অন্যথা, এটা দলে একটা মন্দ নজির স্থাপন করবে।’ আহমেদ ফিরোজ নামে লিটনের এক ভক্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, জাতীয় চার নেতার এক নেতা এ এইচ এম কামারুজ্জামান সাহেবের ছেলে তিনি। শুধু বাবার পরিচয় দিয়েই নয়, নিজেকে পরিচিত করেছেন নিজের পরিচয়ে। অক্লান্ত পরিশ্রম করেই হয়েছেন আধুনিক রাজশাহীর রুপকার। তিনি যে যোগ্য এবং পরিক্ষিত সে ব্যাপারে কোন বিন্দু মাত্র সন্দেহ নাই। তারপরও বলতে হচ্ছে, আর তিন জাতীয় নেতার সন্তানরা যেভাবে মূল্যায়িত হয় এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ভাই কে কোনদিনই সে ভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি, সন্মান দেওয়া হয়নি। ’ ‘মন্ত্রিত্বের সকল গুণাবলী থাকার পর ও তার কপালে মন্ত্রিত্ব জোটেনি। এবার আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে তার ব্যাপারে অনেকটা আশাবাদী ছিলাম কিন্তু সেই আশায় ও গুড়ে বালি! ’ ‘জননেত্রী আপনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আশা করছি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত কোনো স্থানে তাকে রেখে অথবা আপনার মন্ত্রী পরিষদের একজন করে তার মলিন মুখটি হাসিমাখা করা হবে। কারণ তিনি হাসলেই হাসবে রাজশাহী। তিনি হাসলেই হাসবে শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান সাহেবের বিদেহী আত্মা ।’ পারিবারিক ঐতিহ্য এবং রাজনীতির মাঠে অনেক ত্যাগ থাকা সত্ত্বেও লিটনের পদ না পাওয়ার বিষয়ে অনেকে ষড়যন্ত্রের গন্ধও পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এক্ষেত্রে শীর্ষ নেতানেত্রীদের কান ভাঙ্গিয়ে পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে থাকতে পারেন। খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, জাতীয় নেতার অন্যতম কামরুজ্জামান হেনার দুই ছেলে ও চার মেয়ে। সবাই উচ্চশিক্ষিত ও প্রতিভাবান। এরমধ্যে বড় ছেলে বিদেশ থেকে ইংরেজি বিষয়ে লেখাপড়া করে এসে ১৯৮৬ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। এর আগের কয়েকটি সম্মেলনে তাকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়। সেটাও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সন্তুষ্ট করতে পারেনি। খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র হিসেবে ৫ বছর রাজশাহী মহানগরীর অনেক উন্নয়ন করলেও ২০১৩ সালে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেননি তিনি। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি সমাজে একজন নীতিবান ও মিশুক মানুষ হিসেবে পরিচিত। রাজশাহীর এক প্রবণী নেতা বলেন, শহীদ কামরুজ্জামানের সহধর্মিনী জাহানারা জামান এখনো বেঁচে আছেন। আগের মতো এখন আর কেউ তাদের খোজ রাখে না। এমন কি অসুস্থ হলেও তাকে দেখতে কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা সেভাবে খোঁজ নেন না। তাদের এক ঘনিষ্ঠজনের কাছ থেকে শোনা যায়, জাতীয় চার নেতাদের সহধর্মিনীদের মধ্যে একমাত্র বেঁচে থাকা শহীদ হেনার সহধর্মিনী মুক্তিযোদ্ধা জাহানারা জামান এখন মাঝে মধ্যেই আক্ষেপ করে বলেন- ‘আগে তো শীর্ষ নেতানেত্রীসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই তাদের খোঁজ নিতেন, মাঝে মধ্যে ফোন করতেন। এখন দল ক্ষমতায় কত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানই তো হয়, কিন্তু আমাকে তো ডাকে না। আমার নামে কোনো নিমন্ত্রণও আসে না।
 

Comments

Comments!

 কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ না পাওয়ায় রাজশাহীর লিটন সমর্থকরা হতাশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ না পাওয়ায় রাজশাহীর লিটন সমর্থকরা হতাশ

Friday, October 28, 2016 8:54 pm
157909_1

রাজশাহী: আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে কমিটিতে জাতীয় নেতার অন্যতম শহীদ কামরুজ্জামান হেনার ছেলে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে কোনো পদ না দেওয়ায় তার সমর্থকরা চরম হতাশ হয়েছেন। এ নিয়ে গত ক’দিন ধরে ভার্চুয়াল জগতে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। লিটন সমর্থকদের অনেকেই তাদের পছন্দের নেতাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে কোনো পদ না দেওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

লিটনের ঘনিষ্টজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু সমর্থকরাই নয়, লিটন নিজেও এ বিষয়ে হতাশ হয়েছেন। কেননা, সম্মেলনের কয়েক দিন আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল এবারের সম্মেলনে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হতে পারে।

এছাড়াও আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে লিটনকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করার দাবি জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আসছিল তার সমর্থকরা। কিন্তু গত ২২-২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সমর্থকদের সে আশা পূরণ হয়নি। এতে অনেকেই চটেছেন। এরপরও অনেকে আশা করেছিলেন, লিটনকে অন্তত সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে রাখা হবে। কিন্তু সেটাও করা হয়নি।

লিটন সমর্থকদের বক্তব্য হলো- আওয়ামী লীগ তিন তিন বার ক্ষমতাসীন হলেও এই পরিবারের সদস্যরা বরাবরই থেকেছেন ক্ষমতার স্বাদের বাইরে। এরমধ্যে মাত্র একবার ২০০৮ সালে রাজশাহী সিটি নির্বাচনে  এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন একবার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু সেটি আবার অনেকটাই জোর করে কেড়ে নেয়ার মতো বিষয় ছিল। কেননা, ওই সময় মেয়র পদে ১৪ দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশাকে। পরে স্থানীয়দের চাপে নাগরিক কমিটির ব্যানারে লিটন মেয়র নির্বাচিত হন।

পুরো পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে রমিজ নামে লিটনের এক সমর্থক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে বিএনপির ঘাটিতে ভঙ্গুর দলকে করেছেন শক্তিশালী। এক সময়ের আওয়ামী লীগের আসন শূণ্য এলাকা থেকে বিগত তিন নির্বাচনে দিয়েছেন সবকটি আসন। অনেক নবীনরা দলে ভিড়ে হয়েছেন মন্ত্রী-এমপি কিন্তু তার ভাগ্যে কোনো কিছুই জোটেনি। দলের সুদিনেও তিনি এখন অনেকটাই বঞ্চিত। দলের জন্য রাতদিন খেটেও হিসেবের খাতায় শূণ্য। এইতো তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার। এতে স্থানীয় নেতাকর্মী সমর্থকরাও ক্ষুব্ধ।

সাইদুর নামে আরেকজন বলেন, ‘লিটন ভাইয়ের মতো ত্যাগী নেতাকে যদি মূল্যায়ন না করা হয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই আমরা আহত হই। আমি আশা করি তাকে মূল্যায়ন করা হবে। অন্যথা, এটা দলে একটা মন্দ নজির স্থাপন করবে।’

আহমেদ ফিরোজ নামে লিটনের এক ভক্ত ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, জাতীয় চার নেতার এক নেতা এ এইচ এম কামারুজ্জামান সাহেবের ছেলে তিনি। শুধু বাবার পরিচয় দিয়েই নয়, নিজেকে পরিচিত করেছেন নিজের পরিচয়ে। অক্লান্ত পরিশ্রম করেই হয়েছেন আধুনিক রাজশাহীর রুপকার। তিনি যে যোগ্য এবং পরিক্ষিত সে ব্যাপারে কোন বিন্দু মাত্র সন্দেহ নাই। তারপরও বলতে হচ্ছে, আর তিন জাতীয় নেতার সন্তানরা যেভাবে মূল্যায়িত হয় এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ভাই কে কোনদিনই সে ভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি, সন্মান দেওয়া হয়নি। ’

‘মন্ত্রিত্বের সকল গুণাবলী থাকার পর ও তার কপালে মন্ত্রিত্ব জোটেনি। এবার আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে তার ব্যাপারে অনেকটা আশাবাদী ছিলাম কিন্তু সেই আশায় ও গুড়ে বালি! ’

‘জননেত্রী আপনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আশা করছি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত কোনো স্থানে তাকে রেখে অথবা আপনার মন্ত্রী পরিষদের একজন করে তার মলিন মুখটি হাসিমাখা করা হবে। কারণ তিনি হাসলেই হাসবে রাজশাহী। তিনি হাসলেই হাসবে শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান সাহেবের বিদেহী আত্মা ।’

পারিবারিক ঐতিহ্য এবং রাজনীতির মাঠে অনেক ত্যাগ থাকা সত্ত্বেও লিটনের পদ না পাওয়ার বিষয়ে অনেকে ষড়যন্ত্রের গন্ধও পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এক্ষেত্রে শীর্ষ নেতানেত্রীদের কান ভাঙ্গিয়ে পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে থাকতে পারেন।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, জাতীয় নেতার অন্যতম কামরুজ্জামান হেনার দুই ছেলে ও চার মেয়ে। সবাই উচ্চশিক্ষিত ও প্রতিভাবান। এরমধ্যে বড় ছেলে বিদেশ থেকে ইংরেজি বিষয়ে লেখাপড়া করে এসে ১৯৮৬ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। এর আগের কয়েকটি সম্মেলনে তাকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়। সেটাও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সন্তুষ্ট করতে পারেনি।

খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র হিসেবে ৫ বছর রাজশাহী মহানগরীর অনেক উন্নয়ন করলেও ২০১৩ সালে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেননি তিনি। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি সমাজে একজন নীতিবান ও মিশুক মানুষ হিসেবে পরিচিত।

রাজশাহীর এক প্রবণী নেতা বলেন, শহীদ কামরুজ্জামানের সহধর্মিনী জাহানারা জামান এখনো বেঁচে আছেন। আগের মতো এখন আর কেউ তাদের খোজ রাখে না। এমন কি অসুস্থ হলেও তাকে দেখতে কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা সেভাবে খোঁজ নেন না।

তাদের এক ঘনিষ্ঠজনের কাছ থেকে শোনা যায়, জাতীয় চার নেতাদের সহধর্মিনীদের মধ্যে একমাত্র বেঁচে থাকা শহীদ হেনার সহধর্মিনী মুক্তিযোদ্ধা জাহানারা জামান এখন মাঝে মধ্যেই আক্ষেপ করে বলেন- ‘আগে তো শীর্ষ নেতানেত্রীসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই তাদের খোঁজ নিতেন, মাঝে মধ্যে ফোন করতেন। এখন দল ক্ষমতায় কত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানই তো হয়, কিন্তু আমাকে তো ডাকে না। আমার নামে কোনো নিমন্ত্রণও আসে না।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X