সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, January 4, 2017 8:40 am | আপডেটঃ January 04, 2017 8:40 AM
A- A A+ Print

কেমিক্যাল দিয়ে পাখি শিকার, চরে-নদীতে মৃতপাখি

%e0%a7%aa

শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ভোলার উপকূল ও বিভিন্ন চরে সাইবেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পরিযায়ী পাখি এসেছে। দ্বীপ জেলা ভোলার মাঝের চর, মদনপুর চর, মেদুয়া চর, নেয়ামতপুর চর, চরফ্যাশনের তারুয়া, চর কুকরী-মুকরী, মনপুরার ছোট বড় চরে লাখ লাখ অতিথি পাখি অস্থায়ী আবাস গড়েছে। এ সব দুর্গম চরাঞ্চল পাখির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হওয়ার কথা থাকলেও তা নেই। এখানে পাখি প্রতিনিয়ত ধরা পড়ছে শিকারির ফাঁদে। ধানের সঙ্গে  রাসায়নিক দ্রব্য, চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে তা ছিটিয়ে দিচ্ছে চরে। এতে বহু পাখি অজ্ঞান হয়ে শিকারির হাতে ধরা পড়ছে। আর বহু পাখি মরে পড়ে থাকছে বিচ্ছিন্ন চরে। ভেসে যাচ্ছে নদীর পানিতে। জামাল মাঝি জানান, মাছ ধরতে গিয়ে মেঘনায় অসংখ্য মরা পাখি ভাসতে দেখেন। চরাঞ্চলে অতিথি পাখি মরে পড়ে থাকে। তিনি বলেন, কিছু অসাধু মানুষ ভাটার সময় যখন পানি সরে গিয়ে নদীর বিস্তীর্ণ তীর জাগে, তখন সেখানে কেমিক্যাল মেশানো ধান ছিটিয়ে দেয়। ওই ধান খেয়ে পাখি সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। অনেক পাখি উড়ে অন্যত্র গিয়ে পড়ে যায়। এক সময় মরে যায়। শিকারির দল অসুস্থ ও মৃতপাখি জবাই করে শহরের হোটেল ও বাসা-বাড়িতে বিক্রি করে। গোপনে এ সব পাখি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়। ভোলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সামস উল আলম মিঠু বলেন, পাখি শিকার বন্ধে প্রশাসনের অভিযান ও নজরদারি না থাকায় নিধন চলছে। নিধন বন্ধ না করা গেলে ভোলায় এক সময় হয়ত পরিযায়ী পাখি আর আসবে না। পাখি শিকার বন্ধে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।   pakhi এ ব্যাপারে ভোলার সিভির সার্জন ডা. রথীন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য খাওয়া এ সব পাখি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। বার বার এসব খাবার খেলে লিভার, কিডনি আক্রান্তসহ ক্যান্সার হওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে ভোলা কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের অপারেশন অফিসার নাজিউর রহমান বলেন, শিকারির হাত থেকে পাখি রক্ষায় তারা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষভাবে তৎপরতা চালাচ্ছেন। অভিযানের জন্য তাদের সব স্টেশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Comments

Comments!

 কেমিক্যাল দিয়ে পাখি শিকার, চরে-নদীতে মৃতপাখিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

কেমিক্যাল দিয়ে পাখি শিকার, চরে-নদীতে মৃতপাখি

Wednesday, January 4, 2017 8:40 am | আপডেটঃ January 04, 2017 8:40 AM
%e0%a7%aa

শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ভোলার উপকূল ও বিভিন্ন চরে সাইবেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পরিযায়ী পাখি এসেছে। দ্বীপ জেলা ভোলার মাঝের চর, মদনপুর চর, মেদুয়া চর, নেয়ামতপুর চর, চরফ্যাশনের তারুয়া, চর কুকরী-মুকরী, মনপুরার ছোট বড় চরে লাখ লাখ অতিথি পাখি অস্থায়ী আবাস গড়েছে।

এ সব দুর্গম চরাঞ্চল পাখির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হওয়ার কথা থাকলেও তা নেই। এখানে পাখি প্রতিনিয়ত ধরা পড়ছে শিকারির ফাঁদে। ধানের সঙ্গে  রাসায়নিক দ্রব্য, চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে তা ছিটিয়ে দিচ্ছে চরে। এতে বহু পাখি অজ্ঞান হয়ে শিকারির হাতে ধরা পড়ছে। আর বহু পাখি মরে পড়ে থাকছে বিচ্ছিন্ন চরে। ভেসে যাচ্ছে নদীর পানিতে।

জামাল মাঝি জানান, মাছ ধরতে গিয়ে মেঘনায় অসংখ্য মরা পাখি ভাসতে দেখেন। চরাঞ্চলে অতিথি পাখি মরে পড়ে থাকে।

তিনি বলেন, কিছু অসাধু মানুষ ভাটার সময় যখন পানি সরে গিয়ে নদীর বিস্তীর্ণ তীর জাগে, তখন সেখানে কেমিক্যাল মেশানো ধান ছিটিয়ে দেয়। ওই ধান খেয়ে পাখি সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। অনেক পাখি উড়ে অন্যত্র গিয়ে পড়ে যায়। এক সময় মরে যায়। শিকারির দল অসুস্থ ও মৃতপাখি জবাই করে শহরের হোটেল ও বাসা-বাড়িতে বিক্রি করে। গোপনে এ সব পাখি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়।

ভোলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সামস উল আলম মিঠু বলেন, পাখি শিকার বন্ধে প্রশাসনের অভিযান ও নজরদারি না থাকায় নিধন চলছে। নিধন বন্ধ না করা গেলে ভোলায় এক সময় হয়ত পরিযায়ী পাখি আর আসবে না। পাখি শিকার বন্ধে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।

 

pakhi

এ ব্যাপারে ভোলার সিভির সার্জন ডা. রথীন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য খাওয়া এ সব পাখি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। বার বার এসব খাবার খেলে লিভার, কিডনি আক্রান্তসহ ক্যান্সার হওয়ার আশংকা রয়েছে।

এ ব্যাপারে ভোলা কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের অপারেশন অফিসার নাজিউর রহমান বলেন, শিকারির হাত থেকে পাখি রক্ষায় তারা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষভাবে তৎপরতা চালাচ্ছেন। অভিযানের জন্য তাদের সব স্টেশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X