সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:১০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 10, 2016 4:22 pm
A- A A+ Print

ক্ষোভ থেকে সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা: র‍্যাব

6

রাজধানীর বনানীতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীকে বাড়ির তত্ত্বাবধানকারী আবদুল আহাদ হত্যা করেছেন বলে সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। জিজ্ঞাসাবাদে আহাদ এই তথ্য দেন বলে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে র‍্যাব। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এই ব্রিফিং হয়। এতে আহাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে র‍্যাব-৪-এর অধিনায়ক লুৎফুল কবীর বলেন, জেনারেল ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর ছেলে মো. ফুয়াদ আহমেদ চৌধুরী বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক আহাদকে (৩৫) মারধর করেন। ক্ষোভে বেতন দাবি করে চাকরি ছেড়ে চলে যেতে চান আহাদ। বেতন পরিশোধ না করতে চাইলে তিনি ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীকে হাত-পা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন। লুৎফুল কবীরের তথ্যমতে, এই হত্যাকাণ্ডের পর ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর ফ্ল্যাট থেকে একটি এলইডি টিভি, একটি ল্যাপটপ, একটি মোবাইল ফোন সেট ও নগদ প্রায় চার হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান আহাদ। গতকাল বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মিরপুরের কালাপানি এলাকা থেকে আহাদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। র‍্যাব-৪-এর অধিনায়ক বলেন, ৫ অক্টোবর সকালে বনানী ডিওএইচএসের ৪ নম্বর সড়কের ১৪৮ নম্বর বাড়ির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর লাশ পাওয়া যায়। তাঁকে হত্যার পর বেশ কিছু মালামাল নিয়ে ফ্ল্যাটের সব কক্ষ ও প্রধান ফটক তালা দিয়ে পালিয়ে যান আহাদ। এ ঘটনায় ওই সেনা কর্মকর্তার পরিবারের পক্ষ থেকে কাফরুল থানায় মামলা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‍্যাবকে আহাদ জানান, প্রায় ১০ বছর আগে ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর বাসার কাজ শুরু করেন তিনি। এক বছর চাকরি করে বাড়ি চলে যান আহাদ। তবে ওয়াজি আহমেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাঁর। কয়েক মাস আগে মাসে ছয় হাজার টাকা বেতনে আবার ওই বাড়িতে চাকরি নেন তিনি। গুলশানে ওয়াজি আহমেদের স্ত্রীর আরেকটি ফ্ল্যাট রয়েছে। ঘটনার আগের দিন ফুয়াদ মোটরসাইকেলে করে আহাদকে নিয়ে সেখানে যান। সেখানকার পার্কিংয়ে ফুয়াদ তাঁর মামার প্রাইভেট কারের সঙ্গে মোটরসাইকেলটি তালাবদ্ধ করেন। এ নিয়ে ভবনের তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে ফুয়াদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় এগিয়ে না আসার অভিযোগে আহাদকে পরে মারধর করেন ফুয়াদ। এ কারণে পরদিন তিনি ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর কাছে গিয়ে চাকরি ছেড়ে চলে যাবেন বলে জানান। একই সঙ্গে বেতন পরিশোধ করতে বলেন। বেতন দিতে না চাইলে প্রথমে রশি দেখিয়ে হত্যার ভয় দেখান তিনি। এ সময় ওই সেনা কর্মকর্তা ‘ডাকাত’ ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন। তখন ওয়াজি আহমেদকে তাঁর নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন আহাদ।

Comments

Comments!

 ক্ষোভ থেকে সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা: র‍্যাবAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ক্ষোভ থেকে সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা: র‍্যাব

Thursday, November 10, 2016 4:22 pm
6

রাজধানীর বনানীতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীকে বাড়ির তত্ত্বাবধানকারী আবদুল আহাদ হত্যা করেছেন বলে সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। জিজ্ঞাসাবাদে আহাদ এই তথ্য দেন বলে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে র‍্যাব। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এই ব্রিফিং হয়।

এতে আহাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে র‍্যাব-৪-এর অধিনায়ক লুৎফুল কবীর বলেন, জেনারেল ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর ছেলে মো. ফুয়াদ আহমেদ চৌধুরী বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক আহাদকে (৩৫) মারধর করেন। ক্ষোভে বেতন দাবি করে চাকরি ছেড়ে চলে যেতে চান আহাদ। বেতন পরিশোধ না করতে চাইলে তিনি ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীকে হাত-পা বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন।

লুৎফুল কবীরের তথ্যমতে, এই হত্যাকাণ্ডের পর ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর ফ্ল্যাট থেকে একটি এলইডি টিভি, একটি ল্যাপটপ, একটি মোবাইল ফোন সেট ও নগদ প্রায় চার হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান আহাদ। গতকাল বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মিরপুরের কালাপানি এলাকা থেকে আহাদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

র‍্যাব-৪-এর অধিনায়ক বলেন, ৫ অক্টোবর সকালে বনানী ডিওএইচএসের ৪ নম্বর সড়কের ১৪৮ নম্বর বাড়ির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর লাশ পাওয়া যায়। তাঁকে হত্যার পর বেশ কিছু মালামাল নিয়ে ফ্ল্যাটের সব কক্ষ ও প্রধান ফটক তালা দিয়ে পালিয়ে যান আহাদ। এ ঘটনায় ওই সেনা কর্মকর্তার পরিবারের পক্ষ থেকে কাফরুল থানায় মামলা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‍্যাবকে আহাদ জানান, প্রায় ১০ বছর আগে ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর বাসার কাজ শুরু করেন তিনি। এক বছর চাকরি করে বাড়ি চলে যান আহাদ। তবে ওয়াজি আহমেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তাঁর। কয়েক মাস আগে মাসে ছয় হাজার টাকা বেতনে আবার ওই বাড়িতে চাকরি নেন তিনি। গুলশানে ওয়াজি আহমেদের স্ত্রীর আরেকটি ফ্ল্যাট রয়েছে। ঘটনার আগের দিন ফুয়াদ মোটরসাইকেলে করে আহাদকে নিয়ে সেখানে যান। সেখানকার পার্কিংয়ে ফুয়াদ তাঁর মামার প্রাইভেট কারের সঙ্গে মোটরসাইকেলটি তালাবদ্ধ করেন। এ নিয়ে ভবনের তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে ফুয়াদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় এগিয়ে না আসার অভিযোগে আহাদকে পরে মারধর করেন ফুয়াদ। এ কারণে পরদিন তিনি ওয়াজি আহমেদ চৌধুরীর কাছে গিয়ে চাকরি ছেড়ে চলে যাবেন বলে জানান। একই সঙ্গে বেতন পরিশোধ করতে বলেন। বেতন দিতে না চাইলে প্রথমে রশি দেখিয়ে হত্যার ভয় দেখান তিনি। এ সময় ওই সেনা কর্মকর্তা ‘ডাকাত’ ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন। তখন ওয়াজি আহমেদকে তাঁর নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন আহাদ।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X